মৃত বাবার পেনশন মায়ের নামে আনা
পেনশনের সব কাগজপত্র রেডি ছিল, তারপরও তার অডিট সামলানোর খরচ হিসাবে দাবী ছিল টাকা, না হলে বেতন চালু হবে না।
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পেনশনের সব কাগজপত্র রেডি ছিল, তারপরও তার অডিট সামলানোর খরচ হিসাবে দাবী ছিল টাকা, না হলে বেতন চালু হবে না।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং মোটর বাইকের কাগজ করার জন্য।
অফিস সহকারি এবং উচ্চমান সহকারি সরাসরি টাকা দাবি করে ৯০০০ টাকা, টাকা না দিলে ওরা ফাইলের কোন কাজে হাত দিতে চাই না আর বলে আপনি নিজে নিজেই কাজ করে নেন পরে বাধ্য হয়ে আমার শ্বশুরের পিআরএল কাজের জন্য দিতে হয়েছে ৭৫০০ আর অবসরের কাজের জন্য দিতে হয়েছে ১১০০০টাকা।শুধু তাইনা যেকোন কাজ করতে হলে নূন্যতম ১০০ টাকা হলেও ওদেরকে টাকা দিতে হয় নতুবা কাজ করে দেয়না।
I went to receive a chaque for bill, They have a fix rate .8% of total Amount.
শুধু আমি নই আমার মতো ভূক্তভুগি বহু মানুষ আছেন। মানুষকে বিভিন্ন উপায়ে জোড়পূর্বক, জিম্মী করে বাধ্য করা হচ্ছে। মানুষ নিরুপায়/বাধ্য হয়ে জটিলতাসময় অপচয় এড়াতে অর্থ দিয়ে কাজ করাতে। এই সকল মামলা গুলো বেশীরভাগ জমি/বাসা-বাড়ী সম্পত্তি বিষয়ক। জজ কোর্টের প্রতিটা সরকারী সকল কর্মচারীগন থেকে শুরু করে জজ এবং উকিল পর্যন্ত ঘুষ নেন। আপনাকে বিভিন্ন ভাবে বাধ্য করা হবে, বিভিন্ন মামলার সময় তৈরী, সহজ বিষয়কে জটিলতা তৈরী করে বা জিতে (রায়/ডিগ্রী) যাওয়া মামলায় অহেতুক ভাবে কার্নিকাল ভূল দেখিয়ে রায়ের শব্দের বানান ভূল করে প্রচুর অর্থ দাবি করা হয়। যার মূল্য নিম্ন ২০ থেকে ৫০+ হাজার টাকা। একজন সহকারী পেশকারের প্রতিদিনের উপরি ইনকাম নিম্ন ৩০ হাজার থেকে ১ (+/-) লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। AC/DC Land office গুলো তো আরও খারাপ।
আমি কক্সবাজর জেলার বাইরে থেকে আসি এখানে চাকরী করার জন্য। যেহেতু কক্সবাজার থাকি তাই এখানকার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করি। যে পুলিশ অফিসার আমার তথ্য ভেরিফিকেশনে এসেছিলেন উনি ওনার খরচবাবদ ১৫০০ টাকা দাবি করেন। যেহেতু আমি কক্সবাজারের বাইরের মানুষ তাই পাসপোর্ট পাওয়ার কথা বিবেচনা করে এবং ঝামেলা এড়ানোর জন্য ১৫০০ টাকা দিয়েছিলাম। ২০১৯ সালের কথা।
প্রথমে জুরুরী বিভাগে টিকিট সংগ্রহ then আমি ডাক্তারের চেম্বারে গেলে তিনি সব ঢেকে শোনে বাহিরে ওয়ার্ডে পাঠালো গিয়ে দেখি সেই লোক যে আমাকে প্রথমে ইমপ্রেস করে ছিল এবং তর্ক করলো খুব রাখ দেখালো আর বললো ২৫০০ টাকা লাগবে ড্রেসিং করে সেলাই করে দিবে। আমি রাজি না হয়ে প্রসেস এ থাকলাম এবং ইমার্জেন্সিতে পাঠালো। সেখানে আর এক চিত্র ১৫০০ টাকা সিকিউরিটিকে না দিলে সিরিয়েল দিবে না এবং বাধ্য হয়ে দিলাম সাথে সাথে সিরিয়াল দিল এবং ভিতরে ডাকলো। ভিতরে যাওয়ার পর মেডিসিন লিস্ট দড়িয়ে দিল এবং বললো ৪০০০টাকা দিলে ভিতর থেকে ব্যবস্থা করবে, বাহির থেকে আনলে ৭০০০টাকা লাখবে আমি লিস্ট এর দিকে তাকিয়ে দেখলাম ৭০০০এর মতোই লাগতে পারে। টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই পাশের রুম থেকে ডাক এলো আপনার রোগীর কাজ শেষ, নার্স ১০০০ টাকা লাগবে বখশস এবং দিলাম.
