সাব কাবলা দলিল
৫০০০০ টাকা চেয়েছিলো ভেন্ডার, সে অফিস ম্যানেজ করবে। আমার কাজটা দরকার ছিল পল্লবী সাব রেজিস্ট্রার অফিসে, আমি বাধ্য হিয়ে দিয়ে দেই।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
৫০০০০ টাকা চেয়েছিলো ভেন্ডার, সে অফিস ম্যানেজ করবে। আমার কাজটা দরকার ছিল পল্লবী সাব রেজিস্ট্রার অফিসে, আমি বাধ্য হিয়ে দিয়ে দেই।
Ami jokhon passport korte gelam, onek lokjon dekhi vor bela thke line dhore ase, okhane Dalal ase majhe majhe gure beray, ase bole kisu lagbe naki, amake bollo 1500 taka dile athe sathe kaj hobe, amai line thke bahire gelam bahire gele amar paper niye, kisu paper felel dilo & amake derect Finger+signatture Roome pathiye dilo, Then sob kaj ok holo, Ami pore 1100 taka disi baddho hoye
টাকা না দিলে বানান ভূল বলে ফিরিয়ে দিয়েছেন, ৩ বার, তার পর পরিশোধ করেছি
আমি একটি জমির অংশসহ ফ্ল্যাট ক্রয় করি। আমি অনলাইনে নামজারির আবেদন করি। কাগজপত্রের ফটোকপি নিয়ে উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তার অফিসে এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)-র অফিসে গেলে কাগজপত্র এই অফিসে না ঐ অফিসে জমা দিতে হবে, এসব বলে ঘুরায়। পরে আমি ৩ ঘন্টা অফিস থেকে অফিসে ঘুরে শেষে জমা দিয়ে আসি। কিছুদিন পর দলিলে ভুল আছে বলে খারিজ নামঞ্জুর করে দেয়। অথচ একই দলিল শুধু নাম ঠিকানা পালটে প্রায় ২০ জনে আলাদা আলাদা ফ্ল্যাট কিনে এবং অনেকেই নামজারি করে নিয়েছে। পরে আমি শুনলাম টাকা ছাড়া আবেদন করলে আ কার এ কার ভুল হয়েছে দেখিয়ে নামঞ্জুর করে দেয়। পরবর্তীতে এক দালালের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা দিয়ে নামজারি করাই। কাগজপত্র সব একই কিন্তু এবার নামজারি হয়ে গিয়েছে। এসি ল্যান্ড থেকে পিয়ন পর্যন্ত কেউ ঘুষ ছাড়া কাজ করে না এখানে।
Return submission er por Acknowledged slip pete ghush dite hoyeche
ফাইল তার ডেস্কে যাওয়ার পর আমাকে বলে ৪৫ দিন পর আসতে অনেক পেন্ডিং ফাইল আছে আগে ওই গুলো করব তার পর আপনার সিরিয়াল আসবে। আর যদি ৩০০০ টাকা দেন তাহলে ৭ দিনের মধ্যে আপনার ফাইল রিলিজ করে দেব।এক প্রকার বাধ্য হয়ে আমাকে টাকাটা পরিশোধ করতে হয়। এই অফিসের প্রত্যেক টা লোক ঘুষখোর টাকা ছাড়া একটা কাজ ও তারা করে নাহ।
আমার আম্মা গতকাল ফ্যামিলি ক্যাট করার জন্য ইউনিয়ন কাউসার এর দায়িত্ব ইউনিয়ন কাউন্সিলের যে মেম্বার আছে করে দিতে এক সময় রাজি হয় না। কারণ সে একসময় যাও নাই এটা আমার হাতে নাই বিএনপি নেতাদের হাতে আছে বর্তমান। তো তারপর স্থানীয় এক বিএনপি নেতা যে ওয়ার্ড সভাপতি পাঁচ নাম্বার ওয়ার্ড সভাপতি সে সভাপতির কাজ গেলে সে বলে ১৫০০ টাকা দিলে ফ্যামিলি কার্ড করে দেব দেয়ার বিনিময়ে ফ্যামিলি করে দেয়। আমার এড্রেস কুষ্টিয়া জেলা ভেড়ামারা থানা
