পাসপোর্ট আবেদন জমা দিতে গিয়ে
আমি আমার সকল ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার পরও আবেদন জমা নেয় না টাকা ছাড়া,বাহিরে গিয়ে তাদের নিদিষ্ট দালালের কাছে টাকা জমা দেওয়ার পর আবেদন জমা নেয়
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি আমার সকল ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার পরও আবেদন জমা নেয় না টাকা ছাড়া,বাহিরে গিয়ে তাদের নিদিষ্ট দালালের কাছে টাকা জমা দেওয়ার পর আবেদন জমা নেয়
সেবাটি ছিল ড্রাইভারদের অধিকাল ভাতার বিল, অফিস হচ্ছে মিরপুর ১৪ লালা সরাই অর্থ নিয়ন্ত্রক অফিস নৌ ২৮ লক্ষ টাকার বিলে লাখপতি ১০০০ টাকা করে দিতে হবে এবং যতটা সেক্টর আছে সব সেক্টর বা শাখা টাকা দিতে হয়, চেক শাখায় প্রতি লাখে ১০০ টাকা করে দিতে হয়। তাছাড়া এমন ভাবে টাকা চায় মনে হয় উনি আমার কাছে পাবে। অথচ ড্রাইভার কি পরিমাণ পরিশ্রম করে।
আমার নামজারী মামলা ১৬০৫৫/২৫-২৬, এই মামলাটির জন্য আমি ৪৫০০০ টাকা প্রদান করি, কিন্তু এখনো, আমার ফাইলটি অনুমোদন করেনি। আরেকটি মামলা ১২৫৭/২৬-২৭ ইং, আরো একটি মামলা ২২২১/২৬-২৭ ইং, এই দুই মামলার জন্য ৪০ হাজার প্রদান করেছি, তাও এখনো অনুমোদন আসেনি। পেন্ডিংয়ে পড়ে আছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাটহাজারীর নিয়মিত অফিসেই থাকে না, সপ্তাহে বা মাসে একদিন আসে।
আমার একটা রোগের আর্জেন্ট ইসিজি করার জন্য প্রয়োজন ছিল তো ইসিজি করার মূল টাকা ছিল ৮০ টাকা কিন্তু ওয়ার্ড আমার কাছে ২০০ টাকা দাবি করে আমি নিরুপায় হয়ে আর কিছু করতে না পেরে ২০০ টাকা দিয়ে করি
আমাকে বললো,,আপনি ২০০০০ টাকা দিন,,আপনার খাজনা পরিশোধ করে দেওয়া হবে। আমার খুর জুরুরি ছিল,, ২০০০০ টাকা দিলাম,, দেখলাম খাজনার চেকে লেখা ৪৯৯৬ টাকা। বললো কত লিখলাম সেটা আপনার প্রয়োজন নেই।। আপনার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছর পরিশোধ করে দিয়েছি। বুঝলাম ১৫০০০+ টাকা ঘুষ।
মাসিক ভ্যাট পরিশোধ করতে গিয়ে হয়রানির শিকার। প্রতিষ্ঠানে এসে হয়রানি করা হয়। একই অঞ্চলে আমার প্রতিষ্ঠান এর সমতূল্য অনেক প্রতিষ্ঠান থাকা সত্তেও এবং ১৫ বছর নিয়মিত ভ্যাট প্রদান করলেও৷ প্রতিবছর ভ্যাট কর্মকর্তা পরিবর্তন হচ্ছে আবার হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে৷ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এ অনেকেই ভ্যাট সুষ্ঠুভাবে প্রদান করে না কিন্তু কোন হয়রানি কিংবা তদারকি নেই৷ বরং যারা ভ্যাট দেই তাদেরকেই টার্গেট করে নিয়মিত হয়রানি করা হয়৷ মাসিক ভ্যাট প্রদান সহও অফিসের লোকজন ব্যক্তিগতভাবে টাকা দাবি করে৷ সঠিক কোন আইন তারা বলেও না, ব্যক্তিগত স্বার্থই তাদের কাছে প্রধান্য
আমার গাড়ির দূর্ঘটনা ঘটেছিলো। পরে গাড়ি থানায় নিয়ে যায়। আমার গাড়ির চরম ক্ষতি হয়। কিন্তু থানা থেকে আনতে গেলে টাকা দাবি করে। কেন দাবি করেছিল? তারা ঘটনাস্থল থেকে থানায় নিয়ে গেছে সেটার খরচ + চা খরচ + থানায় দেখাশোনা করেছে তার খরচ। যদিও গাড়ি রেকার দিয়ে টেনে নিয়ে থানার ডাম্পিং এ ফেলে রেখেছে। এটার জন্য ১লাখ টাকা দাবি করেছে। ওসি ইশার নামাজ পড়ে এসে মাথায় টুপি থাকা অবস্থায় ঘুষের টাকা গুনে নিয়েছিল।
