MPO file submit
উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে এমপিও ফাইল সাবমিশন এর জন্য ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রথমে টাকা দেই নাই,যার জন্য ২মাস ফাইল টাস করে নাই। টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই ফাইল এপ্রোভ করেছে।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে এমপিও ফাইল সাবমিশন এর জন্য ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রথমে টাকা দেই নাই,যার জন্য ২মাস ফাইল টাস করে নাই। টাকা দেওয়ার সাথে সাথেই ফাইল এপ্রোভ করেছে।
চট্রগ্রামের রাউজান উপজেলায় পৌরসভা এলাকায় আমি বাড়ি করতে চায়, সেখানে বাড়ি করতে পৌরসভার অনুমোদন প্রয়োজন, তারা অনুমোদন দেয়ার জন্য ৫০০০০ টাকা ষুষ চাই
আমার থিম পার্কের লাইসেন্স প্রতি তিন বছর পর পিরভ রিনিও করি ২০ হাজার টাকা নিয়মিত ফি দিয়ে।২০২৫ এ এ বাবদ ১৪০০০০ টাকা দাবী করা হয়।ডি সি অফিস এ কাজ করে।এ ডি সি জেনারেল নিজেই ঘুষ নেন।
E fire license এর জন্য চেয়েছে, আমি দিতে বাধ্য, তা নাহলে লাইসেন্স দিবেনা, আমার প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
মিউটেশন করতে ঘুষ না দিলে বিভিন্নভাবে ঝামেলা করে এবং হয়রানি করে। তাই সাধারণ মানুষকে ঘুষ দিয়ে মিউটেশন বা নামজারি করতে হবো তা না হলে কাজ হবেনা।
সকালে প্রয়োজনীয় সকল কাগজ পত্র নিয়ে যাওয়ার পর সারাদিন হয়রানিকার করেছে এরপর যখন বাহিরের দালালের মাধ্যমে ২০০০ টাকা দেওয়া হয়েছে সাথে সাথে করে দিয়েছে।
টাকা ছারা পাসপোর্ট আবেদন জমা নেয় না।
নির্বাচন সম্পন্ন করার পরও আবেদন করার পর আমাকে বারবার অফিসে দেখা করতে বলে, ৩০০০০ না দেয়া পর্যন্ত প্রত্যয়ন পাই নি
রেকর্ড সংশোধনীর জন্য আদালতের রায়ের কপি থাকার পরও, ভূমি অফিসের দাপ্তরিক কাজের জন্য পিয়ন, নায়েব এবং উপজেলা ভূমি অফিসারকে একাধিকবারে ৪০০০০ এরও বেশি টাকা দিতে হয়েছিল।
পি এল পি সি গ্রহণ। দীর্ঘদিন ধরে আজ দিব কাল দিব করে ঘুরাচ্ছিল। এরপর সার্ভিস বই সহ বিভিন্ন কাগজপত্রের নানা রকম সমস্যা দেখাচ্ছিল। এরপর বিরক্ত হয়ে ৩০০০ টাকা প্রদান করি। সে বলে এগুলো কাজ কি ৩০০০ টাকায় হয় আরো কিছু বাড়াই দেন। তাকে বলি ভাই এটা দিয়েই করেন পেনশনের আরো তো অনেক কাজ আছে পরে দেখা যাবে। এরপরে উনি পরের দিনই কাজটি করে দেয়।
আমি একজন প্রবাসী। দীর্ঘ দিন পর গত ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে দেশে আসি। গত ২৮ এপ্রিল রাতে সোনাগাজী থানার পুলিশ ২০১৮ সালের একটি মামলার ওয়ারেন্ট দেখিয়ে আমার বাড়িতে গিয়ে হয়রানি করে, যদিও মামলাটি গত ০১ জুন, ২০২৫ তারিখেই নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছিল। পরদিন আমি নিজে থানায় গিয়ে আদালতের রিকল ও নিষ্পত্তির কপি জমা দেই। তা সত্ত্বেও থানার একজন এসআই আমার পরিচিতদের কাছে ফোন ও মেসেজ দিয়ে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন। অবশেষে ঝামেলা এড়াতে বাধ্য হয়ে আমি তাকে ৫,০০০ টাকা দেই। একজন প্রবাসী হিসেবে নিজ দেশে এসে নিষ্পত্তিকৃত মামলা নিয়ে এমন প্রশাসনিক হয়রানি ও অনৈতিক অর্থ দাবির শিকার হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।
