Wrong Traffic Case
অহেতুক হয়রানি করার উদ্দেশে মহিলা ট্রাফিক হেল্পার বাইক দাড়া করিয়ে শুধু শুধু ফাও মামলা দিয়েছে ট্রাফিক অফিসার ডেকে এনে। এই মামলায় তাদের ভাগ আছে উনি তা বলছিলেন, আপনাদের মামলা দিলেই তো আমরা কিসু পাবো।
19,159 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অহেতুক হয়রানি করার উদ্দেশে মহিলা ট্রাফিক হেল্পার বাইক দাড়া করিয়ে শুধু শুধু ফাও মামলা দিয়েছে ট্রাফিক অফিসার ডেকে এনে। এই মামলায় তাদের ভাগ আছে উনি তা বলছিলেন, আপনাদের মামলা দিলেই তো আমরা কিসু পাবো।
সহকারি কমিশনার ভূমি অফিসে (কোতোয়ালি)গিয়েছিলাম নামজারির জন্য তারা লক্ষ টাকা চাইছে নামজারি করলে এখানে কন্টাক করতে হবে এখানে এভাবেই হয় আপনি যদি চান করতে পারেন, না হলে অন্য কাউকে দিয়ে করাতে পারেন সর্বশেষ ১৬০ হাজার টাকায় সম্মতি দিলাম এবং এটা পরিশোধ করেছি।
Shob doc thik thakar por o extra 2500/- dite hoyechilo Aar officer der behaviour chilo sei level er kharap
সেবা নেয়ার সময় কোনো চাপ ছিলো না। দু'জন অফিসার বসে ছিল, তারা অযথা সময়ক্ষেপন করছিলো, তারা এক পর্যায়ে আমার সাথে বাংলাদেশের প্রচলিত ঘুষ দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে। প্রায় ২ ঘন্টা পরে আমাকে মেইল করে ডকুমেন্ট দেয়। এর পর টাকা দাবী করে। এক পর্যায়ে আমি দিতে বাধ্য হই। এবং অবাক হলাম কারন তারা আমার সাথে ঘুষ দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে টাকা চাইলো।
When someone goes for basic health issue like fever, headache, gastric problem etc., the clinic govt employer first charges BDT10 taka per person to get govt medicine. It's totally illegal. Anyone can come here anonymously to verify it. It's happening almost during 5 years.
বগুড়া ডিসি অফিসে মৌজা নকশা উত্তোলন করতে সরকারি চালান ৫০০ ও কোট ফি ৪৫ টা নিজে পরিশোধ করেছি । ১৫ দিন পর মৌজা নকশা উত্তোলন করতে গিয়ে সব ঠিক থাকার পর ও চা খাবার জন্য ২০০ টাকা নিয়েছে তারপর স্টোর রুম থেকে নকশা এনে দিয়েছে।
টাকা না দিলে নামজারি অনুমোদন হয় না। উপ সহকারী ভূমি কর্মকর্তাকে ৩০০০ টাকা দেওয়ার শর্তে অনুমোদন হয়। সম্পর্কে আত্নীয় ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত হলেও দিতে হয়েছে। তাছাড়া ওই ভূমি অফিসে — ও — নামে দুইজন সক্রিয় দালাল রয়েছে। ওদের মাধ্যমে ডিল করতে হয়। না হলে কাজ হয় না।
আমি নিজে পাসপোর্টের অনলাইন আবেদন করি এবং ৮,০০০ টাকা দিয়ে ভুলবসত জন্ম নিবন্ধন দিয়ে চালান তৈরি করি। পরবর্তীতে ওয়ার্ড নম্বর না দেওয়ায় ত্রুটি দেখিয়ে পাসপোর্ট অফিস থেকে আবেদন বাতিল করতে বলা হয়, যা বাতিল হতেই প্রায় এক মাস লেগে যায়। এরপর চালানটি সচল রাখা ও ঝামেলা এড়াতে এলাকার এক দালালকে অতিরিক্ত ৫,০০০ টাকা দিই। দালাল নতুন আবেদন ফর্মে মায়ের নাম ভুল করলেও পাসপোর্ট অফিসের বিশেষ সিলের সৌজন্যে কোনো সমস্যা হয়নি; বায়োমেট্রিকের সময় নাম ঠিক করে দেওয়া হয় এবং মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পাই। আরও কিছু বলতে চাইছিলাম কিন্তু বলতে পারিনি এখানে লেখার লিমিট থাকার জন্য।
This bribe payment was for zonal LUC documents, and the payment was received at the RAJUK Gulshan office. I am an employee of a known company and assigned for that task. No one helps resolve problems at the RAJUK office. Instead, if any dispute arises regarding a building’s documents, people are often asked for bribes through local agents.
