জমি খারিজ
টাকা না দিলে খারিজ হবে না। এখনো হয় না। আমার ঘটনা ১ বছর আগের।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টাকা না দিলে খারিজ হবে না। এখনো হয় না। আমার ঘটনা ১ বছর আগের।
সময়টা ২০২৫ সাল। আমি আমার ক্রয়কৃত জায়গা নামজারি করাতে ভূমি অফিস যাই। আমার সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। আমমোক্তারনামা বলে জায়গা ক্রয় করি। ক্রয়ের আগে আমমোক্তার যাচাই করা হয়। কিন্তু ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার বলে আমমোক্তারনামা যাচাই করতে হবে। সময় লাগবে ৭ দিন। আমি বলেছিলাম এটা যাচাই করা আছে। তিনি বললেন ২০০০ টাকা দিলে এখনই সমাধান হয়ে যাবে। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দেই।
amder pray 6 lak jomanu tk chilo dak office e pore ek kormochari tk dewar khota bole room e nie cha natar th chai.......amr ammu poe oke 1000 tk dei ..........ami sobar samne er protibad kori .......but keo amake support korenai...
প্রতি বছর বন্ড লাইসেন্স নবায়নের সময় তার ৫/৬ লাখ টাকা দাবি করে না দিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে। এছাড়া বন্ড কমিশনার , সুপার , পিওন ,সব কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে মাসোহারা দিতে হয় ১০/১৫ হাজার টাকা।
ঘটনা টি অক্টোবর ২০২১ এর । মা মারা যাওয়ার পর তাঁর নামে থাকা সঞ্চয়পত্রের নমিনি হিসেবে আমার বাবার নামে সেটি স্থানান্তর করার জন্য জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরোর, মতিঝিল (সোনালী ব্যাংক এর প্রধান শাখা), ঢাকা এর সহকারী পরিচালকের কাছে গেলাম। সহকারী পরিচালক আমাকে তাঁর পিয়ন/অফিস সহকারীর কাছে পাঠিয়ে দিলেন। এরপর শুরু হলো নানা আইন-কানুন, নিয়ম আর জটিলতার কথা। একজন শোকাহত সন্তান হিসেবে তখন আমার একটাই চিন্তা- মায়ের রেখে যাওয়া সঞ্চয়পত্রটা যেন কোনোভাবে বাবার নামে করা যায়। একপর্যায়ে পিয়ন আমার কাছ থেকে ১০,০০০ টাকা নিলেন। টাকা নেওয়ার পর আবার বললেন, “এই ১০,০০০ টাকা তো স্যারের জন্য!” কথাটা শুনে আমি আরও ২,০০০ টাকা তাঁকে দিলাম। টাকা এর সাথে আর একটা জিনিস দিয়েছি, অভিশাপ।
আমি জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম আমার, আমার বাচ্চার । সব পেপার দেয়ার পরও ২০ দিন চলে যায় কোন মেসেজ না পেয়ে যাই আবার ঢাকা সিটি কর্পোরেশন মিরপুর ১০ এ , যেয়ে দেখি ঘুষের জন্য সবাই লাইন এ আছে, আমি আমার জন্ম নিবন্ধন এর বেপারে বললে বলে পরে আসেন । এর ১ মাস চলে যায়, বলে সার্ভার সমস্যা । পরে ফোন দিয়ে বিকাশে ১০০০ টাকা নিয়ে জন্ম নিবন্ধন ইস্যু করেছিল ১২ ঘণ্টায় ।
সরকারি জেলা পরিষদ এ জমি অধিগ্রহনের চেক গ্রহণের জন্য অফিসিয়াল এপলাই করার পর ও দীর্গ ১ বছর অপেক্কা করানোর পর জানাই টাকা ছাড়া চেক রেডি হবে না , নিরুপায় হয়ে অফিস সহকারী, ও সার্ভেয়ার আমার থেকে চেক এমাউন্ট এর একটা পার্সেন্টেজে হিসাবে ২০০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয় .
