চাকুরির ফাইল স্থায়ীকরণ
বলে ফাইল হারিয়ে গিয়েছে কিন্তু বললাম ভাই চা খাওয়াবো ফাইল একটু খুজে দেন। ২০ মিনিট পরে বলে টাকা দেন ফাইল পেয়েছি।
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
বলে ফাইল হারিয়ে গিয়েছে কিন্তু বললাম ভাই চা খাওয়াবো ফাইল একটু খুজে দেন। ২০ মিনিট পরে বলে টাকা দেন ফাইল পেয়েছি।
আমরা একটা বিনিময় দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে যায়। বিনিময় দলিলে আইন মোতাবেক উৎস কর দিতে হয় না। এখন সাব-রেজিষ্ট্রার বলতেছে আমাকে 40000 টাকা না দিলে আপনাদের বিনিময় দলিল হবে না। ৩দিন ঘুরিয়ে তারপর 40000 টাকা দিয়ে বিনিময় দলিল টি করেছি।
আমি একজন রোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাই এবং রোগীকে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু রোগীকে ওয়ার্ডে নেওয়ার পর কোনো বেড দেওয়া হয়নি। বরং রোগীকে নিচে থাকতে বলা হয়। এছাড়া রোগীর কোনো ফাইলও খোলা হয়নি। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আমি কথা বললে ৪০০ টাকা দাবি করা হয়। শেষ পর্যন্ত টাকা না দিলে কোনো উপায় নেই—এমন পরিস্থিতিতে পড়ে টাকা দিতে বাধ্য হই। টাকা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাজগুলো করা হয়। এই ঘটনাটি হাসপাতালের Male Ward No. 13-এ ঘটে। একজন রোগী ভর্তি হওয়ার পরও এভাবে বেড না দেওয়া, ফাইল না খোলা এবং অতিরিক্ত টাকা দাবি করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমি আমার স্ত্রীর নামে জমি রেজিষ্ট্রেশন করেছি, এটি করতে ১৬০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কিন্তু সরকারি খরচ তে এতে টাকা না, আমরা সাধারণ জনগণ এই হয়রানির সমাধান চাই।
বিষয়: পাসপোর্ট হারানোর ঘটনায় জিডি করতে ২,৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ। বরাবর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনাব, আমি আমার পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার জন্য যাই। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জিডি করতে কোনো ফি লাগে না—এমন তথ্য আমি পরবর্তীতে জানতে পারি। বাংলাদেশ পুলিশের Citizen Charter-এও জিডি সেবা বিনামূল্যে দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু আমি যখন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সংশ্লিষ্ট থানায় পাসপোর্ট হারানোর বিষয়ে জিডি করতে যাই, তখন আমার কাছ থেকে ২,৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা নেওয়া হয়। টাকা নেওয়ার পর আমাকে সঙ্গে সঙ্গে জিডির কপি দেওয়া হয়নি। প্রায় ২/৩ দিন পর আমাকে জিডির কাগজ দেওয়া হয়। আমার কাছ থেকে কেন ২,৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, তার কোনো সরকারি রসিদ বা নির্ধারিত
আমাদের জায়গা ছিল। তো আমার বাবা সেই জায়গার নামজারির জন্য গিয়েছিলেন সেখানে গিয়ে উকিল কে টাকা দিয়ে হয় 50k এর বেশি , তার পর কোর্ট এ নামজারির কাগজপত্র তৈরি করতে কোর্ট কে 1 লাখ টাকার বেশি অর্থ ঘোষ দিতে হয় । আমাদের জায়গা যেসময় নাম জারি গিয়ে যায় তখন কোর্ট এর সেই মহান জর্জকে 1 লক্ষ 20 হাজার টাকা দিতে হয় মিষ্টি খাবার জন্য। মানে ভাই আইন যেখানে আশ্রয় নেয়, যে ব্যক্তির নিকট আমরা ন্যায়বিচার আশা করি সেই মহান জর্জ (মহিলা) কে মিষ্টি খাবার জন্য 1 লক্ষ 20 হাজার টাকা দিতে হয়। ছি: Shame on this system and this type of people of our country.
