টাকা দিলে পাস করাই।নাহ দিলে করাই নাহহ।আমি পরিক্ষা ফেল করেও পাস।আমার পরিচিত একজন দালাল নাহ ধরার কারণে
মটর সাইকেল র ভ্রাভিং লাইসেন্স। টাকা দিলে পাস।
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
মটর সাইকেল র ভ্রাভিং লাইসেন্স। টাকা দিলে পাস।
বিস্ফোরক লাইসেন্স ১৫০০টাকা.৫৫০০০ টাকা দিয়া করতে হয়েছে।টাকা না দিলে লাইসেন্স দেয় না,এই নিয়ম ঐ নিয়ম,নিয়মের শেষ নাই।
সাউথ সিটি কর্পোরেশন এর হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া সহ জরিমানা ধার্য করে বকেয়ার সমপরিমান, টাকার অংক ঠিক করতে ৫০ হাজার ঘুষ দাবি করে
উত্তর কাউন্দিয়া মৌজার আমার কেনা জমির নামজারি করতে ইউনিয়ন ভূমি আফিসে মিস্টির টাকা হিসেবে নিয়েছে, যদিও এসি ল্যান্ডের অফিসে আর এক্সটা টাকা দিতে হয়নি। কিন্তু ঐ ভূমি আফিসে ২২০০ টাকা দিতে হয়েছে।
পুলিশ দাবি করে আমার ডিভোর্স লেটার কোই অথচ আমার বিয়েই হয়নি, কিন্তু পুলিশ বলে না ডিভোর্স পেপার লাগবে
নতুন জন্ম বা মৃত্যু নিবন্ধন করতে গেলে অথবা সংশোধন করতে সরকারি ফি এর চেয়ে ৫০-১০০ টাকা বেশি দাবি করা হয়। কোন ধরনের মানি রিসিট দেওয়া হয় না। সরকারের উচিত ফি অনলাইনে পরিশোধ করার ব্যবস্থা করা।
এলাকায় দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ ছিল না।ভৌগলিক অবস্থানের কারণে কিছু জটিলতা ছিল।অর্থাৎ যেই লাইনে খুটিগুলো গেছে ওই লাইনে পড়ে নাই। পরে যখন আমরা বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করতে যায়, তারপরে অনেকটা টাকা চাওয়া হয়। তখন আমরা সেই টাকাটা দিয়ে ভিতরে ঘটি স্থাপন করি। টাকার পরিমাণ ৩ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে শুধু ঘুষ বাবদ।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, বড়লেখা, মৌলভীবাজার। এই অফিসের ছোটবড় সবাই ঘুষের সাথে জড়িত। অফিসের হিসাব সহকারী একজন সহকারী ও সাবেক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মত ঘুষখোর খুব কম আছে। প্রতিটা ছুটির আবেদন, নতুন শিক্ষকদের বেতন তুলতে গেলে উপজেলা অফিসের হিসাব সহকারী —কে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে কাজ আগায় না,বেতন হয় না। কত লোককে যে হয়রানি করেছে এটা নিয়ে তা বলার বাইরে। অবশ্য তার ছেলেমেয়ে হয়েছে, যতটা কষ্ট আমার স্যালারি নিয়ে দিয়েছে তার হিসাব খোদার কাছে রইলো। এই অফিসের সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার — মোবাইলের ফ্লেক্সিলোড পর্যন্ত ঘুষ নিতো। প্রতিটা স্কুল ইনশপেকশনে গেলে নেগেটিভ রিপোর্টের ভয় দেখিয়ে স্কুল প্রতি পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা আদায় করতো।
গাড়িতে CNG সিলিন্ডার থাকলে ফিটনেস দিতে চায় না টাকা দিলে ফিটনেস হয়
ব্যাংক থেকে থেকে লোন নেওয়ার জন্য মর্টগেজ দলিল করা লাগে। সরকারী ফিস পে অর্ডারের মাধ্যমে দেওয়ার পর প্রতিটি দলিল প্রতি (লোন যত বেশি ঘুষের পরিমাণ তত বেশি) ১০ হাজার থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। যেহেতু আমাকে ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসাবে পতিনিয়ত হাজির থাকতে হয় যা ঘটে আমার সামনে ঘটে। এটা মেনে নেওয়া খুবই বিব্রতকর। প্রতিবাদ করে ও আমাকে হেনেস্তার শিকার হতে হয়েছে।
বিডিএস জরিপ কর্মকর্তা, ঢাকা, ধামরাই “আমাদের এলাকা নারায়নগঞ্জ এর জালকুড়িতে।বর্তমানে আমাদের এখানে ভুমি জরিপ বিডিএস চলছে।সাধারন মানুষদের কে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা ঘুষ চাচ্ছে।টাকা না দিলে সাধারন মানুষের কাগজ দিচ্ছে না বা অনেক দিন ঘুরিয়ে দিচ্ছে।আমাকে ও কাগজ দিচ্ছে না যদি কাগজের কথা বলি তাহলে তারা বন্ধের দিন তাদের অফিসে গিয়ে কথা বলতে বলছে।তারা আমাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে যে আমার কাগজ ঠিক নাই হেনতেন। জরিপ কর্মকর্তা আছে আর উনার ৪- ৫ জন সহযোগী আছে।এরা সবাই মিলে ঘুষের সাথে যুক্ত আছে।আমার কাছে ৭০ হাজার টাকা চাইছে আমি দেইনি বলে আমার কাগজ এখনো দিচ্ছেনা।”
