সার্টিফিকেট নতুন করে তোলা
সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে নতুন সার্টিফিকেট এর জন্য অতিরিক্ত টাকা এবং অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে নতুন সার্টিফিকেট এর জন্য অতিরিক্ত টাকা এবং অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পে ফিক্সেশন ক্যনসাল করতে ফাইল উপরে উঠানোর জন্য।
বিদেশ গামি কর্মীদের ম্যানপাওয়ার এর জন্য ফাইল সাবমিট করে, টাকা দিয়ে ফাইল approved করাতে হয়।টাকা না দিলে ফাইল অনেক দিন জুলিয়ে রাখে।
মুদির দোকানের লাইসেন্স নিয়ে কাজ
ময়মনসিংহ সরকারি হসপিটাল কোন কিছু সেবা নিতে চাইলে যেমন রোগী হসপিটালে নিয়ে গেলে বেট পেতে চাইলে সেখানে আনসার বা কিছু লোক থাকে প্রায় সময় টাকা দিতে হয় তা না হলে সহজে সিট পাওয়া যায় না, আর কারো যদি বাচ্চা হয়ে থাকে তাহলে ওইখানকার আয়া থেকে শুরু করে আনসার সদস্য বিভিন্ন ধরনের লোকদের একপ্রকার জোর করে টাকা নিয়ে যায় , তা না হলে আয়া সেই রোগীকে সেবা করতে চায়না । এই বাজে নিয়মগুলো বন্ধ হওয়া দরকার।
২০২১ সালে ফার্মেসি লাইসেন্স করার জন্যে নিয়ম অনুযায়ী সকল সরকারি ফি পরিশোধ করেছি। সাথে অফিস সহকারীকে ১৫কে টাকা দেই। কয়েক মাস পর পর খোঁজ নেই বলে এখনো লাইসেন্স আসেনি। পরে ট্রান্সফার হয়ে অন্য লোক আসে বলে আপনার কোনো ফাইল অফিসে নাই। আমার ডকুমেন্ট দেখে পরে তাকে জানায় তখন আবার আবেদন করতে বলে। পরে গেলে বলে ফার্মাসিস্ট ছাড়া আবেদন করা যাবে না। ফার্মাসিস্ট করতে চাইলে বলে আবেদন বন্ধ আছে। পূর্বের টাকার কথা বললে বলে ওটা আমি জানিনা। আবেদনের কপি এখনো আমার কাছে আছে।
আমি জমি ক্রয় করার পর সকল কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও উক্ত ঘুষ প্রদান করতে হলো।
ট্রেড লাইসেন্সের অনুমতি দেওয়া বাবদ টাকা দাবি করেছে এবং দিয়েছি।এমনকি প্রত্যেকটা লোকের কাছ থেকে ট্রেড লাইসেন্স অনুমতি বাবদ অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
Paye betha pawoar por Plastar korar jonno extra taka nise even baire pharmacy thekey kinte hoise
প্রথমে ভূসের জন্য নানা রকম পেচা পেচি করচে ১ বছর যাবত ঘুরিয়েছে পরে পিযন দিযের ভূমি সহকারি
আমি একটি ৩ শতাংশ জমি যেটি বাজারে অবস্থিত। সেই জমি ক্রয় করি ৩৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে। সেই জমির মালিক অসুস্থ এবং অন্য জেলা( চিটাগাং) এ ছিল। সেখান থেকে রেজিষ্ট্রেশন করে নিয়ে আসতে হবে। আর এই কারনে ৭৫ হাজার টাকা দাবি করে এবং বলেন যে, দোকান একটাই... রাজি থাকলে রেজিষ্ট্রেশন হবে তাছাড়া হবে না। তাই বাধ্য হয়ে ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রার অফিসারকে নিয়ে যেয়ে চিটাগাং থেকে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়....
সংশোধন এর জন্য গেলাম তথ্য জমা দিলাম কোনো আপডেট জানায় নাই সংশোধন ও হয় নাই। আবার গেলাম বলে কাগজ হারিয়ে গেছে... এরকম পর পর তিন বার করে ১ বছরের মত সময় নষ্ট হয়। এরপর এক দালাল থেকে জানি ১০০০ টাকা ঘুষ দিলে হয়ে যাবে। পরে ঘুষ দিলাম ৩ দিনের ভেতর কাজ হয়ে যায়....
