পাসপোর্ট
টাকা না দেওয়ায় শুধু ঘুরায়।
18,994 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
টাকা না দেওয়ায় শুধু ঘুরায়।
আমি ২০০৫ সাল থেকে নিয়মিত আয়কর পরিশোধ করি কিন্তু আমাকে টি আই এন নাম্বার দেয়া হয়নি বারবার আবেদন করার পরেও। ২০০০ টাকা দেয়া লাগবে, আমি দেইনি । ওয়ান ইলেভেন এর সময় একজন সহকারি কর কমিশনারকে জানানোর পরে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বিনা টাকায় করে দিতে আদেশ দিলে আমি টি আই এন পাই ।
নামজারি করার জন্য দামুড়হুদা, উপজেলা ভুমি অফিসের স্টাফরা পেকেজ চালু করেছে ২৫০০ টাকা দিলে কেস পাশ হয় । না দিলে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে কেস বাতিল করে । (ভুমি অফিসের নাজির )
amar mobile bag theke churi hoye jabar pore, ami songslishto thanai likhito ovujog kori sob documents soho. tar 7 din pore thana theke OC phone diye bole mobile locate kora gese but tar jonno amake thanai ese tar sathe kotha bolte hobe. ami bar bar bollam apni mobile niye asen ami tarpor apnar thanai asbo kinru uni kichu tei raji honnai. bolse ekta bepar ache, khorcha pato korte hobe, cha khete hobe tarpor tara mobile ferot anar bebostha korbe. ghusher amount ta amake over phone e bolte naraj chilo, kintu uni 5-8 hajar takar motoi bolechi tader convenes legeche mobile track korte. ami kichutei raji na hole pore thanar OC amar sathe ar contact koreni.
আসলে আমি সংশোধন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একটা নাম সংশোধন করতে আমাকে কেন ৩০০০০ টাকা দিতে হবে। আমি প্রবাসী বলে যে কেউ যেভাবে খুশি সেভাবে একটা রেট বলবে, এগুলো ঠিক না মোটেও। আমাকে কেউ বলে ১০০০, কেউ ১৫০০০ আবার কেউ ৩০০০০। আমি একজন ইতালি প্রবাসী মহিলা মানুষ। তাই এই প্রসেসিং আমার স্বামী করেন সব কিছু। কিন্তু এভাবে উনাকে বিরাম্বনায় পড়তে হলে এই দেশে থাকা থেকে না থাকাই উত্তম বলে মনে করি। আমার পাসপোর্টে নামের বানান ভুল ছিল বলে আমি ভাবলাম দেশে থেকে কেউ যদি করে দিতে পারে তাকে একটা সম্মানী দিব। কিন্তু দেশে এই পরিমাণে দুর্নীতি যে সেটাও এখন আর করব না বলে সিদ্ধান্ত নিলাম। নিজ দেশেই কোন শান্তি নেই।
আমার ট্রেড লাইসেন্স করতে সরকারি নিধারিত ফি ৭০০০ আমার কাছে ঘুষ বাবদ ৫০০০ টাকা, টোটাল ১২০০০ টাকা চাইছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এ।আমার কাছে এত টাকা নাই। আমি কি করব। আল্লাহ যেন জালিমদের বিচার করেন।আমীন।
