জমির খাজনা ২০/৫০ গুন বেশি আদায়
ঝিকরগাছা ভূমি অফিস এর সার্ভেয়ার, সরকার খাস জমির খাজনা ৩০-৫০গুন বেশি আদায় করেছে, এবং তার গন গন বদলি কেন শুধু ঝিকরগাছা এটা বুঝিনা। সবই তদবির বড় বাবু সব
19,067 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঝিকরগাছা ভূমি অফিস এর সার্ভেয়ার, সরকার খাস জমির খাজনা ৩০-৫০গুন বেশি আদায় করেছে, এবং তার গন গন বদলি কেন শুধু ঝিকরগাছা এটা বুঝিনা। সবই তদবির বড় বাবু সব
bhumi sheba office e ghosh deoa chara kaaj hoi na. 3 bochor ami nije apply kore dekechi. kintu bar bar kono na kono karon dekiye reject kore dei. pore taka jokon dilam kaaj hoiye gece. oi office shobai ek shate kore. je kono ekjon contract nibe baki shobai bhag kore khabe.
আমি প্রথমে নামজারির জন্য অনলাইনে আবেদন করি তারপরে অনেকদিন পরে ( প্রায় ৩০ দিন) থাকার পর যোগাযোগ করলে কোন লাভ হয় নি। তারা ক্যানসেল ও করেনি।এরপর দালালের মাধ্যমে এক সপ্তাহের মধ্যে আমার কাজ হয়ে গেছে।
টাকা না দিলে বিল পাস হচ্চে না, কাবিকা / টি আর
নামজারী করতে ফেনী শহর এর ভুমি অফিস আমার কাছে দাবি করে ৭০০০ টাকা এরা এক্টু ভিন্ন ভাবে ঘুস নেয় যেমন ভুমি অফিসের অপজিটে ডিজিটাল সেবার নামে দোকান খুলছে সেখানে নামজারি করে দিবে বলে ১১০০ টাকার সরকারি ফি এর বদলে ৭০০০ ৮০০০ এমনকি কাগজ ভুল হলে আরো বেশী দিয়ে ভুয়া কাগজের বিপরীতে খারিজ করে দিচ্ছে। এর সাথে ভুমি অফিসের সবাই জড়িত
এটার কোনো সরকারি ফি আছে কি না তা জানানেই তবে বাধ্যতা মূলক দিতেই হবে। আর অনলাইনে টেক্স রিটার্ন করলে কোনো কাগজ চাইলে অনিহা প্রকাশ ও পিয়ন দ্বারা লাঞ্ছিত ফ্রি। আর এখানে উনাদের কাছে সবর্চ্চো মুর্খ ছাড়া কেউ কর অফিসে পা রাখে না। আপনার শিক্ষা এখানে শুন্য টাকা এখানে শিক্ষক।
ওসি এবং এসআই দুইজন মিলেই আমাদের সাধারণ ডায়রির বিপরীতে টাকা দাবি করে। আবার পরে এটাও জানতে পারি যে অপর পক্ষের কাছ থেকেও তারা ভালো অংকের টাকা খেয়েছে। এবং তারা খুবই আনন্দিত হয় যখন কোন কেস তাদের কাছে আসে কারণ টাকা একদিক থেকে না দুই দিক থেকে আসে। এটা জুলাই মাসের ঘটনা নতুন ওসিক পরিবর্তনের পর।
সাব রেজিস্ট্রার এর বিশ্রাম কক্ষে নিয়ে তার অধীন এক ইমপ্লোয়ি দাবী করে।টাকাটা অন্য মাধ্যমে গ্রহন করে।
Police clearance er jonno amr theke taka newa hoy ami jokhon kom taka di tokhon uni bole j age to 1k kore nitam ekhon komai disi tao apni eto kom dilen pore ami 400 taka disi, uni chacchilo unk 500 taka dite
জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন এ
বাচ্চাকে বিদেশে লেখাপড়া করার জন্য ফ্যামিলি সনদ দরকার হয়। যেটা ফ্রীতে দেওয়ার কথা। ৫০০০ টাকা দাবি করেছিলো। অবশেষে ৩০০০ টাকা দিয়ে সনদ নিতে বাধ্য হই।
জমি পরিমাণে কম দেখিয়ে টাকা দাবি
