সার্টিফিকেট উত্তোলন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুর। আমি আমার সার্টিফিকেট উত্তোলন করতে গেলে আনসার সদস্য + অফিস সহায়ক আমার থেকে এই টাকা নেয়।
19,001 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুর। আমি আমার সার্টিফিকেট উত্তোলন করতে গেলে আনসার সদস্য + অফিস সহায়ক আমার থেকে এই টাকা নেয়।
অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্স আপডেট করার জন্য ২০২৫_২০২৬,২০২৬-২৭ সালের মোট ২৩০০০ টাকা পরিশোধ করেছি।
নামজারি করতে গিয়ে এই টাকা না দিলে নামজারি মঞ্জুর হয় না। টাকা না দিলে আবেদনে ভুল আছে, জোতে জমি নেই, কাগজ ঠিক নেই বলে আবেদন বাতিল করে দেয়।
অনলাইন জাতীয়তা সনদপত্র আবেদনে অনলাইনে ১০/- ফী নেয়। এরপরও ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসে অতিরিক্ত ৩০০/- খরচ দাবী করে, যেটার কোন চালান/মানিরিপ্ট দেয়না। জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও একই
ট্রেডমার্ক আবেদন অতিরিক্ত টাকা দাবি
সেই সময় যিনি ভেরিফিকেশনের দায়িত্বে ছিলান ডিএসবি শাখার একজন এস আই, তিনি নিয়েছেন। আমি সহ অনেকেই দিতে বাধ্য হয়েছি এই ভেবে যে এত দূর এসে তাদের খুশি না করলে না জানি চাকুরীটা হাতছাড়া হয়ে যায়!
Police clearence ar jonno printing fee babod 5000 tk Sarail thanar SI ke diyachi.
জন্ম নিবন্ধনের নাম সংশোধন
বন্ধকী দলিল ও আমমোক্তার নামা দলিল সম্পয়াদন এর জন্য ভূমি অফিসে দলিল টেবিল খরচ বাবদ ৫০০০ টাকা ও সাবরেজিষ্টার দলিল প্রতি ২০০০ করে ৪০০০ টাকা দাবি করেন। পরে ৭০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।
তারিখ ২৩/০৮/২০২৬ইং (স্তাহ: সালনা, BRTC Central Training Institute বিআরটিসি কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, গাজিপুর। সময়: বিকাল ৩:০০ থেকে ৪:৩০ টার এর মধ্যে।) নন প্রোফেশনাল মোটোর বাইক প্রাকটিক্যাল পরিক্ষা প্রায় ৪০ জনের মধ্যে ২ জন পাস করেছিল। আমি সেখানে ফেল করি, সেখানে প্রায় সবাই দালাল ধরে এসেছিল। কিন্তু আমি দালাল ধরে যাই নি। লিখিত, মৌখিক সব বিষয়ে পাস করলেও, প্রাকটিকাল পাস করিয়ে দেয়ার জন্য আমার থেকে ৪০০০ টাকা নিয়েছে। পরে পাস করিয়ে দিয়েছে।
চাকরির প্রথম বেতন তুলতে ঘুস ছারা ফাইলে হাত দেই না উনারা। একসাথে চাকরি হওয়া আমরা ২০২৩ সালের সহকারী শিক্ষক বেতন বাতার জন্য আবেদন করেছিলাম । সকল ডকুমেন্টস যাচাই করে জমাও দিয়েছিলাম। তারপরও দিনের পর দিন ঘুরতে হয়ে উনাদের পিছনে। কাজ করতে চাপ সৃষ্টি করার পর ফাইলে হাত দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে ভুল ধরার চেষ্টা করেছে। কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও গ্রহণ করতে অপারগতা দেখিয়েছে। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে দিয়ে টাকা চাওয়া হয়েছে, টাকা না দিলে নাকি এগুলো এভাবেই পরে থাকবে। ৩ মাসে বেতন আটকে ছিলো আমরা পরে দিতে বাধ্য হয়।
বিডিএস মৌজা ম্যাপ সার্ভেয়ার টীম হেড আমার জমির পরিমান, ম্যাপ এ কারেকশন করতে ৫৬,০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছে। অধিকাংশ জমির একই সমস্যা যা টাকা ছাড়া সমাধান হয়না।
আমি আমার জমি নামজারি করার জন্য জায় ভুমি অফিস এ। দেখি ওখানে লেখা যে নামজারি ফি ১১৭০ টাকা কিন্তু করতে গেলে উনি বলে এটার সাথে ৫০০০ টাকা খরচ আছে৷ সবাই করছে আমাকেও করতে বলে। উপরের অফিসারের কাছে গেলেও সেম টাকা দাবি করে কোন কুল কিনারা না পেয়ে আমি টাকা টা দিয়ে নামজারি টা করে নিয়।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ বরিশাল, আমার রুগিকে ইমার্জেন্সি থেকে ওয়ার্ডে নিয়ে যাবার জন্য স্টেচার গাড়ি দরকার ছিলো। স্টেচারে করে বেডে নিয়ে যাবার পরে, স্টেচার হেল্পার ৫০০ টাকা জোর করে নিয়া গেছে। আমার রুগির কন্ডিশন খারাপ ছিলো, অসহায় মতো টাকা দিতে বাধ্য হইছি। এছারা ওয়ার্ড বয়, সুইপার, OT বয়, এদের কে টাকা দিতে হইছে। টাকা না দিলে গালাগালি করে, নার্সদের রুমে গিয়ে রুগি দেখাই দেয়। নার্সরা খারাপ ব্যাবহার করে।
ট্যাক্স অফিসে আমি আর আমার বড় ভাই এর জন্য ইনকাম ট্যাক্স পরিশোধ করতে যাই, সেখানে দপ্তরি প্রতি ফাইলের জন্য ১০০০ টাকা করে দাবি করে। যেখানে আমার ইনকাম ট্যাক্স শুন্য। সরকার কে কোন টাকা দেওয়া না লাগলেও অফিসের পিওন কে দেওয়া লাগে ১০০০ টাকা প্রতি ফাইল শুন্য রিটার্ন এর জন্য।
আমার বড়বোনের স্বামী বিষপানে মৃত্যুবরণ করায় ময়নাতদন্তের জন্য ৫২০০ টাকা নেন।টাকা ছাড়া লাশবল হস্তান্তর করবেনা তাই বাধ্য হয়ে অপারগতা সত্বেও ধারদেনা করে টাকা পরিশোধ করেছি।
হাইওয়ে পুলিশ কেন্দর বাগ হেলমেট এর জন্য মামলা দিলে নাকি চার হাজার তাকে দিলে ২০০০ সরাসরি প্রস্তাব দেয়
ভূমি কর দিয়েছিলাম ৩৩হাজার আমাকে দাখিলা (রশিদ ) দিয়েছে ৩হাজার টাকার
দলিলের নকল তোলার জন্য ফেনীর নির্দিষ্ট একটা সাব রেজিস্টার অফিসে ঘুষ দিতে হয় । কোনো সরকারি সেবা ফ্রিতে পাওয়া অসম্ভব
মালিকানা পরিবর্তনের জন্য টেবিলের নিচ থেকে দালাল চক্র দিয়ে লেনদেন চলে। মালিকানা পরিবর্তন করতে ক্ষেত্রবিশেষ সরকারি টাকার বাহিরে ও ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে থাকে দালাল চক্র