ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন
ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন
2022 সালে পাসর্পেোট এর পুলিশ ভেরিফিকিশন বাবদ ।
আমি আমর নানার নামের জমির খাজনা কেন দেওয়া যাচ্ছে না এটা দেখতে গেছিলাম তখন এটার জন্য নিয়ে ছিলো
এইখান থেকে লোন নিতে হলে অবশ্যই অফিসের ম্যানেজার থেকে শুরু করে পিয়ন পর্যন্ত সবাই ঘুষ চাই ।ঘুষ না দিলে তারা লোন পাশ করবেনা তাই তাদের কে প্রায় ২০০০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করা হয়েছে
টাকা ব্যতীত কোন জরুরী কাগজপত্র দেয় না
ঐ দপ্তর থেকে একটা চিঠি পাঠানো হয় আপনার ১৭ টা ধরনের কাগজ লাগবে। আজ ১০০০ টাকা বিকাশ করলাম কোন কাগজ লাগলো না।
আমি জমির নাম খারিজের পর্চ তুলতে গিয়েছিলাম আমাকে ৫০০ টাকা দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
সাময়িক সনদ ওঠানোর জন্য দুপুর বারোটায় গেলে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলে যে এখন উঠানো যাবে না আজকে আর সম্ভব না আপনাদের আগামীকালকে আবার আসতে হবে। আমরা ফিরে আসতে ধরলে একজন লোক অফিস থেকে এসে আমাদেরকে ডেকে বলে যে আপনারা যদি পনেরশো টাকা আমাকে দেন তাহলে আমি ব্যবস্থা করে দিতে পারব। সে সময় আমাদের সাময়িক সনদ অত্যন্ত জরুরী প্রয়োজন এবং আমরা অনেক দূর থেকে শিক্ষা বোর্ডে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে টাকা পরিশোধ করি। টাকা পরিশোধ করার পরে যেই কর্মকর্তারা বলতেছিল যে দুপুর 12 টা বেজে গেছে আজকে হবে না তারা নিজেরাই সেখান থেকে সার্টিফিকেট বের করে যা যা করনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আমাদের সার্টিফিকেট দিয়ে দেয়।
ভুমি অফিসে নামজারি করতে ৫০০০ টাকা অতিরিক্ত টাকা দেওয়া হয়েছে ।বাড়তি আরও লাগবে বলছে
বাবার পেনশন এর টাকা উঠাতে ঘুষ প্রধান,বাবা আর্মি রিটায়াড,senior warrent officer chilen ,২০০১ এ অবসরে যান,পেনশন টাকা উঠাতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এ যেখানে ফাইল পাশ করা হয় ,ওখানকার এক কর্মচারী আমার থেকে এই ঘুষ নেন,একজন আর্মি পারসন কে ও বাদ দিলোনা,সেনানিবাসে এই ঘুষ চলে?
