ড্রাইভিং লাইসেন্স
সে একজন দালাল ছিল। টাকার বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেয়।
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
সে একজন দালাল ছিল। টাকার বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করে দেয়।
রাস্তা সম্প্রসারণ এর জন্য ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে । এর ক্ষতি পূরণ আদায় করার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ অফিসে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করা হয়েছে । এর পরেও কাজ হচ্ছিল না । পরে একজন সার্ভেয়ার অফার করে ১১% ঘুষ দিলে টাকা পাওয়া যাবে । ২৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের জন্য প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দেয়া হয়েছে । চেক ও হয়ে গেছিল । পরে তাদের নিজেদের ভাগাভাগির গন্ডগোলের কারণে চেক আটকে দেয় ।এখনও টাকাটা পাওয়া যায়নি ।
আমি জাতীয় পরিচয়পত্র করার জন্য সব কাগজপত্র জমা দেই।কিন্তু তাও আমার কাগজ টেবিলে তোলা হায় নি।পরে আমার কাছে ইন্ডাইরেক্টলি টাকা দাবি করা হয়।২ সপ্তাহ হয়রানির পর আমাকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়।পরে ২ দিন পর আমার কাগজ টেবিলে তোলা হয়।পরে সবার থেকে জানলাম,সবার থেকেই ২-৩ হাজার টাকা করে নিচ্ছে।এমন একজনও নেই যে টাকা ছাড়া জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে পারছে ভোটের সময় বাদে।যেখান থেকে আমি হয়রানির শিলার হই-শিদলাই,ব্রাহ্মণপাড়া,উপজেলা অফিস,কুমিল্লা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলের টিকিট মূল্য ১৪৫ টাকা। যেহেতু ঐ স্টেশন থেকে অনলাইনে টিকিট পাওয়া দুষ্কর, অধিকাংশ স্ট্যান্ডিং টিকেট কাটতে হয়। প্রতি টিকেটে কাউন্টারে ৫টাকা বেশি নেয়া হয়। টাকার অংকে সেটা প্রতি টিকেটে ৫ টাকা হলেও মাস শেষে লাখ টাকার উপরে হয়। আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত নসীব করুক!
টাকা না দিলে পাসপোর্ট দিতে লেইট হবে বলে দুটি পাসপোর্টের জন্য ১০,০০০/- টাকা নেয় এজেন্ট । এজেন্ট তারপর কাকে টাকা দেয় সেটা জানার চেস্টা করিনি
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর এ Garments Factory Fire License Renew এর জন্য দেয়া হয়েছে।
কলকারখানা অধিদপ্তর এ Garments Factory License renew এর জন্য দেয়া হয়েছে।
আমি পিএসসি সনদ কারেকশনের জন্য উপজেলা সংশ্লিষ্ট অফিসে গেলে সেখান থেকে অফিসার কেউ ই আমাকে সাহায্য করেন নি বরং তারা তাদের পিয়নের শরনাপন্ন হতে বলেন। পিয়ন ৭ ঘাটের পানির মতো প্রসেস টা জটিল করে এবং তা সহজ করার জন্য ১৫০০ টাকা দাবি করে। চাকরির ব্যাস্ততায় দৌড় ঝাপের সুযোগ না থাকায় আমি তা দেই। ১০ মিনিটেই সংশোধনের বিপরীতে নতুন সনদ হাজির
খাজনা ফি ৬১৭টাকা হয়েছিলো, দাবি করেছিলো ৮০০০,আমি বাধ্য হয়ে পরিশোধ করেছিলাম!
৩-৪ দিনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড তৈরি
সাইন অফ করার জন্য দিতে হয়েছে। না দিলে ২/৩ দিন ঘুরায়। প্রচুর নাবিক ভুক্তভোগী
I paid for driving license. If the fee is not paid, I shall fail in the exam.
