New Passport
Passport er jonno cawa hoyechilo. regular doc submission rejected. Taka dewar por sob ok.
19,034 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Passport er jonno cawa hoyechilo. regular doc submission rejected. Taka dewar por sob ok.
লাইসেন্স দেখান স্যার লাইসেন্স ইউনিয়ন ছাড়ে নাই তাহলে মামলা দিবো, না স্যার মামলা দিয়েন না আমি গরিব মানুষ ,, তাহলে ৫০০টাকা দে, স্যার দুই শত টাকা ভাড়া মারছি, দে, নেন স্যার
জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করতে গিয়ে যতরকম সরকারি ফ্রি আছে সবকিছু পরিষদ করে যারা কাজ করেছে তাদের টাকা দিয়েও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শুধুমাত্র স্বাক্ষর করার জন্য ১৫০০ টাকা নিয়েছে।
নামজারির কারণে সাব-রেজিস্ট্রার আমাদের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন। এর মধ্যে তিনি নিজে ১ লাখ টাকারও বেশি নেন , কাজ দ্রুত করে দেওয়ার জন্য তিনি ঘুষ হিসেবে অতিরিক্ত টাকা। এছাড়াও কিছু তথাকথিত রিপোর্টার আছে, যারা সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে কোনো রিপোর্ট করবে না—এই কারণে তারাও এর একটি অংশ নেয়।আমাদের জমি লোহাগাড়া , জমি ২০ শতক সাব-রেজিস্ট্রার তার অফিস সময়ের বাইরে মাত্র ১৫ মিনিট অপেক্ষা করার জন্য অতিরিক্ত ২৫,০০০ টাকা দাবি করেন। সব মিলিয়ে তিনি আমাদের কাছে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন, অথচ আমরা তার টেবিলে সরকার নির্ধারিত ফি-এর যে তালিকা দেখেছি, সেখানে একই কাজের সরকারি খরচ ছিল মাত্র প্রায় ১ লাখ টাকা। শেষ পর্যন্ত আলোচনা করে আমরা ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকায় সবকিছু মীমাংসা করি এবং পুরো ৪,৯০,০০০ টাকা পরিশোধ করি।
জিপিএফ হতে কিস্তি উত্তোলনে দেয়া হয়েছে।
আসসালামু আলাইকুম বাড়ি রাউজান বিগত ২২১ আগস্ট জান থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ফাইল জমা দেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম ওখানে কর্মরত পুলিশ অফিসার আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা গুশ দাবি করে। আমার কাছে এক হাজার টাকা না থাকায় আমি তাকে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য হলাম।
আমি গাইবান্ধা জেলার পলাশ বাড়ি থানার একজন বাসিন্দা।আমার পিতার দেড় শতক জমি রোডস এন্ড হাইওয়ে তে গেলে সেই টাকা উত্তোলনের জন্য গাইবান্ধা জেলার ডিসি অফিসের এল এ শাখায় গেলে তারা আমার ফাইল খুজে দেয় না। বিভিন্ন অযুহাত দেখাতে থাকে।তারপর আমি যখন অনুসন্ধান করতে থাকি পরে জানতে পারি এখানে মোট টাকার পাঁচ পার্সেন্ট গাইবান্ধা জেলার ডিসি,এডিসি (রেভিনিউ),এল এ শাখার অফিসার,কানুনগো সহ প্রতিটি ব্যক্তির মাঝে এই পাঁচ পার্সেন্ট টাকা ভাগ করে দেয়া হয়। পাঁচ পার্সেন্ট ছাড়া টাকা উত্তোলন তো দূরের কথা ফাইল পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা হচ্ছি ক্ষতিগ্রস্ত এই ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে এমন অমানবিক আচারন বলার মত না।এটা গাইবান্ধা জেলার ডিসি অফিসে কাউকে ফোন দিলে জানতে পারবেন।
ঢাকা কাস্টমস হাউজে প্রতিটি টেবিলে ঘুষ নেওয়া হয়, অফিস সহকারী থেকে শুরু করে কমিশনার পর্যন্ত। একটা এয়ার ফ্রেইট পেপার কায়িক পরিক্ষা করাতে ARO (অ্যাসিস্টেন্ট রেভিনিও অফিসার) কে ১০০০, শুল্কায়ন করাতে ARO (অ্যাসিস্টেন্ট রেভিনিও অফিসার) কে ১০০০ এবং RO (রেভিনিও অফিসার) কে ১০০০ টাকা দিতে হয়, এভাবে প্রতিটি টেবিলে ১০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত লাগে যা শেষে মোট দাড়ায় ৮০০০-১০০০০ টাকা। এভাবে প্রতিদিন শতশত পেপার বা ডকুমেন্টস এর কাজ করাতে হয়। একটি অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সভার সিদ্ধান্ত বানাতে টাইপিস্ট কে দিতে হয়েছে ২৫০০ টাকা। কাস্টমসে প্রচুর পরিমান ঘুষ লেনদেন হয় যা দেখার কেউ নেই। এটা যেনো স্বাভাবিক বিষয়। সবাই জানে যে এখানে এত টাকা দিতে হবে, সবাই মনে করে এটা খরচ। মজার কথা হলো অফিসাররাও বলে খরচ😂
Ami union office e jai amar nagorikotto sonod anar jonne Kintu amar kach theke ekjon gram police 100tk dabi kore r na hoy Nagorik sonod pabo na eta naki member er adesh chilo. Amar joruri proyujon howar karone ei tk diye ei son[d ti nithe hoyechilo.
