6899
আমি নতুন কুড়ি স্পোর্টস এর আমার উপজেলার ক্রিকেট টিমে খেলার সুযোগ পেয়েছিলাম। প্রথম ম্যাচ খেলেছি এবং ভালো পারফরম্যান্সও করেছি, কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে টস হওয়ার পর আমাদের টিমের ম্যানেজার এসে বলেন তুমি খেলতে পারবে না আজকে। ১০০০ টাকা দিলে খেলতে পারবে।
19,187 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি নতুন কুড়ি স্পোর্টস এর আমার উপজেলার ক্রিকেট টিমে খেলার সুযোগ পেয়েছিলাম। প্রথম ম্যাচ খেলেছি এবং ভালো পারফরম্যান্সও করেছি, কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে টস হওয়ার পর আমাদের টিমের ম্যানেজার এসে বলেন তুমি খেলতে পারবে না আজকে। ১০০০ টাকা দিলে খেলতে পারবে।
জমির নামজারি বা মিউটেশনের জন্য অনলাইনে আবেদন করার পরে আবেদনের নিয়ম অনুযায়ী সংযুক্ত তথ্যাদি সকল কিছু সঠিক থাকা সত্বেও আবেদন রিজেক্ট করা হয়েছিল। পরবর্তীতে যোগাযোগ করা হলে ভূমি অফিসের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি খরচাপাতির নামে ঘুষ দাবি করেন এবং ১০০০০ টাকা না দিলে কাজটি হবে না বলে জানান। শেষ পর্যন্ত একান্ত বাধ্য হয়ে টাকা দেওয়া হয়েছে কিন্তু টাকা দেওয়ার পরে এখনও কাজটি সম্পন্ন হয়নি। কয়েক মাস যাবত হবে, হচ্ছে করে ঘুমাচ্ছে। খুবই দুঃখজনক। এই দেশে জন্ম নেওয়াটাই কি পাপ?
আমার দেশের বাইরে আসার জন্য ভিসার আবেদন করেছিলাম। সেখানে ট্যাক্স রিলেটেড ডকুমেন্টস দিতে হয়েছিল যেখানে আমার এবং আমার বাবার ট্যাক্স রিটার্ন সার্টিফিকেট ছিল না। কর অফিসে গিয়ে সেই রিটার্ন সার্টিফিকেটগুলো ইস্যু করতে চাইলে (আমাদের প্রতি বছরের ট্যাক্স আয়কর মেলা থেকে সঠিক সময়ে করানো ছিল, শুধু প্রয়োজনীয়তা জানা না থাকায় সার্টিফিকেট কালেক্ট করা ছিল না) ব্যক্তিপ্রতি ৫০০০ টাকা দাবি করে। আমার বাবা শুধু আমার কথা চিন্তা করে প্রথমে দিতে না চাইলেও পরে দিয়ে দেন। আমি সেখানে ছিলাম না, পরে কিভাবে যেন ২ জনের জন্য ৮০০০ টাকা নিয়ে সার্টিফিকেট দিয়ে দেয়।
আমার মায়ের পাসপোর্ট নবায়নের সময় ১৫০০৳ দক্ষিনা হিসেবে দিতে হয়েছিল। তবে সেটা পীরের মুরিদদের হাতে দিতে হয়। পীরেরা সরাসরি এ টাকায় হাত দেন না।
আমি জুন মাসে একটি নামজারির আবেদন করি। আবেদনের কপি নিয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব সাহেব কাগজপত্র দেখে বলে কাগজপত্র ঠিক নেই। আমি চলে আসি। তারপর বিকাল বেলা ওই অফিসের কম্পিউটার অপারেটর আমাকে ফোন দিল। আমি গেলাম উনি বলল আপনার আবেদনটা নতুন করে করতে হবে। এবং আগেরটা বাতিল করতে হবে। টাকা দিতে হবে ১০ হাজার আপনারা আর কিছু করা লাগবে। ১০ হাজার টাকা দিয়ে চলে আসলাম। দশ দিন পরে আমার নামজারি হয়েগল।
বদলি হওয়ার পর যোগদান করলে,অফিসের কেরানি বলে কিছু কাজ করতে হবে।কিছু খরচ আছে।ওনি তাই ১০০০ টাকা দাবি করে।তার মতে অফিসে যথেষ্ট কর্মচারী নাই,ওনি ৩ জনের কাজ একাই করে।তাই বাড়তি টাকা, ওনি ওনার নিজের বাড়তি কাজের জন্য নেন।
আমি একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে জব করি কাজের চাপ থাকায় অফিস থেকে বের হতে অনেক রাত হয় । পথিমধ্যে কিছু পুলিশ আমাকে দার করায় এবং জানতে চায় কোথা থেকে এসেছি ? আমি অফিসের আইডি কার্ড দেখানোর পরেও আমাকে তারা চেক করে কিন্তু কিছু না পেয়ে আমার কাছে 2000 টাকা দাবি করে না দিলে মাদক কেস দিবে ইত্যাদি বলে এখন নিজের সম্মান বাচাতে তাকে টাকা দিতে বাধ্য হই।
