ফিটনেস
আমাকে বলা হয়েছিল মেশিনে নাকি আমার গাড়ির ফিটনেস ফেইল করেছে। আমার গাড়ির নাকি হ্যান্ড ব্রেক ঠিক মত কাজ করে না। চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে, এক দালাল বললো "স্যার লাভ হবে না, এইটা অনেক বড় সিন্ডিকেট". ফিটনেস ফেইলের মামলার ভয়ে টাকাটা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমাকে বলা হয়েছিল মেশিনে নাকি আমার গাড়ির ফিটনেস ফেইল করেছে। আমার গাড়ির নাকি হ্যান্ড ব্রেক ঠিক মত কাজ করে না। চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে, এক দালাল বললো "স্যার লাভ হবে না, এইটা অনেক বড় সিন্ডিকেট". ফিটনেস ফেইলের মামলার ভয়ে টাকাটা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
Passport renewal extra money 2000/-
নিজে ই-পাসপোর্টের আবেদন করে পরের দিন দুপুর ১:৩০-এ মূল ও ফটোকপি ফাইল নিয়ে অফিসে যাই। অপেক্ষা করতে বললেও কাউকেই না পেয়ে সরাসরি দুই তলার ডকুমেন্ট ভেরিফায়ার রুমে ঢুকে পড়ি। সেখানে অফিসার আমার এনআইডি, সার্টিফিকেট ও স্টুডেন্ট আইডি চেক করার পর জিজ্ঞাসা করেন, "আপনাকে কে পাঠিয়েছে?" "কেউ পাঠায়নি" বলা মাত্রই তিনি অজুহাত দেখানো শুরু করেন। দেখতে দেখতে দুপুর ২টা বেজে গেলে বলেন, ২টার পর নাকি ফাইল নেওয়া হয় না, তাই কাল আসতে হবে। অফিসের বাইরে বের হয়ে বাধ্য হয়ে দালালের মাধ্যমে ভেতরে যাই। আশ্চর্যজনকভাবে, সেই একই লোক এবার কোনো প্রশ্ন ছাড়াই সব কাজ নিমেষেই শেষ করে দিলেন!
আমাকে লাইসেন্স এ দেওয়া হাই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অফিস মোহাম্মদপুরে যাই। সেখানে দায়িত্ব রত্ন অফিসার আমাকে একজন লোক দেখিয়ে দেয় সে নিজে কথা বলে না। ছেলে তোমাকে বলে সরকারি হিসাবে অনুযায়ী ১২০০ টাকা জমা দিতে হবে। কিন্তু অফিস ফরজ বাবদ আর অতিরিক্ত ২৫০০ টাকা দাবি করে। এরফলে সে কোনভাবেই করে দিতে পারবে না। পরবর্তীতে অনেক দর কষাকষির পর তিন হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই
জমির নামজারির জন্য টাকা নিয়ে আংশিক কাজ করে দিছে।
নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস এ দালাল ছাড়া হয় না আর হলেও অনেক সময় লাগে শুধু ঘুরায় আমি নিজে 1800 টাক
আমাদের জমির খাজনা বেশ কিছু বছরের বাকি পরেছিল। জমির খাজনা পরিশোধ করতে গেলে তারা নানান অজুহাত দেয়, যেমন বিভিন্ন কাগজ লাগবে, জমির পরিমাণ কম বেশি আছে, অনেক বছরের খাজনা বাকি আছে ইত্যাদি। অবশেষে তারা বলে ৩০,০০০ হাজার টাকা দিলে খাজনা পরিশোধ করা যাবে। অথচ খাজনা বাকি পরেছিল ১১,০২০ টাকা। ২ মাস বিভিন্ন ভূমি অফিসে ঘুরে কাগজপত্র যোগাড় করে আবার ভূমি অফিসে যাই, সেই সময়ও তারা খাজনা নিতে অসিকৃতি জানায়। অবশেষে ৩০,০০০ টাকা পরিশোধ করে খাজনার কাগজ পাওয়া যায়।
াগুরা জেলার শালিখা উপজেলার দেওয়াডাঙ্গা সপ্রাবি এর ক্ষুদ্র মেরামতের বিল পাশ বাবদ ২৫০০০ টাকা ঘুষ নিয়েছেন টিইও হেনায়ারা খানম।
BRIBERY FOR NEW MUTATIONS
For a Simple Power of Attorney The Sub -Registered Charges around 90,000. All our papers were upto date and perfect. Crystal Clear.
