বেতন চালু ও আইবাস ক্যান্সেল
টাকা আগে থেকে না দিলে বেতন চালু করেনি।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টাকা আগে থেকে না দিলে বেতন চালু করেনি।
অভিযোগ : ০১ আমদানিকৃত কাঁচামাল বন্দর থেকে খালাস করার জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি প্রয়োজন ছিল ব্যাংক গ্যারান্টি অনুমোদনের জন্য কাস্টমস (ঢাকা উত্তর) অফিসারদের (ARO, RO) কে টাকা দিতে হয়েছে। অভিযোগ : ০২ পুরাতন ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত করার জন্য কাস্টমস (ARO, RO, A/C) অফিসারদের টাকা দিতে হয়েছে।
আগে যখন নতুন পাসপোর্ট করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন সিস্টেম ছিল। তখন নতুন পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করি এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াটি হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশনে যে অফিসার ছিল তারা আমার কাছ থেকে ৭০০ টাকা দাবি করেছিল এবং বলেছিল এই ৭০০ টাকা না দিলে আমার ফর্ম ঢাকাতে যাবে না। কোন উপায় না দেখে আমাকে এই ৭০০ টাকা দিতে হয়েছিল এবং তারপরেই আমার ফর্মটা ঢাকাতে পৌঁছে ছিল এবং আমি পাসপোর্ট হাতে পায়।
আমাদের বাসে ৪০ জন সিলেট জাফলং ট্যুরে গেছিলাম, আসার সময় ১৫ টার মতো কম্বল কিনছিলো ১৫ জনে, সবার একটা একটা। রাতে আসার সময় ট্রাফিক পুলিশ আমাদের গাড়ি আটকিয়ে বলে নগদ ৩০০০ টাকা না দিলে গাড়ির ড্রাইভার আর হেল্পার এর নামে চোরাকারবারির মামলা দিবে। পুলিশ এর কাছে থেকে কাগজ চাইলে তারা কোন কাগজ দিতে পারবেনা তা জানিয়ে দেয়। তো আমরা প্রচুর টায়ার্ড ছিলাম আর সবাই পরের দিন অফিস ধরতে হবে তাই পুলিশের এমন দুর্ব্যবহার দেখে কেউ আর কিছু না বলে টাকাটা দিয়ে চলে এসেছি।
একটি রাষ্ট্রয়াত্বক ব্যাংকের মাধ্যমে ঋন অনুমোদন করা হয়। ব্যাংকে কোন ঘুষ না লাগলেও ঋন এর বিপরীতে বন্ধকী দলিল সম্পাদন করতে গেলে সাব রেজিস্ট্রার নানান অজুহাতে দলিল করতে অসম্মতি জানায়। পরবর্তীতে উনার সহকারী, গ্রাহকের কাছে ঘুষ দাবি করলে গ্রাহক ১০০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে রশিদ উত্তোলনের জন্যও উনারা চা পানির অর্থ দাবি করে আরও ৫০০ টাকা গ্রহন করেন।
আমার জন্মনিবন্ধন বাংলায় ছিল। সেটাতে ইংরেজি যুক্ত করে বর্তমান সিস্টেমে সংযুক্ত করার জন্য ৫০০/- ঘুষ দিয়েছিলাম।
আমার ইউটিউব মনেটাইজেশন হওয়ার পর, ইউটিউব থেকে ইন্টারন্যাশনাল পোস্টের মাধ্যমে অফলাইন কোড পাঠায়। কাস্টমস অফিসের একজন চিঠিটা খুলে আমার কাছে ৫০০ টাকা চায় কোড এর জন্য। পরে টাকা দিলে আমাকে কোড এর ছবি পাঠায়। চিঠিটা কখনোই আমার হাতে পৌছায়নি। কাস্টমস এ গ্রাহকের চিঠি এরকম অনুমতি ছাড়া খুলে দেখার ক্ষমতা দেখে আমি বিস্মিত হয়ে যায়। কোনো জবাবদিহি নাই।
কুষ্টিয়া নারী সহিংস দমন ট্রাইবুনালে, সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য,নাম জমা দেওয়ার সময় পেশকার নেয় ১৫০।তারপর সাক্ষ্য শেষ হলে,বেঞ্চ সহকারী ছেলেটা আদালত কক্ষের বাইরে আসে সিগনেচার নেয়ার জন্য তখন আবার পেশাকারের জন্য নেয় ২০০ আর তার নিজের জন্য নেয় ১০০।
ডোপ টেস্ট করতে গেলে অতিরিক্ত ১০০ টাকা চাই
পারিবারিক সনদ তৈরি করতে ইউনিয়ন পরিষদ, ফুলগাজীর মুন্সীরহাট ইউনিয়নর চেয়ারম্যান ও তথ্য সেবা কেন্দ্রর কম্পিউটার অপারেটর ২৭০০ টাকা নিছে।
