নতুন পাসপোর্ট তৈরি।
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছি। বলছে সমস্যা পাসপোর্ট হবে না। পরে এক হাজার টাকা দিলে করে দিছে। বিভিন্ন সমস্যা ধরতে থাকে টাকা না দেওয়া পর্যন্ত।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নতুন পাসপোর্ট করতে গিয়েছি। বলছে সমস্যা পাসপোর্ট হবে না। পরে এক হাজার টাকা দিলে করে দিছে। বিভিন্ন সমস্যা ধরতে থাকে টাকা না দেওয়া পর্যন্ত।
এক হাজার টাকা ছাড়া (অফিস বকশিস) আমার Trade Licence Renew করছে না, টাকা না দিলে আমার Sign bord Tax 1200 থেকে ৩০০০ করে দেওয়ার হমকি দিচ্ছে। ৩-৫ দিন গুরানোর পর 1000 টাকা সহ মোট ৯৮০০ টাকা দিয়ে রিনিউ করালাম। আমার সাইনবোড tax 1200 টাকাটাও অতিরিক্ত দিচ্ছি, কারন আগে জোর করে সাইনবোর্ড টেকস্ট 1200 করে দিছিলো।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে দালাল না ধরলে লাইসেন্স পরীক্ষায় ফেল দেয়
আমি ঢাকায় থাকি। পাসপোর্ট নবায়ন করতে গেলে বলে আপনার গ্রামে গিয়ে নবায়ন করেন। এখানে হবে না বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি। তারপর হয়েছে
জমি খরিদ এর পর নামজারি করতে গেলে, নামজারি ফি ১১০০/- টাকার জায়গায় ৩৫০০/- টাকা দিতে হয়, ভূমি অফিসের কর্মকর্তাদের। এবং তফসিল অফিসার কে দিতে হয় ১০০০/- টাকা
পাসপোর্ট তৈরি করা আমার ওয়াইফ গিয়েছিল অনেক দূর থেকে,, বিভিন্ন কারন দেখিয়ে করে দেয় নি,, তাই মেয়ে মানুষ হয়ে হয়রানি থেকে বাচতে ২০০০ টাকা দিয়ে করাতে বাধ্য হয়েছি
2012 সালে ঢাকার মাতুয়াইলে বাড়ি করার জন্য রাজউক থেকে G+ 5, মাণে ৬ তলা বাড়ির করার জন্য প্লান পাশের আবেদন করি, ২ বছর ঘুরানোর পরে ৩ লক্ষ টাকা দিয়ে সেই প্লান পাশ করি। তখন অনেক দিন আমি রাজউকে গিয়েছি অনেকের সাথে কথা ব লেছি, রাজউকের ইঞ্জিনিয়ার বলল ঢাকা শহরের ৯৯.৯৯% বাড়ির প্লান পাশ ঘুষ ছাড়া সম্ভব হয় নাই। আর কোন দিন হবে ও না। দিন দিন আরো বাড়বে ,আপনি আগে টাকা দিলে আরো ২০ হাজার কমে করানো যেত। সরকারি কাজের যেহেতু কোন টাইম লাইন নাই তাই যত দিন আপনি টাকা না দিবেন তত দিন আপনাকে ধুরাতে থাকবে।
জিপিএফ, ছুটির ও পেনশনের হিসাব সম্পন্ন করা।
Both customs officers and C&F agents contribute to the bribery and corruption in import clearance. C&F agents may mislead importers, while customs officials can create unnecessary delays, HS Code disputes, and extra tax burdens. These unofficial costs are ultimately passed on to consumers, making imported products unnecessarily expensive and hurting both businesses and the general public.
