জায়গার নকল তুলতে
জায়গার নকল তুলতে ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা পরিশোধ করার পর কাগজটি হাতে পাই
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জায়গার নকল তুলতে ৫০০ টাকা দাবি করে। টাকা পরিশোধ করার পর কাগজটি হাতে পাই
আমার পরিবারের সবার পাসপোর্ট এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে গিয়েছিলাম মোট ৭জন। আমাদের ৪ জনের টা সরাসরি কোনো সমস্যা ছাড়া হয়ে গিয়েছে কিন্তু আমার বড় ভাইয়ের বউ এবং তার ২ ছেলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার সময় কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও হয়রানি করা হয়েছে । তারপর আমরা বাহিরে কম্পিউটার দোকান থেকে ৩০০০ টাকা দিয়ে ৩ টা ফাইলে একটা তাদের গোপন কোড বসানোর পর আবার অফিসে যাওয়ার পর তারা ফাইল গুলো রিসিভ করছে । যা একটা সিন্ডিকেট ব্যবসা। আমি চাই আপনার এই সাইটের মাধ্যমে উপযুক্ত শাস্তি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার সকল ভূমি অফিসে অকল্পনীয় দূর্নীতি হয়। আমি জমি খতিয়ান মানে খারিজ করতে গেলে ৯০০০ টাকা দাবি করে পরে আমি নিজেই আবেদন করি, সকল কাগজপত্র সঠিক থাকলেও ভূমি অফিস তা বাতিল করে দেয়। পরে বাধ্য হয়ে ৯০০০ টাকা দিয়ে খারিজ করতে হয়েছে।
নাম খারিজ করতে গিয়ে এই টাকাটা দিতে হয়েছিল।
2025 সালে সংগঠিত শ্রমিক আন্দোলনের সময় কারখানাগুলোর নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মোতায়েন প্রয়োজন পড়ে, তৎকালীন পুলিশ সুপার প্রতিটি ফ্যাক্টরি হতে 2 লক্ষ টাকার বিনিময়ে পুলিশ মোতায়েন করেন।
Income tax officer assessed my building without any physical visit and he increase my value n rent without proper justification. I already submitted all related documents and deeds with tenant but income tax officer demanded 2,50,000tk and after negotiation he told me 1,80,000tk should be given as ghush, otherwise he will use his power for my unathetical financial loss. I went to tax office and meet with his boss, Deputy Commissioner of Taxes, and told all the things tax inspector done but DCT also want his money without any reason. I tried my best to avoid ghush but without ghush, they will not do anything. Really pathetic. We general public are suffering and nobody is there to help.
সমাজ সেবা অধিদপ্তরর,২০২১ সরকারি প্রতিবদ্ধি ভাতা পায় তখন ১ম বারের মত। সেখান থেকে ৬০০০ টাকা যে অফিসারের মাধ্যমে পাই তিনি নিয়ে নিই।কর্ণপুলী উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে।
আইডি কার্ডের অরিজিনাল কপি ছিল না এর জন্য বাড়তি টাকা দিতে হলো। ফটোকপি নাকি গ্রহণযোগ্য নয়। টাকা দেওয়ার পর ঠিক গ্রহণ যোগ্যতা পেলাম।
বিক্রেতার এনআইডি এর সাথে খতিয়ানের নামের আংশিক অমিল থাকায় সাব- রেজিষ্ট্রার দলির রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকৃতি জানায় এবং ২০ হাজার টাকা দাবি করে অতপর বাধ্য হয়ে ঘুষ দিয়ে কাজ করাতে হয়। উল্লেখ্য নামের আংশিক অমিল এর জন্য প্রমান স্বরুপ ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান কতৃক একই নামের প্রত্যয়ন দেয়ার পরেও সাব রেজিস্ট্রার ভিত্তিহীন বলে বিবেচনা করেন। ঘটনাটি - ২০২২ সালের।
“দাদ্রর মৃত্যুর পর, ওয়ারিশগণের নামে মাত্র ২৪ শতাংশ জমি নামজারি করতে গেলে ইউনিয়ন ভুমি অফিস ১২০০০ টাকা চায়। পরে ১০,০০০ টাকায় রফাদফা হয়। এর মধ্যে ৮০০০ টাকা অগ্রীম দেই। বাকী টাকা নামজারি হয়ে যাওয়ার পর দেই । সময়টা তখন ২০২৬ সালের । জুলাইয়ের শেষের দিকে নামজারি কমপ্লিট হয়। ভুমি অফিস থেকে কল করে নামজারির কাগজ নিয়ে যেতে বলা হয় । পরে নামজারি ও খাজনার কাগজ নিয়ে চলে আসি।”