আমার মায়ের বাবার সম্পত্তি আমার মামা দখল করে রেখেছে এক সময় আমরা চট্রগ্রাম কোর্ড কর্তিক রায় পেয়ে জায়গা বুঝে পাই রায়ের কপিও আছে তখন আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকার কারণে জয়গাতে কিছু করতে পারি নাই পরে যখন করতে গিয়েছি দেখলাম আমার এক মামা জায়গার ১/৩ অংশ দখল করে দেখেছে বিভিন্নভাবে সামাজিক শালিশ এর মাধ্যমে ও সে ছাড়তে নারাজ পরে আমরা রাউজান থানার সপোর্ধ হই থানাতে দায়িত্ব পায় এস আই এক কর্মচারী আমিও চাকরির সুবাদে বাহিরে থাকায় সে পর্যায়ক্রমে আমার আম্মু থেকে ঘুষের টাকা চাহিয়া নেয় এবং আমার মামা থেকেও মোটা অংকের টাকা খায় এবং পরে সে বলে যতটুকু আছে জায়গা কর না হলে তোর নামে উল্টো মামলা দিবো
আমি একটি পুরাতন খতিয়ানের কপি নিয়ে সালন্দর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গিয়েছিলাম, হোল্ডিং খুলে খাজনা পরিশোধ করতে, দুই ঘন্কিটা বসে ছিলাম কোনো রেসপন্স করছে কেউ। তারপর তহশিলদার পাশের রুমে ডেকে নিয়ে দরজা লাগিয়ে বললেন ২০০০ টাকা লাগবে, নয়তো কাজ হবে না। তখন বাধ্য হয়ে টাকা দিই। কারণ সালন্দরের এই তহশিলদার টাকা ছাড়া কোনো কাজ করেন না।
আমি মুলত ২০ তলা নতুন ভবনে বাসবর জন্যআবেদন করি। সেই বাসা বরাদ্দ বাবদ ৩০০০০০ টাকা দিই তাও পাইনি আমাকে ৪৫০০০০ টাকা দিতে বলে। ৪৫০০০০০ টাকা দিতে পারিনি বলে আমার দেওয়া ৩০০০০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২৪০০০০ টাকা দিয়ে পুরাতন ৪ তলা ভবনের দরজা জানালা ভাঙ্গা তিন রুমের বাসা বরাদ্দ পাই।
আমি একটা সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক কিনি এবং সেটা মালিকানা পরিবর্তন করতে গেলে আমি সকল কাগজ পত্র দাখিল করতে গেলে তারা বলে কে পাঠাইছে আপনাকে যখন কে পাঠাইছে বলতে পারছিলাম না তখন আমার কাগজ গুলো ফিরিয়ে দেন।পরে আমি ৪ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়ে কাজ টা করিয়ে নিয়েছি। বি: দ্র: আমি কোনোও বেআইনি কাজে টাকা দেয় নি। আমার সমস্ত কাগজ লিগ্যাল ছিলো তবু টাকা ছাড়া কাজ হয় নাই।
স্কুলে শিক্ষকের বেতন ভাতা ও বিল ভাউচার জমা দিলে টাকা ছাড়া স্বাক্ষর দেয় না।
জমি খারিজ করার জন্য ১-১.৫ বছর অপেক্ষা করেছি। শেষে একজন কর্মকর্তা ১৫০০০ টাকা দাবি করেন। উপায় না পেয়ে পরিশোধ করতে বাধ্য হই।
DSB আফিস থেকে চাকরির ভেরিফিকেন শেষে খরচের কথা বলে কিছি শেয়ার করতে বলে। পূর্ব অভিজ্ঞতা ভালো না হওয়ায় আমি টাকা দিতে বাধ্য হই।
আমার ভাইয়ের দেশের বাহিরে যাবার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারিং লাগতো থানা থেকে বলছে টাকা না দিলে আটকে দিবে। আমি বাধ্য হয়ে শেষে এই টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।টাকা ছাড়া কোন কাগজ সাইন হয় না এ দেশে
চিফ একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসারের কার্যালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, হিসাব ভবন সেগুনবাগিচা মায়ের পেনশন ভেরিফিকেশনের জন্য গেলে সে বলে আপনার বাবার পেনশন যেহেতু আপনার মা পায় কিন্তু আপনার বাবার তথ্য আর আগের কোন তথ্য তাদের সার্ভারে নেই সার্ভার আপডেট করতে হবে কাজেই আমার মা এখন থেকে আর পেনশন পাবে না আপডেট না করলে। তাই সে কয়েক হাজার টাকা দাবি করে। আমার পকেটে ১৫০০ টাকা ছিল। আমি তাকে চিন্তা-ভাবনা করে আপডেট করার কথা বলি সে বলে আজকে না হলে আর হবে না আর টাকা এখনই দিতে হবে রুমে কেউ ছিলনা পরে সে কেউ এসে পড়বে বলে আমার পকেটে থাকা 1500 টাকায নিয়ে নেয়।
