মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন বাবদ
আমার মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করার সব কিছু ঠিক ছিল। কিন্তু লাস্টে এডি সারের এপ্রুভাল লাগবে। সে দেয় নাই। ৩ হাজার টাকা দাবি করে। যার ফলে আমাকে ৩ হাজার টাকা দিয়ে ওই বাইকে রেজিস্ট্রেশনটা সম্পন্ন করতে হয়।
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন করার সব কিছু ঠিক ছিল। কিন্তু লাস্টে এডি সারের এপ্রুভাল লাগবে। সে দেয় নাই। ৩ হাজার টাকা দাবি করে। যার ফলে আমাকে ৩ হাজার টাকা দিয়ে ওই বাইকে রেজিস্ট্রেশনটা সম্পন্ন করতে হয়।
আমি আমার জনি নাম জারির জন্য আবেদন করে গিয়েছিলাম ইব্রাহীমপুর ভূমি অফিসে যাওয়ার পরে বলতেছে কাজগে এই সমস্যা ঐ সমস্যা এটা ঠিক করেন এই ভাবে আমাকে তিন বার নাম জারির জন্য আবেদন করতে হয়েছে। তিনবার আবেদন করার পর ৯০০০ টাকা দেওয়া পরে ঐ কাজগে আর কোন সমস্যা নেই আমার নাম জারি হয়ে গেছে। এই ৯ হাজার টাকার সাথে তিনবার আবেদন করা আসা যাওয়া আরো ৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
অনলাইনে খাজনা দেয়ার জন্য জমির খতিয়ান নুতুন করে যোগ করতে হয়। এতে হোল্ডিং নম্বর লাগে। সেই হোল্ডিং নম্বর ক্রিট করতে হয় ,ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সাধারণত এই কাজটি করে থাকে। হোল্ডিং নম্বর ক্রিট ও অনলাইন করার জন্য রিকোয়েস্ট করলে তারা বলে যে সার্ভার ডাউন ,৫০০ টাকা খরচ দিয়ে যান । কাজ হয়ে যাবে।
আমাকে বলা হয়েছে টাকা না দিলে পাশ করানো হয় না।অবশ্য আমি একজন দালালের মাধ্যমে টাকা দিছি।টাকা ছাড়া কেউ BRTA টির সেবা পায় বলে আমার মনে হয় না।
আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য, আমি পেনশনে আসার সময় এফপিও (ফিল্ড পে অফিস) হতে ডিএসপি (জিপি ফান্ড) ফান্ডের হিসাব আনতে ৩,০০০/- টাকা, একই অফিস হতে এলপিআর বিল পাশ হতে ৬৫,০০০/- টাকা এবং এককালীন পেনশন বিল পাশ হতে ১৫,০০০/- সর্বমোট ৮৩,০০০/- টাকা ঘুষ দিতে হয়।
রপ্তানি প্রতিটা ডকুমেন্ট বাবদ ১৫০ টাকা দিতে হয় লোকাল ডকুমেন্ট হলে ১০০০ থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত নেয়
বি আর টিএ অফিসে প্রথমবার লাইসেন্স করতে গেলে ৩০০০/- টাকা চায়। কোন পরীক্ষা ছাড়া পাস করায় দেবে সেই শর্তে। টাকা না দিলে ফেল করায় দেয়। টাকা দিলে রিটেন ও ড্রাইভিং টেস্টও দেয়া লাগে না। নবায়ন করতে আবার একই অবস্থা। তখন নিয়েছিল ২৬০০/-। পরিচিত লোক ছিল তাই দুই বারই কম লাগছে, মানুষের কাছ থেকে আরো অনেক বেশি নেয়।
সাব রেজিস্ট্রী অফিসে কারো যদি টিন বা আয় কর রিটার্ন না থাকে তাহলে জন প্রতি ৩/৪ টাকা ঘুষ দিতে হয় এমন কি সরকার কিছু খাত নিয়ম আছে যা মধ্যে টাকা লাগে না সেখানেও ঘুষ দিতে হয়
নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করি আমরা ৪০+ জন, তাদের বেতন রানিং হওয়ার জন্য প্রত্যেক এর কাছে থেকে ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয় শিক্ষা অফিসের এক কর্মচারির মাধ্যমে। তারা এই টাকা একাউন্ট অফিস ও শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা ভাগ করে নেয়।
