খারিজ
জমি খারিজ করার আগে ঘুষ দেওয়া হয়েছিল।
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমি খারিজ করার আগে ঘুষ দেওয়া হয়েছিল।
আমার বাইকের কাগজ মামলার কারণে জব্দ ছিল এবং মামলার ডেট ওভার হয়ে গিয়েছিলাম আমি বলেছিলাম আমি মামলা ভাঙ্গিয়ে নিব এখনই, তারা ডাম্পিংয়ের ভয় দেখিয়ে আমার কাছে পনেরশো টাকা দাবি করে পরে আমি 700 টাকা দিয়ে বাইক ছাড়িয়ে নিয়ে আসি
জমি রেজিস্ট্রি করতে সাব রেজিস্ট্রার আমার কাছ থেকে ২০০০০ টাকা নিয়েছে
সাল ২০২২ মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়। পাসপোর্ট করার সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় পুলিশ আমাকে বলে খরচের টাকা দাও। পরে আমি বলি কিসের টাকা উনি বলে টাকা দিতে হয় সবাইকে খরচের টাকা পরে আমি উত্তরে বলি আপনাকে তো গভমেন্ট সরকার টাকা দেয় আমি কেন টাকা দিব আপনাকে কি বেতন দেয় না? আপনার কাজই তো এটা, আমি তো স্টুডেন্ট টাকা পাবো কোথায়; পরে উনি আমাকে জোরজবস্তি করে বলে যে এটা না দিলে তোমার প্রবলেম হবে আমি চাইনা তোমায় কোন সমস্যায় পড়ো তারপর আমি ভয়ে উনাকে টাকা দিয়ে আসছি ইচ্ছার বিরুদ্ধে
গুলশান থানায় বিগত ৩১.০৮.২০২৬ ইং তারিখে দুপুর ২ : ০০ ঘটিকায় ডিউটি অফিসারকে ১০০০ টাকা ঘুস না দিলে জিডি হবে না মর্মে জানালে ঘুস বাবদ ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমি প্রথমে যে কাগজপত্র গুলি জমা দিতে হবে সেই কাগজপত্র গুলি বিআরটিএ অফিসে গিয়ে জমা দিয়ে আসছি। আমাকে বলা হয়েছিল আমার সাথে যোগাযোগ করা হবে আমার ফোন নাম্বারে। কিছুদিন অপেক্ষা করার পর যখন ফোন পাইনি পরে আমি আবার গেছি যোগাযোগ করার জন্য তখন আমাকে জানানো হয় আমার কাগজপত্রগুলো হারিয়ে গেছে। বি আর টি আর ওয়েবসাইট থেকে কোন কোন কাগজ গুলো জমা দিতে হবে পরে আমাকে পরীক্ষার জন্য লাগবে আমি সব কাগজপত্র গুলি জমা দিয়েছিলাম। যেহেতু আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স দরকার আমি মোটরসাইকেল চালায় আমি বাধ্য হয়েছি ১৩ হাজার টাকা কন্টাক করে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য। আমাকে আরো জানানো হয় যে টাকা দিলে আমার পরীক্ষার কোন কিছুই লাগবেনা। টাকা দেওয়ার পরে অল্প কিছু দিনের মধ্যে আমার ডাক আসে এবং এর কিছুদিন পরে আমি আমার ড্রাইভিং লাইস
Akta Sompurno Mittha mamla, Police report a Jara Sotti Nirdosh cilo, amn ki ghotonar jaygay cilo na, Amn kicu Asamir nam Badir Ajahar theke Bad dibe tar jonno 3 dofay ai tk porishodh korte hoyece. Ata cilo one kind of Blackmail. Jeta Lalmonirhat, Kaliganj Thana Police Er akjon SI amr poribarer sathe 2yers dhore kore astce. Ami kaw k bolte o parci na, tahole Mittha vabe amake & amr poribar k aro hoyrani korbe.