২০২৫ এ অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আমি অনলাইনে পাসপোর্ট এর আবেদন করি আমার পাসপোর্ট এর কাগজপত্র জমা দেওয়ার কেন্দ্র পড়ে মোহাম্মদপুর বসিলা পাসপোর্ট অফিস, যথারীতি পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পরে সব নিয়ম নীতি মেনে লাইনে দাঁড়াই, সিরিয়াল আসার পরে পাসপোর্টের কাগজপত্র দেখে কাউন্টারে বসা কর্মকর্তা বলে আপনার কেন্দ্র এখানে না আপনার কেন্দ্র হল কেরানীগঞ্জ, এই বলে সে কি যেন সেল টিল মেরে দেয়, পাসওয়ার্ড অফিস থেকে বের হয়ে কি করবো ভাবছিলাম এমন সময় একজন লোক এসে বলে যে আপনার কি সমস্যা, বলার পরে বলল তিন হাজার টাকা লাগবে তখন আমি বললাম তিন হাজার টাকা দিতে পারবো না বলে তাহলে মিনিমাম ২৫০০ টাকা লাগবে কারণ উপর থেকে নিজ পর্যন্ত সবাই এই টাকা পায়, হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে টাকা পে করি পরবর্তীতে আধা ঘন্টার মধ্যে সব কা
বটিয়াঘাটা ভূমি অফিস খুলনা তে আমি একটা জমি শোলমারি মৌজার অধীনে আছে, নামজারি করতে গিয়ে কোন সমস্যা নাই জমিতে আমাকে ১০ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল নামজারি করতে
পাসপোর্ট এর ক্লিয়ারেন্স জন্য ১৫০০ এর কম নাকি নেয়ই না। নাহলে ক্লিয়ারেন্স দিবে না। অথচ আমার সব ডকুমেন্টসই ঠিক ছিলো।
জমি খারিজের জন্য দাবী করা অর্থ পরিশোধে বাধ্য হয়েছি।
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আরএস খতিয়ান আনতে গেছিলাম। যাওয়া পর অফিস সহায়ক আমার কাছে ১০০ টাকা দিবে করলে। আমি বললাম টাকা কেনো বলতে সে আমাকে বলে খতিয়ান নাই ছিঁড়া ইত্যাদি। তারপর আমি টাকা দিয়ে আনতে বাধ্য হয়
আমি আমার মায়ের ওয়ারিশ সনদ উত্তলনের জন্য গেলে আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করে। যেহেতু কাগজটি আমার জরুরী ভিত্তিতে পাওয়ার দরকার ছিলো তাই আমি দওতে বাধ্য হই। ওয়ারিশ সনদ নিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে তার সাক্ষর নিতে গেলে আমি তাকে ৫০০ টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানাই। চেয়ারম্যানপর মন্তব্য ছিলো এগুলো স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এমনই নিবে। উনি বলে পৌরসভায় এই কাগজ নাকি ২০০০/৩০০০ টাকা লাগবে আনতে। শুধু ওয়ারিশ না, নাগরিক সনদে সকল কাগজ নিতে টাকা লাগে।
চাকরের ভেরিফিকেশন এর জন্য পুলিশ আমাদের সাথে দেখা করে এবং নির্দিষ্ট কিছু টাকা আসে দাবি করে। তাকে তার ২০০০ টাকা দেয়ার পরেও তে আপনার বাবার নামের এই বানান ভুল আছে এজন্য আপনাকে আরো কিছু টাকা দিতে হবে এরকম বাহানাও করতে থাকে কিন্তু পরবর্তীতে আর টাকা দেয়নি।
বদলিকৃত বিদ্যালয়ে যোগদান আটকে রেখেছিল। টাকা পরিশোধ করার পর সাথে সাথে যোগদান প্রদান।
Passport correction and the office staff asked for TK 2000. I contacted to the officer. however he refuse to proceed. finally, i had to pay their demanded amount to get my passport correct.
পানছড়ি উপজেলা শিক্ষা অফিসে আমার ওয়াইফের চাকুরী স্থায়ীকরণ করার জন্য তার নিকট থেকে ৪০০০ টাকা দাবী করা হয়। পরে ৩৫০০ টাকা প্রদানের পর তা বাস্তবায়ন করে দেয়। জুলাই মাসের শেষের দিকে।
পতেঙ্গা সিবিচ মোড়, রিং রোড, চট্রগ্রাম এলাকায় প্রতিদিন ট্রাফিক পুলিশ গাড়ির ডকুমেন্ট চেক করার নামে হয়রাণী করে থাকে। ডকুমেন্ট ঠিক থাকার পরেও বিভিন্ন অযুহাতে মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করে থাকে। অত্র এরিয়ায় চলাচলকৃত সকল গাড়িই তাদের হয়রাণীর স্বীকার। স্থানটা একটু রিমোর্ট এলাকায় হওয়ায় ট্রাফিক পুলিশের এমন অবৈধ কার্যক্রম সিএমপি উর্ধতনের নজরদারীতে নেই বলে মনে হচ্ছে।
খতিয়ানের কপি উত্তোলন করেছি জরুরি ভিত্তিক। তাই অনেকতা বাধ্য হয়েই টাকা পরিশোধ করেছি।
2024, সালের কথা তখন আমি পাসপোার্ট করি। তখন পুলিশ ভেরিফিকেশন চালু ছিলো। পুলিশ ফোন করলো, ভাই আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন করার জন্য আসেন দেখা করেন। পরে হাত চুলকা-চুলকি করে। ইনিয়ে-বিনিয়ে টাকা চায়। আমি টাকা দেই নি। ২ দিন আবার ফোন দেয়। ভাই (নির্দিষ্ট জায়গায়) আসেন, চা খাই। তারপর আরকি ১০০০ টাকা দেই।