চাকুরি ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড লাগাতে ২০ দিন ঘুরিরে ৬০০০ টাকা নিয়েছে।
আমরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করি আমার বোন ৭ মাসের অন্তসত্তা। তার স্বামী তাকে মেরে একটা রুমে আটকে রেখে আমাদের ফোন দিয়ে হুমকি দিচ্ছে।এমতাবস্থায় আমরা পুলিশ নিয়ে বোনকে উদ্ধার করতে যাওয়ার আগে থানায় পুলিশ আমাদের কাছে বলে খরচ দিন।তখন বাদ্ধ হয়ে ২ হাজার টাকা দিই।সে বলে এই টাকা তো আমাদের গাড়ির তেলের টাকা ও হবেনা।এরপর আরো ৫০০ টাকা দিই।আমরা গরিব আমাদের ঘেকে যে এ আড়াই হাজার টাকা নেয়া হলো এটা কেন নেয়া হলো সরকারের কাছে আমাদের প্রশ্ন।
আমার গাড়ির কার্ড এবং ট্যাক্স টোকেন হারিয়ে গিয়েছিল। আমি পুলিশে জিডি করার পরে। সেটা পুনরুদ্ধার করতে বিআরটিএ কুষ্টিয়া অফিসে গেছিলাম। প্রথমে যে কক্ষে বিআরটিএ লাইসেন্স প্রদান করে সে কক্ষে কথা বলি। পরে আমাকে আরেকটি কক্ষে পাঠানো হয়। যেখানে বিআরটিএ র সম্ভবত কুষ্টিয়া শাখার প্রধান বসেছিলেন। উনি আমাকে অনেক টাকায় দাবি করেন কিন্তু আমি এই স্টুডেন্ট হওয়ায় ওনাকে অনুরোধ করার পরে আমাকে ৮০০ টাকায় ব্যাপারটা সমাধান করতে করে দেন।
SSC সার্টিফিকেট, markshit দেওয়া, প্রত্যয়নপত্র৷ দেওয়ার জন্য অফিস সহকারী খাদেমুল (বর্তমানে মৃত ) ৫০০ টাকা নিয়েছে। এটি নাকি ম্যানেজ করে দেওয়া বাবদ তার খরচ দিতে হবে।
খারিজের জন্য ভুমি সেবা সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে এসি ল্যান্ডের নামে ৩০০০/,১১০০/ সরকারি কোষাগার এ বাকি গুলো ভুমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের সার্ভিস চার্জ।
বর্তমানে বাউফল উউপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনয়নের মাধবপুর মৌজায় বিডিএস জরিপ চলমান রয়েছে এবং উক্ত জরিপের খতিয়ান খোলা এবং সিট কাগজ সংশোধনের জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাকে প্রদান এবং তিনি টাকা ছাড়া কোন কাজই করেন না
জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ৫০ টাকা, আমি নিজে বাসা থেকে অনলাইনে আবেদন সম্পূর্ণ করেছি। তবু আমার বাচ্চাদের জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য ১৫০ টাকা বেশি পরিশোধ করে সংগ্রহ করতে হয়েছে। জানতে চাইলাম কেন দিতে হবে? উত্তর: সবাই তো দিচ্ছে এবং সবার নিকট থেকে নেয়া হচ্ছে ক্ষেত্র বিশেষ আরও বেশি নেওয়া হয়ে থাকে। আমি আপনাকে দিয়ে এই নিবন্ধনের জন্য অনলাইনে কোন কাজই করাই নাই, যাবতীয় কাজ আমি নিজে সম্পন্ন করে এনেছি? উত্তর: আমাদের অফিসের খরচ আছে এই টাকাগুলো দিয়ে তা সম্পন্ন করতে হয়। টাকা নেওয়ার বিপরীতে রশিদ প্রদান করবেন কি না? উত্তর : এই সকল সনদের ফি এর জন্য কোন রশিদ প্রদান করা হয় না। অবশেষে কি আর কারার সময় নষ্ট ছাড়া কিছু হবে না, বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করে জন্মনিবন্ধন নিয়ে বের হয়ে আসলাম।
চাদা চেয়ে না পেয়ে বাড়ির মিস্তিরির মাথায় কোপ দেয় দাড়ালো কোরাল দিয়ে। থানায় মামলা দিতে ৪০ হাজার টাকা নিয়েছে আই ও।
২০১৯ সালে আমার নামে একটি মিথ্যা মামলা করা হয়। পুলিশ আমার থেকে অসদুপায়ে কোন টাকা নিতে না ফেরে আমাকে রিমান্ডে নেয়। এবং না মারার কথা বলে আমার দরিদ্র বাবা থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়। এস আই জাহিদ। চাঁদপুর সদর ডিবি অফিস
চাকুরীর প্রথম থেকে অধিদপ্তর থেকে অনুমোদন হওয়া বেতন বৃদ্ধি মুলবেতনের সাথে যোগ করে মুলবেতন পুনর্নির্ধারণ ও বকেয়া বেতন পরিশোধ করা