এক পুলিশের এ স আই কে আমি ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। আমি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম আমাকে ডেকেছিল। কিন্তু পুলিশের এই সদস্য অফিস থেকে বের করে আমাকে অন্য এক দোকানের পিছনে নিয়ে যায়। বলতেছে তাকে কিছু খরচ পাতি দেওয়ার জন্য না দিলে সে রিপোর্ট দিবে না। আবার আমাকে সতর্ক করেছে অফিস থেকে ফোন দিলে যেন আমি না বলি টাকা দিয়েছি। প্রথমে আমি অস্বীকৃতি জানিয়েছিলাম যে আমি টাকা দিব না। পরে আমাকে বলা হয়েছিল রিপোর্ট দিবেন না সেজন্য আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি।
সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় হিসাবরক্ষণ অফিসে।বৈধ বেতন, পেনশন, ইনক্রিমেন্ট চালু সহ ভ্রমণ বিলের জন্য টাকা। পে ফিক্সেশন এর জন্য টাকা, বেতন চালুকরণ, বকেয়া বিল,ভ্রমণ বিল,পেনশনের জন্য টাকা নেয় উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসার, হাতিয়া। টাকা না দিলে দুর্ব্যবহার করেন।ফাইল ছুড়ে মারেন।সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী জিম্মি এই লোকের কাছে। এর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার
টাকা না দেওয়া পর্যন্ত কাজে হাত দিতে চায় না। এছাড়াও পরবর্তীতে কোনো বিল বা অন্যান্য কাজ করাতে প্রথমেই টাকা চেয়ে বসে। ৫% তাদের দিতেই হয় এখানে।
আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা এই দেশে জন্মগ্রহণ করেছি। কোটি কোটি টাকা দিয়ে রাইস মিল গড়ে তুলেছি যেখানে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে শত শত লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে আমরা তথা দেশের অর্থনীতিতে একটা বিশাল অবদান রাখছি। আমরা রাইস মিল পরিচালনা করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা পালন করছি প্রতি বছর আমরা সরকারের বরাদ্দিকৃত চাল সরবরাহ করে থাকি সেই চাল সরবরাহ করতে নানান নানান অজুহাতে খাদ্য অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন রকম ঘুষ লেনদেন করে সরকারকে চাল সরবরাহ করছি। এই চাল সরবরাহ কালে নানান দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য চলছে সারা দেশ ব্যাপী। এর একটি উদাহরণ, যেমন ডিসি ফুড ২০০ টাকা টন ও সি লেস ডি ৫৫০ টাকা টন টি সি এএফ ১৫০ টাকা টন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ৫০ থেকে ১০০ টাকা টন এছাড়াও নানান ঘস লেনদেন ছাড়া আমরা চাল সরব
তুমি যদি আমাদের নাস্তার টাকা না দাও তাহলে তোমার নতুন পাসপোর্ট হবে না,আমি বললাম কেন সে বলল আমরা যদি এখান থেকে রিপোর্ট করি তাহলে তোমার পাসপোর্ট হবে না, আমি বললাম এটা কেমন কথা সে বলল পাসপোর্ট না করতে চাইলে টাকা দিতে হবে না আর যদি করতে চাও তাহলে টাকা দাও ওই লাইনে দাঁড়াও বাকিরা তোমার জন্য সামনে আসতে পারছে না তাদের সুযোগ দাও।
