পাসপোর্ট নবায়ন
টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে প্রতিটি নতুন ফাইল জমা দিতে ২০০০ টাকা করে দালালের মাধ্যমে ঘুষ দিতে হয়। তাহলে ফাইল জমা হয়।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে প্রতিটি নতুন ফাইল জমা দিতে ২০০০ টাকা করে দালালের মাধ্যমে ঘুষ দিতে হয়। তাহলে ফাইল জমা হয়।
নামজারী করাতে গেলে ৫০০০ টাকা চায়, আমি দিতে বাধ্য কারে। ৩ মাস হয়ে গেছে তাও কাজটা কারে দেয় নাই। টাকা আগেই নিয়া নিছে।
এই যা হয় বাংলাদেশ ১৫০ জায়গায় সার্টিফাইড কপি ১০০০ টাকা দিয়ে নিয়ে আসছে। ভূমি অফিসটি ২ নং ইউনিয়ন মৌলভীবাজার সদর এ অন্তর্ভুক্ত। গভারমেন্টের উচিত এইখানে একটা ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
বোনে ভাইকে সম্পতি মৌখিক ভাবে দান করে দিয়েছিলো, সে মোতাবেক ভাই বি এস দলিল সৃজন করিয়াছেন, এখন বোন ঘোষণা পত্র দলিল দিতে চাইলে ভূমি অফিস ৬৫০০০ হাজার টাকা দাবি করে, বাধ্য হয়ে আমি তা পরিশোধ করেছি
আমার এক বড় বোন গ্রামের সহজ সরল মানুষ, সে নতুন বাড়ি করেছে তাই তার সৌর বিদ্যুতের মিটার প্রয়োজন তাই এলাকার লাইনম্যান (৪নং উত্তর বড়দল ইউনিয়ন) প্রতিশ্রুতি দেয় কারেন্টের অফিস থেকে মিটার এনে দেবে, বিনিময় তাকে ৫ হাজার টাকা দিতে হবে, আমার বোন টাকাটা দিয়েছেন আজ সাড়ে তিনটা মাস এখনো কারেন্টের মিটার পায় নাই। এবং এলাকায় খোঁজখবর নিলে জানা যায় একই রকম ভাবে আরো বহু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। কারো কাছ থেকে তিন হাজার, কারো কাছ থেকে চার হাজার, কারো কাছ থেকে পাঁচ হাজার।
আমি জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। পাসপোর্ট করতে। আমার সাথে আমার ওয়াইফ কে নিয়ে গেছিলাম। সকল কাগজ পাতি ঠিক থাকার পরেও। আমার কাগজ বারবার ঘুরিয়ে দিয়েছিল। বাহিরে আসার পর। ২ হাজার টাকা একজন দালালকে দেওয়ার কারণে। পরবর্তীতে আবার যখন কাগজ নিয়ে যায় সাথে সাথে জমা নিয়ে নেন। শুধু ঘোষের বিনিময়ে কাগজটা জমা হয়। আমি চাচ্ছিলাম ঘুষটা না দিতে। কারণ এই পাসপোর্ট এর মাধ্যমে সে ওমরাতে আসবে। কিন্তু বাধ্য হয়ে আমি ঘুষ টা দেয়। আমি দ্বিতীয় তলায় নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও গিয়েছিলাম কিন্তু কোন কাজ হয়নি।
আমার সমস্ত কিছু ঠিক থাকার পরেও আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়ে ছি আমার কাছ থেকে টাকা বেশি নিয়েছে এবং কি সবকিছু ঠিক থাকার পরেও আমাকে ভিতর থেকে ঘুরে দিয়েছে তারপর আমি দালাল ধরতে বাধ্য হয়েছে দালাল ফোন করার পর সবকিছু ঠিক করে দিয়েছে তারপর সবকিছু জমা নিয়েছে একসাথে
আমার মাকে নিয়ে আগারগাঁও জাতীয় চক্ষু হাসপাতাল গিয়েছিলাম। সকাল ৯ টার কাছাকাছি এই সময় পৌঁছায় সেখানে টিকিট কেটে লাইনে দাঁড়িয়ে নীচে ডাক্তার দেখালাম তারপরে সে কিছু পরীক্ষা দিল যেটা করাতে করাতে প্রায় ৪টার মতো বেজে গেল, যেহুতু আমার ডায়াবেটিস ছিল সেই কারণে অনেক গুলো পরীক্ষা দিয়েছিল, যখন রিপোর্ট গুলো ডাক্তার কে দেখাতে গেলাম গেটে দাঁড়ানো আনসার সদস্য বলছে এখন আর রিপোর্ট দেখবে না সময় শেষ! আমি বললাম ভাই ভিতরে তো ডাক্তার আছে তাহলে কেনো দেখবে না সে বললো স্যার এর সময় শেষ। পরে চলে যাওয়ার সময় আনসার সদস্য আমাকে ডেকে বললো সাইডে আসেন পরে সে বলছে আমাকে কিছু খরচ দেন এখনই রিপোর্ট দেখার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি! পরে আর কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে ২০০ টাকা দিলাম কিন্তু সে কিছুতেই মানলো না পরে ৫০০ টাকা নিল