জমি অধিগ্রহণের টাকা প্রদানের জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিলম্বিত করে আসছে তাই প্রত্যেকের নামের টাকা দিতে ৪ পার্সেন্ট হারে ঘুষ নিবে এবং অগ্রিম কিছু টাকা ৫০ হাজার নগদ দেয়া হয়েছে তা রংপুর ডিসি অফিস ভূমি অধিগ্রহণ এর কার্যালয়ে প্রদান করা হয়
ভুল করে পাসপোর্ট এর অ্যাড্রেসের একটু ঠিকানা সমস্যা ছিল তার জন্য আমার পাসপোর্ট ভেরিফাই হচ্ছিল না তারপর আমার থেকে আট হাজার টাকা দাবি করে দেন আমি কি আর করার ৮ হাজার টাকা পরিশোধ করার পরে ভেরিফাই করে দিছে পুলিশ ভেরিফিকেশন
বাবার পেনশন উঠানোর জন্য উপজেলা একাউন্টস অফিসে যায়। সেখানে তারা এক লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে। অনেকদিন দেনদরবার করে ৫০ হাজার টাকা দেই।
জমির নামজারি করার জন্য ১৫০০০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। প্রতিটা সেক্টরে বাটপারি
প্রতি কোটিতে ৩% টাকা চেয়েছে, সেই হিসেবে আমার ৭ লাখ এর কিছু বেশী আসছে, টাকা না দিলে ফাইল আগায় না, এই জমি অধিগ্রহণ কেন্দ্র করে আনুমানিক ১০০ কোটি টাকার ঘুষ বানিয্য চলছে।
Without paying bribe it's literally impossible to get money. It's a system, almost everyone pays so we did.
নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য আবেদন করেছিলাম। সেজন্য ঘুষ চেয়েছিল তাই দিতে বাধ্য হয়েছি।
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য ২০০০ টাকা গাড়ি ভাড়া দাবি করা হয়েছে, অথচ আমি নিজে গেছি পুলিশ সুপার কার্যালয়ে। তাদের রুমে কোন সিসি ক্যামেরা নেই। আমার কাছে টাকা নেই বলার পরে ও ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
খাজনা দেওয়ার জন্য জুত খুলতে হয় আমি যত খুলতে গেছিলাম । তো সহকারী ভূমি অফিসারের কাছে গেলাম উনি একজনকে দেখিয়ে দিল বলল উনাদের কাছে যান দুই তিনজনের কাছে ঘুরলাম পরে এক মহিলা উনি আমার কাজটা অনেকক্ষণ পরে করে দিল। কাজ করার পরে আমার কাছে লোকজনের সামনেই ৫০০ টাকা চাইলো। পরে আমি ওনাকে ২০০ টাকা দিলাম। তাতে উনি খুশি হয় নাই।
আমি নিজের হাতে নিজের ফাইল অনলাইনে সাবমিট করি।সেটা নিয়ে নির্ধারিত দিনে যাবার পরে তারা ১০০% সঠিক ফর্ম ভুল বলে অবিহিত করে। এবং নতুন করে আমার কাছে থেকে ১৫০০ টাকা অতিরিক্ত নিয়ে একটা কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে নতুন ফর্ম তৈরি করে, যেটা ভুল ছিলো। সেই ভুল ফাইল তারা এক্সেপ্ট করে।
আমি সংশোধনের আবেদন করি।এই আবেদনের আর কোন খবর ছিলো না।এটা তদন্তকারী অফিসারের কাছে পড়ে ছিলো। নির্বাচন অফিসার আমার ভগ্নিপতির বন্ধু ছিলো।আমি উনার কাছে যাই উনি আরো কিছু কাগজ আনতে বললো। আমি কাগজ গুলো পরে নিয়ে আসি জমা দেই উনি চেক করে ওকে বলে দেয়।কিন্তু ঐ তদন্তকারী রিপোর্ট কিন্তু পাঠায় না। ২ সপ্তাহ এভাবে চলতে থাকে।আমি আবার অফিসে গেলে আমাকে বলে আমার আরো কাজ আছে আপনারটা সিরিয়াল অনুযায়ী আসবে, আমি যখন রিকোয়েস্ট করলাম বললো কাজ করে দিবো আমাদের কিছু দিবেন না! আমার কাছে ভাঙতি ৩০০ টাকা ছিলো আমি তাকে দেই সেই এই টাকা দেখে আমার কাছথেকে টাকা নেয় নাই বলে আপনার কাছে কি আমি টাকা চেয়েছি! পরে আমি বললাম আপনার বিকাশ নাম্বার দেন আমি পাঠাবো উনি নাম্বার দিলো আমি টাকা পাঠাই নাই।তারে ফোন দিলে বলে হাতে কাজ আছে কালকে পাঠাবো আ