সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের চূড়ান্ত বিল দ্রুত অনুমোদন করানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের ৫% হারে প্রায় ৫০ লাখ টাক
সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের চূড়ান্ত বিল দ্রুত অনুমোদন করানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের 4% হারে প্রায় 73 লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
19,110 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের চূড়ান্ত বিল দ্রুত অনুমোদন করানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের 4% হারে প্রায় 73 লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে
উওরা পূর্ব থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য কম্পিউটার অপারেটর কং — ২০০০ টাকা নেয়। —. —, —
সরকারি চাকরিজীবীদের ৩ বৎসর পরপর শ্রান্তিবিনোদনভাতা অর্থ পাস করার জন্য ৫০০টাকা তাদেরকে ভাতা দিতে হবে,অন্যথায় এপ্রুভ করে না।
আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর মৃত্যু সনদ নিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফার্মগেট অফিসে গেলে সচিব আমাকে ডিসি অফিস থেকে সই করিয়ে আনতে বলেন। এটি তাঁদের দায়িত্ব উল্লেখ করায় তিনি সনদ প্রদানের বিনিময়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এতে অসম্মতি জানালে তিনি নিজেই ডিসি অফিসে গিয়ে সই নেওয়ার কথা বলে আমাকে হয়রানির হুমকি দেন। কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ৫,০০০ টাকা ঘুষ দিয়েই বাবার মৃত্যু সনদ সংগ্রহ করতে হয়।
দলিল সমস্যা থাকার কারণে নতুন ভাবে রেজিস্ট্রি করার সময় বিভিন্ন সমস্যা দেখে আমার কাছ থেকে ৪০০০০ হাজার টাকা নিয়েছে। যা সাব রেজিস্টার নিজেই সংগ্রহ করে রেজিস্টার সমিতি ও এদের সাথে সম্পর্কিত আছে টাকা না দিলে আবেদন না মঞ্জুর করে । সাব রেজিস্টার মডেল সম্পত্তি বিদ্যমান
জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর, ভোলা অফিসে, যা নতুন বাজারে সমবায় মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত। আমার নিকট ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পাশের রুমে যে সহকারি কর্মকর্তা আছে উনি কাজটি করার জন্য ২ লক্ষ টাকা দাবি করে।
নাগরিকত্ব সনদ সংগ্রহ এর জন্য গেলে ঐ অফিসের (মগবাজার, ঢাকা) দায়িত্বপ্রাপ্ত লোক বলে যে সনদটি সাক্ষর এর জন্য মহাখালি পাঠানো লাগবে। এর জন্য যাতায়াত বাবদ ৩০০ -৪০০ টাকা দেয়া লাগবে। আমি বললাম শুধু আমারটা তো নিয়ে হবে না, সাথে অন্যদের টাও পাঠানো হবে তাহলে প্রত্যেক এর কাছ থেকে এভাবে আলাদা করে টাকা নেয়া হচ্ছে কেন ? পরে বলা হল সেবা নিতে হলে এটা দিতেই হবে। পরে ২০০ টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেছি
বরিশাল শহরে আমাদের বিল্ডিং এর প্লান পাস করানোর জন্য সিটি কর্পোরেশন এ গেলে সেখানে আমাদের সব কাগজ সাবমিট করার পরে সরাসরি ২ লক্ষ টাকা ঘুষ চায় সে জানায় টাকা না দিলে প্লান পাস হবে না। আমরা দিতে না চাইলে আমাদের কাজ প্রায় ২ বছর আটকে রাখে। পরে টাকা দেওয়ার পর কাজ করা শুরু করে তারা। তারপর জমি মাপতে এসে আরও ৭০ হাজার টাকা দাবি করে বলে আমাদের জমি দেখে নাকি উপরের স্যার খুশি হয় নাই। আমাদের এভাবে জিম্মি করে আরও ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর ও সিটি কর্পোরেশন এ খবর নিতে গেলেও তারা চা খাওয়ার কথা বলে প্রতিবার ২,৩ হাজার করে টাকা দাবি করে।
জমি নামজারি করতে ১০ হাজার টাকা দাবি করে।
বেনাপোল বর্ডার দিয়ে ভারতে চিকিৎসা করতে যাবার সময় আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও আমার পাসপোর্ট জমা নেয় কিন্তু কোনো কারন দেখায়নি। নিতে গেলে বার বার বলে পরে আসেন। বাইরে লোক বলে টাকা দেন দিয়ে দিবে। ২০০০ টাকা চায় একটাকাও কম নেয়নি৷ টাকা দেবার পরে পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছে। ক্যান্সার রোগীদের থেকে পর্যন্ত ১৫০০/২০০০ টাকা নেয়৷ টাকা না দিলে বর্ডার পার করে না৷
