Police clearance certificate
Thanay ghush dite hoyeche police clearance certificate er jonne.
19,197 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Thanay ghush dite hoyeche police clearance certificate er jonne.
২০১৫ সালে আমার প্রথম পাসপোর্টের আবেদন করি, কিন্তু তারা কোনভাবেই আবেদন গ্রহণ করেনি, অনলাইন আবেদন করে নিয়ে গেলেও বলে সার্ভার কাজ করছেনা! পরবর্তিতে ১৫০০ টাকা দাবি করে আবেদন জমা নেওয়ার জন্য, যে আবেদন জমা নিয়েছে সে ৫০০ রেখে বাকিটা অফিস প্রধানকে দিয়েছে! ভালো রকমের একটা সিন্ডিকেট ছিলো, হাজীরাও রেহাই পায়নি...
ট্যাক্স সারকেলঃ২০৩, ট্যাক্স জোনঃ ১০ , লিফটের ৭/৮ তলায় অবস্থিত অফিস থেকে গত নভেম্বর ২০২৪, আমার কাছ থেকে শুধুমাত্র ট্যাক্স জমা দেয়ার প্রত্যয়ণ পত্র পেতে আমার কাছ থেকে তারা ৫০০০ হাজার টাকা চা নাস্তার টাকা দাবি করে, যেহেতু ব্যাংকের কাজের জন্য আমার এটা জরুরি ছিল, তারা আমাকে বলে ১ মাস ও লাগতে পারে এর জন্য, এই বলে আমাকে ভীতি প্রদর্শন করে, তারপর অনেক অনুনয় করার পর ২০০০ টাকা নিতে রাজী হয়, ৫ মিনিট পর তারা আমার প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করে।
স্কুল থেকে এসএসসির মার্কশিট নিতে আর প্রশংসা পত্র নিতে,,সরকারি স্কুল হাওয়া সত্বেও,, লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়
ডায়াগনন্স্টিক সেন্টার চালু করার জন্য ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স করতে হয়। লাইসেন্স করতে সরকারি টাকা দিতে হয় ১২ হাজার টাকা কিন্তু আমাকে পরিশোধ করতেছে ৩০ হাজার টাকা
আমি অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন করেছিলাম। সব ঠিক ছিল। কোন ঝামেলা ছিল না। কিন্তু যিনি পাসপোর্ট ভোরিফিকেশনের জন্য আমার বাসায় এসেছিলেন উনাকে ৮০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল।
নামে ভুল ছিলো, আইডিতে ঠিক করা হয়েছে, নতুন আইডি অনুযায়ী নাম পরিবর্তন করে দরখাস্ত করা হয়েছে তাই এটা ৬ মাস পরে করতে হবে, বলে ফিরিয়ে দেয়, অনেক জায়গায় ঘোরাঘুরি করেও কাজ না হলে পাশে এক দোকানদার বলে আপনার কাছে চাওয়ার সাহস পায়নি, ২০০০ টাকা সাথে দিলেই সব হবে, পরে তাই হয়েছে। তরখাস্ত জমা দেওয়ার কাউন্টার।
দাদীর টেষ্টের রিপোর্ট করতে গিয়েছিলাম হৃদরোগ ইন্সটিটিউট শ্যমলী তে, ইমার্জেন্সি ছিলো, হার্ট এটাক এর রোগী, রিপোর্ট এর জন্য কোনো মানি রিসিট না দিয়ে টেষ্টের কাগজের উপর লাল দাগ দিয়ে ছিলো, আড় এক্সট্রা টাকা নিয়েছিল। আবার হৃদরোগ এর আই সি ইউ তে রোগীর সাথে একজন থাকা লাগে, সেখানে ঢুকতে বের হতেও আনসার কে টাকা দেয়া লাগছে।
সরকার বলে যে নামজারি করতে টাকা লাগে ১১৭০/- টাকা বাস্তবে আসলে চিত্র অন্য। প্রথমে গেলাম তেজগাঁও এর ভূমি অফিসে প্রধান শাখায়,তখন মেলা চলতেছিল। তো আমি আমার নামজারি ব্যাপারে কথা বল্লাম সেখানকার কোন এক কর্মচারীর সাথে এবং সে বল্লো এই কাগজ/সেই কাগজ আরো কত কি। মানে আপনি ঐ কাগজ বের করতে করতে আপনার জুতার তলা শেষ হবে কিন্তু কাগজ বের হবে না টাকা ছাড়া কারন সেটাও কোন না কোন সরকারি অফিস। যাই হোক এর পর গেলাম মিরপুর ১০ এর ভূমি অফিসে এবং সেও সেই একই কথা এটা আনেন ওটা আনেন তার পর অনলাইনে জমা দিন সাথে হাজিরা তো আছেই। এখন এগুলো করবো নাকি আমার চাকরি ঠিক রাখবো। তখন সে বল্লো ২৫০০০/-টাকা দিলে কিছুই করতে হবে না সেই সব জোগার করে দিবে হাজিরাও দিতে হবে না। তো আমার আর কোন অন্য উপায় নাই তাই রাজি হতে হলো।
পাসপোর্টের আবেদন ফাইলে ভুল আছে বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়ে ছিলো পরে ৩০০০ টাকায় পাশের কম্পিউটার দোকান থেকে গোপন সংকেত দিয়ে একই ফাইল জমা নিয়েছিলো
