কৃষক কার্ড/কৃষি কার্ড
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৭ নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের — কৃষি অফিসার আমার চাচার কাছ থেকে আজ কৃষক কার্ড করিয়ে দেয়ার জন্য ৫০০০ টাকা চায়চে৷ এভাবে আরো অনেকের কাচ থেকে নিচে আজকে ২৩ আগস্ট তারিখ
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৭ নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের — কৃষি অফিসার আমার চাচার কাছ থেকে আজ কৃষক কার্ড করিয়ে দেয়ার জন্য ৫০০০ টাকা চায়চে৷ এভাবে আরো অনেকের কাচ থেকে নিচে আজকে ২৩ আগস্ট তারিখ
সব কাগজ ঠিক ছিলো, তাও অফিসার বলছিলো কাগজ সাজানো হয় নাই, অফিস সহকারীরা বলতে ছিলো এভাবে কাগজ রাখতে কে বলো।আরো দূর ব্যবহার,
Written selected but faced this kind of offer from the viva board
সমস্যা: সঠিক জন্মসনদ দিয়ে এমআরপি পাসপোর্ট করা থাকলেও, এনআইডি (NID) কার্ডে আমার ও আমার মায়ের নাম ভুল আসে। জটিলতা: এই ভুলের কারণে পাসপোর্ট অফিস ই-পাসপোর্টের আবেদন জমা নেয়নি এবং আগে এনআইডি সংশোধনের পরামর্শ দেয়। অভিজ্ঞতা: প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র নিয়ে একাধিকবার উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলেও কর্মকর্তা ফাইল জমা নেননি, বরং আকার-ইঙ্গিতে দালাল ধরার সংকেত দেন। বর্তমান অবস্থা: বাধ্য হয়ে দালালের মাধ্যমে ৮,০০০ টাকায় কাজ করাতে রাজি হই। শর্ত অনুযায়ী ৩ হাজার দিয়েছি, কাজ হওয়ার পর বাকি টাকা পরিশোধ করা হবে। বর্তমানে ফাইলটি জমা নেওয়া হয়েছে। দেখাযাক কি হয়।
আমার জমির পাশদিয়ে একটি খাল আছে তাই ভবন নির্মানের জন্য ছাড় পত্র প্রয়োজন। জায়গায় কোন সমস্যা নেই তারপরও ওনাদের দাবি ৬০ লাখ টাকা দিতে হবে। আমার বাজেটের বাহিরে হওয়ায় প্রক্রিয়া টি স্থগিত রয়েছে।
ভূমিসেবা সহায়তা নির্দেশিকা 2025 এ উল্লিখিত প্রদেয় সকল ফি এর বাহিরেও Local Revenue নাম দিয়ে অতিরিক্ত 25000 টাকা চাওয়া হচ্ছে।
আমি টিন সার্টিফিকেটের ঠিকানা ভুল দেওয়ার জন্য তা দিক করতে ওয়েবসাইটের হেল্প নেই কিন্তু ওয়েবসাইট থেকে কাজ না হওয়ায় অফিসে যাই সেখানে — নামের এক কর্মকর্তা ঠিকানায় গ্রমের নামের একটা অক্ষর পরিবর্তন করার জন্য ২০০০ এবং নামের ইডিট করানোর জন্য ১০০০ মোট ৩০০০ টাকা দাবি করে যায় প্রেক্ষিতে আমি অফিস থেকে কোনো টাকা না দিয়ে বেড়িয়ে আসি।
সেটেলমেন্ট বা জরিপ অফিসে আমার জমির জরিপে নাম ওঠানোর জন্য যাই। আমার জমির সমস্ত কাগজ আপডেট থাকার পরেও আমার কাছে ঘুষ চাওয়া হয় এবং বলা হয় 6,00,000 টাকা না দিলে কাজ হবে না। টাকা দেই নাই তাই আমার ৩ কাঠা জমি আমাকে জরিপ দেয় নাই এখনো,
পল্লী বিদ্যুতে চাকরির জন্য আবেদন করার পর একজন ব্যক্তি চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১,০০,০০০ টাকা দাবি করেন। চাকরির আশায় পরিবারের গরু বিক্রি করে তাকে ৮০,০০০ টাকা দিই। পরে কাগজপত্র জমা দেওয়ার কথা বলে আমার বাবার কাছ থেকে আরও ৩৫,০০০ টাকা নেন। মোট ১,১৫,০০০ টাকা নেওয়ার পর এখন তিনি বলছেন, আমার কাগজপত্রে সমস্যা ছিল। আমার কাছে ফোনে কথোপকথনের রেকর্ড এবং এলাকার সাক্ষী রয়েছে।
The engineer — asked this amnt for to do a civil work. I am currently working as a government listed tender party and the engr — tell me to pay them breakfast and lunch bill 5 lakh