BIWTC সরকারি জাহাজে মেয়াদ ২ বছর থাকে. ২ পর বদলি হতে চায়লে ৩০০০০ টাকা করে দিতে হয়। পোষ্টিং নেওয়া জাহাজে প্রায় মাসে ২০ থেকে ৩০ লক্ষ টাকার অবৈধ তেল বিক্রি কয়া হয়। যার টাকার বড় অংশ স্থানীয় অফিস গুলো খায়। তার কিছু অংশ জাহাজের কর্মকর্তা মাষ্টার - মেস্তেরি খাই।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস। আমার স্ত্রীর NID ফর্ম অনলাইনে আমি নিজেই পূরণ করে সেটা জমা দিতে গেলে কম্পিউটারে বসা মহিলা সব কিছু চেক করে। আমার স্ত্রীর সকল সার্টিফিকেটের সাথে এমন কি জন্ম নিবন্ধনের সাথেও সব কিছু ঠিক ঠাক পাই। আমার শশুরের NID কার্ডে তার নামের শেষে "মিয়া" কিন্তু আমার স্ত্রীর সকল সার্টিফিকেটে বাবার নামের শেষে "ইসলাম"। এটাই ভুল ধরে তিনি ফর্মটা জমা নেন না। তিনি কোন এক লোকের কথা বলেন। যখন তার কাছে যাওয়া হয় তখন তিনি ১৪ হাজার টাকা লাগবে বলে। এর কমে কোন ভাবেই হবে না। মনে হলো বাংলাদেশটা ওর বাপ দাদার সম্পত্তি। NID টা খুব আর্জেন্ট ছিলো বিধায় বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়। অভাক করার বিষয় হলো টাকা পাওয়ার পর অই মহিলাই ১ দিনে সব কাজ করে দেয়। এই হলো আমার সোনা ধনের বাংলাদেশ।
নাগরিকত্ব সনদ পেতে কম্পিউটারে কাজ করতে হয় বলিয়া ৫০০ টাকা চেয়ে নেয়। পার্শ্ববর্তী দোকানের কম্পিউটার অপারেটরকে সরকারি লোক বলে দাবি করে অফিসে বসা এক লোক।
নতুন জরিপ সিস্টেম করা হচ্ছে ভূমি অফিসে, সেখানে সব কাগজপত্র ঠিক দেওয়ার পর বললো কোন সমস্যা নেই সব কাগজপত্র পেয়েছে। এরপর একটা পৃষ্ঠার জরিপের কাজের জন্য ১,৬৫,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমারা বলছি এত পরিমাণ টাকা নেয় জমিটা বাবা আমি ছোট ছিলাম তখন কিনা । তারপর কয়েকদিন ঘোরাফেরার করে ৭৫,০০০ টাকা দিয়ে কাগজ আনা হয়, বললো এখন না নিলে পরে এর থেকে বেশী টাকা দিতে হবে।
আমার স্ত্রী সরকারী চাকরি করে । চাকরি স্থায়ী করার আগে, পুলিশ আমার স্ত্রী কে কল দিয়েছিল। কাগজপত্র কুরিয়ার করতে বলে এবং আমরা তাই করি। আমার শশুর এর আইডি কার্ড এ শশুর এর নাম ভুল ছিল। তাছাড়া আমার শশুর শাশুরির তালাক ও হয়েগিয়েছিল। পুলিশ ইনিয়ে বিনিয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে আমাদের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা নেয়। পরবর্তীতে আবার ও কল দিয়েছিল। আরো সমস্যা দেখাচ্ছিল। কিন্তু আমরা আর কোন টাকা দেই নাই।
আমি আমার ভোটার আইডি কার্ডটি আনতে যাই আমার খুব দরকার ছিলো। তারা সেটা বুঝতে পেরে সার্ভার এর দোষ দেয় এবং ১ মাস পরে যেতে বলে কিন্তু আজকেই চাইলে ১৫০০ দিতে হবে পরে ১০০০ দিয়ে নিয়ে আসি।
I purchased a 950 square feet Flat in Rampura using my Staff House Building Loan. I also recorded it to the wealth Statement. The Income Tax officer called me and asked the amount.