পেনশনের টাকা তুলতে যেয়ে নমিনির সমস্যা দেখিয়ে পঁচিশ হাজার টাকা অতিরিক্ত চাওয়া হয়েছে এবং এটা পরিশোধ করার পর পাঁচ মিনিটের মধ্যে টাকা পরিশোধ করে
২০২৩ সালে চট্টগ্রামে কোতোয়ালি থানার অধিনে প্রাইমারিতে আমার চাকরি হয়। আমার পুলিশ ভেরিফিকেশনের দায়িত্ব পড়ে দামপাড়া পুলিশ লাইনের একজন এস এই কর্মকতার। যেখানে আমার সকল শিক্ষাগত সনদ যাচাই করার কথা উনার সেই জায়গায় আমাকে দিয়ে আমার সনদগুলো যাচাই করিয়ে উনার সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। তকর কথা মত নিরুপায় হয়ে কাজগুলো করার পর উনি ৩০০০ টাকা দাবি করে বলেন টাকাটা উনার জন্য না, তবে টাকা না দিলে নাাি ২ মাসেও আমার ভেরিফিকেশনের কাজ কর্তৃপক্ষরা ধরে ও দেখবে না৷ তাই টাকাটা আমাকে দিতে হয়।
জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট এর সংলগ্ন এবং অত্র প্রতিষ্ঠানে অডিটোরিয়ামে ভাড়া নেওয়া তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর কর্মকর্তা বেতন থেকে টাকা কেটে নিজের কাছে রেখে দেয় এবং পরে নিতে বলে, পরে চাইলে আর ফেরত দেয়নি । এমনকি পরবর্তীতে মিটিং এর ট্রেনিং এ অংশগ্রহনের সম্মানীর কয়েক হাজার প্রাপ্য সম্মানীর টাকা চাইলে উল্টা হুমকি স্বরূপ ১৫০,০০০/- দাবি করে ।
আসসালামু আলাইকুম অভিযোগটি টাংগাইল পাসপোর্ট অফিসের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ঘটনা। পাসপোর্ট এর আবেদন ও ফি বাবদ ৬০০০ টাকা খরচ হয়েছিল।যখন ফিংগার দিতে যাই বিভিন্ন অজুহাতে তারা ফেরত পাঠিয়ে দেয়।একবার বলে কাজ করেন এটার প্রমাণ লাগবে,নাম্বার চেঞ্জ করতে হবে ইত্যাদি।আমি ঘুষ ছাড়া ফিংগার দেওয়ার চেষ্টা করেছি কয়েকদিন।যখন ওখানকার সিকিউরিটি বলল ১৫০০ টাকা দিলে আপনার কিছুই লাগবে না তখন বাধ্য হয়েই ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে সরাসরি ফিংগার দিয়ে আসছি।পরে শুনলাম যে অফিসার কাগজ যাচাই করে সে নাকি ১৪০০ টাকা ঘুষ নেয়। এই তিক্ত অভিজ্ঞতা এখন ও মাঝে মাঝে মনে হয়।
একটি স্কুল থেকে অন্য স্কুলে নিয়োগ পেয়ে এমপিও ভুক্ত করার জন্য অনলাইনে কাগজপত্র জমা দেয়ার পর চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিস আটকে রেখেছিল।১০ হাজার টাকা দেয়ার পর ফাইল ঢাকা পাঠায়।
ময়মনসিংহ জেলার স্টেশন রোডে বিদ্যুৎ অফিসে এসিস্টেন্ট বা সাব এসিস্টেন্ট এর কাছে নতুন কানেকশন বা প্রিপেইড এর লোড বাড়ানোর জন্য গেলে বলে ট্রান্সফর্মার এর লোড নাই। অনেক অনুরোধ করেও আমার নতুন বাসার লাইন তাদের কাছ থেকে নিতি পারি নাই। পরে স্থানীয় এক দালাল এর মাধ্যমে ৬ টা কানেকশনের জন্য আবেদন করলে ঠিকই পেয়ে যাই। খরচ পরে ১০০০০০ টাকা। আমার অফিসেও যাওয়া লাগে নাই।
আমি একজন দক্ষিন কোরিয়া প্রবাসী আমি নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ভূমি অফিসের অধীনস্থ একটি জায়গায় জমি ক্রয় করেছিলাম.জমির মূল্য ছিল 45 লক্ষ টাকা দলিল খরচ পরিশোধ করার পরেও অতিরিক্ত তিন লক্ষ টাকা আমার কাছে দাবি করে উপজেলা ভূমি অফিসের দলিল লেখক.আমি প্রথমে ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকার করেছিলাম কিন্তু আমি অনেকদিন চেষ্টা করেও দলিল করতে পারিনি কারণ ওদের ভূমি অফিসের ভিতরে এত বড় সিন্ডিকেট যেটাকা না দিয়ে দলিল করার সম্ভব না কারণ এই ঘুষের টাকা ওরা সবাই মিলে ভাগ ভাগ করে খায়.