বেতন করতে সার্ভিস বুক, এজি অফিসে গেলে, তখন দেওয়া লাগছে। ১ম বার ১০০০ টাকা দিছিলাম, করে দেয় নি উল্টো আমার ফিক্সেশন কাগজ টা অডিটর বদলি হওয়ায় সাথে করে নিয়ে গেছিল। পরে অন্য অডিটর কে ৩৮০০ টাকা দিয়ে বেতন করেছি।
আমরা দুইজন রাজবাড়ী থেকে ফরিদপুর যাচ্ছিলাম। পথে পুলিশ গাড়ি সাইডে নিয়ে বলে মামলা করবো নাকি সমাধান করবা তারপর ২০০ টাকা দিয়ে চলে যেতে বলে নাহলে নাকি ৫০০ টাকার মামলা দিবে তাই ২০০ টাকা দিয়ে দেই
প্রথম পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্যে আমাকে মিরপুর ১ সিনেমা হলের নিচে পুলিশ দেখা করতে বলে। আমি যায়, সেখানে সব সার্টিফিকেট, nid, যাবতীয় কাগজ দিয়ে বাংলাদেশের নাগরিক প্রমাণ করার পরেও আমার থেকে ১০০০ টাকা দাবি করে। ছাত্র বলার পরেও সে এমন ভাবে বলে যে আমার থেকে সে আগে থেকে পাওনা পাবে। অবশেষে দিতে বাধ্য হই।
এড্রেস ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ আসলে তাদের, খামে ১০০০ টাকা দেওয়া হয়। তারা নিজেরা সরাসরি দাবি করে নি। তবে সাদরে গ্রহণ করে।
1000 taka na dile passport renewal kore na.
উপজেলার সব ইউনিয়ন পর্যায়ের অফিসে অডিট করার জন্য ঢাকা থেকে টিম এসেছিলো। বর্তমানে ভূমিসেবা সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড হয়ে যাওয়ার ফলে সেবা দেওয়ার জন্য ইন হ্যান্ড ক্যাশ নেওয়ার অপশন নেই। ফলে তার কোনো অডিটেরও দরকার নেই। তবুও ফর্মালিটিজ এর জন্য অডিটে এসেছিলো। উপজেলার ১৫টা ভূমি অফিস থেকে ১০০০০০টাকা ঘুষ দাবি করেছিলো। দরদাম করে ৭৫০০০ হাজারে ফিক্সড করে তা তাদের দিতে বাধ্য করেছিলো। যারা যারা কেন দিতে হবে বলে কথা তুলেছিলো তাদের অডিট আপত্তি দিয়েছিলো।
টাকা ছাড়া এলপিসি দেয়না।
বায়া দলিল বের করার জন্য অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা নিয়েছে
আমি গেলাম নতুন গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন করতে, গাড়ির শোরুম থেকে সকল পেপারস নিয়ে। তারপর বিআরটিএ থেকে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার ফরম দেয়, আমি দুই বছরের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি ব্যাংকে জমা দিয়ে আসি। তারপর থেকে শুরু হয় আসল খেলা, তাদের দাবিকৃত টাকা না দিলে সার্কেল প্রধান গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন পেপারে স্বাক্ষর করবে না বললো।। খুঁজ নিয়ে দেখলাম, যাঁরা যাঁরা নতুন বা পুরাতন গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন করতে আসছে সবাইকে সমপরিমাণ অর্থ ঘুষ দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হচ্ছে।।।।
সরকারি চাকরি তে যোগদান করার পর,বেতন নিতে যেতে হয়,ag office এ,মানে accounts office, বলে চা খেতে ৩/৪ হাজার টাকা লাগবে,আমি অফিস এ সিনিয়র দের সাথে আলাপ করি, তারা বলে ২০ বছর ধরে সরকারি চাকরি করছি এখন ও বদলি হলে ঘুশ ছাড়া বেতন হয় না,আমার department এ dhaka তে প্রায় ৫০ জনের সাথে আলাপ করেছি,এদের মধ্যে একজন কেও পায় নাই যে কি না ঘুষ ছাড়া বেতন পেয়েছে,মানে প্রায় ৯৯.৯৯% চাকরিজীবী কে বেতন নিতে ঘূষ দিতে হয়।অফিস এ একজন মারা গেলে তার পরিবার প্রায় ১ বছর ধরে ঘোরাঘুরি করে ও পেনসন পায় নাই,পরে ৫০ হাজার টাকার উপর দিয়ে ফাইল পাশ করাতে হয়েছে,নিজের সামান্য বেতন পেতে ও ঘুষ দিতে হয় পরে এরাও আর ভাল থাকে না।সিনিয়রদের কাছে শুনলাম পাকিস্তান আমল থেকেই এমন ই চলছে।