Went for renewing tax exemption certificate. asked for 60,000/- taka then settled at tk. 30,000/-
নিয়মিত ভিজিটের অংশ ছিল, অতঃপর অনেক অনেক ধরনের সমস্যা উল্লেখ পূর্বক উক্ত টাকা দাবী করে আদায় করা হয়।
আমাকে বলা হয়েছিল, ভাই, আপনি যদি দালালের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স না করেন, তাহলে আগামী পাঁচ বছর ঘুরেও হয়তো লাইসেন্স করতে পারবেন না। তাই অযথা সময় নষ্ট না করে আমাদের মাধ্যমে করিয়ে নিলে আপনার জন্য প্রক্রিয়াটা সহজ হবে।
আমার একটি সংযোগে লোড বৃদ্ধির জন্য বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে কথা বলি। তখন তারা নানা রকম অযুহাত, আবেদন, কাগজ পত্র, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কথা পেচাতে থাকে। এরপর বলে আবেদন করেন দেখতেছি। ১মাস ঘুরেছি কাজ হয়নি। অফিসের বাইরে একজন লোক বলে ভাই দালাল ধরেন কাজ হয়ে যাবে। এরপর দলাল ধরি, টাকা দেই, কাজ হয়ে গেছে।
আমার নামে বিল/ সম্মানি সরকার বরাদ্দ করেছিল (১০% উৎস কর ব্যাতিত) মোট বিল এর তিন ভাগের দুই ভাগ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের, ময়মনসিংহ রেখে দেয়। যা প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার উপরে, আমার মতো ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই কষ্টকর হয়ে যায়।
সিলেট প্রবেশন অফিসারের কার্যালয়ে একটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব গিয়েছিল। উকিল মনে হয় টাকা দেয়ার পরামর্শ দিয়েছিল কি না সঠিক জানা নেই। তবে ওই কর্মকর্তা ৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছিল রিপোর্ট পক্ষে পাইয়ে দিতে তাও আবার রমজান মাসে! রমজান মাসেও ঘুষের টাকা গ্রহণ করেছিল ওই অফিসার। রুমের ভিতরে কম্পিউটার এবং টাইপিংয়ের ছোট একটা জায়গা আছে। ওখানে পর্দার অপরপাশে যেয়ে অফিসারটি ঘুষের টাকা নিয়েছিল।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছি কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে, আমার সকল তথ্য সঠিক থাকা সত্বেও আমার বাড়ির নাম লিখিনি কেন ও আমি যে বেকার সে মর্মে আমার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান থেকে পত্যায়ন পত্র লাগবে বলে তারা আমাকে প্রথম দিন প্নত্যাখ্যান করে। ২ দিন পরে তাদের ১৭০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট করতে হয়েছে।
বাংলাদেশে যে কোন অঞ্চলের ব্যাবসায়ী যদি তার দোকানের জন্য নতুন এজেন্ট সিম নেওয়ার জন্য সবকিছু কাগজপত্র সঠিক দেওয়ার পর ও লাইন ম্যান (DSO) কে ঘুষ দিতে হয়। এই ঘুষ সবগুলো লাইন ম্যান (DSO) খায় না, এগুলো হাউজের সবাই একসাথে খায়। যেমন আগস্ট মাসে ৫০ জন নতুন এজেন্ট আসছে উপজেলায়। ৫০×৫০০ = ২,৫০,০০০/- টাকা হাউজের সবাই মিলে ভাগবাটোয়ারা করে খাবে। এই টাকা লাইন ম্যান (DSO), সুপারভাইজার, ম্যানেজার, TM/AM/GM পর্যন্ত যায়। কিন্তু দোষ পড়ে লাইন ম্যান (DSO) উপর।