আমার একটি পণ্যের বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স এর জন্য সরকারি ফি এর বাইরে অতিরিক্ত আরও ৫০০০০ টাকা দাবী করেন। আমি এখনো পরিশোধ করি নি। তবে না দিলে ফি বাড়িয়ে ধরবেন বলে হুমকি প্রদান করেছেন।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের অনেক অভিযোগ রয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো স্বচ্ছ ও নির্দিষ্ট কোনো online সিস্টেম না থাকা। আমরা আগে নিয়মিত প্রায় ২০,০০০ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স দিয়ে আসছিলাম। হঠাৎ করে এখন আমাদের বাড়ির জন্য 5 লাখ টাকার বেশি দাবি করা হচ্ছে। অথচ আশেপাশের তুলনামূলক বড় বাড়িগুলোও বছরে ১০,০০০ টাকার কম ট্যাক্স দিচ্ছে। আরও দুঃখজনক বিষয়, ট্যাক্স কমানোর জন্য সংশ্লিষ্ট ট্যাক্স কালেক্টরের পক্ষ থেকে ঘুষের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে,ঘুষ দিলে নাকি “সিস্টেম করে” ট্যাক্স কমিয়ে দেওয়া সম্ভব। অনেক বাড়ি বছরের পর বছর হোল্ডিং ট্যাক্স দেয় না, অথচ যারা নিয়মিত ট্যাক্স দিয়ে আসছে তাদেরই যেন টার্গেট করা হচ্ছে।
আমার জমির দলিল হয়েছে, কিন্তু যখন মিউটেশন করতে গিয়েছি, ষোলঘর ভূমি অফিস থেকে বলা হয়েছে, ডিল ছাড়া করা হবে না, তার পরেও আমি নিজে এপ্লাই করে জমা দিয়েছি, সো তারা জমা নিয়েছে, কিন্তু ফাইলের কোণায় একটা মার্ক করে রেখেছে VIP লিখে, এর কারণ তখন আমি বুঝিনি, যখন দেলব AC Land অফিসে শুনানির দিন যাই, ওই VIP লিখা দেখেই কানুনগো বলেন, এই জমির পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র লাগবে, আমি জানালাম, আমি এই ছাড়পত্র আমি কোথায় পাবো, তখন কানুনগো আরেকজন লোকের সাথে দেখা করতে বলল, যখন আমি তার সাথে কথা বলতে গেলাম, এখন এই লোক বলল, এটা ঠিক করতে হলে 20 হাজার টাকা লাগবে, এক টাকা কম হলেও চলবে না, টাকা না দেওয়ায় এবারের মধ্যে আমার মিউটেশন ক্যানসেল হয়েছে,
আসসালামু আলাইকুম, শরীয়তপুর জেলা এবং নরিয়া থানা সবগুলো ভূমি অফিসে চলে। ঘুসের রমরমা ব্যাবসা।দলিলের নামজারি করতে ১৫০০০-১৮০০০৳ টাকা লাগে।একটি পর্চা তোলতে ৫০০-৮০০ টাকা ঘুস দিতে হয়।আমরা এর থেকে মুক্তি চাই।
বর্তমানে রাজুক এর প্লটে নতুন করে সিটি মিউটেশন করতে হচ্ছে। তা ছাড়া জমির খজনা দেওয়া যাচ্ছে না। আমি গুলশান ভুমি অফিস এ যোগাযোগ করলে তারা ৫ টি সিটি মিউটেশন এর জন্য ১৮০০০০.০০ টাকা ঘুস দাবি করে।
আমি আমার জমির কাগজপত্র ঠিক করার জন্য সরকারি ভূমি অফিসে যাই এবং সেখানে সরকারি ভূমি অফিসার থেকে পরামর্শ চাই, উনি আমাকে বুঝিয়েছিল কাজটি খুব কঠিন কিন্তু তাকে যদি আমি ৩০ হাজার টাকা দেই সেক্ষেত্রে উনি আমাকে কাজ করতে সাহায্য করবে। আমার কাজটি খুব দরকারী হওয়ায় আমি তাকে টাকা আরো কমানোর জন্য অনুরোধ করি কিন্তু সে তার দাবীতে অটল থাকে এবং বাধ্য হয়ে আমার ঐখান থেকে কাজ শেষ না করে চলে আসতে হয় এবং তাকে বলেছিলাম টাকা ম্যানেজ করতে পারলে যোগাযোগ করবো তার সাথে এই কথা বলে চলে আসি ওইখান থেকে। দ্বিতীয়ত সরকারি ভূমি অফিসে যাওয়ার পরে কাগজপত্র যাচাই বাছাই করার জন্য জমির খতিয়ান চেক করার জন্য প্রত্যেকটা খতিয়ানের জন্য 50 থেকে 100 টাকা করে নিতো অফিসের পিয়ন এবং ক্লার্করা। আপনি টাকা না দিলে আপনার কাজ কোনভাবেই হবে ন
থানায় মামলা করতে গিয়েছিলাম ৮০০ আমার কাছথেকে নেয়
আমি জায়গা নামজারির জন্য কিছু দিন আগে অনলাইনে আবেদন করি আমি আবেদন কপি নিয়ে ভুমি অফিসে জমা দিতে যাই এখন থাকে আমাদের যে ভুমি অফিস থাকে কল আসে আমি অফিসে যাবার জন্য পড়ের দিন আমি গেলাম চা পানির জন্য তাদেরকে কিছু দিবার জন্য এক সময় এক জন্য ৫০০০ টাকার কম হবে না এই খানে তাদের খরছ ও আছে এই কথা বলেন,, আমি বলি আমার কাছে এতো টাকা নাই আর আমি এতো টাকা দিতে এ পারবো না বলে চলে আসি
সেবাটি মূলত মানিকগঞ্জ ইউরো উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারিং অফিস LGED ১কোটি টাকা ২.৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়
ব্যাংকের জামানতের জন্য মর্টগেজের দলিল সার্চ করার জন্য