পে ফিক্সেশন
পে ফিক্সেশন করার সময় টাকা দাবী করেছিল। সরকারি চাকরিতে প্রথম বেতন চালু করতে এই টাকাটা আমরা ৩ জন দিতে বাদ্য হয়েছিলাম।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
পে ফিক্সেশন করার সময় টাকা দাবী করেছিল। সরকারি চাকরিতে প্রথম বেতন চালু করতে এই টাকাটা আমরা ৩ জন দিতে বাদ্য হয়েছিলাম।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর ভেরিফিকেশন এর জন্য হবিগঞ্জ সদর থানার একজন এসআই কল দিয়ে ১০০০ হাজার টাকা দাবি করে এবং ভিবিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১০০০ হাজার টাকা আদায় করে
আমি পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য ঘরে বসে আবেদন করেছিলাম আমাকে শুক্রবারে কল করে থানায় যেতে বলে। আমি সেখানে যাই । আমি প্রায় ২ ঘন্টা তার জন্য বসে থাকি । ২ ঘন্টা পরে এসে আমার আবেদন পত্র দেখে বলেন যে আবেদনে ভুল আছে বাহিরে দোকান আছে সেখান থেকে আবার কেরে আসেন । আমি সেখানে ২০০ টাকা দিয়ে করে আসি । আসার পর আমার কাছে চা খাওয়ার জন্য টাকা চায় আমি বলি স্যার আমি তো বিদেশে যাব এখন টাকা পয়সার খুব প্রয়োজন আমি তো দিতে পারবনা । সে বলে বিদেশ যাবেন আর আমাদের এই অল্প টাকার জন্য আপনার সমস্যা! আমি তাকে বললাম কত দিতে হবে ? সে বলে অনেকে ২-৩-৫ হাজার দেয় । আমি তখন বললাম আমি তো স্যার এত দিতে পারবোনা আমার কাছে এত টাকা নাই । তখন বলে কত দিতে পারবনে আমি বলি ৫০০ । আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন তখন জরুরি দরকার তাই বাধ্য হয়ে দেই।
দীর্ঘদিন সরকারি চাকরি করার সুবাদে আমি একদম নিশ্চিত যে, সব উপজেলার চিত্র একই। উপজেলার হিসাব রক্ষণ অফিসগুলো একটা অলিখিত সংবিধান করে রেখেছে যে, অন্যান্য সরকারি অফিসগুলোর বিল পাশ করার জন্য ৫% হারে তাদেরকে কমিশন প্রদান করতে হবে।
নতুন ১২০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে, এ সকল সংযোগ পাওয়ার জন্য বিদ্যুৎ অফিস ঘুষ না দিলে অনেক হয়রানি ও সময়ক্ষেপণ হয়,,,,, এসব কাজ প্রতিনিয়ত করা হয় বলে, পূর্বের খারাপ অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে, আগেভাগেই কন্টাক করে নেই, যে কত টাকা দেওয়া হবে বা উনারা কত টাকা নিবেন।
স্কুলের একজন প্রধান শিক্ষক তিনি স্টুডেন্ট দের অভিভাবকদের অফার করেন ২৫ হাজার টাকা দিলে ভালো রেজাল্ট নিয়ে দিবে। টাকা দেওয়ার পর ভালো রেজাল্ট হয়ে গেছে শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক দুর্নীতি হয় আমি চাই ভালো একটা তদন্ত হওয়া উচিত। এটা দুই বছর আগের ঘটনা আমার শালিকার জন্য ঘোষ দেওয়া হয়েছিল।
বাড়ি প্লানিং পাশ এর জন্য আবেদন করছিলাম, একজন ইঞ্জিনিয়ার আছে সে সমস্ত প্লানিং এর কাজ নিয়ন্ত্রন করে, আমার কাছে ২০০০০/- চাইছিল পরে ১৫০০০/- দিলে কাজ করে দিছিল।
পাসপোর্ট করার জন্য টাকা দাবি করেছে
আমি আমার সার্টিফিকেট তুলতে গেলে সরকারি ফি জমা দেবার পরও তাদের আলাদা ভাবে টাকা দিতে হয়েছে।