এলিভেটেড এ ওঠার পর দেখতে পাই টায়ার পাংচার হয়ে গেছে একটি সাইডে রেখে স্পেয়ার টায়ার লাগিয়ে চলে যাওয়ার সময় ট্রাফিক সার্জন্ট আমাকে হেল্প করার পরিবর্তে গাড়ির কাগজ নিয়ে মামলার ভয় দেখিয়ে ৮৫০০ টাকা দাবি করেন আধা ঘন্টা অনুরোধে ৫০০ টাকার বিনিময়ে কাগজ পেয়ে চলে আসি।
আমার অফিসের বাজেট উত্তোলনের সময় এজি অফিস থেকে ৫% দাবি করা হয় যা আমি দিতে বাধ্য হই। তাছাড়া টিএডিএ বিল উত্তোলনের সময়ও প্রতিবার ৫% করে অর্থ দিতে আমাকে বাধ্য করা হয়। অডিট ক্যাডারদের কাছে জানানো হলে তারা বলেন এটা প্রেক্টিশ, তাদের কিছু করার নেই।
মিউটেশন এর জন্য আবেদন করেছি,৫৭০ টাকা দিয়ে। জমা দেয়ার ১৫/১৬ দিন পর অবস্থান জানতে গেলাম।অনলাইনে সেই যে ৩৩.৩৩% দেখায়,আর বাড়ে না,তাই গেলাম। বল্লো টাকা ছাড়া ফাইল নড়বে না। বললাম এসিল্যান্ড এর সাথে কথা বলবো।সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত কিছু কমিয়ে দিতেই হলো।
পাসপোর্ট বানাতে গিয়েছিলাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস,আফতাবনগরে।কাগজ সবকিছুই ঠিকঠাক ছিল।বলছিল আইডি কার্ড দেখাতে।শিক্ষাজীবন শেষ তাই আইডি কার্ডের মেয়াদ ও শেষ।তখন বলে হবেনা পাসপোর্ট।নিজ জেলা থেকে করে নিন।তারপর আর কী!!দুইভাজার নিয়ে নিল।আরেক ভদ্রলোক তার শিক্ষাজীবনে অর্জিত সকল কাগজ পত্র নিয়ে এসেও ঘুষ ব্যতীত নিজের পাসপোর্ট করতে পারেনি দেখে নিজের দেশের মানুষের প্রতি বিশ্বাস যা ছিল তাও উঠে গিয়েছিল সেদিন। আপনাদের এই মহৎ উদ্যোগ এর জন্য সাধুবাদ জানাচ্ছি।মহান আল্লাহ্ আপনাদের উত্তম প্রতিদান দান করুক আমিন
বাংলাদেশের যে সকল জাহাজ আছে সে সকল জাহাজের জন্য সরকারি ফি আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হয়। এবং সেটি হওয়ার জন্য অধীনস্থ ওদেরকে এক হাজার করে দিতে হয়। এবং তাদের থেকে কোন ধরনের সাহায্য যেতে হয় প্রতিবার কমিশন দিতে হয়
For getting some products license. This is for one step. Another step is pending. File is pending for 3 months.
চিকিৎসা ছুটির নেওয়ার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কে ১০০০ টাকা ঘুষ দিলাম।
প্রতিটি বিলে ৩.৫%-৫% চাদা দাবী করে হিসাবরক্ষণ অফিস কর্মকর্তারা।অন্যথায় বিল উঠে না। এই চাঁদা পরিশোধ করে বিলের টাকা তুলতে হয়।
আমার ড্রাইভিং এর লার্নার আইডি টি একজন বিআরটিএর বড় কর্তা নিজের কাছে রেখে দিয়েছিল । যার জন্য আমি অনলাইনে লার্নার সাবমিট করতে পারছিলাম না আর আমার লাইসেন্স ও প্রদান করা হচ্ছিল না । ভদ্র লোকের নাম্বার +880 17 1138 0761