বাইক এর লাইসেন্স করতে
বাইক এর লাইসেন্স করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়। এক পর্যায়ে বাইক এর শোরুম এর মাধ্যমে যোগাযোগ করে টাকা প্রদান করি এবং পরবর্তী তে লাইসেন্স পায়।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বাইক এর লাইসেন্স করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়। এক পর্যায়ে বাইক এর শোরুম এর মাধ্যমে যোগাযোগ করে টাকা প্রদান করি এবং পরবর্তী তে লাইসেন্স পায়।
আগেই বলে নেই ২০১৮-১৯ এর ঘটনা। তাই এটা লেখা যাবে কিনা জানিনা। আর এখনও এরকম টাকা নেয় কিনা জানি না। থাকলে ভুক্তভোগীদের অনুরোধ রইলো লেখার জন্য। একটা সার্টিফিকেট হারানো গিয়েছিলো এজন্য জিডি করতে গিয়েছিলাম। এপ্লিকেশন ও নিজের লেখা। তারা শুধু সিল দিয়ে একটা নাম্বার দিবে সেটা দিতে যেয়ে বলে চা খাওয়ার জন্য টাকা দেন। একজন মহিলা পুলিশ ছিলেন। আমি ৫০/- দেই। দিয়ে কাগজ নিয়ে আসি।
প্রথম দুই দিন টাকা না দিয়ে পাসপোর্ট করার জন্য সারা দিন চেষ্টা করি কিন্তু নানা সমস্যা দেখিয়ে আমার ডকুমেন্ট জমা নেয় না । তৃতীয় দিন নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন কারি আনসার সদস্যের মাধ্যমে টাকা প্রদান করার পর আমার ডকুমেন্ট জমা নেয়। একটা বিশেষ সাইন ডকুমেন্ট এ প্রদান করে। পুলিশ ভেরিফিকেশন এর সময় আরো ৫০০৳ প্রদান করতে হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে প্রদান করতে হয়েছে। না হলে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেয়। পরে দালাল চক্র কাছে টাকা প্রদান করতে বাধ্য করে।
অন্যায় ভাবে কেস দেয়ার কথা বলেছিল, এর পর টাকা নিয়ে কেস দেয়নি
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবেদন করার পর এইটা যখন মনোহরদী থানায় যায় তখন থানার এক অফিসার ফোন দিয়ে এটার জন্য দুই হাজার টাকা চায়।এবং এইটা নাকি খরচ এইটা দিতে হবে । তারপর একটা বিকাশ এজেন্ট নাম্বারে ক্যাশআউট করি ।
Land Tax office online approval process is completely depend on local union land officer. Even you applied online He will be approve after money received from Broker.
রায়ের ডকুমেন্ট তোলা। আদালতের পেস্কার( যে লেখা লেখি করে) সরাসরি টাকা দাবি করে।টাকা হইলে রায়ের কপি পাবেন না হইলে ৫ বছর পর। কোন উপায় না পেয়ে ৭০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
২০১৯ সালের দিকে আব্বুর স্কুল এমপিওভুক্তি হলো। কিন্তু বেতন পাবে এই জিনিস পাশ করতে তখনকার দায়িত্ব খুলনা বিভাগীয় প্রধান কর্মকর্তাকে ২৪০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিলো।কারণ তার হাতে থেকে ফাইল না গেলে বেতন পাবে না। নিরুপায় হয়ে টাকা দিতে হয়েছিলো।
নতুন জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে আবেদন করতে, কাগজ জমা দিতে, কাগজ তুলতে প্রতিটি ফাইল থেকে ৩০০ টাকা করে টাকা নেয়। না দিলে কাজ করে না। কম্পিউটার অপারেটর, গ্রাম পুলিশ, সচিব এই টাকা নেয়।। সচিব সব থেকে বড় দূর্নীতিবাজ। সংশোধন করতে গেলে নানান কাগজ দেখাতে বলে শুধু ঘুরায়, অতিরিক্ত টাকা দিলে কাজ করে দেয়। বাইরের পোলাপান দিয়েও কাজ করায়