আমার মেয়ের জন্ম নিবন্ধন করতে গেছিলাম, বললো উপজেলা থেকে কাজ আছে, আপনার কষ্ট হবে, এক হাজার টাকা লাগবে আমি করে দিচ্ছি, না দিলে হবে না। টাকার ভাগ উপরে যাবে ইত্যাদি, টাকা দেওয়ায় পরে দেখা গেলো জায়গায় বসে কিছু সময়ের মধ্যে জন্ম সনদ হাতে দরাই দিছে। এই হল আমাদের সোনার বাংলাদেশ।
বিসিএস ক্যাডার হওয়ার পর বেতন হচ্ছিল না।কাগজ পত্রে গরিমসি এবং ঘোরানো এবং হয়রানি করা কিছু পাওয়ার আশায়
নিজে নিজে আবেদন করে জমা দিলে এই সমস্যা সেই সমস্যা। আর যখন দালাল ধরে দেওয়া হয়। সেইম কাগজটাই তখন আর কোন সমস্যা থাকে না। আমি ৪টা করছিলাম।
অর্পিত সম্পত্তি "ক" তফসিল মামলায় ১১ বছর পর ডিগ্রী পাবার পর আবার DC Land অফিসে ১ থেকে ২ মাস মাসের জন্য মিস কেস করা হয়েছে তবুও ছাড়পত্র দিতে জমির ভেলুর উপর ভিত্তি করে হাজার টাকা অর্থ দাবি করেন। অর্থ না দেবার জন্য প্রথমে ১/২ মাস অপেক্ষা করি, পর বাধ্য হই অর্থ দিয়ে কাজ করাতে। এখনও বহু কাজ রয়েছে জানি না আরও কত টাকা এবং কত মাস/বছর সময় লাগবে। বুঝি না একজন জজ তো জমির/সম্পত্তি ব্যক্তির সকল (খতিয়ান/খাজনা/টেক্স) তথ্য যাচাই বাছাই করে মামলার রায় দেন। তবুও কেনো একই পুরাতন তথ্য, পুনরায় যাচাই করার জন্য মিসকেস/সার্ভেয়ার রিপোর্ট তৈরীর, AC Land এর যাচাই, পুনরায় to DC Office থেকে কমিশনার অফিস থেকে আবার DC Office এতো অতিরিক্ত সময় নষ্ট এবং অর্থ ইনকামের জন্য কেনো এই সকল অনিয়ম ব্যবস্থা চালু করে রেখেছেন।
ভূমিদস্য আমাদের জমি নিজেদের নামের রেকর্ড করিয়ে জোরপূর্ব দখল করে রেখেছে। পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি আমাদের জমির রেকর্ড নিজেদের নামে অর্থ দিয়ে করিয়ে নিয়েছে। পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা হলে আমাদের কাছ থেকে সংশোধনের জন্য টাকা দাবি করা হয়। এছাড়া ভূমিদস্যুকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কারন সে টাকা দিয়েছে। ওই জমিতে আমরা তিনবার দিনাজপুর জেলা কোট থেকে পূর্ণাঙ্গ রায় পেয়েছিলাম। সব ডকুমেন্ট দেখার পরেও ভূমি অফিস থেকে এরকম টালবাহানা করা হচ্ছে শুধুমাত্র, ভূমি দস্যু টাকার জোরে জোরপূর্বক জায়গা দখল করেছে।
ঢাকার তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্সে বাড্ডা এলাকা দায়িত্বে থাকা ""সাবরেজিস্ট্রার —"" তার অফিসের কর্মচারীদের মাধ্যমে দলিল লেখককে দিয়ে বাধ্যতামুলকভাবে Unofficially সরকারি ফি'র অতিরিক্ত হিসেবে "" ব্যাংক লোনের মাধ্যমে রাজধানীর আফতাবনগরে ফ্ল্যাট ক্রয়ে রেজিষ্ট্রেশন ও ব্যাংক মর্টগেজ দলিল" বাবদ প্রায় ০১ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। সাধারণ মানুষ এদের কাছে অসহায় কারণ এখানে সকল সাবরেজিস্ট্রাররা মিলেমিশে "সিন্ডিকেট করে" ঘুষ দিতে বাধ্য করেন।
বিরুলিয়াতে আমি একটা জমি কিনতে আগ্রহী ছিলাম, দাতা ছিল পাওয়ার এ মালিক। সাব রেজিস্ট্রার জানালেন পাওয়ার থাকায় শতাংশ প্রতি 10000 করে দিতে হবে অন্যথায় দলিল হবে না।আমার 7.5 শতাংশ জমিতে 75000 খেয়ে দিল।আমি নিরুপায় ছিলাম আমি ইতিপুরবে জমির মালিক অনেক টাকা দিয়ে ফেলে ছিলাম।