জমি রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে কান্দা শ্রেনীর জমি প্লটিং সিস্টেম দেখে মোট মূল্যের উপর ৬% ট্যাক্স দিতে হবে বলে জানায়। ৬% ট্যাক্স দিতে হলে ৩ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়। পরবর্তীতে দর কষাকষির পর ৭৫০০০টাকা ঘুষ দিলে ৩ লক্ষ টাকা ট্যাক্স লাগবে না বলে জানায়।
একজন জর্জ টাকার বিনিময়ে রায় দেয় কেমনে তিনি একজন নেয় বিচারক হয়ে এটা করলে মানুষ কোথায় জাবে টাকার কাছে কি অনায় জিতে যাবে।
আসসালামু আলাইকুম, আমার বাড়ি চট্টগ্রাম, রাউজান। বিগত শনিবার ২২ শে আগস্ট রাউজান থানায় গিয়ে আমি আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ফাইল জমা দেওয়ার সময় আমার কাছ থেকে কর্মরত পুলিশ অফিসার পকেট খরচের জন্য এক হাজার টাকা দাবি করে, আমার কাছে অত না থাকার কারণে আমি তাকে বললাম আমি 500 দিতে পারব, এরপর উনি ওই ৫০০ টাকা নিয়ে আমার কাছ থেকে পকেটে রাখে। ওনার নাম —।
আমার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে আমি ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করি। আমি নিজে থেকে আবেদন করতে চাইলেও পূর্বে লাইসেন্স গ্রহন করেছে এমন পরিচিত লোকজনের কাছে এই প্রকৃয়া জানতে চাই, এবং সকলেই এক বাক্যে জানায় যে দালাল ধরা ব্যতীত ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া অসম্ভব। যা হোক আমি এক পরিচিতের মাধ্যমে একজনের সাথে যোগাযোগ করি যেখানে আমাকে সর্বমোট ১১০০০(এগাড়ো) হাজার টাকা পরিশোধে বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেয়ার কথা বলা হয়(জোয়ার সাহারা-খিলক্ষেত), কিন্ত যেখানে সরকারী ফি হচ্ছে তার অর্ধেক। উল্লেখ করা রাখা ভালো, লিখিত পরীক্ষার আগেরদিন উত্তর সহ প্রশ্ন প্রদান করা হয়। যদিও আমি গাড়ীর স্টেয়ারিংও ধরি নাই কখনও এবং প্রাকটিকাল পরীক্ষায় ফেল করা সত্তেও, টাকার বিনিময়ে আমাকে ঠিকই লাইসেন্স প্রদান করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ মানুষ নিজে পাসপোর্ট করতে গেলে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্দিষ্ট তারিখে আবার আসতে বলা হয়। কিন্তু দালালের মাধ্যমে কাজ করালে এসব সমস্যা ছাড়াই কাজ হয়ে যায় এমন অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি পাসপোর্টে অতিরিক্ত প্রায় ১,৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, অফিসে দালালচক্রের মাধ্যমে এভাবেই চলছে অতিরিক্ত টাকার লেনদেন।
ভর্তি হওয়ার সময় তিন দিন যেতে হয়েছে তাও কাগজ চেক করা হয়নি অবশেষে যখন 1000 টাকা পিয়নকে ঘুষ দেওয়া হয়েছে তারপরে গিয়ে ফাইল এক্সেপ্ট করছে
4 Times electric bill 3 months. After complaining they will send someone for checking. To fast track the process asked for 1000. For Travel cost 500 extra.
We are a small business. We submit monthly e-VAT return and the printed copy need to be signed from our circle office. Every month we have pay 4000 taka to get signed. If we make late to go there they call us to get sign and give us threat.
Passport office ar baire ak lok niye gese amak taka deyar pore vitore ak lok amk sob kore dise.
প্রতইদিন মামলার হাজিরা, তদবির, সময়ের দরখাস্ত, জামিনের পিটিশন সহ সব কিছুই নিত্যকার মতো দাখিল করি, পেশকার ২০/৫০/১০০/৫০০/১০০০ ছাড়া জমা নেয় না, এমনকি টাকা ছাড়া তার দপ্তরের কোনো পিয়ন ই এক চুল নড়ে না। কোনো আইনজীবী কে কল দিয়ে এসব জিজ্ঞেস করেন, এক ফোঁটা পরিমান অসত্য পাবেন না। চট্টগ্রামের সকল কোর্ট/দপ্তরে হরহামেশাই ঘুষের বানিজ্য চলে। একেকটা পেশকার ৫০/১০০ কোটি টাকার মালিক।
নেত্রকোনা জেলার উপপরিচালক পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক ও সহকারী পরিচালক ( সিসি) কে মাসিক ভিত্তিক চাঁদা না দিলে এবং বাতসরিক টাকা না দিলে দুরবর্তী উপজেলায় বদলি করে দেয়। সম্প্রতি আমাকে বদলি করা হয়েছে। দাবিকৃত এক লক্ষ টাকা পরিশোধ করেছি কিন্তু এখনো আমাকে পুর্বের জায়গায় বদলির অর্ডার করেনি। অফিস সহকারীর সাথে যোগাযোগ করা হলে উনি মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা চাচ্ছে।