বিল্ডিংয়ের নকশা অনুমোদন
প্রথমে নকশা অনুমোদন দিয়েছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন অযুহাতে কাজ বন্ধ করে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। তাই বাধ্য হয়ে ঘুষের টাকা পরিশোধ করা হয়। যদিও অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী বিল্ডিং করা হচ্ছিল ।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
প্রথমে নকশা অনুমোদন দিয়েছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন অযুহাতে কাজ বন্ধ করে অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয়। তাই বাধ্য হয়ে ঘুষের টাকা পরিশোধ করা হয়। যদিও অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী বিল্ডিং করা হচ্ছিল ।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম কিন্তু ওখানে দালাল ছাড়া কিছুই হয় না যখন আমি নিজের হাতে সবকিছু করে জমা দিলাম তখন তার একটা দোষ খুঁজে বের করলো এবং বলল এটা নিয়ে আসো হবে না এবং আমার কাগজটা ছুরে ফেলে দিল তিন দিন গিয়ে তিন হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে আমার কাজটা করতে হয়েছে আমাদের বাড়ি থেকে যেতে প্রতিদিন ৪০০ টাকা খরচ হইত যাতায়াত ভাড়া কি করবো আমরা বাঙালি তাই তাদের সাথে আপোষ করে কাজ করে আনছি কিছুই করার নেই আমাদের
জমি ক্রয়ের পরে নামজারির জন্য আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করেছিলাম সেই আবেদনের কোনো আপডেট দেয়নি। এরপর ভূমি অফিসে যেয়ে যোগাযোগ করলে আমাকে জানানো হয় এভাবে আবেদন করলে তারা সেটা আমলে নেয় না। এরপর জমির খাজানা বাদেও অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দাবি করে। কাজটি জরূরী এবং ঘুষ ছাড়া অন্য কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে সেই টাকা দেয়ার পরে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে আমার কাজটি হয়ে যায়।
জমির জামজারি করতে টাকা চেয়েছিলেন
পাসপোর্ট নবায়ন, সিরিয়াল থেকে অজুহাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরে টাকা দিলে কাজটি সম্মানের সাথে করে দেয় অতিরিক্ত 2000 টাকা নিয়েছে।
নতুন পাসপোর্ট আবেদন ছিল আমার মায়ের জন্য। আবেদনটি আমি নিজেই করি। মা এবং বোন পাসপোর্ট অফিসে যেদিন যায় আমি ঢাকায় ছিলাম। আবেদনটি করি আমার বাবার মৃত্যুর ৩-৪ সপ্তাহ পর। আবেদন করার সময় আমি হাজবেন্ড অপশনে Widow কোন সিস্টেম দেখি নাই। যেদিন কাগজপত্র জমা দিতে গেল, সব কাগজ ঠিক আছে। যিনি কাগজ জমা নিচ্ছেন, ওনি আম্মুকে জিজ্ঞেস করে আপনার স্বামী কী করেন। আম্মু সরল মনে বললেন ওনি কিছুদিন আগে ইন্তেকাল করেছেন। ওনি এই সুযোগে বলেন তাহলে হবে না। আপনার এখানে Widow নেই। আবার আবেদন করে আসেন। অথচ Widow কোন অপশন ছিল না। তাদের প্রসেসই এমন, কোন না কোন ভুল ধরে কম্পিউটার দোকানে পাঠাবে তারপর তাদের মাধ্যমে টাকা নিয়ে কাজ করে দিবে। সংশোধনের জন্য একটা দোকানে গেল, তারা বললো ২০০০ দিলে হয়ে যাবে। টাকা দিল, তারা অফিসে আসলো কাজ শেষ।
চাকুরীর যোগদান পত্রের সাথে মেডিকেল সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে। এটাকে বলা যায় সিভিল সার্জন এর প্রত্যয়ন পত্র। এই প্রত্যয়ন পত্র আনতে গিয়ে সিভিল সার্জন অফিসারের সহকারীকে পাঁচশত টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
সময় ২০২১, করোনা এর জন্য আবেদন ধীর গতি। ৪-৫ দিন গিয়েছি কোন লাভ হয় না। এর পর একদিন হঠাৎ একজন রাস্তায় আমাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বলে ওরা কিছু একটা করতে পারবে। দরদাম করলাম এবং ৩০০০ দিলাম। কিছুক্ষণ পর ভিতর থেকে একটা পুলিশ এসে নিয়ে গেলো। পুলিশ এক কোনায় নিয়ে আরও ১০০০ টাকা দাবি করে আমার কাছে সর্বশেষ ৫০০ টাকা ছিলো তাই দিয়ে দিলাম। এর পর ১০ মিনিটের মধ্যে আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে আবেদন জমা নিলো। একদম কোন ভিড় ই ছিলো না, তাও জমা নিচ্ছে না ঘুষ ছাড়া। বাইরের দালাল দের আমরা মাঝে মধ্যে গলি দেই, কিন্তু আসল হাত ভিতরের কর্মকর্তা দের।
দলিল রেকর্ড করেতে দিছিলাম তখন তসিলদার সরকারি ফি ছাড়াও ৩০০০হাজার টাকা বেশি নিয়েছে
হিসাব রক্ষণ অফিসে ৫% কমিশন ছাড়া কোনো বিল ছাড়ে না।
No one can't even get a valid driving licence from here without paying to the local brokers, even after passing all the tests.
