পাসপোর্ট নবায়ন
পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে আমার নিকট ফি ব্যতিরেকে অতিরিক্ত ৬০০০ টাকা দাবী করে।
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে আমার নিকট ফি ব্যতিরেকে অতিরিক্ত ৬০০০ টাকা দাবী করে।
জমির দাখিলা কাটা বাবদ ১০০০০ টাকা প্রদান করা হয়েছিল। এই টাকা ছারা ওনারা দাখিলা দিবে না, বিভিন্ন সমসয়ার কথা বলে,টাকা দাবি করেছিল।
দেখা হলে যেমন সালাম দেওয়া রীতি ঠিক তেমনি লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে সরকারি খাতে ৩ হাজার টাকা জমা দিলে তাদেরকে দিতে হয় ৫ হাজার টাকা করে স্বাভাবিক রীতিতে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ছাড়া যেসব সার্টিফিকেট সংশোধন করতে হয় অর্থাৎ ২০০০ সালের আগের সেসব করার জন্য স্ব-শরীরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যেতে হয় এবং রেজিস্ট্রেশন,এডমিট, মার্কশিট সব সংশোধন এর পরে সার্টিফিকেট সংশোধন। প্রত্যেকটা কাগজ সংশোধন এর জন্য ৬-৭ দিন লাগে কিন্তু ওখানের অফিস সহায়ক এক লোক আছে ও অনৈতিকভাবে প্রতিটি কাগজের জন্য ৫০০ করে টাকা নিয়ে ১ দিনের মধ্যে দেয় যার জন্য যাদের কাজ সময়মতো হবার কথা তাদের কাজ সময়মতো হয় না। অনেক সময় লেগে যায়। দূর দূরান্ত থেকে যারা এসব কাজের জন্য ঢাকায় আসে তাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। একেকটা কাগজ ৭-১৫ দিন, সার্টিফিকেট সহ ৪ টা কাগজ করতে মাস খানেক, এর পিছে বসে থাকা লাগে। তার উপর আবার এরকম অনিয়ম।
আমার একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে চাকরি হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য একজন এসআই ২৫০০ টাকা দাবি করে। ১৫০০ টাকা দিলেও উনি অনেক জোর করেন। বলেন ২৫০০ টাকাই লাগবে। বাধ্য হয়ে আমাকে পরিশোধ করতে হয়।
নারায়ণগঞ্জ এসি ল্যান্ড অফিস। খারিজ করতে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও সব কাগজ ঠিক ছিল। এসি ল্যান্ড অফিসার নিজেই জড়িত।
পিবর বাজারের জানগ্রামের একজন মুহরি,জমি খারিজ করতে লাগে ১১০০ টাকা আমার কাছে থেকে নিয়েছে ২০০০০ টাকা, খাজনাও পরিশোধ করেছে।যাইহোক টাকা নিলেও কাজ করেছে। বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা ভুমিকা অফিসে ঘুষের রাজত্ব, জমি দলিল করতে গিয়েছিলাম, ঘুষ দিয় করতে হয়েছে, লিগাল কাজ তাও ঘুষ দিতে হয়
জমির কর দিতে গিয়ে আমাকে বলা হয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা বকেয়া আছে। আমি বিষয়টি নিয়ে কথা বললে পরে ৬ হাজার টাকা দিলে হবে বলা হয়। শেষ পর্যন্ত অনলাইনে ৩ হাজার টাকার রশিদ পাই। তাহলে প্রথমে এত বেশি টাকা কেন চাওয়া হলো, সেটাই বুঝতে পারছি না।
প্রতি পর্যায় অফিসেও পুলিশ ৩ বার ঘুষ নিয়েছে তাঁর বিনিময়ে পাসপোর্ট প্রাপ্তি এগিয়ে দিয়েছে।
