নামজারী
জমি রেকর্ড করতে গেলে তাদের হয়রানি
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমি রেকর্ড করতে গেলে তাদের হয়রানি
সার্টিফিকেট দেয় না। অনেক কিছু বলে। পড়ে টাকা নিয়ে সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছে। আমাকে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।
এলজিইডি কুমিল্লা অফিসে কাজের বিল করতে ২ পারসেন্ট হারে টাকা না দিলে বিল করে না প্রত্যেক ঠিকাদারি ২% ছাড়ে দিতে হয় সঠিকভাবে তদন্ত করলে অফিসের সকলে দুর্নীতির সাথে জড়িত এক টেবিল কি আরেক টেবিলে স্যারের জন্য গেলে টাকা লাগে এবং কি ল্যাব এর মধ্যে টাকা ছাড়া কোন রিপোর্ট দেয় না এতো ভালোই কাজ করো তাদেরকে টাকা দিতে হয়।
হিসাবরক্ষণ অফিসে কোন পেনশন যে জিপিএফ হতে কোন অগ্রিম লোন নিতে গেলে অডিটর কে ১% ঘুষ দিতে হবে। আরেকটা টিএ বিল নিতে গেলেও টিএ বিলের ৫% টাকা তাদেরকে দিতে হবে না হলে বিল দেবেনা। অ্যাকাউন্ট জমা দিতে গেলে এখন নাকি প্রত্যেক অফিসকে ১০০০ করে টাকা দিতে হবে এটা নাকি তাদের সি ও সাহেবের নির্দেশ।
খামার ঝাড়বাড়ি নতুনপাড়া দিনাজপুর সদরে সরকারি আশ্রয়ন কিছু ঘর দেওয়া হয় । এলাকার কিছু পাতি নেতা ঘর নির্মাণের সময় ঘর মালিকের কাছে ১-১০ হাজার টাকা মানুষের কাছে দাবি করে । তাদের মধ্যে —, — অন্যতম । এরা অন্যায় ভাবে বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষের কাছে কৌশলে চাদা দাবি করে এবং মানুষের টাকা আত্মসাৎ করে
২০১৬ সালের ঘটনা, আমাদের বিল্ডিং এর হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট করে একটা অংক দাবি করা হয়। বলা হয় এইটা না দিলে এসেস্মেন্ট অনেক বেশি আসবে। পরে প্রাক্কলিত এমাউন্ট যেন কম দেখনো হয় সেটার জন্য আমি ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা ঘুষ দেই। আমি এই হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট প্রক্রিয়ার একটি সচ্ছতা দাবি করছি। আর দাবি করছি, সরকার যেন হোল্ডিং ট্যাক্স এসেসমেন্ট প্রক্রিয়া এবং হোল্ডিং ট্যাক্স সংগ্রহ পুরোটাই অনলাইনে করা হয় তাতে করে আন্ডার টেবল লেনদেন বা ঘুষ আদান প্রদান বন্ধ হবে।
বগুড়া র ওসির প্রাইভেট কার এ আমার মটর সাইকেল লাগার কারনে আমাকে আক্কেলপুর থানার ওসির হাতে তুলে দেয় আমার মটরসাইকেল সহ আর বগুড়া থানার ওসি বলে আক্কেলপুর এর ওসি আমার ক্লাসমেট এই বলে আমার থেকে ১০০০০ হাজার টাকা ঘুস চায় আর ভয় দেখায় জে তোর নামে মামলা দিবো তোকে জেলে চালান দিবো এর কারণে বাদ্য হয়ে ঘুস দেওয়ার সাথে সাথে আমাকে ছেড়ে দেয় এবং আদর করে মোটরসাইকেল ফেরত দেয়। আক্কেলপুর থানার ওসি ও, এ এস আই, ও বগুড়া থানার ওসি তিন জন আমার উপড় অনেক জুলুম করে আল্লাহ তাদের মান হানি করবে ইন সা আল্লাহ তাদের লাস জেনো শিয়াল কুকুর খায়, (ধন্যবাদ) তারিখ ২৬/০৮/২০২৬