বাৎসরিক জমির খাজনা দেওয়ার জন্য সদর ভূমি অফিস থেকে খাজনা কোডসম্বলিত খতিয়ান চিঠি। আমার কাছ থেকে খরচ বাবদ ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। যেহেতু টাকা চেয়ে নিচ্ছে তাই চিঠি রেডি হলে হাতে হাতে টাকা দিবো বলেছি। আর না হয় বিকাশ নাম্বারে। নানা আজুহাত দেখিয়ে বলে ডিসি রাজস্ব অফিসে থেকে খতিয়ান আসেনি। হারিয়েছে। সর্বশেষ মোবাইল ফোনে আমি বলি আমাকে কোথায় যেতে হবে যেহেতু এটা সরকারি রাজস্ব জমা দেওয়ার ব্যাপার। আমি যখনই ডিসি রাজস্ব অফিসে যাবো আমাকে ফোন দিয়ে বলে খতিয়ান পাওয়া গেছে যাওয়া লাগবে না। খাজনা খতিয়ান চিঠি তৈরি হলে আমাকে ফোন দিবে। সপ্তাহ যায় মাস যায়। ফোন আর আছে না। আমি ফোন দিলে রিসিভ হয় না। কয়েকদিন পর আমার নাম্বার ব্লক দিয়ে রেখেছে। সেটা বুঝলাম আমি ২ সপ্তাহ ভূমি অফিসে গিয়ে দেখি সে থাকে না। তাহাদের অফিস থেকে ফোন যায়।
Namjari korte Sorkari free lage 1100 takar moton. Ami Nijei bhumi office jai and namjari korte bolle amake prothome bole total 25000 taka lagbe pre ami unake kaz ta dey but kichu din pore uni abar bole amar ar kichu papers ready nai tar jonno r o 15000 taka lagbe pore ami unar k believe kori nai ami amar porichito ekjon k dea korai uni 35000 takay kaz ta kore dey. Mane 1000 takar kaz ami 35000 hazar taka dea korechi. But ami 1100 taka dea korate cheachilam but amar onk porichito lok tara online try korechilo kintu lav hoi nai tader file hold kore rekhechilo. pore taka dea ei korano lagche. Ami khub e berioktto ei Govt. office er ghus er bapare. Er bruddhe ekta kichu kora dorkar.
নামজারির সব কাগজ ঠিক থাকাবস্থায় সেখানকার ভূমি সহকারির সহকারি ৩০০০ টাকা চান নামজারির জন্য, প্রথমবার দিতে অস্বীকার করলে তারা নামজারি বাতিল করে। পরে আবার আবেদন করা ৩০০০ টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি।
জন্মনিবন্ধন করতে সরকারি ফী ছাড়াও অতিরিক্ত আম্র কাছে ৭০০ টাকা দিতে হয়।
আমাদের ভূমির খাজনা এসেছে তিন হাজার টাকা , দিয়েছি তিন হাজার টাকা, কিন্তু আমাকে দিয়েছে একহাজার টাকার রশিদ।
কোম্পানির নামে জমির মিউটেশন করাতে গেলে সেখানের সার্ভেয়ার আমার কাছে থেকে ৫০০০০ টাকা ঘুষ দাবী করেন, পরবর্তীতে কাজটি আমার করতে হবেই বিধায় তাকে ৩০০০০ টাকা আমার বাধ্যতামূলক ঘুষ দিতে হয়েছে।
নামজারির প্রথম স্তরে ফাইল জমার সাথে ১০০০ টাকা না দিলে ফাইল নেয় না,নামজারি করে আনলে সেটি জমা দিলে আবারও ১০০০ টাকা দিতে হয় না হলে কাজ হয় না। মানুষ জমির খতিয়ান নিবে তাতেও ১০০ টাকা করে নেওয়া হয়, সেবা ২০ মিনিট এর অধিক সময় হলে টাকার পরিমান বাড়ে
ঢাকা-মাওয়া হাইওয়েতে, ভাটিয়াপাড়া একটু পর প্রাইভেট কারের স্প্রীড ছিল ৭০, যেখানে হাইওয়ে স্প্রিড ৮০কি.মি. অযথা হয়রানি করে ৭০০০/- টাকা ঘুষ নিয়েছে।
tobaco company for mental creation.
হাসপাতালে রোগী দেখার জন্য আমি ১০ টাকা দিয়েছি তা খাতায় লিষ্টি না করে টাকা নিয়ে নিচ্ছে। আমি প্রতিবাদ করেছি। যা সরকার বড় রাজস্ব হারাচ্ছে
Without paying this charge I can not register my land transfer deed. Both Lawyer and land registerer's office personnel are involved in the process other than their service charge.