দলিল রেজিষ্ট্রেশন
নালিতাবাড়ী উপজেলা সাবরেজিট্রি অফিস এ দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে ঘুষ লাগে।
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নালিতাবাড়ী উপজেলা সাবরেজিট্রি অফিস এ দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে ঘুষ লাগে।
DBC jorip kora holo kichu din agay . unara bollo amar 10 katha jomir modhay 3 katha onno nama a registration korchay akhon jodi amar name nitay chai 1 lac taka ditay hobay. ami taka prodan kori abong unara amar name a 10 katha jorip koray den. ai sompotti amar ma ar name . akon amader name transfer kortay abar 1 lac taka chai. amar ma maragachen 3 years agay. warish deat certifickate sob documents achay taka chara unara korben na.
আমি জন্মনিবন্ধনের সংশোধনের আবেদন জমা দিতে গিয়ে এক্সট্রা ৫০ টাকা দাবি করে।
মোটর সাইকের নাম্বার করতে আমার কাছ থেকে 16000 টাকা দাবী করে । পরে আমি অনেক চেষ্টা করি 1000 টাকা কমিয়ে 15000 টাকা দিয়ে কাজ করিয়েছি। সরকারি ফি ছিলে 11764 টাকা। আমার কাছ থেকে 3236 টাকা বেশি নেন। নিজে নিজে করতে তার কোন প্রকার সহযোগীতা করে না।
brta mymensingh এর এক ব্যাক্তি ২০০০ টাকা নিয়ে রিটেন পাশ করিয়ে দিয়েছিলো ২০২৩ সালে
Jomi kagoj songkranto
দালালের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে।
উত্তরাধিকার সূত্রে যৌথ মালিকানার জমি নামজারি করতে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা।
বার্ষিক ট্যাক্স সার্টিফিকেট দিতে ৫০০টাকা চেয়ে নিছে।
আমি আমার মিটারের মালিকানা পরিবর্তনের জন্য গাজীপুর শালনা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে তারা মাসের পর মাস আমার ফাইলটি আটকে রাখে এবং AGM-এর কাছে উপস্থাপন করেনি। পরে সাইডম্যানের মাধ্যমে জানতে পারি, টাকা না দিলে ফাইলটি এগিয়ে নেওয়া হবে না। আমার বাচ্চার জন্মনিবন্ধনের জন্য স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে মিটারের ঠিকানা অত্যন্ত জরুরি হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা দরকার ছিল। তাই বাধ্য হয়ে ৫,০০০ টাকা দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করে এনেছি।
পরে ৮০০০ টাকা দেওয়া হয়
আমার চাচাতো ভাই মারা যাওয়ার পর তার আপন ছোট ভাই ও সন্তানদের মধ্যে তাদের স্থাবর অস্থাবর সকল সম্পত্তি সম বন্টন করে দেই। জমিগুলো বন্টন হওয়ার পর বন্টকনামা দলিল করতে গেলে স্থানীয় দলিল লেখকের সাথে যোগাযোগ করি। ওনাকে সকল কাগজপত্র দেয়ার পর উনি উনার পার্টনার আরেকজন দলিল লেখকের সাথে সমন্বয় করে বন্টক নামা দালিল টি সম্পাদন করে দিবেন বলেন। সরকারি ওয়েব সাইটে যেটার মূল্য মাত্র 3410 টাকা মাত্র সেটাই করতে দালিল লেখক বললেন ২লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দিতে হবে। আমরা কারণ জিজ্ঞাসা করলাম বলল অফিস খরচ। আরেক জন দলিল লেখকের সাথে যোগাযোগ করলাম উনি ১৫০০০০টাকায় করে দিতে রাজি হলেন। এটা শুনে প্রথম দলিল লেখক ১৫০০০০ টাকায় ই করতে রাজি হলেন। এর পর আমরা অন্তত ১০ জন দলিল লেখকের সাথে যোগাযোগ করেছি কেহই এর নিচে রাজি হয় না। সিন্ডিকেট।
৮ টা দলিলের নামজারি করাতে হয়রানির শিকার হয়। অনেক দিন ঘোরার পরেও নামজারি করাতে ব্যর্থ হয়। পরে দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ করে টাকা পরিষধ করি।
আমি টাকা দিতে পাড়বো না, এটা বলে অসম্মতি জানানোর কারণে আমাকে বিপদে ফেলে টাকাটা আদায় করে নিয়ে গেল।
পূর্বে জমির খাজনা দেওয়ার কোন রেকর্ড নেই। ফলে অনেক টাকা খাজনা আসবে ঘুস দাবি করে। ১২০ টাকার ভাউচার দিয়ে ৪০০০ টাকা নিয়ে নেয়।
জমি সংক্রান্ত জিডি করার পর তদন্তের জন্য দেখা করতে বলে। কাগজ পত্র নিয়ে দেখা করার পর এক দুই দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিবে বলেছে। বিদায় নেবার আগে যার রেফারেন্স এ গিয়েছিলাম তার পরামর্শ অনুযায়ী উল্লেখিত পরিমাণ টাকা প্রদান করি। এখনো রিপোর্ট দেয় নাই
আমাদের বাসার হোল্ডিং টেক্স এর নোটিস দেয়ার জন্য।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ ও গৌরীপুর উপজেলায় ভূমি অফিস গুলোতে নরমাল জমা খারিজ এর জন্য ৭০০০ থেকে শুরু করে একটু বেশি জমি বা জামেলা থাকলে ৫০ হাজার বা লাখ টাকাও দেওয়া লাগতে পারে
জন্মনিবন্ধন সনদ করতে ১০০ টাকা নেয়। অথচ ৫০ টাকা নেয়ার কথা । জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে গেলে ২৫০-৫০০টাকা দাবি করেছেন কিন্তু আমি বিশ্বাস করিনি এত টাকা লাগে
টাংগাইল শহরে বাড়ির কাজ শুরু করি। কাজ শুরু হলে আশে পাশের নেতাদের চাঁদা দাবী শুরু হয়। বাসার কাজ নিয়ে ঝামেলা শুরু হয়। কমিশনার এসে ঝামেলা করে। তারপর তার লোকজনের মাধ্যমে তার অফিসে গিয়ে ৩০,০০০ চাঁদা পরিশোধ করে ঝামেলা বন্ধ হয়।