দলীল নকল কপি
আমি একটি দলীলের নকল তুলতে গিয়ে ২৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি া ঐখানে একজন পিয়ন আছে ওনি নিয়েছে
19,086 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি একটি দলীলের নকল তুলতে গিয়ে ২৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি া ঐখানে একজন পিয়ন আছে ওনি নিয়েছে
আমি একটা ম্যারেজ সার্টিফিকেট সত্যায়ন করার জন্য ফরেন মিনিস্টার অফিসে পাটাই তখন সাব রেজিস্টার অফিস এটা ভেরিফাই করা লাগে ওইখানে ভেরিফাই করার জন্য ছিল তারপর আসছিল তারপর ওরা আর ওইটা ভেরিফাই করার জন্য বলছে টাকা দেয়া লাগবে আমি গেছিলাম পরে ওই অফিসের আরেকজন উনি আমার কাছে টাকা চাইছে তো ওরা বলছে যে টাকা না দিলে বের করবে না আমার কাছে লেনদেনের এভিডেন্স আছে
ট্যাক্স সার্টিফিকেট উত্তোলনের সময় নিয়েছে।
আমি ম্যানুফ্যাকচারিং লাইসেন্স গ্রহন করার সময় ২০২৪ সালের মার্চ মাসে — , পরিচালক ঔষধ প্রশাসন, এই আঠারো লক্ষ টাকা ঘুস দাবী করে এবং আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
maintenance of the electric meter and wiring
I had to pay 5000 BDT at the Uttara passport office to get my valid documents sealed and signed for getting my biometrics registered.
জাষ্ট তদন্ত রিপোর্ট ককসবাজার জেলা অফিস থেকে ঢাকা অফিসে পাঠানো ও অনুমোদন হয়েছে মমে অতিরিক্ত নগদ ৫০০০/ এবং ডিসি হিসাব ককসবাজার ব্যাংকের মাধ্যমে ১০০০০/ নিয়েছেন পরবর্তী টিসিবির লাইসেন্স অনুমোদন হয়নি। আমার অতিরিক্ত নেওয়া টাকা ফেরত চায়।
বেপজা হতে যে কোন প্রকার সেবা নিতে গেলেই ঘুষ দেওয়া লাগে। খালি এক্সপোর্ট আর ইম্পোর্ট পার্মিশন ছাড়া, যে কোন প্রকার কাজে ঘুষ দিতে হবেই হবে৷ বর্তমানে বেপজার সবচেয়ে বড় চোর বেপজা কমার্শিয়াল ম্যানেজার।এর যন্ত্রনায় সবাই অতিষ্ঠ! টাকা দিতে হবে তো হবে, আবার আপনার প্রতিষ্ঠান থেকে দামী দামী পোশাক বা মালামাল গিফট দিতে হবে৷ না হলে সে সাইন করবেনা৷
সৌদি আরবের ড্রাইভিং ভিসা প্রসেস করার জন্য বাংলাদেশের ড্রাইভিং ফিজিক্যাল কার্ড লাগে, সরকার থেকে বলা আছে আবেদন এবং ফিজিক্যাল কার্ড সম্পন্ন ফ্রি আপনি ভিসা কফি এবং পাসপোর্ট দিয়ে আবেদন করতে পারবেন এক সপ্তাহের ভিতরে ফিজিক্যাল কার্ড চলে আসবে, কিন্তু এটি অনেক বড় একটা সিন্ডিকেট বা সরকারি কর্মকর্তার হাতে চলে গেছে প্রতিটি কার্ডের জন্য দালাল ধরে ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে , না হলে আপনি কোনভাবে ফিজিক্যাল গার্ড পাবেন না আমরা নিরুপায় কারণ সময় খুব অল্প বিষয় প্রসেসিং করার জন্য আমার ফিজিকাল ঘাটতি খুবই প্রয়োজন
আমাদের এলাকায় অনেকদিন যাবত পানি নাই, যার কারণে ওয়াসার থেকে পানির গাড়ি কিনতে বাধ্য হয়েছে, দুই দিন অপেক্ষা করে একটি গাড়ি পেয়েছি, সরকারি রেট ৬০০ টাকা, কিন্তু তারা আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা রেখেছে। কারণ এক হাজারে কমে তারা পানি দিবে না
বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে যাই হারানো সার্টিফিকেট উত্তলন করতে সেখানের দুইজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর টাকা দাবি করে। তাদের মধ্যে একজন মহিলা আরেকজন পুরুষ। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করে এবং কাজ করতে অপারগতা জানায়। পরবর্তীতে টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমরা 5 জন শরীক মিলে একটা জমির নামজারি করতে ভূমি অফিসে যাই। এখানে দুইজন নায়েব আছে একজন সৎ আরেকজন দুর্নীতিগ্রস্ত। সাৎ জনকে দিয়ে অনেক চেষ্টা করানোর পরও সে কাজটা করতে পারেনি। পরে অসৎ যে নায়েব আছে। সে তিন লক্ষ টাকার বিনিময়ে আমাদের পাঁচ জনের নামজারি করে দিয়েছে।
আমার মোটরসাইকেলের সকল কাগজপত্র ঠিক ছিল কিন্তু আমি যার কাছ থেকে কিনেছি তার সাথে ডিট করা আছে এবং নাম ট্রান্সফারের আবেদন করা আছে যে গাড়ির প্রকৃত মালিক সে ঢাকায় থাকায় নাম ট্রান্সফার কিছুদিন বিলম্ব হয় একদিন ট্রাফিক পুলিশ আমাকে ধরে সকল কিছু দেখে তারপরও মামলার ভয় দেখিয়ে এবং গাড়ি আটকের ভয় দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা দাবি করে না দিলে গাড়ি আটক করবে পরবর্তীতে তার কনস্টেবল দিয়ে আমার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নেয়
জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে ভর্তি হওয়ার জন্য ২০০ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়
গাড়ির কাগজ ছিল না তাই ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে
নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে 800000 এই টাকা দাবি করে। 200000 সমবায় অফিসারা গ্রহন করে। নির্বাচন আসলেই প্রতিবার আইনের তোয়াক্কা না করে নিজেদের মতো নির্বাচন কমিটি গঠন করে। এই কর্ম তারা করে।
আমার নামে সাইবার ক্রাইম বিষয়ক একটি মিথ্যা মামলা করা হয়। যা পুরোপুরি রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। সেই সুযোগ নিয়ে থানার এসআই অর্থাৎ তদন্ত অফিসার, জেলা কোর্ট পুলিশের পেশকার আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়। যাতে করে মামলার তদন্ত রিপোর্ট আমার বিপরীতে না যায়।
জমি বিষয়ক: কোর্টের পেশকার, থানার ওসি সহ এস আই, ভুমি অফিসের কর্মকর্তা
কারখানার পরিবেশ ছাড়পত্র নবায়ন করার সময় এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। ৫০ হাজার টাকা দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করা হয়
আমার পাসপোর্ট এর জন্য ৪০,০০০ টাকা পুলিশ ঘুষ নিয়েছিলো।