1.আমি আমার দাদাকে নিয়ে যাই ঐ হাসপাতালে নিয়ে যাই। 2.আমার কাছে 100টাকা চায় । ট্রলি ভাড়া, না দিয়ে উপায় নেই।পরে দিলাম। 3. এখন ভর্তির জন্য টাকা যদিও বা দশ টাকা। তারা আমার কাছ থেকে নিল একশো টাকা 4. এখন আবার বেড নিলে দিতে হবে ২০০ টাকা আর যদি বেড না নেই ফ্লোরে থাকতে হলে দিতে হবে ৫০ টাকা। 5. তারপরে আসলো ডাক্তার বুঝলাম না ডাক্তার কি দেখলো আর কি দেখল না ৩০ সেকেন্ডে দেখার পর দুটো পেজক্রিপসন দিল এবং বলল যে দোকান থেকে নিয়ে আসেন। অথচ ওইসব ওষুধ হসপিটাল কর্তৃপক্ষ দেওয়ার কথা। 6. তারপরে দেওয়া হল তিনটি টেস্ট মধ্যে হসপিটাল কর্তৃপক্ষ দেওয়ার কথা ছিল তিনটি । কিন্তু তারা একটিও দেয়নি। 7. এখন আবার অনেকগুলো ঔষধ লিখে দিল যা আমি প্রায় ৫ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে আসি। 8. দুইদিন পরে আমার দাদা মারা যায়। এখন
সরকারি ঠিকাদারি কাজ পাওয়ার আগে বিভিন্ন দুর্নীতি কথা আমাদের সকলের ই জানা কিন্তু প্রতি কজে শেষে বিল তুলতে গিয়ে অফিস খরচ বাবদ ২%-১০% যা (পিসি) নামে নামাঙ্কিত আদায় করা হচ্ছে। এবং এই টাকার ভাগ কাজের দায়িত্ব প্রাপ্ত সকলেই ভাগবাটোয়ারা করে জনগনের কষ্টার্জিত টাকার শ্রাদ্ধ করা হচ্ছে। এছাড়াও আমরা প্রায় শুনতে পাই কোন ঠিকাদার কাজ না করে টাকা উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তার যোগসাজশে সেই কাজ করা হয় কিন্তু দোষ হয় ঠিকাদারের। টাকার বড় অংশটুকু ঘুষ হিসাবে সরকারি কর্মকর্তারাই আত্মসাৎ করেন। এ থেকে আমাদের নিস্তার কবে হবে জানা নাই।
আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের কাজ চলমান। এই প্রক্রিয়াকে একটি অসাধু সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে। বিনিময়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। মাত্র ২ বছরের জন্য অস্থায়ীভাবে কর্মকর্তা নিয়োগের তারা দাবী করছে ৫লক্ষ বা তারও বেশি টাকা। আবার নিয়োগের পরে ওই কর্মকর্তা যে বেতন পাবেন সেখান থেকেও তাদেরকে দিতে হবে ১০% কমিশন। এইভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে চলছে বাণিজ্য। এই সিন্ডিকেটে আছেন সিউকের প্রধান নির্বাহী, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের একজন নির্বাহী প্রকৌশলী ও আরও অনেকে। এভাবে চরম দূর্নীতিবাজদের হাতে সিউকের নিয়ন্ত্রণ থাকলে নাগরিকরা কি সেবা পাবেন তা তো সহজেই বুঝা যায়।
হস্তান্তরের অনুমতির ক্ষেত্রে, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ল্যান্ড সেকশন এর কর্মচারীগন জন্য মানুষকে কি পরিমাণ হয়রানি করে, বাস্তবে যদি আপনারা তদারকি করেন বুঝতে পারবেন।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ঘটনা। আমার নিজের বর্তমান ঠিকানা আর স্থায়ী ঠিকানায় সমস্যা আছে বলে রিজেক্ট করে দেয়। এরপর অফিস থেকে বের হতে গিয়ে এক কম্পিউটার দোকানে জিজ্ঞেস করে সমস্যা কি? সমস্যা বলতেই বলে যে তারা ২০০০ টাকা দিয়ে নতুব এপ্লিকেশন করে দিলেই নিয়ে নিবে। কারণ এর থেকে ১৫০০ টাকা নাকি ভিতরের অফিসার খাবে। জিজ্ঞেস করলাম যে ওরা ভিতরে নতুন এপ্লিকেশন যে সেটা কিভাবে বুঝবে। বললো পরিচিত ব্যক্তির জায়গায় তারা তাদের একজনের নাম বসিয়ে দিলেই ভিতরে বুঝে যায়। অগ্যতা এটা করে নেই। আর আমার এপ্লিকেশনটাও এক্সেপ্ট হয়ে যায়।
পাসপোর্টে ভুল হয়েছিল। তখন একটা লোক এসে বললো, ২০০০ টাকা দেন। সব ঠিক হয়ে যাবে। কোন কিছু আপনাকে করতে হবে না। কিন্তু আমি তার কথা শুনিনি। ভুল ঠিক করে কয়েকবার ঘুরে তারপর ওকে করেছি।
