রোগীকে আই সি ইউ তে ভর্তি
চট্রগ্রাম মেডিকেল আই সি ইউ তে আমার বাচ্চাকে ভর্তি করিয়ে সিটে ঊঠানোর জন্য মহিলা আয়া ৩০০/- নিয়েছে আমার কাছ থেকে।
19,172 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
চট্রগ্রাম মেডিকেল আই সি ইউ তে আমার বাচ্চাকে ভর্তি করিয়ে সিটে ঊঠানোর জন্য মহিলা আয়া ৩০০/- নিয়েছে আমার কাছ থেকে।
সেনাবাহিনীর একটি চাকরীতে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে আবেদন পত্র পাঠানোর জন্য চট্রগ্রাম পতেংগা পোস্ট অফিস, স্টিল মিল বাজার, ম্যানেজার আমার কাছে ১০০ টাকা নিয়েছে, টাকা না দিলে সেদিন নাকি আবেদন পত্র পাঠাতে পারবে না, পরের দিন আসতে বলছিল আমাকে, টাকা দিছি কাজ হইছে সেদিন। আগ্রাবাদ পোস্ট অফিসে FDR করতে ২০০/- নিয়েছে আমার কাছ থেকে।
আমার বাবার জমি রয়েছে, জমি নিয়ে মামলায় আমাদের পক্ষে আদালত রায় দিয়েছে। আদেশ পেয়েছি আমরা। কিন্তু ফাইনাল আদেশ এর জন্য তারিখ এর পর তারিখ চলে। যদি বাবা গিয়ে জিজ্ঞেস করে কেন আদেশ প্রস্তুত হয় না, তখন বলে পরের তারিখে হবে। একদিন আমি বাবার সাথে আদালতে যাই এবং সেখানের এক পিয়ন কে জিজ্ঞেস করলে সে বলে পেশকার এর কাছে গিয়ে কথা বলা ছাড়া শুধু শুধু কখনো আদেশ বের হবে না। পরে বাবা পেশ কার এর কাছে গেলে পেশকার বাবার কাছে সব খরচ, এবং বলল জজ কে খুশি করা বাবদ মোট ৫০ হাজার দিতে হবে নয়তো আদেশ হবে না। আমার বাবার জজ এর সাথে কোনো কথা হয় নাই। বাবা যেহেতু তারিখ এর পর তারিখ ঘুরেছে তাই সে আদেশ কপি পাওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা দিয়েছে পেশকার কে। পরবর্তী তারিখে আমরা ফাইনাল আদেশ কপি পাই। ল্যান্ড সার্ভের পেশকার।
সঞ্চয়পত্রে টাকা রাখতে গেলে সার্ভার দূর্বল বলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ৩ দিন ফেরত আসার পরে দেখলাম অনেকে টাকা রাখতে পারছেন জেনে ৫০০ টাকা দিয়ে আমিও টাকা রাখলাম। এই ভাবে যারা টাকা রাখতে ও তুলতে যায় সবার থেকে টাকা নিয়ে নেয়
বিভিন্ন কাজের জন্য সরকারি সংস্থ্যা হতে ডিএনসিসি'র বিভিন্ন আঞ্চলিক অফিসে সড়ক খননের জন্য অনুমোদন প্রত্যাশা করে আবেদন করা হয়।উক্ত আবেদন প্রসেস করতে সরকারী দফতরের লোকদের ও বিভিন্ন প্রক্রিয়ার ফাইল প্রসেসের জন্য ঘুষ নেয়া হয়, বা চাওয়া হয়। এই ঘুষের চাহিত অর্থ সড়ক খনন অনুমোদন প্রত্যাশি সংস্থার ঠিকাদারের মাধ্যমে লেনদেন করতে হয়।
আমার সমস্ত ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরও অতিরিক্ত ঘুষ দিতে বাধ্য করে আঞ্চলিক জেলা পাসপোর্ট অফিস শেরপুর এর সহকারী পরিচালক সবকিছু ঠিক থাকার পরেও তাকে আমার ২০০০ টাকা দিতে বাধ্য
আমার এক চাচাতো ভাই তার মোবাইল কিনছিলো পরে ঐ ফোন পুলিশ নিয়ে যায়। কারণ আগে ঐ ফোনের জিডি করছিলো তাই কিন্তু পুলিশ কে বলছিলো জিডি টা তুলে ফেলতে কিন্তু তুলে নাই। পরে ঐ ফোন আনতে পুলিশ কে ১৭০০ টাকা দিতে হয়েছে।
