জমি খারিজ করা
আমার আব্বা আমাকে একটি হেবা দলিল করে দিয়েছে এ দলিলটা আমার নামে খারিজ করতে গিয়ে 5000 হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার আব্বা আমাকে একটি হেবা দলিল করে দিয়েছে এ দলিলটা আমার নামে খারিজ করতে গিয়ে 5000 হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
নাম খারিজ প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোবাইল করে দুই হাজার টাকা দাবি করেন। নিরুপায় হয়ে তার দেওয়া বিকাশ নাম্বারে ১০০০ টাকা প্রদান করি।
আমি একটি সেকেন্ড হ্যান্ড মোটরসাইকেল কিনেছিলাম সেটির কাগজপত্র নাম ট্রান্সফারের জন্য আমি বিআরটি তে অনেকবার গিয়েছি কিন্তু কেউ তেমন গুরুত্ব দেয়নি এবং কাজ খুবই ধীরগতিতে করছে যখনই আমি একটি দালাল ধরে ১০ হাজার টাকা দিয়েছি আমার কাজ করার জন্য তখনই এক সপ্তাহের মধ্যে নাম ট্রান্সফার সম্পন্ন হয়েছে এমন একটি দেশে থাকি যেখানে টাকা ছাড়া কিংবা দালাল ছাড়া একটি কাজ করারও সম্ভব নয়
আপনি খুশি হয়ে আমাকে চা নাস্তা খাওয়ার জন্যে ২০০ টাকা দেন ছাড়পত্র এখনি দিয়ে দিচ্ছি।নয় তো অপেক্ষা করতে হবে।
আমার সকল কাগজ পাতি থাকার পরেও ওরা আমাকে বার বার আটকে দিয়ে ছিল, বলতেছিল কাউন্সিল এর পরিচয় নিয়ে আসতে যা তখন আমার পক্ষে আনা সম্ভব ছিল না,,,,,, পরে আনসার সদস্য ১৫০০ টাকা ঘুস নিয়ে ভিতরে একটা চিন্হ দিয়ে দিছিল, কোন কথায় বলছে না বাকি কোন কাগজ ই দেখছে না
"Actually, no money is supposed to be taken for amending or replacing the by-laws of a cooperative society. According to the rules, the cooperative office is supposed to approve the application within a maximum of three months. However, from the Upazila Cooperative Office inspector to the Upazila Cooperative Officer, and from the Dhaka District Office inspector to the District Cooperative Officer, no work is done without a bribe ranging from 150,000 to 200,000 Taka. In total, we have paid 150,000 Taka in bribes. It has been about 3 years, and the replacement of the society's by-laws has still not been approved."
জেলা পরিষদ এর কাছে আমার একটি ৫০০০ টাকার আর্থিক অনুদান এর জন্য আবেদন জমা দিতে গেছিলাম। চেয়ারম্যান অফিস কক্ষের দারোয়ান কে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে চেয়ারম্যান এর সাথে আবেদনপত্রসহ সাক্ষাৎ করার জন্য।
ডোপ টেস্ট পরীক্ষা, নিজ জেলা না হওয়ায় আমার জেলায় করতে বলে,, টাকা দিলে আবার করে দিসে,,
পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে সরকার নির্ধারিত ফি থেকে ২০০০/- টাকা বেশি দাবী করেছিল। "চ্যানেল" নামক সিন্ডিকেট কুমিল্লা জেলার পাসপোর্ট অফিসে।
খাগড়াছড়ি পাসপোর্ট অফিসে একদিন 🇧🇩 আজকে ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করাতে গেলাম খাগড়াছড়ি পাসপোর্ট অফিসে। গেটে ঢুকতেই সিকিউরিটি গার্ড জিজ্ঞেস করলো, "কী জন্য আসছেন?" ভাই, পাসপোর্ট অফিসে মানুষ কী জন্য আসে? বিরিয়ানি খেতে? যাক, ভেতরে গেলাম। ১০৪ নম্বর রুমে কাগজপত্র দেখে বললো, "অনেক ভুল আছে।" ছোট ভাই জিজ্ঞেস করলো কী করতে হবে। উত্তর পেলাম, "বাইরে যাও, বাইরে বলে দিবে।" কে বলবে? কীভাবে বলবে? কিছু বলা নেই। গেট থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে তিন-চারজন এসে ঘিরে ধরলো। "এই সমস্যা, ওই সমস্যা, একটা দরখাস্ত লাগবে।" পাশাপাশি পনেরোশো টাকা চাইলো। দিলাম। কারণ না দিলে কাজ হবে না, এটা সবাই জানে। টাকা দেওয়ার পর দেখি সব ম্যাজিকের মতো ইজি হয়ে গেলো। বাইরের লোক বলে দিলো ২০৬ নম্বর রুমে যেতে। সেখানে সুন্দর করে সীল লাগিয়ে পাঠ
