ড্রাইভিং লাইসেন্স
আমি অপেশাদার ড্রাইবিং লাইসেন্স করতে চাইছি। তারা আমার কাছে মোট ৯০০০ টাকা চাইছে এবং তাই দিতে হবে। আমি কাজ দিছি তবে পুরা টাকা এখনো দেয়া হয় নাই কিন্তু দিতে হবেই।
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি অপেশাদার ড্রাইবিং লাইসেন্স করতে চাইছি। তারা আমার কাছে মোট ৯০০০ টাকা চাইছে এবং তাই দিতে হবে। আমি কাজ দিছি তবে পুরা টাকা এখনো দেয়া হয় নাই কিন্তু দিতে হবেই।
গত বছর নভেম্বর মাসের 25 তারিখ এর দিকে আমি আমার একটি ছোট্ট জমির(14 shotok) খারিজ করানোর জন্য কলম ভূমি অফিসের একজন কম্পিউটার অপারেটর এর সাথে কথা বলি সে আমার কাছে 5000 টাকা দাবি করে। আমি পরিশোধ করে আমার কাজটি করে নিছিলাম। উল্লেখ্য যে সরকারি ফী মাত্র 1100 টাকা।
সরকারী দপ্তরে যে কোন অর্থ বছর শেষ হলে পরবর্তী নীরিক্ষা বছরে উক্ত নীরিক্ষা সম্পাদিত হয়। এ ক্ষেত্রে উক্ত অডিট ডাইরেক্টরেট থেকে যেমন (সিভিল অডিট, স্বাস্থ্য অডিট, ফাপাড) ইত্যাদি নীরিক্ষার নামে মোটা অংকের অর্থ দাবি করে। যা বেআইনি উক্ত অর্থ পরিশোধ করা না হলে তা অনৈতিক কর্মকান্ড যেমন হুমকি/ধামকি এমনকি পেনশন আটকে দেবার মত হুমকি প্রদান করে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে ডিডিও কর্তৃক বাধ্য হয়েই উক্ত ঘুষ প্রদান করে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের বিভিন্ন শুল্কায়ন শাখার দায়িত্বে নিয়োজিত ডেপুটি কমিশনার — প্লান্টের পণ্য ছাড়ের বিষয়ে ৫০০০০০ লক্ষ টাকা চান। পরে একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার মাধ্যমে ৪০০০০০ লক্ষ টাকা নেন। প্রতিনিয়ত তিনি এমন দাবি করে অর্থ নিয়ে পণ্য ছাড়েন। অহেতুক হয়রানির শিকার হতে হয়।
টাকা না দেয়ায় কাগজপত্র ভুল আছে মর্মে ঠিক করতে বলে বারবার।
ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা 1000 টাকা বিনিময়ে রিপোর্ট প্রদান করে।
Uttara BRTA Taka na Dile fitness e fail
অহেতুক হয়রানি, 70000 থেকে কমে 50000 টাকা , প্যাসিফিক সাগরে বিতরণ
লাইসেন্স রিনিউ করতে ১০০০ টাকা ঘুস দিয়া লাগছে
২০২৫ সালে আগস্ট মাসে প্রথম সপ্তাহে আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আবেদন করি। আবেদনের মূল ফি ৫৭৫০ সহ সর্বমোট ৭৩০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। যেহেতু আমার পাসপোর্ট জরুরি প্রয়োজন ছিল, তাই বাধ্য হয়ে ১৫৫০ টাকা বেশি পরিশোধ করে বানানো লেগেছে।
শিক্ষক দের সবার এক মাসের বেতন দাবি করা হয়েছিলো
রাত ১১টার দিকে রাস্তায় হাঁটার সময় হঠাৎ রেইড শুরু হয় এবং পুলিশ তাকে আটক করে। পুলিশ দাবি করে, তার কাছে নাকি মাদক পাওয়া গেছে। কিন্তু বাস্তবে তার কাছে কোনো মাদক ছিল না এবং এ ঘটনার কোনো প্রমাণ বা ভিডিওও ছিল না। এরপর পুলিশ জোর করে তার জবানবন্দি নেয়। তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে এক রাত আটকে রাখা হয়। পরিবারের সদস্যদেরও প্রায় ৪–৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করানো হয়। রাত ২টা–৩টার দিকে থানার কাছাকাছি একটি টং দোকান থেকে প্রস্তাব আসে—৫০,০০০ টাকা দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। একজন সাধারণ মানুষের জন্য এটি ছিল অনেক বড় অঙ্কের টাকা। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন এবং টাকা নিয়ে দর-কষাকষি শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত ৩০,০০০ টাকায় বিষয়টি মীমাংসা হয়। একজন ইনফর্মার টাকা গ্রহণ করার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