কার্গো ভেসেল এর জন্য বছর প্রতি কন্জারভেন্সি বা নৌ রুট পার্মিট সহ সকল অর্থ প্রদানের সময় অতিরিক্ত ৫০০-১০০০ টাকা দাবি করা হয়, যা না দিলে সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা প্রদানেও বিলম্ব হয়, খুলনা বিআইডব্লিউটিএর লঞ্চ ঘাটের উপরের অফিসের নিম্ন কক্ষের মহিলা কর্মকর্তাকে অর্থ প্রদান করা একপ্রকার বাধ্যতামুলোক হয়ে দাঁড়িয়েছে যা একান্ত কাম্য নয়। অথচ আপনার সাথে তারা এমন ব্যবহার করবেন, যেন কাকরাইল মসজিদের মহিলা পেশ ইমাম।
সেই দিন আমার বাবা-মা র ভোটার ঠিকানা ঢাকা থেকে হিজলা বরিশাল করার জন্য হিজলা উপজেলা নির্বাচন অফিস এ যাই এর সব কাগজ ওকে ছিল কিন্তু সেখানে এখন কর্মী সরকারি ফী বলে আমার কাছে ৪৮০ টাকা দাবি করে যে এইরকম ভাবে কথা টা বললো সবাই বিশ্বাস করবে সে বললো এইটা সরকারি ফী আপনি চাইলে এইখানে দিতে পারবেন বা ব্যাংক এর মাধ্যমে দিতে পারবেন। আমি তার এই কথার উপর প্রশ্ন করি কিন্তু সে ঠিক ভাবে উত্তর দিতে পারে নাই। আমার কাজ টা জরুরি ছিল তাই আর বেশি জামেলা করি নাই দিয়ে দিছি
আমার ৬ তি গাড়ি আছে প্রতিবছর কাগজ করতে Brta তে ফিত্নেস আর রুট পারমিট করতে গুন্তে হয় ১০০০০ /- প্রতি বছর বাজেট কারণে সবগুলো কাগজ বিআরটিএ থেকে লক করে দেওয়া হয় এ বিষয়ে আমি বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও এর কোন প্রতিকার পায়নি টাকা দিলে লক খোলে এতে গাড়ি প্রতি ২০০০ করে জায়।মোট ছয়টা গাড়িতে ১২ হাজার। আবার সরকারি ফি আছেই। এতে প্রতি বছরে আমার গাড়িগুলোর কাগজ করতে ঘোষ বাবদ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। তারপর প্রতিমাসে আমার পুলিশকে চাঁদা দিতে হয় হিসাব করলে মাসে ৬০০০ এতে ১২ মাসে হয় ৭২ হাজার শেষমেষ এর কোন প্রতিকার আমি পাইলাম না।
একটি নির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির জন্য রাজশাহী বোর্ড থেকে তদন্ত দিয়েছিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ধামইরহাট উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্ত ভার দিয়েছিলেন। আইনগত সঠিক প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও তিনি নির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটি কে চাপ প্রয়োগ করেন ২ লক্ষ টাকা ঘোষ প্রদান করার জন্য। যদি টাকা না দেওয়া হয় তাহলে রিপোর্ট বিপক্ষে দিবে বলেছিল। বিদ্যালয়ের স্বার্থে সেদিন ম্যানেজিং কমিটি বাধ্য হয়েছিল তাকে টাকা দিতে।
সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও সিটি কর্পোরেশন এ সেবা নিতে যাওয়া প্রত্যেক টি মানুষ ই ভুক্তভোগী। জন্ম নিবন্ধন নতুন করতে গেলে ৫০০-৬০০ টাকা নেয় তারা। আর জন্ম নিবন্ধন কারেকশন এর জন্য তারা নেয় ১০০০-৩৫০০ টাকা করে।
আমার গাড়ির কাগজ এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স সব আছে, কিন্তু আসল টা এখনো বি আর টি তে, আমার ফটোকপি আছে।
১ বছরের কাস্টমস অডিট এবং প্রাপ্যতা। —। সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট ঢাকা উত্তর ঢাকা। এছাড়াও কাস্টমসের পিয়ন/সিপাই থেকে শুরু করে কমিশনার পর্যন্ত প্রায় সব জায়গায় টাকা ছাড়া কোন সেবা গ্রহণ হয় না। এমনকি সাংবাদিকদের প্রতি মাসে একটাই অ্যামাউন্ট দিয়ে ম্যানেজ করে নেয়।
আমাদের বাড়ির একটি দেয়াল দিয়েছিলা 1 দিনের কাজ ছিল ওয়াশ সার লোক ২০ % কমাসি্যাল করে দিসে কমাসিয়াল কাতানর জন্ন 1বছর অফিস এ ঘোর সি হই নাই টাকা দিসি 1হয়ে গেসে 1০ দিনে
ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি ৫০০০ টাকা আমাকে দিতে হয়েছে ৮০০০ টাকা, ৩০০০ টাকা বিয়ারটি সিলেট আর একজনকে ঘুষ দিতে হয়েছে
আমার জমি খারিজ করতে গেলে আমার কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও একটা অনুমোদন দেওয়া লাগে উনি অনুমোদন দেয় না, গিয়ে বসে থাকি উনি কথা বলে না বলে পরে আসেন পরে আসেন। দুইদিন যাবার পর বিরক্ত হয়ে পড়ে উনার অফিস সহকারীর মাধ্যমে টাকা দিয়েছি