আমার ১ টি জমি রেজিস্ট্রার করার জন্য যাই ২ বছর আগে। প্রায় দুপুর ২.৩০ বেজে যায় যেতে। নাম ছিল —। উনি বের হয়ে যাচ্ছিলেন। আমরা অনেক অনুরোধ করেও তাকে রাখতে পারিনি। উনি উনার লোক দিয়ে বলেন যে কমিশন এ করবেন খরচ হবে ৭০,০০০ টাকা। আমরা করাতে পারিনি। পরে আবার যাই সময়মত, কিন্তু সব দলিলাদি থাকার পরেও উনি এটা নাই, সেটা নাই বলে সাইন করেন নাই। টাকা দেইনাই বলে। পরের আবার উনার সহকারী বলে পরের দিন আসলে ৬০০০০ টাকা নিয়া আসবেন। করে দিবো। টাকা না দিলে হবেনা। ৫০০০০ টাকা দিয়ে করতে হয়েছিল।
Amar khoridkrito jaiga same dag e onno jon k normally kharij diyeche 800 tk te abedon kore. Amar ta 3bar reject hoiar por 30000 tk diye kharij kora lagse
আমি আমার সংস্থার অডিট রিপোর্ট নিয়ে গেছিলাম, আমার সব কিছু ঠিক থাকার পরও আমার কাছে অর্থ দাবি করা হয় । উনি বললেন এটা উনার হক।
কাজটি করাতে হলে ৩০০ টাকা দিতে হবে নাইলে কাজ হবে না।
ওয়াশা ভুতু রে বিল থেকে বাচতে প্রতিমাসে ৩০০০ টাকা দেওয়া হয় ওয়াসা বিলিং বিভাগ কে। ওই টাকা না দিলে বিরাট বিল ধরিয়ে দেওয়া হয়। আর হয়রানি তো আছে। মাঝে মাঝে মিটার খুলে নিয়ে যায়। এর পরে নতুন মিটার আননে আরো ঘুষ দিতে হয়। ১৮ বছর৷ যাবত এই খেলা দেখতেছি।অভিযোগ করলে ১০ গুন জরিমানা আদায় করে।
সার্ভে খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি ১২০*২ =২৪০ টাকার বদলে ১৫০০ টাকা নেই, জেলা রেকর্ড রুমের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক।
ফেনীতে প্রবাসীদের BMET ফিংগারপ্রিন্টের জন্য ফেনীর BMET অফিসে গেলে তারা সিরিয়াল নেওয়ার জন্য ২০০ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে ১-২ মাস পর ফিংগারপ্রিন্ট দেওয়ার সিরিয়াল দেয়। একটু বেশি কিছু বললে তারা বলে দেয়—'ফিংগারপ্রিন্ট মিলে না, আরও পরে আসবেন' এবং এভাবে ঘোরাতে থাকে। অথচ এটার নিয়ম হলো—প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে ২৫০ টাকা পরিশোধ করলে আর কোনো টাকা লাগে না। কিন্তু ফেনীতে তারা শুধু সিরিয়ালের জন্যই ২০০ টাকা করে নিয়ে তারপর ফিংগারপ্রিন্ট নেয়, আর টাকা না দিলে হয়রানি করে। আমি একজন প্রবাসী।"
আমাদের একটা জমির দাগ নাম্বার খতিয়ানে ভুল আসায় সেইটা সংশোধন করার জন্য মিশকেস করার প্রয়োজন পরে, আমি চাকরি করার কারনে আৃার বয়স্ক বাবায় সমস্ত কাজ করার চেষ্টা আমি সপ্তাহে মাসে ২/১ বার যাইতাম আমার অফিস থেকে ছুটি নিয়ে, আমাদের দাগ নাম্বার ভুল এটা একটা সরকারি করনিক ভুল ছিল যা উনাদের দায়িত্ব ছিল সংশোধন করে দেওয়া কিন্তু করেনি উল্টো ২ বছর সময় লাগে নানান তালবাহানার পরে, আমাদের জারিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নাজির থেকে টাকা খাওয়া শুরু হইছে, সে অনেক বার ঘুরানোর পরে, পূর্বধলা উপজেলা ভূমি অফিসের, অফিস সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর, সার্ভেয়ার, পিওন থেকে শুরু করে সবাইকেই টাকা দেওয়া লাগতো প্রকাশ্যে, প্রতিবার আবেদনের খুঁজে গেলেই ১/২ হাজার তাদের দেওয়া লাগতোই আর কত ভোগান্তি যে করাইছে, আমি কয়েকদিন বিরক্ত হয়ে ঘুরে চলে আসি
ভুমি জরিপের পেপারস দেওয়ার সময় ভূমি কর্মকর্তা কোনভাবেই টাকা ছাড়া পেপারস দেয়নি।উনি বলতেছিলেন,আগে টাকা, পরে পেপার। জালকুড়ি, নারায়ণগঞ্জ।