পৌরসভায় বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদন
একজন কেনারি দাবি করে আর এটা সবাই জনে যারা পৌরসভায় বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদন করান। নাহলে ফাইল আগায় না। মাসের পর মাস যায় কোন অগ্রগতি ছাড়া। বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয় ঘুষ
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
একজন কেনারি দাবি করে আর এটা সবাই জনে যারা পৌরসভায় বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদন করান। নাহলে ফাইল আগায় না। মাসের পর মাস যায় কোন অগ্রগতি ছাড়া। বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয় ঘুষ
পটুয়াখালী সরকারি ডায়াবেটিস হসপিটালে ডায়াবেটিস রোগীদের বই করার জন্য ৫০০ থেকে ১১০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হয় । আমার পরিবারের একজনের ডায়াবেটিস হয়েছে তাই ডায়াবেটিস হসপিটালে গিয়েছিল পরীক্ষা করতে ।তখন জানতে পারে ডায়াবেটিস হসপিটালের বই করলে কিছু সুযোগ সুবিধা আছে । তখন বই করতে গেলে প্রথমে ১১০০ টাকা চেয়েছেন পরে ৫০০ টাকা চাইলেন তারপর ৫০০ টাকা দিয়ে বই করা হয় ।
আমার বাবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন, চাকরিরত অবস্থায় এবছর মারা যান। তার পেনশনের দাবি করতে গেলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাশিয়ানী বলেন পেনশনে পেতে হলে তাকে টাকা দিতে হবে না হলে সে কাজ করবে না। আমি প্রথমে ঘুষ দিতে সম্মত হই না। পরে এক মাস হয়ে যায় আমার বাবার পেনশনের কাগজ স্বাক্ষর করে না উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। তখন সে আবারও ঘুষ দাবি করে ৫০০০০ টাকা। না দিলে কাজ করবে না। পরে বাধ্য হয়ে তাকে ৩ খাদে ৪০০০০ টাকা দেই এবং পেনশনের কাগজ স্বাক্ষর করে forward করে। অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নেন ৮০০০ টাকা ঘুষ এই পেনশনের কাজের জন্য। এরপর পেনশনের কাগজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস গোপালগঞ্জ নিয়ে গেলে, সহকারী মনিটরিং অফিসার (AMO) আমার থেকে ৩০০০০ টাকা ঘুষ নেন পেনশনের কাজ করতে
আমি টিভি নিয়ে সদর ঘাটে যেতে সেখানে এক লোক বলে, ৫০০/ টাকা লাগবে, লেবার খরচ হিসাবে। কিন্ত আমি কোন লেবার নেইনি। তারা বলে কোন লেবার না নিলেও ৫০০/ দিতে হবে। পরে ২০০/ টাকা দিয়ে আমার নিতে হয়। এটা টার্মিনাল এর বিতর হয়েছে। আর এখনো হয় আমার জানা মতে
পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে নূন্যতম ২৫০০ টাকা লাগে। ডোপ টেস্টে অতিরিক্ত ৬০০ টাকা ঘুশ না দিলে অনেক লেট করে যেটা ইচ্ছাকৃত। এমনকি থানায় ওসি পর্যায়ে আরও অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়।
আমরা সরকারি কর্মচারী হিসাবে যে কোন বিলে ৫% না দিলে কাজ হয় না।
পিরুজালী ইউনিয়ন পরিষদ সচিব নতুন ট্রেডলাইসেন্স আবেদন করলে আবেদনের সাথে বারতি ১০০০০.০০টাকা দাবি করেন। যাহার সরকারি ফি মাত্র ২০০০.০০টাকা এবং No Observation Certificate(NOC) জন্য ৫০০০০.০০ টাকা দাবি করেন। অথচ যার সরকারি ফি মাত্র ৫০০০.০০টাকা।
কর অঞ্চল ১০ এ একজন করে কমিশনার আমার রিটার্নের বিলম্বের অজুহাতে ভয় দেখায়। তার রুমের সামনে আরেক কর কমিশনের নেতাও জড়িত ছিল (নাম ভুলে গেছি)। পরে টাকা দেওয়ার পর ব্যাক ডেটে আমাকে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
গাড়ি আটক করে ।ছাড়ার জন্য ঘুষ নেয়
BMET FATHER NAME CORRECTION BMET JE KNO CORROCTION KORTE TK DABI KORE NA DILE CORROCTION KORE DAY NA OTHOSO EI BMET FREE SERVICE DIBE ORA PROBASHIDER 2500 TK O NAY ORA
