চুরির অভিযোগ জানাতে গিয়ে।
ঘরের তালা ভেঙ্গে লেপটপ ও ২৪০০০ টাকা চুরি হয়। থানায় জানাতে গিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে হয় । আর পুলিশ দেখতে এসে আরো ২০০০ টাকা জোর করে নিয়ে যা। মিরপুর থানার ঘটনা। ২৩ আগস্ট ২০২৬ এর ঘটনা।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঘরের তালা ভেঙ্গে লেপটপ ও ২৪০০০ টাকা চুরি হয়। থানায় জানাতে গিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে হয় । আর পুলিশ দেখতে এসে আরো ২০০০ টাকা জোর করে নিয়ে যা। মিরপুর থানার ঘটনা। ২৩ আগস্ট ২০২৬ এর ঘটনা।
আমার শ্বশুরের হার্ট অ্যাটাক হয়েছিলো। ইমার্জেন্সি ঢাকা মেডিকেল নিয়ে গিয়েছিলাম। জরূরী বিভাগ থেকে নতুন বিল্ডিং এর CCU তিন তলায় নেওয়ার জন্য হাসপাতালের ট্রলি নিয়েছিলাম। সেখানে একজন ওয়ার্ড বয়/স্টাফ ৫০০/- টাকা চেয়েছিলো। আমরা কোনোরকমে ২০০/- টাকা দিয়ে পার পেয়েছি।
পুলিশ ফাঁড়িতে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে মারামারি ও জবর দখল সংক্রান্ত অভিযোগ করেছিলাম। আমার কাছ থেকে ফাড়ি ইনচার্জ টাকা নিয়েছে। অভিযোগ আমিই করেছি। আবার প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আরও বেশি টাকা নিয়ে তাদের পক্ষ হয়ে রায় দিয়েছে।
সেবা দিতে বারে বারে বিলম্ব করেছে, ২ মাস ঘুরিয়ে খরচ পাতি আছে তারপর কৌশলে টাকা নিয়েছে এবং কাজ করে দিয়েছে।
সব ঠিক ছিলো,,তারপর রেজিষ্ট্রার ঘুস দাবি করে,,ভুগান্তি না পড়তে হয় তাই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি...!
নামজারির আবেদনে দালাল ১৬৫০০/- টাকার বিনিময়ে শুক্রবারেই খতিয়ান রেডি করে দিছে।মানে টাকা দিলে ভূমিসেবা শুক্রবারেও মিলে।
মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশনের সময় সরকারি ফিয়ের অতিরিক্ত ৪৫০০ টাকা নিয়েছে।
পে ২ থেকে আপনার যত টাকা বিল হয়েছে তার ১৮% টাকা পরিশোধ না করলে কোন বিল পাশ হয় না। যা আমার ন্যায্য প্রাপ্য।
জমির নকল দলিল তুলতে গেছিলাম । ২৬০০৳ লাগবেই কোনও ভাবে কম নিবে না । সরকারি ফি এত না আমি জানি । খুব দরকার ছিলো তাই বাধ্য হয়েই নিতে হয়েছে ।
বেতন চালু করার MPO-EFT ফাইল ট্রান্সফার করতে মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা চেয়েছে
ডিউটিতে নাম নিতে টাকা চাইছিলো।
সন্দেহভাজন দাবি করে তুলে নিয়ে একরাত থানায় রেখে নেগোসিয়েশন করে উক্ত অর্থ দাবী করে ডিসি অফিস এ নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ৮০০০০ টাকা নিয়ে ডিসি অফিস থেকে ১০০০ টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
নামজারি করতে গেলে দালালের মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে।
আমার মামলার ব্যাপারে ম্যাজিস্ট্রেট তার কক্ষে ডেকেছিল জবান বন্দি দেওয়ার জন্য,আমি ৪ জন আসামির কথা বলেছি কিন্তু তার সহকারী ৪ জন আসামী থেকে ১জন কে বাদ দিয়ে পুরো ঘটনা লিখেছে । পরে এটা সংশোধনের জন্য সহকারীর কাছে গেলে বলে এটা আর ঠিক হবে না। অনেক ক্ষণ পরে সে আমাদের বাহিরে নিয়ে গিয়ে ১০০০ টাকা দাবি করে আর বলে ঠিক করে দিব। কিন্তু সে ১০০০ টাকা নিয়ে আর ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে কথা বলায় দেয় নাই। আর বলছে যে তাকে জানিয়েছি হবে না। পরে টাকা চাইলে সে আর ফিরত দেয় না। ম্যাজিস্ট্রেট:মো:জাহিদুর রহমান (সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) এনার সহকারী
I went for my land registration and they took bribery from me.
আমার বাবা মারা যাওয়ার পর মা গৃহায়নে ফ্লাটের সংশোধিত বরাদ্দপত্রের জন্য আবেদন করে। এখনো বরাদ্দপত্র পাই নি মা কিন্তু যখনই খোজ নেই আমরা যে আমাদের আবেদনের কি অবস্থা তখনই এই অফিসের লোকজন টাকা দাবি করে। ২০০০ এর নিচে টাকা দিলে যাতা কথা শুনায় আমাদেরকে। বলে যে এই টাকায় কি কাজ হয়! অথচ লাস্ট ২ মাস ধরে আমরা এই অফিসে ঘুরে বেরাচ্ছি। এই অফিসের প্রতিটা মানুষ দুর্নীতিবাজ। আমাদের মতো অসহায় মানুষকে এত কষ্ট দিয়ে তারা টাকা নেই। এই টাকা যেনো এদের জীবনে দোযখ হয়ে আসে বিচার দিলাম।
AC land — and the others staff are coonnected with this birbery.
বুনিয়াদি প্রশিক্ষনের ভ্রমণ বিল করেছি কিন্তু সেটা দেয়নি
নামজারি করার জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ১১৭০/-। সকল ডকুমেন্টস ঠিক থাকার পরেও ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্তৃক প্রতিবেদন পাঠাচ্ছিলো না। অথচ যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন পাঠানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ২৩ দিন হয়ে গেলেও প্রতিবেদন পাঠাচ্ছিলো না! পরে বাধ্য হয়ে দাবিকৃত অর্থ দিয়েছি।
খতিয়ান ভূমি সেবা পোর্টালে এ্যাড করার জন্য আবেদন করলে আবেদন বারবার বাতিল করে দিচ্ছিলো। এদিকে জমি রেজিস্ট্রির জন্য অনলাইন ভূমি উন্নয়ন করের রশিদ লাগবে তাই দাবিকৃত অর্থ দিতে বাধ্য হয়েছি। অথচ ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে সরকার নির্দেশনা দিয়েছে ৭২ ঘন্টার মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি করার জন্য। যেহেতু ৭২ ঘন্টার মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে কিন্তু প্রথমে দাবিকৃত অর্থ দিচ্ছিলাম না তাই বারবার বাতিল করে দিচ্ছিলো। দাবিকৃত অর্থ দেয়ার পর খতিয়ান অনলাইন করে দেয়।