২০২২ সালে ছোট বোনকে খুজে পাওয়া যাচ্ছিলনা,ফতুল্লা থানায় জিডি করেছি,সেখানে কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় সাইনবোর্ড পিবি আই এর সরনাপন্ন হই,সেখান থেকে এস আই — ১৫০০০ অফিসিয়াল চার্জ এবং আরও ৫০০০ গাড়ি ভাড়া বাবদ দাবি করে।একনপর্যায় তা পরিশোধের প্রেক্ষিতে তিনি তদন্তে নামেন।এবং নিখোঁজ বোনকে উদ্ধার করেন।উদ্ধার পরবর্তীতে নারী পুলিশ সহকর্মীর নাস্তা বাবদ আরো ১৫০০ টাকা দাবি করেন।এবং এক পর্যায়ে তা পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
সরকারি হেবা দলিল এর নির্ধারিত ফি 1800 থেকে 2500 টাকা। কিন্তু রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে ভিন্ন চিত্র। কেউ বলে 15, কেউ 14,12 হাজার টাকা। যখন আমি জিজ্ঞেস করি সরকারি ফি এতো বেশি না, তখন বলে যে প্রত্যেক পদে পদে অফিসারেরা টাকা খায় তাই বেশি। এমনকী সকল কাজ করতে যাওয়ার পরও একটা শীল নাকি কি দেয় ঐখানে বসেও চা খাওয়ার টাকা দিতে হয়। জনগণ কখন জাগবে? সরকারের কাছে আমার প্রশ্ন এইসব খাতে এতো অনিয়ম কেনো? জমির সকল ধরনের কাজে পদে পদে ঘুষ এবং বাড়তি টাকা কেনো দিতে হয়???
আসলো একজন মানুষ সবচেয়ে বড় অসহায় চিকিৎসা সেবা নিতে যায় যখন আমি তার একজন সামান্য উদাধারন।আমার বাবাকে নিয়ে শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রাত ১১ টাই ভর্তি হই।শুরু হলো ট্রলি ম্যানদের ধান্দা ভর্তি করার পর রসি এ সব লেখা আসে উপর বেডে রেখে আসবে ট্রলি। তারপর ও সেই ট্রলি ম্যান ৫০০ টাকা দাবি করে বলে নাকি এটা সবাই দেয় বকসিস। তারপর থেকে বিভিন্ন পরিক্ষার করার জন্য নিচে নিয়ে যাওয়া আসার বকসিস ২০০/-৩০০/- নিয়ে থাকে। রোগীর চিকিৎসা দিকে তেমন কোন ফোকাস নাহ থাকলেও ২০০/- টাকা কোথায় ধান্দা হবে সেই দিকে সবার ফোকাস। যানি এখানে এই গুলো লিখে মনকে শান্তনা দেওয়া সারা কিছুই হবে বলে আমার মনে হয় নাহ। যাই হোক যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। হাসপাতালে পরিবেশ ফেরাতে গেলেঅবশ্যই মেড প্রশাসনকে এই বিষয়গুলো তদরকি হব
বি আর টি এ তে আমি যখন গাড়ির টেস্টিং এ নিয়ে যাই তখন সবকিছু টেস্ট করার পরে আমার নতুন গাড়ি এবং রিকন্ডিশন গাড়ি সেটাকে তারা হ্যান্ডব্রেক স্লো বুলিয়ে ফেল দেখিয়ে দিল পরে তাৎক্ষণিক এটা 5000 টাকা দেওয়ার পরে আমার এটা ঠিক করে দিল
আমি সৌদি আরব থাকা অবস্থায় পাসপোর্ট এর জন্য অ্যাপ্লিকেশন করেছিলাম সেটা অনলাইনে আছে। এবং বাংলাদেশে এসে নতুন অ্যাপ্লিকেশন করেছি। যিনি পাসপোর্ট এর কাগজপত্রগুলো রিসিভ করেন তিনি এটা নেননি কারণ আগের একটা অ্যাপ্লিকেশন আছে। তবে আমি তাকে ২০০০ টাকা দিয়েছিলাম অন্য একজনের মাধ্যমে তখন তিনি আমার কাগজগুলো নিয়েছেন।