শুধু একটা টিপ সই নেয়ার জন্য কোন নিয়ম ছাড়ায় ১০০ টাকা দাবী করলো। আমি বাধ্য হলাম দিতে।
নামজারি করতে গেলে এই টাকা দাবি করে
আমি আমার বাচ্চা মেয়ের জন্য নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করে আবেদন কপি উক্ত ইউনিয়ন পরিষদ এ আইটি সেকশনে জমা দিলে আমাকে ৫০৳ এর একটা রিসিপ্ট ধরিয়ে দেয় কিন্তু বলে ১৫০৳টাকা দিতে। দেওয়ার পর একই ব্যাক্তি তার পাশের ডেস্কের ব্যক্তিকে দিয়ে দেয় এবং এটা কোথাও নথিভুক্ত হয়নি। আমাকে দেওয়া রশিধের বাইরের ১০০ টাকাই নগদে মেরে দেয় আমার সামনে। এমনভাবে বলে এবং এতো কাজের ব্যস্ততা দেখায় যেন তাদের কাছে আমাদের এসবের কোনোই মূল্য নেই। অনেকেই দেখছি এসব মূল্যবান কাগজ নিতে এসে এরকম রশিদের বাইরে দাবী করা টাকা কিছু না বলেই নিজ প্রয়োজনের কথা ভেবে দিয়ে দেয়। কিন্তু এটা তো সম্পূর্ণই ইলিগ্যাল।
জমির শ্রেনীর নাম উত্তোলনের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করার পর তা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসে নায়েব এর রিপোর্ট এর জন্য। এক মাস সেখানে পড়ে থাকে আবেদন।তারপর আমরা গেলে, তখন সেখানে তারা ৩০০০ টাকা দাবি করে এবং আমরা ২০০০ টাকা পরিশোধ করি। পরবর্তীতে উপজেলা সার্ভেয়ার এর অফিসে যায় রিপোর্টএর জন্য সেখানে প্রায় ১.৫ বছর আবেদন টা আটকে রাখে এবং অনেকবার টাকা খায়। কখনো ৫০০ কখনো ১০০০ এভাবে টাকা নিত কিন্তু কাজ করে দেয়নি। বহুবার এসিল্যান্ড এর সাথে কথা বলেছি উনারা বলতেন হয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত একজন মেম্বার কে সাথে নিয়ে কয়েক মাস লাগিয়ে আবেদন টা আবার জেলা প্রশাসক অফিসে পাটাতে সমর্থ হয়।
some dishonest court staff in District and Sessions Judge court, Madaripur have approached us demanding a bribe in exchange for proceeding with the case properly.My mother went to the court with her illness situation for knowing the condition of the case. The stuffs told her not to come today and come tomorrow. She was going to the court for 6 times. They show many excuses and told her come tomorrow again and again. In this way, my sicked mother is suffering a lot by their activities. And lastly on Wednesday (19.02.2025), they wanted 10000( ten thousand ) taka as bribe otherwise the files will be kept in Almirah and the order of Honorable high court will never be proceeded to the forward.
আদালদের আদেশ লিখা সেরেস্তাদারে কাজ। কিন্তু চট্টগ্রামের ৩য় সিনিয়র সিভিল জজের সেরেস্তাদার আদেশ লিখার জন্য ৫০০ টাকা দাবী করে, আমি টাকা না দিলে উনি আদেশ না লিখে ফেলে রাখে। পরবর্তীতে আমি বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা ঘুষ প্রদান করি।
TA DA ভ্রাতা মঞ্জুরীর জন্য অডিট অফিসে লাগবে বলে মোট বিলের ৫% টাকা ক্যাশ রাখে লোকাল অফিস।
জন্মনিবন্ধনের জন্য ৩০০ টাকা দাবি করে,সরকারি ফি ৫০ টাকা।নাদিলে কাজ হবে না,তাই বাধ্যহয়ে ৩০০ টাকা দিতে হলো।
আবেদন করি এসিল্যান্ড বাতিল করে দেয়।পরবর্তীতে এসিল্যান্ড এর সাথে দেখা করি কিন্তু উনি তহসিলদারকে দেখিয়ে দেন।বাতিল হওয়ার ভয় দেখায় তফসিল অফিস থেকে তাই দেই।
বাইকের কাগজ বানাতে দুই থেকে তিনবার ঘুরানো হয় আমাকে সব ফাইল ঠিক থাকার পরেও উনি বলতেছে যে বুঝনা হবে না কেন পরে আমি বললাম কি করতে হবে পরে ৫০০ দিতে চাইলাম নিল না যেহেতু এর আগেও আমি আরো দুইবার এসে ঘুরে গিয়েছি তাই এবার আশা করে এসেছিলাম যেভাবেই হোক কাগজটা নিয়ে যাব যে তো আসা যাওয়া অনেক খরচ আমার জন্য পরে এক হাজার টাকা দিলাম পরে সাইন করে দিল এবং কনফার্ম হল