পেনশনের টাকা উত্তোলন করতে প্রথমে বিভাগীয় শিক্ষা অফিস পরে গোলাপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিস দুই অফিস মিলিয়ে ৫ লক্ষ দিতে হয়েছে
গত ২৫/০৮/২০২৬ খ্রি. জমি রেজিস্টেশনের জন্য বিক্রেতারা সাব রেজিস্টারের এজলাসে হাজিরের পর দলিল লিখকরা সব ক্রেতা থেকে নিজ উদ্যোগে ২০০ টাকা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের একজনক স্টাফকে দিচ্ছে, যে দলিলে টিপসই ও নির্ধারিত ফরমে ক্রেতা ও বিক্রেতার নাম সনাক্তকরণ স্বাক্ষর নিচ্ছে । বিষয়টি একটি সেটেল ইস্যু হয়ে গেছে এবং দলিল লিখকদের সবাইকে দেখলাম প্রতি দলিলে টিপসই দেয়ার সময় ২০০ টাকা করে স্টাফের ড্রয়ারে রাখছে! আমিও টাকা না দিয়ে উপায় দেখিনি, আশংকা করেছি ২০০ টাকা নিয়ে কথা বললে ওরা আমার দলিলের ক্ষতি করতে পারে বা দলিল উঠাতে গেলে হয়রানির শিকার হতে পারি।
মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য এই- ঐ কাগজ লাগবে বলে ৫-৬ দিন ধরে ঘুরাচ্ছিলো, অতঃপর এক পিয়ন ৪০০০টাকা চায় যা পরে ২৫০০ টাকা দেওয়ায় ২ দিনে কাজ করে দেয়।।
মহিলা অফিসার প্রথমে আমার ফাইলে সমস্যা আছে বলেছিলো। সাথে বলেছে খাজা এন্টারপ্রাইজ নামক দোকানে যেয়ে ফাইল ঠিক করে নিয়ে আসেন। যখন বললাম আমি এখানেই ঠিক করতে চাচ্ছি, তখন সেই মহিলা অফিসার বলেছে তাহলে আমাকে এখানেই ২০০০টাকা দেন। আমি টাকাটা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। কিন্তু সেই মহিলার নাম আমার মনে নাই।
সমবায় সমিতির কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে এবং সংশোধিত সমবায় আইন ও বিধিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার জন্য সমিতির উপবিধি হালনাগাদ ও সংশোধন করা জরুরি হয়ে পড়ে। সে অনুযায়ী উপবিধিটি একাধিকবার সংশোধন ও প্রয়োজনীয় সংযোজন-বিয়োজনের পর অনুমোদনের জন্য সমবায় অফিসে দাখিল করা হয়। কিন্তু উপবিধি অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট সমবায় কর্মকর্তার পক্ষ থেকে এক লক্ষ টাকারও বেশি অর্থ দাবি করা হয়। সমবায় অফিসে বৈধ ও নিয়মিত কাজ সম্পন্ন করতেও অনানুষ্ঠানিক অর্থ প্রদান করতে হয়—এমন পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়ে উক্ত অর্থ পরিশোধ করা হয়। পরবর্তীতে সংশোধিত উপবিধিটি অনুমোদিত হয়। উল্লেখ্য, পরিশোধিত এক লক্ষাধিক টাকা সমবায় সমিতির উপবিধি সংশোধন ও অনুমোদন-সংক্রান্ত ব্যয় হিসেবে প্রতিষ্ঠানের অডিটকৃত হিসাবেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাংলাদেশ ক্যান্সার হসপিটালে বাবা কে জরুরি ভর্তি করাতে ৮০০ টাকা চায় বেডের জন্য।। পরিশোধ করার পর বেড নিয়ে গেলো, ডাক্তার চিকিৎসা করল কিন্তু আর বাচানো গেলো না। আরো আগে চিকিৎসা শুরু করলে হয়তো কিছু করা যেতো
আমি সার্টিফিকেট নাম সংশোধন করতে যাই পরে তারা অর্থ দাবি করে ঐখানকার কিছু চক্র মহলের লোক