বলেছিল, সরকার অর্থনৈতিক ভাবে অনেক ঝামেলায় আছে। সরকার এতো টাকা দিতে পারবে না। অথচ আমার টাকার পরিমান মাত্র দেড় লাখ । উনার কম্পিউটারে লিস্ট করে রাখে। যে যে টাকা দিয়েছে তার নাম টা লিখে রাখে। টাকা ছাড়া ১ টা কাজ তিনি করেন না। এমন কি উনি পারসোনালি ফোন দিয়ে বলে, একটু দেখা করে গেলে ভালো হতো।
নামজারি করতে দিয়েছি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়, কিন্তু তাদের সিস্টেমের 'লাইন'এ গেলে আর টাকা দিলেই কাজ হয়
Amar passport er name songsodhon e legecheye jekhane sorkari fee 8050 taka express delivery te sekhane amake 24000 taka khoroch korte hoyeche ,Jamalpur passport office e ghush chara file joma nei na ,hoirani kore ghurabe apnake koyek din tarpor nile nei hoito ,Every person passport office e ghush khai ,Ghush dilei oder behaviour magic er moto change hoye jai
বাইক এর নাম্বার প্লেট করানো জন্য গিয়েছিলাম( আমার ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া ছিলো শুধু কাগজ জমা দিবো)। এর পর অনেক কথা বার্তা বললো এই কাগজে নিয়ে আসো সে কাগজ নিয়ে আসো। সব কিছু দেওয়া পর ও আমার তার পিছনে ঘুরতে হয় শেষে সে বললো করা যাবে নাহ নিজের জেলার যেতে হবে। আমি আর কোনো উপায় নাহ পেয়ে ঘুস দিয়ে করাই। আফসোস এর বিষয় হইলো ঘুস দেওয়ার পর আমার তেমন কোন কাগজই লাগে নাই। ( মানুষ পাঞ্জাবি টুপি দাড়ি এবং ৫ ওয়াক্ত নামাজ ও পরে সে তার পর ও এই কারবার করে)
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং পাসপোর্টের ইনকোয়ারির মতো সরকারি সেবা নিতে গিয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে
আশুগঞ্জ থেকে আখাউড়া চেকপোস্ট পর্যন্ত চারলেন হাইওয়ে রাস্তায় মালিকানাধীন কৃষি জমি রাস্তার ম্যাপের মধ্যে পড়ায় সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণ করা সেই জমির মোয়াবজা অথবা ভর্তুকি আদায় করতে গেলে জেলা ভূমি অফিসের কর্তব্যরত সরকারি চাকরিজীবীরা ঘোষ ছাড়া অর্থ ছাড়ের অনুমতি দেয় নি। পরে বাধ্য হয়ে তাঁদের চাওয়া পূর্ণ করতে হয়েছে এবং ২০০০০০ টাকা ক্যাশ ভূমি অফিসের খাওয়ার রুমে তাদের দিতে হয়েছে।
লাইসেন্সের জন্য টাকা চেয়েছি এবং আমি পুরোটাই দিয়েছি
Brta nikunjo te driving licence er jonno
আমি আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম (English বানানে একটি অক্ষর ভুল) সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করি এবং নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধ করে সকল কাগজপত্র জমা দেই। আবেদন করার পর প্রায় তিন থেকে চার মাস অপেক্ষা করেও কোনো উত্তর পাইনি। পরে এক পরিচিতজনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি আমার আবেদনটি নিষ্পন্ন করার জন্য পঁচিশ হাজার টাকা দাবি করেন। আমি জানাই যে আমি তো সরকারি ফি পরিশোধ করেই আবেদন করেছি। তখন তিনি বলেন টাকা না দিলে ১ বছরেও আমার কাজ হবে না। পরিস্থিতির কারণে আমি বাধ্য হয়ে ৫,০০০ টাকা দেই। টাকা দেওয়ার পরপরই আমার নাম সংশোধনের কাজটি করে দেওয়া হয়।
২০২২ এ ইমারজেন্সি তে সরকারি অতিরিক্ত ফি দিয়েও পাসপোর্ট পাচ্ছিলাম না। আবেদনের পর এক মাস পার হয়ে গেলেও ভেরিফিকেশন এ আটকে ছিলো। পরে বাধ্য হয়ে দালালকে ১২০০ টাকা দিয়েছিলাম। শনিবার টাকা দিছি, বুধবার পাসপোর্ট হাত পেয়ে গেছি। অথচ আমি ঠিকই জরুরি পাসপোর্টের জন্য অতিরিক্ত সরকারি ফি জমা দিয়েছিলাম আবেদনের সময় ।