টাকা না দিলে ভুল তথ্য দিয়ে হেনস্তা বা স্কুলের এমপিও বন্ধ করে দিবে।
আমার আম্মার NID তে নামের ভুলের কারনে পেনশনের টাকা আটকায় দিয়েছিল, পরে ৫ বছরের টাকা একসাথে দেবার সময় ৮ লাখ টাকা থেকে ১ লক্ষ তাদের কে দিতে হয়।
বাবার ডেথ সার্টিফিকেট তুলতে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করছিলাম। কিন্তু বারবার ভুল তথ্য প্রিন্ট আউট করে দিচ্ছিলো ওরা। ওয়েবসাইট এর ত্রুটি না ইচ্ছাকৃত ভুল জানিনা। ওয়ার্ড নং ১৯ এর জায়গায় ১৬। বললো ওয়ার্ড সচিবের sign লাগবে। ১৯, ১৬ দুইটাই ট্রাই করে দেখলাম। Sign দিলোনা সচিবেরা। এক ফ্রেন্ড বললো টাকা রাখতে হাতে, সে কথা বলে দেবে। তার পরিচিত একজন আছে। টাকা দিতে বাধ্য হলাম। ৫০০ যদিও দাবি করেনি। বললো একটা এমাউন্ট দিয়ে দিতে। ওয়ার্ড সচিবের sign লাগলোনা।নতুন ডেথ সার্টিফিকেট হাতে পেলাম। ঐখানে ওয়ার্ড নং-এর অপশনই নাই।
সেখানে যেকোন কাজ করতে হলেও টাকা দিয়ে করাতে হয়, যেমন অফিসের আয়া বা ওয়ার্ড যারা তাদেরকে দিয়ে রোগিকে কোথাও নিতে পে করতে হয়
হইমোবেলা বালিকা উচ্চবিদ্যালয় হতে ২০২৬ সালের জুলাই মাসে সার্টিফিকেট উত্তোলনের জন্য দপ্তরী এবং প্রধান শিক্ষক ঘন্টার পর ঘন্টা বসিয়ে রাখে এবং ফুপুর পার করে টাকা দাবী করে, টাকা দেওয়ার পর সারটিফিকেট দেয়
কয়েক দিন আগে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল রেকর্ড নিয়ে রেকর্ড সংশোধন করতে সিলেট আলমপুর সেটেলমেন্ট অফিসে আমরা যাই কথা বলি কমকর্তার সাথে সরকারি এই কমকর্তা বলে আপনাদের প্রতিপক্ক ৪লাখ দিয়ে গেছে এই বিষয় আপনারা ৫ লাখ দেন কাজ হয়ে যাবে আমরাও সাথে সাথে ৫ লাখ দিয়ে আসি ২ দিন পর কল করে আমাদের প্রতিপক্ক নাকি আরও ২ লাখ দিয়ে গেছে এখন আমরা নাকি আরও ৩লাখ টাকা দিলে আমাদের পক্কে রায় আসবে । এই সরকারি অফিসে পতিটি বালু কনা ঘুষ বানিজ্যর সাথে জড়িত
বরগুনা পাসপোর্ট অফিসে সব কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমার ফাইল জমা নিচ্ছিল না, বলে আপনার বাবা মায়ের নামের মিল নেই, তারপরে দালাল আসে পনেরশো টাকা চায় আমি পরিশোধ করে দেই, এরপর ফাইল জমানেয় ও পাসপোর্ট হয়ে যায়, এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশনে ১০০০ টাকা নেয়। মোট ২৫০০ টাকা বেশি নিয়েছে
সরকারি চাকরিতে ঢুকে নিজের প্রথম বেতন করতে হলে পে ফিক্সেশন করা লাগে। মিষ্টি খাওয়ার টাকা না দিলে মাসের পর মাস ঘোরায়। এছাড়া যেকোনো প্রাপ্য টিএ ডিএ বিল তুলতে গেলেই মোট বিলের ৩-৫% পর্যন্ত দাবী করে। না দিলে হয়রানি। এটার প্রতিকার চাই।
বগুরা থেকে ঢাকা যাবার পথে সামান্য ওভার স্পীড ধরা পরে। তারা বেশ অনেক্ষন আমার গাড়ির কাগজ পত্র চেক করে। কিছু না পেয়ে শেষ মেশ স্পীডিং এর মামলা দেবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়। আমি এক পর্যায়ে বলি মামলা দিয়ে দেন তখন তাল বাহানা করে। আসলে কোন ভাবেই মামলা হয় না। যা বুঝলাম তাদের মামলা দেয়ার মত ঘুষ এর ও একটা টার্গেট থাকে। আমি সেই টার্গেটের শিকার। এর পরে ১৫০০ টাকা দিয়ে প্রায় আধা ঘন্টা পরে বের হয়ে আসি।
Ntrca কর্তৃক ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে নিয়োগ পাওয়ার পর। mpo বা বেতন করানোর জন্য ৩৩/৩৪ পেজ সম্বলিত তথ্য জমা দিতে হয়। কাগজ ঠিক থাকলে ও নানা অজুহাতে ফাইল রিজেকশন হয়। পরে যোগাযোগ করলে টাকা দাবি করা হয়। টাকা প্রদান না করলে ফাইল পরবর্তী ধাপে পাঠানো হয় না। ৩/৪ টি ধাপে কাজটি সম্পন্ন হয়। প্রতিটি ধাপে ২/৩/৪ টাকা লাগে ফাইল ছাড় করতে। বাধ্য হয়ে দেয়া লাগে।😐
নামজারি দ্রুত হবে বলেছিল। আপনি ঝামেলা এড়াতে পারবেন। কোন উন্নত মানুষ কন্টাক্ট পরিস্থিতি এমন করা ছিল আপনি টাকা না দিয়ে পারবেন না।
বেসরকারি ব্যাংকে চাকুরি দিয়ে এক জন যুগ্ম সচিব এই টাকা নিয়েছে।উনি এমন৫-১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জনকে চাকরি দিয়েছেন।বর্তমানে ২০ জনের মত টাকা উনার কাছে আছে।উনার ছোট ভাই এই লেনদেন করে।আগে অর্থ মন্ত্রনালয়ে ছিলেন বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে আছেন।
আমি যখন আমার পাসপোর্ট করতে যায় যাই তখন জন্ম নিবন্ধন ও ভোটার আইডি কার্ডে আমার নামের একটি অক্ষর ভুল থাকার কারনে পাসপোর্ট অফিস থেকে বলে দেয় এটা কোর্টে গিয়ে নাম সংশোধন করতে হবে তারপর কোর্টে যাওয়ার পর আমার কাজ থেকে ৩০০০ হাজার টাকা দাবি করে আমার যেহেতু কিছু করার ছিল না তখন বাধ্য হয়ে ৩০০০ হাজার টাকা দিলাম আর উপরের দিকে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস নিলাম আর মনে একটা কথাই ঘুরপাক খাচ্ছিলো এটা কি আমার সোনার বাংলাদেশ বিঃদ্রঃ পাসপোর্ট করতে গিয়ে কত কত হয়রানি হয়েছি সেটি নাই বললাম