রংপুর সরকারি হাসপাতালের ক্যাম্পাসে সাইকেল গ্যারেজের লোকজন প্রতি বাইসাইকেল এর জন্য ৩০ টাকা নেয়, অথচ নেয়ার কথা ২০ টাকা। মোটর সাইকেলের জন্য নেয় ৩০ এর বদলে ৪০ টাকা। গ্যারেজ থেকে মাঝে মধ্যেই হেলমেট হারিয়ে যায়। কিছুদিন আগে একটা মোটর সাইকেলও হারিয়েছিল। গ্যারেজের মালিক স্থানীয় সরকারি নেতা। কাউকেই তোয়াক্কা করে না।
আমার ছোট্ট ভাইকে বিদেশে পাঠানোর জন্য টাকার প্রয়োজন তখন আমি প্রবাসী কল্যান ব্যাংক নান্দাইল উপজেলা শাখায় যাই তখন আমার সকল প্রকার কাগজ পত্র যাচাই করে ২লক্ষ টাকা দিবে আসস্থ করে।৩ দিন পর সকল প্রকার কাগজপত্র জমাদিই তখন এক অফিস সহায়ক আমার কাছে সরাসরি ১০ হাজার টাকা দাবী করে, নইলে আমার লোন পাস হবে না।তখন আমি বিপদে পরে যাই আমার ভাইয়ের ফ্লাইটের সামনে ৬ দিন ছিলো,টাকাটা আমার বিশেষ দরকার, তাই ৮ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই।
I was bound to pay otherwise they wouldn’t give me namjari
একটা নামজারি করতে হলে ভূমি অফিসে দিতে হয় ১৭৫০ ac-land অফিস দিতে হয় ৬৫৫০ ,আর যদি একটু সমেস্যা থাকে তাহলে কোন কথা নাই, যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে ফাইল পাস হয় না, যদি ও সব ঠিক থাকে, উপজেলা দোহার
2024 সালে SSC ব্যাবহারিক খাতায় স্বাক্ষরের জন্য স্কুল কর্তৃক ৫০০ টাকা, SSC পরবর্তী মার্কশিট উত্তোলনে স্কুলে ৩০০ টাকা, আবার সার্টিফিকেট উত্তোলনে ৩০০ টাকা প্রদান করতে হয়েছে! অথচ ফরম পূরণের অফিশিয়াল টাকা জমা দেওয়ার পরেই প্র্যাকটিক্যালের খরচ, মার্কশিট উত্তোলন, সার্টিফিকেট ফিসহ সকল খরচ অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। হাইকোর্টের ঐতিহাসিক আদেশ (২০১৪ & ২০১৫): ২০১৪ সালের নভেম্বরে হাইকোর্ট এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় কেন অবৈধ হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে হাইকোর্ট ঢাকা অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোকে এসএসসি পরীক্ষার নামে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ শিক্ষার্থীদের ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। অথচ এক যুগ পরেও ৯৯.৫% স্কুলে একই গতিতে চলছে ঘুষের আদান প্রদান!
নামজারি করার পর DCR ফি দিয়ে খাজনা দিতে ভূমি অফিসে গেলে আমার নতুন খতিয়ানে ৭,৮০০ টাকা খাজনা বসিয়ে দেওয়া হয়। অথচ যে কয়টি দাগ থেকে জমি নামজারি করেছি, সেগুলোর আগের সব খতিয়ান মিলিয়ে খাজনা ৪০০ টাকারও কম হওয়ার কথা। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ করে জানতে পারলাম, বেশি খাজনা হলে আবেদন করে সংশোধন করা যায়। তখন ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা আমাকে বললেন, ৪,০০০ টাকা দিলে তিনি কাজটি করে দেবেন এবং কাউকে না বলতে বলেন। আমি রাজি হলে তিনি কাজটি করে দেন। পরে খাজনার রশিদে দেখি, আসল খাজনা মাত্র ৩৫০ টাকা! ৩৫০ টাকার খাজনা প্রথমে ৭,৮০০ টাকা বসানো হলো, আর সেটা ঠিক করে দেওয়ার জন্য আমাকে ৪,০০০ টাকা দিতে হল