আমি হজ্জের উদ্দেশ্য পাসপোর্ট করতে গেলে, সমস্ত কাগজ পত্র ঠিক থাকার পরেও আমাকে সার্টিফিকেট এর নামের মাঝে স্পেস নেই অথচ এনআইডি কার্ডের নামের মাঝে স্পেস আছে এটা বলে ফিরিয়ে দেয়। আমি সকাল থেকে দুইটা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। পরবর্তীতে বের হয়ে আসার সময় বাইরে থেকে একজন দালাল আমার কাছে ১৫০০টাকা চায় এবং বলে পাঁচ মিনিটে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে দিবে। আমার হাতে সময় কম থাকাই নিরুপায় হয়ে ১২০০ টাকার বিনিময়ে রাজি হয়। যেহেতু আমি হজ্জ এজেন্সিক অলরেডি টাকা জমা দিয়ে দিয়েছিলাম। বারোশো টাকার বিনিময়ে সাথে সাথে আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট করে দেয়।
সরকার আমাদের মাটি নিয়েছিলো রাস্তা বানানোর জন্য পরে বাসা ভেংগে চলে গেলোও টাকা দেওয়ার নাম ছিলনা। ঘুস ১ লাখ নিয়ে টাকা পেয়েছিলাম
মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্ম নেওয়া আমি, চাকুরী পাওয়ার পর আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করি। কিন্তু কিছুদিন পর পুলিশ ভেরিফিকেশনে আসে, জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা। দাবি করে ৫০০০ হাজার টাকা। নয়লে শিবিরে নাম ঢুকিয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়ে, এবং স্থানীয় মেম্বারের কথায় বাধ্য হয়েছিলাম ৩০০০টাকা দিতে।
গত মার্চে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদনের পর নির্ধারিত সময়ে কাজ না হওয়ায় বাজিতপুর থানায় যাই। সেখানে থানার মুন্সী আমাকে অযথা হয়রানি করেন এবং নতুন করে আবেদনের চাপ দেন। একই সাথে এক কম্পিউটার অপারেটর রাতে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের অনৈতিক প্রস্তাব দেন। পরবর্তীতে দ্রুত কাজ শেষ করার উদ্দেশ্যে মুন্সীকে ১,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই। ঘুষ দেওয়ার পরও সনদ পেতে ২০ দিন বিলম্ব হয় এবং শেষ পর্যন্ত বাজিতপুর থেকে কিশোরগঞ্জ এসবি অফিসে গিয়ে সেটি সংগ্রহ করতে হয়।
৯৯% বাইকে ফগ লাইট লাগানো থাকে, ঠিক তেমন ভাবে আমার বাইকেও লাগানো ছিলো, কিন্তু, আমাকে আটকিয়ে কাগজ জব্দ, আমার পাশে শত-শত বাইকে ফগ লাইট লাগানো, কিন্তু, ওদের ধরছে না, শুধু আমাকে ধরে ১২০০০/- টাকার মামলার ভয় দেখিয়ে ক্যাশ ৫,০০০/- দিলে, ১২ হাজার এর মামলা দিবে না বলে,,তাই আমি বাধ্য হয়ে দিয়েছি ৫ হাজার, তখন কিছু করার ছিলো না। আইন সবার জন্য সমান হওয়ার দরকার। নিউমার্কেট চট্টগ্রাম।
খারিজ এর অনলাইন রশিদ এর মধ্যে ভুলে জমির পরিমান কম উঠেছিলল সেটা সংশোধন করতে চাইলে ঘুষ দাবি করে । বলে এক বছর পরে আসেন । তখন জমি রেজিস্ট্রি করা বন্ধ হয়ে যেত ফলে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
বদলি হয়ে আসার পর আইবাস ++ একাউন্ট চালু করা, বদলি কৃত স্থানে বেতন কার্যক্রম চালু করার জন্য জেলা হিসাব রক্ষন অফিসে এর অডিটর কাজ করার নামে ঘুষ চাইছে এবং ৯ মাস বেতন আটকিয়ে রাখছে,পরে নিজেরা সকল কাজ ঢাকা থেকে করে আনলে ও বিশ হাজার টাকা দাবি করে পরে ১০ হাজার টাকা দিয়ে বেতন চালু করতে হয়।
যেখানে সরকার থেকে এই সেবাটি দেয়ার জন্য ৫০ টাকা চার্জ নির্ধারণ করা, সেখানে আমার থেকে ৩০০ টাকা চার্জ নিয়েছে, অর্থাৎ যেই টাকা সরকার থেকে নির্ধারণ করা তার পাঁচ গুণ...!বেশি এবং আমাকে অনেক কাগজ পাতি হয়রানি করেছে, যেহেতু ভুলটা তাদের ছিল, তারা ভুল করেছে আমাকে সেই ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে....!