পাসপোর্ট করার সময় যে হার্ডকপিটি(আবেদনপত্র) ডকুমেন্টস সহ জমা দেয়া লাগে ওটাতে প্রত্যেকবার নানান ভুল দেখিয়ে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছিলো। একসময় টাকাই দাবি করে বসে এবং বলে পাসপোর্ট কর্মকর্তা টাকা না দিলে আবেদনপত্র গ্রান্ট করতে সই করবেন না। অফিসারের কেরানিকে আমরা ২০০০ টাকা ঘুষ দেই ২ টা পাসপোর্ট এর জন্যে। ২০১৬ সালের ঘটনা এটি।
ট্যাক্স অডিট করা হচ্ছে যেটি খুবই ভালো। কিন্তু ট্যাক্স অডিটের নামে কর সার্কেলের কর্মচারীরা ঘুষ বাণিজ্যে মেতে উঠেছে। আমার বাবার ট্যাক্স রিটার্নে জোরপূর্বক ও অহেতুক ভুল প্রমাণিত করে অধিক ট্যাক্স পরিশোধের জন্য বলে, যেই এমাউন্ট কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত নয়। সেই ব্যক্তিরাই আবার গোপনে উকিলদের দিয়ে ঘুষের বিনিময়ে এই অডিট নিষ্পত্তি করতে চেয়েছে। ট্যাক্স অফিসের মতন দুর্নীতিবাজ একটা সেবা খাত থাকলে দেশের রাজস্ব আহরণ কখনোই লক্ষ্যমাত্রায় পৌছাতে পারবে না।
আমার গাড়িতে এলপিজি সিলিন্ডার লাগানো আছে। রংপুর বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ার সাহেব আমার গাড়ির সরজমিন পরীক্ষা করার সময় আমাকে এলপিজি সিলিন্ডার খুলে না ফেললে ফিটনেস দিবেন না বলে জানান। ফিটনেস না দিয়ে তিনি অন্য গাড়ির কাছে চলে যান। তখন এক লোক এসে ২০০০ টাকার কথা বলেন। পরে ২০০০ টাকা দিলে ফিটনেস দিয়ে দেন। ইন্জিনিয়ার সাহেব নিজ হাতে টাকা নেন না। তার টাকা নেওয়ার জন্য লোক আছে। আমি ২০২৪ সালে এবং ২০২৬ সালে ২০০০ টাকা করে দুইবার ফিটনেস করিয়েছি। এটাই এখানকার এলপিজি করা গাড়ির ফিটনেস করানোর রেট বলে জানতে পেরেছি।
আমি ট্রেডলাইসেন্স নবায়ন করব, বলল 12000 টাকা লাগবে। প্রশ্ন করলাম, আমি আপনাকে যা টাকা দেব সেই টাকাই কি লাসেন্স এ উল্লেখ থাকবে? বলল, করলে করান না হয় চলে যান। বধ্যগত করাতেই হলো, কিন্তু 10155 টাকা ট্রেডলাইসেন্স এ উল্লেখ ছিল। বাকি 1845 টাকা তার পকেটে।
পাসপোর্ট করতে গিয়ে যা যা ডকুমেন্টস ছিল সবই ঠিক ছিল কিন্তু তবুও তারা ইচ্ছাকৃত ভাবে কাগজ আটকে দেয় এবং পরবর্তীতে কাজ ১ ঘন্টার মধ্যে করে দিবে বলে ১৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করে কোন উপায় না দেখে আমার মতো আরও ১০ জনের থেকে সেম কাহিনি করে। যদি ঘুষ না দেওয়া হয় তারা কাগজ আটকে রেখে বিভিন্ন হয়রানি করতে থাকে। দেখার কেউ নেই বিধায় সবাইকে বাধ্য হয়ে কাজটি করতে হয়।
আমার নতুন চাকুরী হওয়ায় আগের চাকুরী থেকে ইস্তফা দেয়ার সময় অফিস সহকারী দাবি করে। টাকা দিলে এক দিনেই করে দেয় সব কাজ।
Obtaining a passport turned out to be less about paperwork and more about extortion. My application was repeatedly rejected for alleged errors until I paid a 1,500 TK bribe to a broker right outside the office. He wrote a secret code on my papers, signaling to the officials inside that the price had been paid. Instantly, my previously 'flawed' documents were accepted without a second look—proving that without grease in the palm, legitimate applications are deliberately kept stuck.
একটি রপ্তানীমুখী ফ্যাক্টরির জন্য এসিড লাইসেন্স প্রয়োজন ছিলো, নীলফামারী ডিসি অফিসের দায়িত্বরতরা ধাপে ধাপে 2 লক্ষ টাকা ঘুষ নেবার পর সনদ প্রদান করে।
আমি আমার বিআরএস খতিয়ানের 'নবাব স্টেট' রেকর্ডটি সংশোধন করার জন্য গিয়েছিলাম । কিন্তু এখানকার অফিস পিয়ন এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর সহায়ক আমার কাছে কাজ করে দেওয়ার কথা বলে প্রতিটি শতাংশ বা ডকুমেন্টের জন্য আলাদাভাবে ৪,০০০ টাকা করে ঘুষ দাবি করেছে। আমি অবাক হলাম যে সবাই দিচ্ছে এবং নিরুপায় হয়ে আমার ৪ শতাংশ জমির জন্য আমাকে ১৬০০০ টাকা দিতে হয়েছে। জায়গার লোকেশন : সাভার উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস ঢাকার হেমায়েতপুরের আলমনগর হাউজিং (সুগন্ধা হাউজিং) এলাকায় অবস্থিত।
আমি পরপর দুইবার ঘুষ প্রত্যাখ্যান করি। প্রত্যেকবার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশনে দেখায় ঠিকানা ভুল। তৃতীয়বার বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করায় পাসপোর্ট পেয়েছিলাম