Said there was a discount system on traffic cases for students my age🤷
চাকরির জন্য পুলিশ ভেরিফাই করতে আসে, আমার সমস্ত কিছু যথাযথ থাকার পরেও ঐ পুলিশ ২০০০ টাকা নাস্তা খরচ দাবি করে, আমি চাকরি না হওয়ার ভয়ে ১০০০ টাকা প্রদান করি। ১০০০ টাকা গ্রহণ না করায় পরে ২০০০ টাকা দিয়ে দিছি।
টাকা নিয়ে অর্ধেক কাজ করে পালিয়ে গেছে
বাংলাদেশের সরকারের হয়ে আমরা রাইস মিল মালিকগণ উপজেলা খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহ করে থাকি। মূলত বছরে দুই বার চালের বরাধ্য আসে। আমন, ভোরো মৌসুমে। বরাধ্য আসার আগেই খোলামেলা মিটিং হয় খাদ্য গুদামের ইনেস্পেক্টরের সাথে। তিনি তার সম্মানে প্রতি কেজিতে নির্ধারিত টাকা ধার্য্য করে দেন। শুরু হয় প্রতি কেজিতে ২/২.৫/৩ টাকা করে। শেষ আমন মৌসুমে এগারো শত টন চালের জন্য তাকে সম্মানি প্রদান করতে হয়েছে ২৪,২০,০০০ টাকা এবং অন্যান্য আনুসাঙ্গিক খরচের জন্য আমাদের প্রদান করতে হয়েছে ৭,৭০,০০০ টাকা মাত্র। — উপজেলা খাদ্য গুদাম ইন্সপেক্টর রামু উপজেলা কক্সবাজার
অফিসের নামে ৩ বেডের একটা এপার্টমেন্ট ভাড়া নেয়া হয়েছিল, গুলশানে, যেন, যখন আমাদের প্রতিষ্টানের বিদেশী বড় কর্মকর্তা বা ম্যানেজমেন্ট বাংলাদেশে এসে গুলশানের হোটেলের বদলে যেন সেখানে প্রায় সময় থাকত। একবার ট্যাক্স অফিস থেকে অডিট করতে এসে দেখে আমরা প্রায় ২ বছরের এই এপার্টমেন্ট বাবাদ কোন AIT (advance income tax) পরিশোধ করি নাই। হিসাব করে ফাইন সহ উনারা প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টাকা চার্জ করে এবং না আদায়ে আমাদের নামে কেইস করবে বলে হুমকি দেয়। এবং মহাখালীর ট্যাক্স অফিসের একজন অফিসার হিসাব করে বলে, যে উনার বস বলেছে উনাকে আড়াই লাখ টাকা দিলে উনি সর্বমোট আড়াই লাখের ভেতর ফাইন সহ সব করে দিতে পারবে। আমাদের মোট খরচ হবে ৫ লাখ। সুতরাং আমরা সে ঘুষ দিয়ে কেইস থেকে বেচেছি।
For my childs birth registration approved.
No one interested to run the ETP. Because even if your ETP will work, without bribe report will be bad. So we suggest to give the lab test of water to independent lab, like SGS, TUV ot Intertek.
আমি পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ঘরে বসে আবেদন করেছিলাম আমাকে শুক্রবারে কল করে থানায় যেতে বলে। আমি সেখানে যাই । আমি প্রায় 2 ঘন্টা তার জন্য বসে থাকি । ২ ঘন্টা পরে এসে আমার আবেদন পত্র দেখে বলেন যে আবেদনে ভুল আছে বাহিরে দোকান আছে সেখান থেকে আবার কেরে আসেন । আমি সেখানে ২০০ টাকা দিয়ে করে আসি । আসার পর আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য টাকা চায় আমি বলি স্যার আমি তো বিদেশে যাব এখন টাকা পয়সার খুব প্রয়োজন আমি তো দিতে পারবনা । সে বলে বিদেশ যাবেন আর আমাদের এই অল্প টাকার জন্য আপনার সমস্যা! আমি তাকে বললাম কত দিতে হবে ? সে বলে অনেকে 2-3-5 হাজার দেয় ।তখন বললাম আমি তো স্যার এত দিতে পারবোনা আমার কাছে এত টাকা নাই ।তখন বলে কত দিতে পারবনে আমি বলি 500 । আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন তখন জরুরি দরকার তাই বাধ্য হয়ে দেই।
আমার ফ্যক্টরির ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে স্থানীয় ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর এই টাকা দাবি করে সরকারি ফি এর বাহিরে। আমি অন লাইনে আবেদন করে প্রায় ২ মাস অপেক্ষা করি কোন পদক্ষেপ নেয় নাই। তখন ব্যক্তিগত ভাবে যোগাযোগ করলে সে এসে টাকা দাবি করে। তখন কোন উপায় অন্ত না দেখে টাকা দিতে বাধ্য হই।
টাকা ছাড়া বিলই পাশ করেনি
প্রথমত আমি নিওম অনুযায়ী অনলাইন এর মাধ্যমে আমার ডকুমেন্টস সহ ১৫০০ টাকা সরকারি ফি দিয়ে আবেদন করি। এরপর নির্ধারিত আমি নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী সেই থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত কম্পিউটার অপারেটর এর কাছে যাই, বিস্তারিত বলি এবং তিনি একটা পর্যায়ে আমাকে বলে আপনার আবেদন রিজেক্ট করা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন কারণ দেখান এবং বলেন সব কিছু নতুন করে আবেদন করতে হবে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দিতে হবে।আমার হাতে সময় ছিলনা, ভিসার তারিখ কম থাকায়, আমি তার সাথে আর কোন আরগুমেন্ট এ না গিয়ে টাকাটা দিয়ে দিতে বাধ্য হই। আমি আরো কয়েকজন এর সাথে কথা বলে বুঝলাম বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এমন হেনস্তার শিকার হচ্ছে সেবা গ্রহিতারা।