পানিউমদা, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ সব জন্মনিবন্ধন ২০০ টাকা নেয়া হয়, সংশোধন ৫০০ টাকা
৩০০০০ টাকা চেয়েছিল, ১৫০০০ টাকা দিয়েছি, কিন্তু এখন কাজ করে দেয় নাই
বিয়ের দিন বাড়ির উঠানে ল্যান্টা হইয়া নাচ শুরু করসে আর অকথ্য ভাষায় গালাগালি। আগত মেহমান থেকে শুরু করে ছোট বাচ্চাকাচ্চা বয়স্ক মহিলা যুবতি মেয়েরা সবাই বিব্রত ও লজ্জিত। ২০ হাজার টাকা দাবি পরিশোধের পরেও মৃত বাবা মা কে বিশ্রী গালাগালি করতে করতে যায়।
New passport abedon korle amake passport office firiye day ei karonei je ami onno district theke ekhane abedon koresi tai, tar pore passport officer samne kisu lok gura guri kore tara jante chay apni ki passport korben pore ami janalam korbo kintu amake bollo extra taka dile apnar sudu id card dile kore dibo amake 3000 taka chay pore ami baddo hoye 2000 taka dile amar passport kore day,
দুই মাসের বেশি হয়েছে আবেদন করেছি এসিল্যান্ড অফিসের লোকেরা টাকা ছাড়া কাজ করে না।
এমপিও ট্রান্সফার ফাইল এপ্রুভ করার জন্য ।
জমির মামলা করব । তাই যাবে না তুলতে গিয়ে ঘুষ দিয়েছিলাম
জমি সংক্রান্ত বিচার করবে বলে, মগনামা উইনিয়ন চ্যায়ার আমার থেক ৫০০০০হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে।বিচার এখনো শেষ করে নাই,উল্টা আরো কিছু টাকা দাবি করে আসতেছে।।।।
Regional Passport Office, Moulvibazar-এ পাসপোর্ট রিনিউ করতে কয়েকবার গিয়েছি, কিন্তু দালাল ছাড়া কোনোভাবেই কাজ হয়নি। বারবার বলা হয়েছে এটা ভুল, সেটা ভুল। প্রয়োজনীয় সংশোধন করে বহুবার জমা দেওয়ার চেষ্টা করেছি, তবুও গ্রহণ করা হয়নি। পরে একই কাগজপত্র নিয়ে দালালের মাধ্যমে গেলে শুধু শেষ পাতায় সামান্য পরিবর্তন করে দেওয়া হয়, যেখানে তাদের সাংকেতিক চিহ্ন ছিল। এরপর সঙ্গে সঙ্গেই সব ঠিক বলে আবেদন গ্রহণ করা হয়। মাত্র ২ হাজার টাকার জন্য আমাকে ৩–৪ বার আসা-যাওয়া করতে হয়েছে। এ ধরনের অভিজ্ঞতা সাধারণ মানুষের জন্য খুবই হতাশাজনক। আশা করি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করবেন এবং দালালনির্ভরতা ও হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে ৫০০০ টাকা নিয়েছে, টাকা না দিলে নাকি ট্রেড লাইসেন্স এ কর্তাবাবু সই করেবন না,
তেরখাদা উপজেলার ৩ নং চাকলাদা ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে ২৫ টাকার ফি সেখানে ৬০০ টাকা নিয়েছে যেটা তিনটা জন্ম নিবন্ধন এর জন্য ৭৫ টাকা ধার্য ছিল কিন্তু সেইখানে ইউনিয়ন অফিস থেকে প্রতিটা জন্ম নিবন্ধনের জন্য ২০০ টাকা করে রেখেছে আমাদের তো না করে উপায় নাই
পেনশনের টাকা উত্তোলনের জন্য ১৫০০০ টাকা দাবি করে, না দিলে ফাইল বা টাকা ব্যাংকে যাবে না বলছে! আমি টাকা দিয়েছি।
আমি জন্ম নিবন্ধন ইংলিশ করার জন্য আবেদন করছিল সে অবদানের জন্য আমাকে ২০০ টাকা টাকা দিতে হয়েছে কিন্তু সরকারের সর্বোচ্চ 100 টাকা নিয়ে যায় তার মানে আমি আরো ১০০ টাকা অতিরিক্ত দিয়েছে ইউনিয়ন অফিস দুর্নীতি শ্রেষ্ঠ আমার থেকে ১০০ টাকায় করে কত মানুষ টাকা নিছি