রিপোর্টের বিষয় : আইন অমান্য করা। আমি একজন স্টুডেন্ট। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছি এবং প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার আগে শিক্ষাবোর্ড থেকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিলো কোনো প্রকার টাকা নিলে তা অপরাধ বলে গন্য হবে। অথচ প্রতিটা পরীক্ষার সময় আঙ্কেলরা এসে টাকা নিয়েছে। একটা ঘটনা বলি, একটা ব্যবহারিক পরীক্ষার সময় একজন আঙ্কেল এসে বলে ৫০ টাকা দাও। আমি বললাম, কত? ৫০? তারপর তিনি আমাকে বলছে, কেনো ৫০ টাকা কি কখনো চোখে দেখো নাই? তারপর আমি উনাকে ৩০ টাকা দিয়েছি। (প্রতি পরীক্ষাতেই গড়ে ৩০/২০ করে নিয়েছিলো বিধায় আমি এই মন্তব্য করেছি।) বলাবাহুল্য উনার কথায় আমি অপমানিত বোধ করেছি। ৩০+৩০+২০+৩০+২০+২০+৩০+৩০ = ২১০/- ( ৮ টা পরীক্ষা) আমি যদ্দূর জানি, শিক্ষাবোর্ডের আদেশ মানা বাধ্যতামূলক। সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ বোধ হয় নোটিশ দেখেনি।
Amar cousin ek pobasi & unti k nir oprade police dore niye gece .Police o jane ora porad korni..oderk dore niye geye mamla dilo...abr neta k niye geci bahir korar jnno..neta bollo mamla halka korar jnno tk dite hoybe police k Asol oparadi na dore .Nirho manusk dore niye tk kawar danda
ঘুষ যে এত আধুনিক ভাবে নেওয়া হয় এইটা বিআরটিএ এর জোয়ার সাহারা তে না গেলে বুঝতেই পারতাম না জীবনও। তারা হাত এ টাকা নেওয়া বন্ধ করে ফেলছে , আধুনিকায়ন পদ্ধতি অবলম্বন করে । ঘুষ তারা এখন দালালের মাধ্যমে নেই। আমি ক্লাস ফাইভ থেকে বাইক চালাতে পারি, শুধু গাড়ি পারতাম না কিন্তূ পরীক্ষার কয়দিন আগে গাড়িও শিখে ফেলছি । লিখিত, ভাইভা তে পাস করলাম , তারপর দিলো গাড়ির টেস্ট , একটু ভয়ে ছিলাম , গাড়ি এর যে বাজে অবস্থা, মনে হচ্ছিল যে ইঞ্জিন মনে হয় বাস্ট মারবে এখনই, রিভার্স পার্কিং করলাম কোনো ভাবে , পাস হয়ে গেলাম এখন তারা বলল যে বাইকের টেস্টও দিতে হবে । কিন্তু পারলাম না, আবার date নিলাম পরের বার আবার করলাম পারলাম না। পরে বুঝলাম যে তাদের টাকা আদায় এর কৌশল ।এবার ফেইল করে টাকা দিলাম,না যেয়েও হয়ে গেলো।
জনৈক ব্যক্তি আমাদের জমীতে ভূয়া ওয়ারিশ দাবি করে তাই আমাদের একটা মৃত্যু সনদের প্রয়োজন পরে, যখন পরিষদ কর্তৃপক্ষ বলে অন্য পক্ষ ২০,০০০৳ দিতে প্রস্তুত আপনারা কত দিবেন? তখন ১২০০০৳ দিতে হয় তারপরও ----
Sub register has fixed .5% as bribe for registration of Power of Attorney