২০১৯ সালে অক্টোবর মাসে আমার প্রবাসে আসার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর প্রয়োজন পড়ে তারপর আমি থানায় যাই আপনারা বলেন 500 টাকা ব্যাংক স্টপ করতে এবং ৩৫০০ টাকা তাদেরকে দিতে এই ৩৫০০ টাকা না দিলে আমার পুলিশ ভেরিফিকেশন থানা থেকে ট্যানেস্ফার হবেনা
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করা জন্য দিয়েছিলাম পরে ১০০০ টাকা লাগবে বলেছিল server নষ্ট এর কারণে সিলেট শহর থেকে সংশোধন করে আনতে হবে।
জমি মিউটেশন করতে সরকারি সর্বমোট খরচ 1170 টাকা , অফিস এর একজন বললো 7000 টাকা দিলে ঝামেলা ছাড়াই কাজটা করে দিতে পারবে
আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও আমার ফাইল এপ্রুভ করে দেওয়ার জন্য ১০০০ টাকা দাবি করে, অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরও আমার পরে আসা অনেক লোকের ফাইল এপ্রুভ হয় আমারটা হয় না। পরে আমি ৩-৪ ঘন্টা অপেক্ষা করার পর আমি বলি ভিডিও করে হেড অফিসে কমপ্লেইন করবো, তখন ফাইল এপ্রুভ করে দেয় চাপে পড়ে।
যশোর সদর পল্লী বিদ্যুত অফিস, সময়কাল ২০২৫: আমার বাসা বানাচ্ছিলাম। বিদ্যুত খুটির জন্য আমার বাড়ির কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছিলো। আমি অফিসিয়ালি খুটি সরানোর জন্য আবেদন করি। কিন্তু খুটি সরাচ্ছিলো না। পরবর্তীতে আবার অফিসে খোজ নিয়ে জানতে পারি কাজের সিরিয়াল অনুযায়ী আমার কাজ করে দিবে। কিছুক্ষণ পর একজন কর্মকর্তা ফিসফিস করে ২০০০ টাকা চেয়েছিলো কাজটি দ্রুত করার জন্য। আমি প্রত্যাক্ষাণ করি। আমার কাজটি সমাধান করতে প্রায় ৫ মাসের অধিক সময় নিয়েছিলো।
আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে নিজেই পাসপোর্ট করতে যাওয়ার পর যখন ফিংগার আর ছবি দিতে গেলাম তখন বলতেছিলো বাবার নাম ভুল আছে, যদু - মদু - কদু বুঝাচ্ছিলো, আমি বলেছিলাম কি করা লাগবে বলেন আমি ঠিক করে এনে দিবো, বলতেছিলোও না আবার কাজও করতেছিলো না, পরে এক আনসার ভাই বললো কিছু টাকা স্যারকে দেওয়ার জন্য, কাজ নাকি হয়ে যাবে, আমি দেই নাই।।। পরে আবার গেছি, ওই সমস্যা ফিক্স করে, পরে ফিংগার দেওয়ার ১ দিন পরেই হাতে পেয়েছি পাসপোর্ট (রেগুলার ডেলিভারিতে)
পূর্বধলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে দু"র্নী"তি"র মহোৎসব: নেত্রকোনার পূর্বধলা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে চলছে দুর্নীতির মহোৎসব। অফিস সহকারী,,, এবং নকলনবিশ,,, সিন্ডিকেটের কাছে জি"ম্মি হয়ে পড়েছেন সাধারণ সেবা প্রত্যাশীরা। সরকারি নির্ধারিত ফির তোয়াক্কা না করে গ্রাহকদের কাছ থেকে জোরপূর্বক হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এই চক্রের বি"রু"দ্ধে।
bhumi office e taka na dile kono kaj hobe na. sub registry office e registry theke suru kore prottek ta kajer alada ghush rate ase, niyom kore taka tole.