I went for a GD After draft finish Sitakunda Thana office staff “computer operator “ asked to pay the cost, I asked what the cost then he replied last 30min I worked for you so you should pay I told this is government work for a citizen and it’s free of cost, Then he called one SI and was criticising, But after several reminders I wanted to pay 200/- but he was asking 1000/- Finally I was leaving without pay and then the operator asked to pay 500/- I paid But after that still they didn’t do anything against my complaint , actually most corrupted department in country is “police department “
অংশগ্রহনকারী কমিটি বাস্তবায়নে লেবার অফিস নারায়নগঞ্জে যোগাযোগ করলে তারা টাকা দাবি করে প্রতিনিয়ত মিটিং মিনিটস জমা করতে গেলে নানান ধরনের বায়না করে থাকে তারা
আমার পূর্বের নিবন্ধন করা ছিল ওনারাই করে দিয়েছিল। পরবর্তীতে যখন আমি জন্মনিবন্ধর অনলাইন করার জন্য ওখানে যাই এক পর্যায়ে টাকা দিয়ে কাজ করার কথা বললে। কিছু টাকা দিয়ে কাজটি করতে বলি কিন্তু তারা করেনা এভাবে দেড় বছর ঘোরানোর পর ও কাজ করেনা পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপে টাকা নিয়ে কাজটি করে দেয় টাকার পরিমাণ ১০০০ টাকা। যেখানে সদ্য জন্ম নেওয়া বাচ্ছার জন্ম নিবন্ধন ফ্রিতে করার কথা সেখানেও 150 টাকা না হলে কাজ করে না বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে করে নাওয়া লাগছে। যে কোন কাজ করতে গেলেই টাকা লাগবে ফ্রীতে কোনো কাজ হবেনা।
যখনই আমি NGOAB-এর অনুমোদনের জন্য কোনো ডকুমেন্ট জমা দিয়েছি, তারা ঘুষ দাবি করেছে। প্রতিটি কাজের জন্য আমাদের ১০,০০০ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়েছে। গত দুই বছরে বিভিন্ন সেবার জন্য আমরা প্রায় ৩,০০,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েছি। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, তাদের উপর থেকে নিচ পর্যন্ত সবাই ঘুষখোর।
আমার জমির বিআরএস খতিয়ান সংশোধনের জন্য আমি ল্যান্ডসার্ভে ট্রাইবুনাল মামলা করি দীর্ঘ ৩ বছর পর আদালত আমার পক্ষে আদেশ দেন। ডিগ্রির আদেশ পাওয়া জন্য পেসকার কে ডিগ্রির আদেশের জন্য ১৫০০০/= টাকা ঘুস দিয়ে আদেশ পাই। অতপর নামজারি জন্য আবেদন করি তসিলদার, কানোনগো, এসিল্যান্ড সবাই মিলে আমার কাছ থেকে ৩০,০০০/= টাকা ঘুস নেয়। হায়রে বাংলাদেশ এমন কোনো জায়গা নাই যেখানে ঘুস লেনদন হয় না।
একটি খতিয়ানের খাজনা/ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের জন্য অনলাইনে আবেদন করি। আবেদনটি ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে করনিক ভূল দেখিয়ে বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে আমি পুনরাই আবেদন করে অফিসের যোগাযোগ করলে 1500 টাকার বিনিময়ে তারা আবেদনটি সমন্বয় করে দেয়।
একটি নৌকার লাইন্সেন নবায়নের সরকারি ফি ৩০ টাকা কিন্তু চাঁদপাই দিতে হচ্ছে ৮০০ টাকা।
পাসপোর্ট করতে লাগে ৫৭৫০টাকা আমি প্রথমে নিজে আবেদন করে গিয়েছি, যারা পাসপোর্ট এর কাগজ পত্র জমা নেয় তারা কোনো ভুল ধরতে না পেরে আমার NID কার্ডে ব্যবসা লেখা আছে এটা ভুল ধরছে এখন তারা বলে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আসেন, আমি ছোট খাটো ব্যবসা করতাম কোনো ট্রেট লাইসেন্স ছিল না । পরে দালাল কে যখন ২ হাজার টাকা দিলাম তখন তখন সব ঠিক হয়ে গেলো কোনো কিছু জিজ্ঞেসও করে নাই আর এই অবস্থা দেশের।
ফাইলে ভুল আছে। এইটা জমা দিলে আপনি ঝামেলায় পরবেন। ঠিক করে দিচ্ছি। পল্টন কর অফিস। অঞ্চল মনে নাই।
সকল ইনফরমেশন ঠীক নেওয়ার পরেও অফিসার আবেদন নাখোশ করে দেয়। পরবর্তীতে একজন আনসার ২০০০ টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট তৈরী করে দেয়।
জন্ম নিবন্ধন, জাতীয়তা সনদ, ওয়ারিশেন সার্টিফিকেট