আমি নতুন পাসপোর্ট বানানোর উদ্দেশ্য গতমাসে, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস বসিলায় যাই, সিরিয়ালে লম্বা সময় দাঁড়িয়ে থেকে সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরেও, লিস্টে উল্লেখ না থাকা কাগজ অনুপস্থিত রয়েছে বলে আমার কাগজ জমা নেওয়া হয় না এবং ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেই ডকুমেন্টসটি সংগ্রহ করে পুনরায় জমা দিলেও তা নানান অযুহাত দেখিয়ে ফেরত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আমি অফিস থেকে বের হলেই, বাইরে অপেক্ষারত বিভিন্ন দালাল আমাকে ডাকে এবং কাগজ জমা করিয়ে দিবে বলে প্রলোভন দেখায় । আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে, তারা ৩ হাজার টাকায় সব করে দিবে বলে আশ্বাস দেয় এবং আমি একপ্রকার বাধ্য ও নিরুপায় হয়েই টাকাটি তাদের প্রদান করি। এবং অবিশ্বাস্যভাবে পাসপোর্ট অফিস থেকে আমার কাগজটি জমা নেওয়া হয়, এবং সমস্ত প্রকৃয়া খুব দ্রুত সম্পন্ন করে দেয়।
আমার খুব জরুরি ভিত্তিতে সার্টিফিকেট সংশোধন করতে হতো। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যারা টাকা দেই না তাদের টা ৬ মাস, ১ বছর ধরে আটকিয়ে রাখে পরর্বতীতে টাকা দিয়েই করিয়ে নিতে হয়। আমি তাও অনেক ভাবে চেষ্টা করছি কিন্তু তারা আমাকে কোনোভাবেই না কি ৬ মাস বা আরও বেশি সময় এর আগে সেইটা করে দিতে পারবে না পরবর্তীতে বাধ্য হইয়েই আমাকে এই অন্যায় উপায় মেনে নিতে hoice
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী নকশা অনুমোদনের জন্য নকশা জমা দেওয়া হলে তা যাচাই এর নাম করে বারংবার সংশোধন দেওয়া হয়। পরে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে উক্ত নকশা অনুমোদন করানো হয়।
ওয়ার্ড বয় টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না। টাকার বিনিময়ে সিট বিক্রি করে, আনসারকে টাকা দিয়ে ঢুকতে হয়। প্রচুর পরিমানে দালালে ভরপুর। ওশুধ থাকা সত্যেও ডাক্তার অশুধ লিখে না। বলে বাইরে থেকেটেস্ট করান বা বাইরে থেকে কিনুন। যাচ্ছে তাই অবস্থা। ক্লিনাররা টাকা দিলে ওয়াশরুম ক্লিন করে।
রেজিস্ট্রার বিল্ডিং এর ০৩ তলার মার্কশীট কক্ষ থেকে বিদেশ যাওয়ার টান্সক্রিপ্ট তুলতে গেলে ১০০০ টাকা দিলে তাড়াতাড়ি করে দেয়।
সচিব টাকা চাড়া সাইন করেনা
জামালপুর পাসপোর্ট অফিসে ১০৪ নম্বর রুমে জমা দিতে হয়। দালাল ছাড়া এ আবেদন জমা দিতে গেলে একটার পর একটা কাগজ চেয়ে আবেদন গ্রহীতা কে হয়রানি স্বীকার করে। অথচ বাইরের কম্পিউটারের দোকানগুলোতে গিয়ে পনেরশো টাকা দালালি খরচ দিয়ে দিলেই কোন ডকুমেন্ট ছাড়া আবেদন জমা হয়ে যায়। সবই পীর দরবেশের খেলা।
পরিস্থিতি সিকার হয়ে দিতে হয়েছে বিদেশ আসার টাকা জন্য ২.৫০ লাখ টাকা লোন নিতে গিয়ে এই ঘুস দিতে হয়েছিল