মেডিকেলে বেড নিতে হলে ৫০০ টাকা প্রতিরাত দিতে হবে।নাহলে রোগী মেঝেতে থাকবে।
আমাকে রঙ ইউটার্ন এর জন্য ধরেছিলো এবং সরাসরি ঘুষ চেয়েছিলো। এবং এখানে সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে সেখান দিয়ে আরো বহু গাড়ি ইউটার্ন করেছে তাদের কে কিছু বলা হয় নাই।আমি সেটা বলেছি তারা জবাবে আমাকে বলেছে কাকে ধরবো আর না ধরবো সেটা কি আপনার থেকে শিখতে হবে।
আদালতের রায় ডিক্রি মুলে জেলা প্রশাসক বরাবর খতিয়ান সিজনের আবেদন করি, আবেদন ভুমি অফিসে গেলে দুই বছর আটক রাখে,পরে তাদের চাহিত মতে ৫১ হাজার টাকা গুষ দিতে বাধ্য হই, পরে আমার নামে খতিয়ান সিজন করে।
আমার বিন লক করেছিল, পোটে মাল ছারানোর জন্য বিন আনলক না থাকলে মাল ছারানো যায় না। ২০ লাখ টাকা দাবি করেছিলো। ২৩০০০০ টাকা নিয়ে আনলক করছিল।
নতুন পাসপোর্ট বানানোর জন্য দালালদের মাধ্যমে 2000 টাকা দিছি
বলেছে আমাদের খরচ দেন, না দিলে কাজ করবেনা।
ডেমরা সাব-রেজিস্ট্রী অফিসে রেকর্ডে ও নাম-জারী খতিয়ানে নাল জমি। কিন্তু সাব রেজিষ্ট্রার বলতেছে দলিল মূল্য বাড়ী হিসাবে দরে দলিল করতে হবে। আর তা না হলে আমাকে কাঠা প্রতি 90000 টাকা করে দিতে হবে। যত দলিল হবে সেই হিসাবে দিতে হবে। এখনো চলছে ঐ রেজিষ্ট্রী অফিসে, তা না দিলে সাব-রেজিষ্ট্রার দলিল রেজিস্ট্রী করে না। এখন কি করণীয়। যেখানে নিয়ম আছে রেকর্ডে যে শ্রেণী আছে সেই শ্রেণীর জমির মূল্য দরে জমি রেজিস্ট্রী করতে হবে। কিন্তু টাকা দিলেই হয়ে যায়। তারা প্রতি দিন কোটিকোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে।
আমি একটি নাম-জারীর জন্য আবেদন করি। 4000 টাকা দিয়ে ভূমি অফিস থেকে প্রতিবদন করানো হয়। তারপর নথী ক্যান্টনমেন্ট সার্কেল অফিসে যায়। সার্কেল অফিসের লোকজন বলে এমনিতে কাজ হবে না। এটা করতে কমপক্ষে 70000 টাকা লাগবে। তারপর দাবী প্রত্যাখান করি। তারপর দেখি আমার আবেদন না মঞ্জুর করেছে। আমি যার নিকট থেকে জমি ক্রয় করি তার নামে সিটি নাম-জারী করা ছিলো। সিটি নাম-জারী থাকে নাম-জারী হবে এবং জমিতে বহুতল ভবন আছে। আমার জমির পরিমান ছিল 0.3400 শতাংশ। কিন্তু তারা অনুমোদন দেন নাই। না-মঞ্জুর করে দিয়েছে। টাকা দিলে তারা ঠিকই মজ্ঞুর করে দিতো।
আমি জমি রেজিস্ট্রেশনের সময় সরকারি এবং পৌরকরের বাইরে এই টাকাটা দেয়। তারা বলে যে পৌরসভার আবাসিক জমি হইলে ৬০ হাজার টাকা দিতে হবে বাণিজ্যিক এলাকা হলে আরো বেশি! লিয়াজু মারফত ৬০ হাজার, আর ভেজাল করলে ব্যাংক একাউন্টে দিতে হবে তখন কিন্তু একটা টাকাও কম হবে না, আমার মহুরি ১৫ হাজার টাকায় একটা দফারফায় মিটমাট করে, এই টকাকাটা তারা সরকারকে দেয়নি সরকারের কোন ঘরেও যায়নি এটা তারা অতিরিক্ত ভাবে নেই, এটাতে সাব রেজিস্ট্রার, মুহরি সহ এলাকার নেতারা ভাগ নেই। আমার একজন ঘনিষ্ট মুহরি এই টাকাটা মাফ করে দিতে চাইছিলো কিন্তু একজন মুহুরির আপত্তি তা করতে পারে নি! জমির ভ্যালু ছিলো ১২ লক্ষ, পরিমাণ ৬ শতাংশ। এটা তারা হাজেরে উপড় শতকরা হিসাবে নেই!
আমি নিজে আবেদন করেছিলাম, সেইখানে, তারা বলে এই আবেদন হবে কম্পিউটার দোকান থেকে করতে হবে, সেখানে বলে আরো অতিরিক্ত ১৮০০ টাকা দিতে হবে। না দিলেও আমি আবেদন করে দিবো, পরে না হলে আমাকে বলতে পারবেন না। তাই আমি পরিশোধ করেছি।