এস এ,এবং আর এস রেকর্ড খতিয়ান তুলতে প্রতি খতিয়ানে ১১০ টাকা করে নেয়।টাকা না দিলে খতিয়ান দেয় না।বলে ছিড়া পাই না পরে
দুমকি থানার এস আই পদবী ভুয়া মামলা করে এক লোক আটজনের বিরুদ্ধে , তার ভিতরে আমরা চারজন, চার নাম্বার থেকে ৮ নম্বর পর্যন্ত। এসআই তদন্ত না করে সে আমাদের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। এখন আমরা নিরুপায় কি করব তার জন্য আমরা টাকাটি দিয়ে দেই। আমরা হচ্ছে ভুক্তভোগী এখন হয়রানি শিকার হচ্ছি এখন ভুয়া মামলায়। তারপর সেই মামলার তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করে কিন্তু পরে আবার তদন্ত অফিসার চেঞ্জ হয়, এখন আবার টাকা দিতে হচ্ছে। এখানে পুলিশ তদন্ত করতে এসে দুর্নীতি করছে সঠিক তদন্ত না করে। ঘুষ সাইটের ওনার তার কাছে আকুল আবেদন দেয় এখানে থানার পুলিশ এটা এড করা উচিত। কারণ থানায় যে সকল সমস্যাগুলো হচ্ছে সেগুলোও উঠে আসবে। ধন্যবাদ।
Amra jomi jar kac theka kince Tara namjari korce tader nam a .. tai amra namjari Korte gace r bole miss case kora lagbe . Tar por sob thik hobe , 6 mas guranor por 50 hajar tk Niya kaj kore dica ..
Land Mutation affairs
কয়েকদিন আগে আমি ঢাকা টু কক্সবাজার রাতের টিকেট কাটতে চেয়েছিলাম শুনলাম ১০ দিন আগে টিকেট ছাড়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে আমি সকাল ৮টা থেকে অনলাইন ছিলাম কিন্তু ২ থেকে ৫ মিনিটে পুরো টিকিট সার্ভার থেকে বিক্রি হয়ে যায় যা এত দ্রুত হয় যে আপনি কোন ভাবে কিনতে পারবেন না । পরবর্তীতে আমাকে ৭৫০ টাকা ঘুষ দিয়ে প্রতিটা টিকিত কিনতে হইসে । যার থেকে কিনেছি উনআর সাথে কথা বলে বুঝা গেল এই ভয়াবহ প্রতারনার সাথে সহজ ই জড়িত ।
বরগুনা জেলার বেতাগী থানার ভূমি অফিসে নামজারি করাতে গেলে উক্ত অফিসের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারিদের ঘুষ না দিলে কাজ হয় না। নামজারি করার ক্ষেত্রে জমির দলিলের সংখ্যার উপর তারা ঘুষ দাবি করে। কোথাও ছোট খাট ত্রুটি খুঁজে পেলে বড় অংকের টাকা দাবি করে। যেমন: ২০০০০/৩০০০০ টাকা। আমি নামজারিতে ০৩ দফায় প্রায় ৫০০০০ টাকা খরচ করেছি। বরগুনার বেতাগী ভুম অফিসে ঘুষ নেয় টেবিলের উপর দিয়ে। কোন রাখঢাক ছাড়াই।
সিগনাল দিয়েছে এমন সময়, যখন আমার গাড়ির দুই চাকা সামনে কেন গেল, তারপর সাইড করিয়ে আমার ড্রাইভার কে ট্রাফিক্স বক্সে নিয়ে, ৩০০০ টাকা আদায় করলো
নতুন পাসপোর্ট করার জন্য 50000 টাকা ক্যাচ হচ্চে আমার কোনো আইডি কার্ড নেই আমার কোনো জন্ম নিবন্ধন নেই আমার বাংলদেশের সথে কোনো সম্পর্ক ই নেই আমার ইন্ডিয়ার নাগরিকত্ব আছে । এখন আমার বাংলাদেশি পাসপোর্ট আছে