আগে লাইসেন্স রিনিউ করতে ফি লাগত সরকারি ফি ৫০০ টাকা+ ঘুষ ৩০০০ টাকা। কিন্তু এই বছর লাইসেন্স এর উপর সরকারী ফি বসিয়েছে অতিরিক্ত ১৫০০০ টাকা আর ঘুষ দাবি করছে ১০০০০ টাকা।
Nije Online a application kore Passport office a jai Photo and finger er jonno. Kinto Passport e Nijer barir name dey nai bole reject kore dise. Othocho Barir name deya optional and amar certificate and sob kisur sathe sync rakhte esb deya hoy nai. Othocho pasei oneker passport nicchilo, pore dalal er maddhome 1500tk deyate kono question porjonto kore ni. Passport office manei ritimoto hoyranir ekta jayga. Police k j janabo police o ei chokrer moddhe kaj kore.
Export Promotion Bureau EPB issues Certificate of Origin CO for Export, they receive black money to issue this certificate, Black money receiver: Officer who sign (—) Peon who give reference number (—) Peon who give seal Location: Karwan Bazar, TCB building 4 th floor.
আমার প্রথম পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার কারণে ৩০০০ হাজার টাকা নেয়
বয়স কমিয়ে দেওয়া, ডেটও মিলে না, তাই বয়স আসলটা দিতে (বৃদ্ধি) করতে চেয়ে আইনের মার প্যাচে প্রায় ২০০০০ টাকার মতো খরচ করে শেষে একটা ডকুমেন্ট যা দেওয়া অসম্ভব তা দিতে না পারায় কাজও হয় নি । ঘুষের ১৩০০০ আর অন্যান্য কাগজ পত্র করতে ঘুষসহ আরও খরচ করেছি বাকিটা
২০২৪ এর ঘটনা। পাসপোর্ট নবায়ন এর আবেদন করি অনলাইনে কিন্তু প্রথম appointment মিস করি। অফিসার বল্লো কোন ভাবে সম্ভব না। অনলাইন পোর্টালেও এই ধরনের সমস্যা সমাধানের সহিজ কোন উপায় নেই। দালাল কে ১৫০০টাকা দেয়ার পর ঠিকই সাবমিট করে দিল কোন সমস্যা ছাড়া। এর পর সব সাভাবিক তবে কিছুদিন পর একজন নিজেকে ইন্সপেক্টর দাবি করে খরচা চাইলো, ৫০০ দেয়ার পর আরো ২০০০ চাইলো, এর অনেকদিন পর নিজ জেলা থেকে একজন মহিলা নিজেকে কর্মকরতা দাবি করে আবার টাকা চাইলো, তাকেও ৩০০০ টাকা দিলাম। বিদ্র : তাদের টাকা দেয়ার পর যথারিতি এসএমএস ও ফাইল স্টাটাস আপডেট হয়েছিল। আমি সময়ের অনেক আগেই কোন ঝামেলা ছাড়া নতুন পাসপোর্ট পেয়েছি। পাসপোর্টের বর্তমান ঠিকানা ও বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন করা হয়েছে। কোথাও কেউ আটকায়নি বরং কিছু ক্ষেত্রে লাইনের আগে দিয়ে
১৫০০ টাকা দিতে হয়।তারা টার্গেট করে বিশেষ করে যারা একটু অশিক্ষিত তাদেরকে বা যারা কম বোঝে।এমনি একটা ভুল ধরে বলে যে এইটা ঠিক করতে হবে।এইটা নিয়ে আসলে আরেকটা ভুল ধরে।মানে ১৫০০ টাকা নিবেই।এবং দুপুর দুইটর পরে তারা এই কাজ গুলো করে থাকে যখন সবাই চলে যায়।এবং পাসপোর্ট অফিসের দিজি নিজেই জড়িত এইটার সাথে। উনি উপরে বসে থেকে এগুলো করায় এবং একটা মহিলা এগুলো সাহায্য করে।
নামজারি করার জন্য ঘূশ নিয়েছে।