পাসপোর্ট এর সাথে জন্মনিবন্ধন এর বয়সের ৪ বছরের ব্যবধান ছিল। ১৫,০০০ টাকার বিনিময়ে দোহার উপজেলা অফিসের UNO সাহেবের সহকারী ১৫০০০ টাকা দাবি করে। সেই দাবি পুরন করে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করানো হয়েছে। UNO সাহেবের ID & PASSWORD এই UNO সাহেবের সহকারী ই ব্যবহার করে। তিনি বয়স সংশোধন এর জন্য টাকা ছাড়া কাজ করে না। যত শক্ত ডকুমেন্টস থাকুক।
আমি সাবস্টেশন ব্যাবসা করি . পতিটা সাবস্টেশন লাইন্সেস করতে হলে ঘুস দিতে হয় ,
আমার জমির নামজারি করতে গিয়েছিলাম। ঘুষ চারা করা যাচ্ছে না।
সরকারী খাদ্য সংগ্রহ করতে অগ্রিম লোন দেওয়া হয় তা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বরাদ্দ সাপেক্ষে বিল সমন্বয় করে।কিন্তু ট্রেজারী বিল ফেলে রাখে টাকা না দিলে সময় ক্ষেপণ করে।
দেশের সবচেয়ে বড় চাঁদাবাজ একাউন্টস অফিসাররা। সরকারি বিলও পার্সেন্টেজ ছাড়া বিল ছাড়ে না। ৫-১৫% পর্যন্ত তাদের দিতে হয়।
আমার মায়ের পাসপোর্ট করছি ওমরা হজ করার জন্য সেখানে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে পাসপোর্ট পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা নিয়েছে আমি পরিচয় দিছি আমি আর্মির লোক আমার বেলায় ঘুষ নেন কিন্তু আমার মায়ের পাসপোর্ট এর ব্যাপারে ঘুষ নিয়েন না তারপরও সে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে সো আই এম ভেরি স্যাড
বাৎসরিক ৬০ হাজার টাকা আয় কর এসেছে। কর কর্মকর্তা বললেন আপনি আমাকে 7000 টাকা দেন আর সরকারি খাতে তিন হাজার টাকা জমা দেবো। তাতেই আপনার বাকি ৫০ হাজার টাকা কর মৌকুফ করে দেয়া হবে।
ধরুন আদালতে কেস ফাইল করতে যাবেন। কোন মামলার ডেট জানতে জানতে যাবেন। রেস্টুরেন্ট সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানতে যাবেন। এরকম বিবিধ যেকোন আদালত সংক্রান্ত কোন কাজ করতে হলেই প্রতি কথায় টাকা দিতে হবে। *****এরকম একটি প্রচন্ড দুর্নীতিবাজ সেক্টরের নাম আপনাদের লিস্টে উল্লেখ করা নেই এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয়।
আমি একটা ডাঃ দেখাতে গিয়েছিলাম সরকারি হাসপাতালে,,আমকে অনেক সময় দারা করিয়ে রাখছে,, 100 টাকা দিলে আগে সিরিয়াল দিবো,, নাইলে সিরিয়াল পাইতে দুপুর হয়ে যাবে,, আমার বউ অন্তঃসত্ত্বা তাই আমি 100 টাকা ঘুষ দিয়ে আগে ঢুকেছি,, তারপর ডাঃ আমাকে না দেখে বলে,, আপনি এখানে ভালো চিকিৎসা হবে না আপনি আমার চেম্বারে আসেন তাইলে আমি আপনারে ভালো চিকিৎসা দিবো,,
নিজে আবেদন করলে ভূল হবে,রিপোর্ট সঠিক নাও পেতে পারি।অনেক ঘোরাঘুরি করতে হবে ইত্যাদি ।তাদের দিয়ে 7000 টাকা দিয়ে করলে সব সহজে হবে।
জমি রেজিষ্ট্রেশন করার সময় সরকারি বাজার মূলের চেয়ে অতিরিক্ত মূল লেখলে ২% ঘুষ দিতে হবে। তা না হলে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে পরব না। তাই সমতায় আইসা ১% ঘুষ দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রী করলাম।