প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৩ শতাংশ জমির নামজারীর জন্য পূর্বানুমোদন চেয়ে DC অফিসে আবেদন করেছিলাম। DC অফিস উক্ত জমি বিষয়ে প্রতিবেদনের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেল চিঠি প্রদান করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেলের সার্ভেয়ার প্রতিবেদন প্রদানের জন্য আমার নিকট থেকে ১৫০০০ টাকা গ্রহণ করে প্রতিবেদন প্রদান করেন। পরবর্তীতে উক্ত প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে পূর্বানুমোদন প্রদানের জন্য DC অফিস আমার নিকট প্রতি শতাংশে ৫০০০/- করে ৩৩×৫=১৬৫০০০/- টাকা DC'র এল.আর ফান্ডে জমা প্রদান করতে বলেন। আমি ADC (Rev) এর সাথে দেখা করেছি তিনিও আমাকে বললেন টাকা জমা দিয়ে দেন এ বিষয়ে কোনও কিছু শুনবো না। বাধ্য হয়ে উত্তরা ব্যাংক, জনসন রোড শাখায় আজ ১৬৫০০০/- টাকা জমা দিয়ে এসেছি।
আমি জলাতঙ্ক টিকার জন্য চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল আন্দরকিল্লাতে যাই,তো সেখানে টিকিট কাটি তারপর এ টিকা নিতে অন্য আরেক রুমে যাই,তো একটা নার্স আমাকে টিকা দিলো Rabies এর,তারপর হঠাৎ কোথা থেকে একটা লোক আসলো-সে ডাক্তার না আবার নার্সও না,সে বলে নাস্তা খাইতে টাকা দেন যা পারেন,সব ডাক্তার - নার্স সামনেই আছে- তারপর কিছু না বলে টাকা দিলাম।কি বলবো কারণ বলে লাভ নাই সবাই এই টাকার ভাগ পায়।পুরা দেশেই দুর্নীতি।
২০২২ সালের ইউপি নির্বাচনের আগের কথা, আমি বিদেশে যাবো কিন্তু তখন আমার আইডি কার্ড ছিলো না ,আমি পোষ্ট অফিস থেকে সব কাগজ রেডি করে ৩ মাস ধরে সারাসরি অফিসে কাগজ নিয়ে যাচ্ছি ,কিন্তু আমার কাগজ জমা নেয় না ,বলতেছে সামনে নির্বাচন তাই ,,আমি কয়েকদিন পর পর গিয়েছি ,,তারপর একদিন ওখানে একটা লোককে আমি বলেছি ,বলার পর আমাকে ঘুষের কথা বলেছে ,তারপর ওখানকার মেডামকে বলেছি ওনি আমাকে ৮ হাজার টাকার কথা বলেছিলো ,আমি ওই দিনেই টাকা দিয়েছি ,১ দিনের ভিতর কাগজ নেয়া ,ফিঙ্গার ও ছবি তোলা হয়েছে ,১ সপ্তাহের ভিতর আইডি কার্ড পেয়েছিলাম,,,।অথচ গত ৩ মাসেও আমার আইডি বানিয়ে দেয়নি নির্বাচনের অজুহাতে
পাসপোর্ট অফিসের হয়রানি ও দালালনির্ভরতার এক বাস্তব অভিজ্ঞতা আমার ব্যক্তিগত পাসপোর্ট করার প্রয়োজন ছিল। নিয়ম মেনে, নিজের প্রয়োজনীয় সব কাজ নিজেই সঠিকভাবে সম্পন্ন করে সিলেট পাসপোর্ট অফিসে ফাইল জমা দিতে যাই। কিন্তু সেখানে গিয়ে শুরু হয় নতুন ভোগান্তি। অফিসের কর্মকর্তারা বারবার বলেন, আমি নাকি সঠিক নিয়ম অনুসরণ করিনি। একই কারণে আমাকে ৩/৪ বার অফিসে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। একপর্যায়ে পাসপোর্ট অফিসের একজন ভাই আমাকে সরাসরি বলেন— “এভাবে তোমার পাসপোর্ট হবে না। তাদের পকেটে টাকা দিতে হবে। তুমি কোনো ট্রাভেলস এজেন্সির সঙ্গে কন্ট্রাক্ট করে ফাইল নিয়ে আসো, তাহলে পাসপোর্ট হয়ে যাবে।” বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত হতাশাজনক ও প্রশ্নবিদ্ধ মনে হলো। শেষ পর্যন্ত আমি একটি ট্রাভেলস এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করি।
বিধবা ভাতা বয়স্ক ভাতার জন্য