আমি সরাসরি বিআরটিএ অফিসে গেলাম কেরানীগঞ্জ, আমি বিআরটিএ একজন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি নিজে মালিকানা পরিবর্তন করতে চাই, আমি অফিসের এক কর্মকর্তার কাছে গেলাম, আমার মোটরসাইকেলের পুরানো ফাইলটি বের করার জন্য, সে আমার ফাইলটি খোঁজার জন্য ভিতরে গেল এবং ৩০ মিনিট পর আসলো, সে আমাকে বলল আপনার ফাইলটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, তারপর সে অনেকক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখার পর আমাকে বলল নিজে নিজে কিছু করা যাবে না আমাদের মাধ্যমে করতে হবে, সে বলল আমাদেরকে ৬০০০ টাকা দিতে হবে তাহলে আপনার মালিকানা পরিবর্তন হবে, সে আমাকে আর বলল এ টাকা আমি একা খাব না এখানে বিভিন্ন লোককে দিতে হবে, তারপর কোন কিছু উপায় না পেয়ে আমি তাকে বললাম ঠিক আছে আমি আপনাকে ৬০০০ টাকা দিব আপনি কাজটি করিয়ে দেন, তারপর সে ফাইলটি খুঁজে পেলো।
একটি সংযোগ নির্ধারিত স্থান থেকে নিচতলায় স্থানান্তর কোথায় পুরো ভবনের সংযোগ (৪০ টি চুলা) বিচ্ছিন্ন করা হয়
মোবাইল চুরি হওয়ার পর, পুলিশকে ৩ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার পর মোবাইল এনে দিয়েছে, তার আগে জিডি হাতেও নেয় নাই।
নাম জারির ফি দেয়ার পরেও দুই লক্ষ্য টাকা ঘুষ দেয়া লেগেছিল।
সব কাগজ ঠিক থাকা সত্তেও ৭ হাজার টাকা ঘুষ দেয়া লাগছে পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য।
ময়মনসিংহে পাসপোর্ট করার অন্য নিয়ম চালু আছে। পাসপোর্ট অফিসের বাইরে ২৯/৩০ টা দোকান আছে, কম্পিউটারের এই সবদোকানেই সকল কাজ হয় এবং তাদের ভেতরের অফিসারদের সাথে হাত করা আছে। সকল দেকানের আলাদা আলাদা সংকেত আছে। অফিসাররা ঐ সংকেত দেখেই কাজ করে, সংকেত থাকলে কাগজে ভুল থাকলেও তা পাস হয়ে যায়, আর সংকেত না থাকলে এই টেবিল ঐ টেবিল করতে হয়। টাকা বেশি দিলে সাধারণ পাসপোর্ট ও ৪/৫ দিনে পাওয়া যায়। এটা নিয়ম হয়ে গেছে, তাই ইচ্ছা না থাকা সত্তেও টাকা সরকারি ফি এর থেকে বেশি দিতে হয়েছে। প্রথম বার আমার পাসপোর্ট এর কিছু তথ্য ভুল থাকে যা আমার অনিচ্ছাকৃত ভুল , কিন্তু কাগজে সংকেত থাকার কারণে ঐ ভুল তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট হয়ে যায়। পরে যখন ঠিক করতে আবেদন করি আমি আর টাকা দেই নাই, তাই আমার পাসপোর্ট ৩দিন বেশি আটতে রাখে শেষে আরও ১০০০ দেই।
বলে অনেক কষ্ট হয়েছে বোঝো তো।
মালিকানা পরিবর্তন গিয়ে ৫ ঘন্টায় এত তথ্য চাওয়া হয়েছিলো যাতে করে মাঝপথে আটকে যাই কিন্তু দালাল ধরে টাকা দেওয়ার পর ১০ মিনিটে কাজ হয়ে যায়
ভুমি রেকর্ডের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে গেছে বসুরহাট ভুমি অফিস,, আমাদের যৌথ এবং একক মালিকানা মিলে প্রায় ৩৫ টি পর্চা মাঠ থেকে শেষ পর্যন্ত ৬০০০০০ লক্ষ টাকার অধিক খরচ হয়েছে,,,,
গুনে গুনে ঘুষের টাকা নিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার।