পাসপোর্ট তৈরি
পাসপোর্ট এর ছবি এবং ফিনগারপ্রিন্ট দিতে গিয়ে তারা বিভিন্ন নিয়ম দেখিয়ে বলতেছিলো আজকে হবেনা। টাকা দেয়ার পরে আর কিছুই লাগেনি সরাসরি হয়ে গেলো।
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট এর ছবি এবং ফিনগারপ্রিন্ট দিতে গিয়ে তারা বিভিন্ন নিয়ম দেখিয়ে বলতেছিলো আজকে হবেনা। টাকা দেয়ার পরে আর কিছুই লাগেনি সরাসরি হয়ে গেলো।
Hgayrejv hfjiufb kkiut
আমি স্বাস্থ্য ক্যাডারে কর্মরত। ২০২২ সালে উচ্চতর শিক্ষার উদ্দেশ্যে ডেপুটেশন এর জন্য আবেদন করেছিলাম যার জন্য সিভিল সার্জন এর ফরওয়ার্ডিং লাগে। কোন ঘুষ না দেওয়ায় ততকালীন নওগাঁ সিভিল সার্জন এর প্রধান সহকারী (অফিসে এদের বলে বড়বাবু) বিভিন্ন বাহানায় ১ মাস লাগিয়েছে। যেটা কয়েক মিনিটের কাজ। পরে জানতে পারি তাকে ৫০০টাকা দিতে হয়।
ট্যাক্স সার্কেল থেকে ফোন দিয়ে জানাল ফাইলে অডিটে পড়েছে কিছু ডকুমেন্টস মিসিং। ডকুমেন্টস জমা দেওয়ার পর বলা হল তারা বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট জমা দিবে, এছাড়া প্রতিটি অডিটে সার্কেলের একটা দাবী বা চাহিদা আছে।
জমির অনলাইন খাজনা ছিল 57 টাকা তফশিলদা ৯৭ টাকা পরিশোধ করার জন্য পাঁচ হাজার টাকা নিয়েছে তার কারন একটা জমির মালিক আমার বাবা তুমি মারা গেছে, তাদের কথা মারা গেলেও নাকি হবে না তার আসতে হবে
না দিলে দলিল হবেনা তাই পরিশোধ করেছি।
আমার বাবা একটি জমি কেনার পর সেই জমির খাজনা পরিশোধ করেন বলে তিনি জানান কিন্তু কোন কারন বসোত সেই কাগজ পত্র গুলো কোনভাবে খুজে পাওয়া জাচ্ছিল না এবং জমির খাজনাও হালনাগাদ করা জাচ্ছিল না. এভাবে একটি বড় গ্যাপ তৈরি হয়ে জাচ্ছিল. এর দরুন বাসায় বিদ্যুতের লোড বৃদ্ধির জন্য খাজনার হালনাগাদ কাগজের প্রয়োজন পরে. আমি জখন ভূমি অফিসে আমার এই সমস্যার কথা জানাই তখন সেখানকার কর্মকর্তা জানান আমার নাকি এক লক্ষ টাকার মতো খাজনা বকে পরে গেছে. আমি তখন এর বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি ব্যবস্ততার কারন দেখিয়ে আমাকে ফেরত দিয়ে দেন. এভাবে কিছুদিন ঘোরা ঘরি করার পর সেই অফিসের এক কর্মচারির কাছে আমার সমস্যাটি খুলে বলি এবং তিনি তখন একটি সমাধান দেন. তিনি তখন কাজটি করে দিবেন বলে কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আমার কাছে ত্রিশ হাজার টাকা চান.
বিগত এক বৎসর আমি নামজারি করার জন্য ভূমি অফিসে অপেক্ষা করি এই এক বছরের মধ্যে আমি চাইরবার কাগজ জমা দিয়েছি প্রত্যেকবার এই ফোন না কোন অজুহাত দেখা যায় এগুলা ক্যান্সেল করা হয় প্রত্যেকবারই চা নাস্তার খরচ খেয়েছে আমি ভাবছিলাম হয়তো এখন নির্বাচিত সরকার নাই কোষ ছাড়াই কাজ হবে কিন্তু কাজ হলো না এক বছর অপেক্ষা করার পরে লাস্টে টাকা দিয়ে কাজ করাতে বাধ্য হলাম
গাড়ির ফাইল নিজে নিজে জমা করতে গেলে অফিস খরচের নাম করে একটা নির্দিষ্ট টাকা চাওয়া হয় । বিআরটিএ এর লোকেরা শোরুমের মাধ্যমে নিয়মিত এই কাজ করে আসছে । ফাইল প্রতি সর্বনিম্ন ১০০০ থেকে সর্বোচ্চ ৫/৬০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করে এবং আদায় ও করে । তাদের ভাষ্যমতে এ খরচ না দিলে এডি স্যার ফাইল পার করবে না । এভাবে তারা ঘুষ নিয়ে থাকে ।
ড্রাইভার নেই জরুরি কাজ ছিলো নিজেই ড্রাইভার করতেছি মগবাজার মোড়ে গাড়ি থামালেন এবং বললেন গাড়ির টেক্স টোকেনের মেয়াদ শেষ আমি বললাম ড্রাইভার তো আমাকে বলে নাই উনি বললেন দশ হাজার টাকা জরিমানা পরে ২০০০ দিয়ে মিটমাট করি এবং আমি পরের দিনই টেস্ট টোকেন নতুন আরেকটি কাগজ নিয়ে নি।
আমাদের জমির নামজারী করার জন্য আমাদের ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে সেখানে তারা ২০/৩০ হাজার টাকা দাবি করে। এর কমে হবেইনা। আমার বাবা এসব সম্পর্কে কিছুই জানত না। সাথে একজন পরিচিত দলিল লেখক এবং স্থানীয় মেম্বার ছিল। তাদের সাথে নিয়েই আলোচনা হয়। তারা দরদাম করে শেষ পর্যন্ত ১৫০০০ টাকা নির্ধারণ করে। তাই আমরা ১৫০০০ টাকাই পরিশোধ করি। কিন্তু পরবর্তীতে আমি জানতে পারি নামজারী ফি মাত্র ১১০০ টাকা।
ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার মহেন্দ্রগাঁ গ্রামের বর্তমান মেম্বার — ও অন্য পাড়ার — হরিপুর ও রাণীশংকৈল এ ৬০০ গরিব পরিবারের নিকট থেকে ১ লক্ষ টাকা করে প্রায় ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেই। সৌদি সরকারের বাজেটে বাড়ি করে দেয়ার জন্য। এলাকায় ২-৪ টি বাড়ি করে দেয় আর কিছু বাড়ি ইট বা বালি দিয়ে মানুষকে বুজাই যে এটা সত্য বাজেট। কিন্তু কিছু বাড়ি করে ভাইরাল করে দিয়ে ৬ কোটি টাকা লুট করে উদাও। থানায় মামলা করেও লাভ হয় নি। এটা ২০২৩ সালের ঘটনা।
ঢাকার একটা থানায় বদলির জন্য দেয়া হয়েছে। নেতা, সরকারের উচ্চ মর্যাদার একজন, আর পুলিশের সর্বোচ্চ পর্যায় মিলিয়ে।
টিন সার্টিফিকেট এর জিরো রিটার্ন জমা দেয়ার জন্য, বরিশাল সহর, বটতলা আয়কর অফিস যাই এবং — নামে একজন লোক ১হাজার টাকা ঘুষ চায়, পরবর্তীতে আমি তাকে ১০০০টাকা দিয়ে কাজ টি করাই।
মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন করতে সরকার নির্ধারিত ব্যাংক জমা টাকার বাইরে ২০০০ টাকা অফিস খরচ দিতে হবে। আর ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ৫০০০ টাকা অতিরিক্ত দিলেই পাশ।
চাকরি শেষ সেজন্য জিপিএফ এর টাকা লামছা আমের জন্য টাকা এবং রিটায়ার্ডের জন্য টাকা উত্তোলন করার জন্য
ঘটনাটি প্রায় ১ বছর আগের। আমার সহপাঠী বান্ধবীকে তার স্বামী ও শশুর-শাশুড়ি অত্যাচার করে মেরে ফেলে। তাকে পুলিশের সহযোগিতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই, পোস্ট মর্টেম করাতে হয়। ডোমঘরে লাশ কাটার পর একটা রিপোর্ট দেয়। টাকা না দিলে তারা ছাড়পত্র বা রিপোর্ট দিচ্ছিলো না। যদিও তারা পরিচিত, কিন্তু কিছুতেই দিচ্ছিলো না। শেষ পর্যন্ত ২০ হাজার টাকা দিয়েই লাশটি নিয়ে যেতে বাধ্য হয় পরিবার।
দলিল রেজিস্ট্রি করতে যাওয়ার পরে দলিল লেখক বললো বাড়তি ১০০০০ টাকা না দিলে দলিল রেজিস্ট্রি অফিসার রেজিস্ট্রি করবে না। পরে বাড়তি টাকা দিতে হয়েছে।
আমাদের এখানকার স্কুলে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ার সময় আমাদের টিচাররা আমাদের থেকে টাকা চার্জ করে। আমার ছোট ভাইয়ের ক্ষেত্রে আমার ৫০০০ টাকা বেশি দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করতে হয়েছে যেটার কোন ব্যয় খাত তারা দেখাতে পারেনি। আমাদের স্কুল এমপি ভুক্ত তারপরেও ছাত্রদের থেকে চান্দা উঠানো হয় ক্লাসের ফ্যান ঝুড়ি ক্রয় এবং বিভিন্ন কর্মকান্ডের জন্য যেটা স্যারেরা নিজেরা উঠায়। তার উপরে হেডমাস্টার নিচে সাজেস্ট করে যে তোমরা প্রাইভেট পড়ো আমাদের স্কুলের টিচারের কাছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বদলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসে আছে তারা, পাশের হার ফেইলের হার তাদের কোন কিছু যায় আসে না, ছাত্ররা জীবনে কি করলো না করল সেটাও তাদের কিছু যায় আসে না , দুইদিন বেতন দিতে দেরি হইলে ক্লাসে ঢুকতে দেয় না,পরীক্ষার হলে ঢুকতে দেয় না।
ঘটনাটি ছিলো ২০০৫ কি ২০০৬ সাল হবে। নতুন করে গ্যাসের লাইন সংযোগ করা জন্য, ঢাকার তিতাস গ্যাস অফিসে আমার কাছ থেকে অতিরিক্ত আনুমানিক এক হাজার টাকা দিতে হয়েছিলো।