টাকা না দিলে বেতন শুরু হবে না বলতেছিল।
বাইকের কাগজ সাথে না থাকায় এবং হেলমেট পরিধান না করায় 10000 টাকার মামলা এবং বাইক জব্দের ভয় দেখানো হয় । পরে একজন কনস্টেবল চায়ের দোকানের পিছে ডেকে নিয়ে ৫০০০ টাকা দাবি করে, পরে ১৫০০ টাকায় সম্মত হয়।
আমি আমার সন্তানদের জন্ম সনদ (৩) টায় বাংলা নামগুলি ভূল লেখা হইছে, শুধু ইংরেজী টা কারেক্ট ছিল । অনলাইনে আবেদন করে অফিসে নিয়া গেছি, ওখানকার কম্পিউটার অপারেটরের পাশে বসা অফিসার বল্ল প্রতি ফাইলে ১৫০০/- করে লাগবে, অফিস খরচ । ৩টা ৪৫০০/- দিতে হবে । এর নিচে হবে না । ৩ দিন গেলাম কোন সুরাহা হলো না । অবশেষে ৪৫০০/- দিলাম, সেইদিনই ৫টার দিকে ম্যেসেজ পেলাম আপনার আবেদন এপ্রোভ হয়েছে । অন-লাইনে চেক করে দিখি, সব ঠিক... ৫০+৫০+৫০=১৫০/- টাকার কাজ ৪৫০০/- দিয়া করালাম । বিপদে পরলে বুঝা যায়... এই দেশে যদি ফেরেস্তাও ক্ষমতায় বসে এর পর ও ঘুস দিতে হবে । তার কারন....আমরা নিমকহারাম জাতী... । তার কোন বিবেক বা মনুষ্যবোধ নাই ।
ন্যাশনাল আইডি কার্ড করতে যাওয়ায় তারা আমার থেকে একটার পর একটা কাগজ পএ দাবী করে তাদের সব কিছু দেওয়ার পরেও তারা বাতিল করে পরে তাদের ৪ হাজার টাকা দেওয়ার পর তারা আইডি কার্ড টা করে দেয় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা
আমি বিআরটিএ গিয়ে সবগুলোতে উত্তীর্ণ হই। পরে ড্রাইভিং টেস্টে ফেইল করে দেয়। পরে তাদের একজনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি যোগাযোগ করে গেছি কিনা।আমি না উত্তর দেই এবং তাকে জিজ্ঞেস করি যে কত টাকা দিলে পাশ করে দিবে।তিনি ৪০০০ টাকা দাবি করেন।যেটা ফি এর বাইরে।
আমার ড্রাইভিং লাইসেন্স চুরি হয়ে যাওয়ায় নতুন ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে আমাকে থানায় গিয়ে একটি জিডি (GD) করতে হয়। এ জন্য আমি চট্টগ্রামের ডাবলমুরিং থানায় যাই। থানায় প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র জমা দিয়ে জিডি করার পর, কর্তব্যরত একজন কর্মকর্তা আমাকে বলেন, “চা-নাস্তা খাওয়ার জন্য কিছু দিন।” কিছুটা বিব্রত ও লজ্জায় পড়ে আমি নিজের পকেট থেকে ২০০ টাকা বের করে তাকে দিই। তিনি টাকাটি রেখে দেন এবং আমাকে জিডির একটি কপি দেন। এরপর সেই জিডির কপি নিয়ে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ BRTA অফিসে যাই। সেখানে আমার মোটরসাইকেলের নামে আগে থেকে কোনো মামলা বা pending case আছে কি না—এ সংক্রান্ত একটি সনদ/প্রত্যয়ন প্রয়োজন ছিল। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর BRTA-এর সংশ্লিষ্ট কর্মচারী আমার কাছ থেকে কোনো রসিদ ছাড়াই ৫০০ ট
আমার আর আমার বাবার সম্পূর্ণ নির্ভুল Passport আবেদন form কোনো কারণ ছাড়াই বাতিল করে দেয়। তারপর দালালের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা দাবি করে। তারপর বাধ্য হয়ে টাকা দিলে সেই Passport form approve করে। মূলত তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ঘুষ আদায় করা।
পাসপোট আবেদন কপিতে সব ঠিক ছিলো তারা কোন ভুল ধরতে পারে নাই সেজন্য টাকাও দাবী করতে পারছেনা পড়ে বলতেছে আপনার সব ঠিক আছে কিন্তু আজকে ফিঙ্গার ছবি হবেনা আপনি কালকে আসেন পরবর্তীতে এক আনছার পুলিশ এসে বলতেছে কি হয়েছে ভাই আমি বলললাম এই কাহিনী সে বলল সমস্যা নাই উপরে চলেন উপরে গেলাম এক ঘরের কোনে গিয়ে বললে আপনার ফিঙ্গার ছবি আজকেই হবে 1500/- টাকা লাগবে্। যেই কথা সেই কাজ আমি টাকা দিলাম আমাকে আর সিরিয়ালে দাড়িয়ে থাকাও লাগলো না আমি ফিঙ্গার আর ছবি দিয়ে বের হলাম এই হলো কাহিনী