passport banate diye 1700 taka extra payment korte hoyeche
indirectly dabi kore, kagojporter fake ghati dekhay pore bahire dalal boshe thake, bujha jaay bhitorer kormokorta der sathe contact ache pore bahirer dalal ke tk dile bhitorer kaaj 10 min a hoye jaay.
আমি তিন টি পাসর্পোট তৈরি করার সময় আমার পাসর্পোট পোষ্ট অফিস ভুল হওয়ার কারণে অদিপ্তর থেকে অনেক পরিমাণ ঘুরানো হয় তারপর আমি বাহির তাদের দালালের মাধ্যমে আমার পাসর্পোট টি সম্পূর্ণ হয়েছে।কিন্তু এর কারণে টাকা ও গেছে আমি অধিদপ্তরের কারণে হয়রানি হয়েছি। তারপর আমার থেকে কিছু আনসার ও ঘুষ খাইছে।
নেত্রকোনা জেলার একটি উপজেলা থেকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে বদলির জন্য দুই লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। পরবর্তীতে দেড় লক্ষ টাকায় কাজটি করে দেওয়া হয়। তৃতীয় পক্ষের কাছে 2 লক্ষ টাকা জমা রাখা হয়, বদলি হওয়ার পর ৫০,০০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের এপ্রিলের বদলির নীতিমালা অনুযায়ী সব শর্ত আমার অনুকূলে ছিল। ২০২০ সাল থেকে এই বদলির জন্য ঘুরে এবং তদবির করেও কোন কাজ হয় নি।যদিও শিক্ষক হিসেবে নীতিগত কারণে আমি এই ঘুষ দেওয়ার পক্ষপাতি ছিলাম না, কিন্তু আমার সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। আমার পরিচিত সহকর্মী অনেকেই একই পদ্ধতিতে আমার আগে ও পরে বদলি হয়।
দালাল ছাড়া লাইসেন্স করা অসম্ভব বলে জানতে পারি,তাই দালাল দিয়েই করাই।
জরীপ অফিস থেকে রেকর্ড তঞচকতা করা হয়। সংশোধনের জন্য আবেদন করার পর উপজেলা সেটেলমেনট অফিসে ৳৫০০০০.০০, জোনাল সেটেলমেনট অফিসে ৳৭০০০০.০০ , সার্ভেয়ারকে ৳২০০০.০০ , মোট ৳১২২০০০.০০ ঘূষ দিতে হইছে ।
কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরেও ৩দিন ঘুরাইছে অযথা। পরে তদসংশ্লিষ্ট ব্যাক্তির দারস্থ হলে একটা নম্বর দেয়। সেখানে যোগাযোগ করলে ২০০০ টাকা দিতে বলে। দাবীকৃত টাকা পরিশোধ করলে সাথে সাথে কাজ হয়ে যায়।
প্রথমে আমার আবেদন এর ফাইল টা জমা দিলে একটু ওলট পালট করে দেখে কোন সাইন আছে কি না এরপর আমাকে ডেকে দিয়ে দেয় আমার ফাইল আর ভুল ধরে যে ব্যাচেলর কোন কর্ম হতে পারে না নতুন করে আবেদন করে নিয়ে আসেন 🙂 এরপর বাহিরে এসে আনসার সদস্য কে ১৫০০৳ ঘুষ দিলে আমার ফাইল এ একটা কোড লিখে দেয়। এরপর ঐভাবে জমা দিলে আমার ফাইল জমা নেয় এবং ছবি ওঠায়।
ই নামজারী আবেদনের রিপোর্ট করাতে ৫০০ টাকা দাবি করা হলো না দিলে তারা রিপোর্ট করাবে না অথচ আমরা ক্যানসার রুগির চিকিৎসার জন্য নামজারি করতে এসেছিলাম। শেষমেশ টাকা দেওয়ার পরই খসড়া রিপোর্ট বানিয়ে দিলো নায়েব সাহেব।