ঘটনাটি যদিও ইন্টারিম গভমেন্টের সময় ঘটেছে। আমি একজন প্রবাসী এবং আমার লোকাল থানা থেকে পাসপোর্ট ক্লারিফিকেশনের জন্য আমাকে ফোন দেয়া হয়, আমি অফিসারকে বিস্তারিত ইনফরমেশন দেই এবং আমাদের লোকাল জনপ্রতিনিধিকে উনার সাথে দেখা করিয়ে দেই তারপরও সেই করাপ্টেড অফিসার আমার বাড়িতে এসে নাস্তা পানি করে ৫০০০ টাকা নিয়ে যান। আর টাকা না দিলে উনি বাড়ি থেকে যেতে সম্মত হন নাই। অতএব, একপ্রকার জিম্মি হয়ে উনাকে টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমার মামা একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর আবেদন করে সৌদি আরব কাজের ভিসায় যাবে বলে। আবেদন করার দুইদিন পরে পুলিশ মামাকে কল দেয়। এবং কিছু কাগজ পত্র চায়। সেদিন বৃহস্পতিবার ছিলো তাই সিটি কর্পোরেশন থেকে সেইসব কাগজপত্র ম্যানেজ করা সম্ভব হয়নি ফলে পুলিশ ভাইকে বলা হয় শনিবার কাগজ গুলো দেয়া হবে। এর মধ্যে মামার রবিবার ঢাকাস্থ সৌদি এম্বাসি তে ফিংগার প্রিন্ট এর ডেট পরে। তাই শনিবার সকালেই উনি চলে যান। এবং আমাকে বলে যাব যেন আমি কাগজ গুলো থানায় পৌছিয়ে দেই। আমি কাগজ গুলো দিতে গেলে উনি কাগজ গুলো নেন এবং বলেন যে সম্মানী কিছু দেয় নাই? আমি বলি শুধু কাগজের কথা বলছে। সম্মানীর কথা তো বলে নাই। আমাকে তখন বলে দেখেন কি করবেন। এরপর আমি বলি আমি টাকা নিয়ে আসি নাই। বিকাশ নাম্বার দেন। উনি বলে না বিকাশে টাকা নেয়া যাবে না।
২০২৩ সালে থানায় স্ত্রী কর্তৃক মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়। পরবর্তীতে স্ত্রী তা মিথ্যা স্বীকার করে উঠিয়ে নেয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট এস.আই বললো ২০০০ টাকা খরচ আছে। কিসের খরচ জানতে চাইলে তিনি রেগে যান। বলেন কিসের খরচ বুঝেননা? থানায় আসলে দিতে হয়। আমি দিতে অস্বীকার করলে তিনি আমার অফিসে এসে বসে থাকতেন। সম্মান বাঁচাতে এবং নিরুপায় হয়ে তা পরিশোধ করেছিলাম।
৭০০০ টাকা না দিলে নামজারি অনুমোদিত হবে না।প্রথমবার দেইনি এজন্য নামজারির আবেদন বাতিল করেছে।দ্বিতীয় বার চাহিদানুযায়ী টাকা দেবার পর অনুমোদন করেছে।
আমি একটি খারিজের জন্য পাকুন্দিয়া ভূমি অফিসে যায় । অনলাইন আবেদন করার পর নায়েব ও নাজির আমার কাছে 20000 টাকা দাবি করে । এই মহুর্তে খারিজটি জরুরি থাকায় বাধ্য হয়ে আমি পরিশোধ করি।
দুই বার পরিক্ষা দিয়েছি পাস হইনা। বাইক থেকে পা পরে নাই। ড্রাইভিং ভুল হয়নাই। কিন্তু অজানা কারনে পাস দেয় নাই। ৩য় বার পরিচিত এক ভাই ৩০০০ টাকা নিয়ে কাকে জানি দিলো আমি পাস। পরে বুঝলাম কেন আমি ফেইল করতাম।