প্রতি মাসে নির্ধারিত ভিআইএন এর অধিনে অনলাইনে ভ্যাট দেই। যা সফটওয়্যার কতৃক ক্যালকুলেশন হয় অটোমেটিক। তারপরও হয়রানি করে। মার্চ মাসে নির্বাচনের পর ভাবলাম সব স্বাভাবিক হবে তাই তখন অফিস খরচ (ঘুষ) দেই নাই। মার্চের শেষে ভ্যাটের ফাইল নিয়ে এসে ঘাটাঘাটি করে কিছু পায় নাই। তাও লেজার নিয়ে সিস্টেম করিয়ে ১১ লাখ টাকার মামলা বানাইছে। এরপর মামলা কোর্টে নে দেওয়ার বিনিময়ে ৩ লাখ টাকা নিছে এবং প্রতি মাসে অনলাইনে ভ্যাট যা-ই দেই তাদেরকে ৫০০০+১৫০০০+২০০০+৩০০০+৫০০০ মোট ৩০০০০ টাকা দিতে হয়। তাও টাকা স্যার/ম্যাডামেরা হাতে নেন না, খামে ভরে দিতে হয়। কোনোদিন খাম ছাড়া গেলে টিস্যু দিয়ে ধরে নেয়। এমন একটা ভাব যে ঘুষের টাকা তারা ধরেনা। এগুলো তাদের পেট ফেটে বের হবে এক দিন।
ফুলবাড়ী উপজেলার কুড়িগ্রাম ভূমি অফিসের বড়বাবু — একজন ছিলেন কুড়িগ্রামের ডিসি অফিসের হোটেল ব্যবসায়ী সেখান থেকে তিনি ভূমি অফিসে চাকরি নেন এই ব্যক্তি এমন একজন খারাপ লোক তার টেবিলে টাকা ছাড়া সে কোন কিছু বোঝেনা এক টেবিল থেকে আরেক টেবিল ফাইল গেলেই উনাকে টাকা দিতে হয় তিনি প্রচন্ড লেভেলের একজন ঘুষখোর মানুষ
নামজারির কাজ সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট AC Land অফিসের লোকজন আমার বাবার কাছে ৮,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা না দিলে নামজারির কাজ করা হবে না বলে জানানো হয়। বাধ্য হয়ে আমার বাবা ৮,০০০ টাকা প্রদান করার পর নামজারির কাজ সম্পন্ন করা হয়। বিষয়টি তদন্ত করে ঘুষ নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেন কোনো নাগরিককে ঘুষ দিতে না হয়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
গত ২১ তারিখ আমি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর পরিচয়পত্র সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কক্সবাজার আঞ্চলিক কেন্দ্রের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি প্রত্যেক স্টুডেন্টের কাছে পরিচয়পত্র দেওয়ার সাথে সাথে বলা হচ্ছে 'খুশি করেন'। শেষ পর্যন্ত সবাইকেই ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হচ্ছে । আমি নিজেও বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা পরিশোধ ও করেছি৷
আমি ভূমি অফিসে গিয়ে ওখানে কর্মরত কর্মকর্তা কাছে গিয়ে বললাম আমার একটি খতিয়ান কপি লাগবে। কর্মকর্তা আমার কথা শুনে একজন পিয়নকে দেখিয়ে দিয়ে বললেন ওনাকে বলেন, আমি পিয়নের সাথে খতিয়ানের কথা বলার পর তিনি আমার কাছে ৫০০টাকা দাবি করেন। আমি প্রথমে ২০০টাকা দিতে চাইলে তিনি বলেন হবেনা, পরে ৫০০টাকা দিয়ে নিতে হয়েছে।
ভুল গুলো কারেকশন করার জন্য দিতে হয়েছিলো। এর আগে কয়েকবার মেনুয়ালি চেষ্টা করেছি, কিন্তু হয়নি। পরে টাকা দিয়ে করিয়েছিলাম।