Passport renewal. He asked for NOC, I said I don't think NOC is needed for passport renewal process. Then he said I won't be able to process further without paying him 1500. Sarcastically, after paying him the money he said now tell me any paper you need I can arrange. He asked if I need marriage certificate! He can do it in a minute if I want xD
অর্থোপেডিক জরুরি (ER) অপারেশনের জন্য একটি সিট পেতে রোগীকে দীর্ঘ ৩ মাস ধরে হন্যে হয়ে ঘুরতে হয়েছে। পরবর্তীতে হাসপাতালের একজন ওয়ার্ডবয় হিসেবে পরিচয় দেওয়া ব্যক্তি সিট ম্যানেজ বা জোগাড় করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে এর বিনিময়ে তিনি রোগীর কাছ থেকে ৮,০০০ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন।বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় |
আব্বা মারা যাওয়ার পর আমাদের একটা জায়গায় ফ্লাট হয়েছিলো সেটির নামজারি করার জন্য আমাকে ৪মাস টেবিলে টেবিলে ঘুরা লাগে এবং ৫০০০০টাকা ঘুষ বিনিময় হয় । নিচের থেকে একদম উপরে বসা বিসিএস ক্যাডারও ঘুস খান ।কি করবো নিরুপায় ছোট বোনের বিয়ের জন্য এইটাকা পরিশোধ করে আমার নামজারি করতে হয়
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে নিয়োগের পর যোগদানপত্র পাওয়া নিয়ে দেরি হচ্ছিল। ভেরিফিকেশন হয়েছে মেডিক্যাল সব হয়েছে কিন্তু যোগদানপত্র পাচ্ছি না, যোগাযোগ করলে বলল 'স্পিডে পেতে স্পিড মানি লাগে'। আমার পারিবারিক আর্থিক টানাপোড়নে রাজি হয়েছি। ১০০০০ (দশ হাজার চেয়েছিল), ৫০০০ পাঁচ হাজারে মিটমাট করেছি। ১ মাস দেরি হলে ১ মাসের বেতন অপেক্ষা ৫০০০ টাকা কম মনে হয়েছে।
আসসালামু আলাইকুম আমি একজন শাক সবজি এবং ফলমূল রপ্তানি কারক। দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তাজা শাকসবজি এবং ফলমূল রপ্তানি করে প্রচুর পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশে আমি আরোহন করছি। বাংলাদেশ বিমানের মাধ্যমে আমরা কার্গো পাঠাতে গেলে স্পেস বাড়ার জন্য পার কেজিতে 10 টাকা থেকে শুরু করে আরো বেশি পর্যন্ত তারা বিভিন্ন ধরনের টাকা দাবী করে আপনি সাপোজ ১০০০ কেজি কার্গো বুকিং এর জন্য আবেদন করেছেন আপনার কাছ থেকে তারা পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করে। এ টাকা না দিলে আপনাকে স্পেস বরাদ্দ দিবে না। এই ব্যাপারটা মোটামুটি এয়ারপোর্ট এর কার্গ সেকশনে সবাই অবগত আছে। এবং এই টাকাটা বিমানের কার্গো-ডাইরেক্টর থেকে শুরু করে নিচ পর্যন্ত সবাই ভাগাভাগি করে নিয়ে থাকে। আমরা এর দ্রুত প্রতিকার চাই।
পৈত্রিক ভূমির ৩০ বছর আগের সরকারীভাবে প্রস্তুতকৃত নামসূচিতে দাগ নাম্বারে ভুল লিখিত ছিল। নামজারীর আবেদনে এই সমস্যার সম্মুখীন হলে দীর্ঘদিন এখানে সেখানে হ্যানস্থা হয়ে এক ব্যক্তির মাধ্যমে ১৫০০০ টাকায় সংশোধনের চুক্তি করতে বাধ্য হই।
বাইরের দোকান থেকে সব কাগজ পত্র দিয়ে অনলাইনে আবেদন করে সব কাগজ গুলো নিয়ে সিটি করপোরেশন ওয়ার্ড আফিসে কম্পিউটার অপারেটরের নিকট জমা দিলাম, উনি ( সব চেক করলেন অতঃপর ১৫০ টাকা খরচ চাইলেন যেহেতু আমার খুবই প্রযোজন তাই দিতে বাধ্য হলাম।
সিটি স্ক্যান করার সময় একটা মেডিসিন দিতে হবে এই কথা বলে এক্সট্রা ৩০০০ টাকা নিচ্ছে কিন্তু পরে ওই মেডিসিন দেয় নাই
পোস্টিং এর জন্য ৮ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল আমি পরের তিন হাজার টাকায় মিটিয়ে ছিলাম
সার্টিফিকেট তোলার বিনিময়ের টাকা