খাজনা
খাজনা পরিশোধের জন্য বাড়তি চেয়েছিল।
18,994 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
খাজনা পরিশোধের জন্য বাড়তি চেয়েছিল।
এখনো GPF টাকা বাড়াতে পারিনি জুন মাসে পর থেকে শুধু তাদের গাফিলতি।
অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করি পাসপোর্টে দেওয়া বর্তমান ঠিকানা রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা হতে। বর্তমানে কাজের প্রয়োজনে সাভারে থাকায় থানা থেকে ফোন দিলে চার ঘন্টা জার্নি করে কাগজ নিয়ে থানায় যাই। সেখানে আমাকে বাবার উপস্থিততে অদ্ভুত অদ্ভুত প্রশ্ন করা হয়, যেমন জমির পর্চা কই, বিদ্যুৎ বিল আমার মায়ের নামে কেন। বাবা হাবভাব দেখে তাকে এক হাজার টাকা দিতে যায়।সে ও নেওয়ার জন্য হাত বাড়ায়। এতে আমি বলি ঘুষ দিয়ে কখনো কিছু করিনি, এই কাগজ লাগবে না। এরপর ৪ঘন্টা জার্নি করে ফিরে আসি। পরদিন নাম পরিচয় গোপন করে থানা থেকে ফোন দিয়ে বলে আপনার আবেদনে ভুল ছিলো, আবার থানায় যেতে হবে। আমি বলি, ভুল হলে কাল বলতেন, কাগজ লাগবে না, থানায় যাবো না। একমাস পর অবশ্য ফোনে মেসেজ পাই, ক্লিয়ারেন্স হয়ে গেছে।
পুলিশের টিএ/ডিএ বিল করার জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসের কনস্টেবলদের ১০% কমিশন দিতে হই। কমিশন না দিলে তারা বিল করে না। বলে উক্ত কোড নাম্বারে বাজেট নাই, বিল পেতে দেরি হবে। ১০% দিলে তখন আবার বাজেট থাকে, বিল পেতে দেরি হই না।
আমি গিয়ে বললাম আমার ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্মার্ট কার্ড প্রিন্ট হইছে। লাইসেন্স টা দেন। তারা জানায় এখনো আসে নি।পরে একজন ভ
আমি প্রথমত একটা পুরাতন মামলার নকল তুলার জন্য আবরদন দেই। পরবর্তীতে সেই নথি বের করে দিবে বলে ২,০০০/= টাকা। আমি বলি ক্যান এত টাকা লাগবে? আমি তো নিয়ম মোতাবেক কোর্ট ফি প্রদান করেছি, বারতি টাকা ক্যান দিবো? পরে আমি নকল না নিয়েই চলে আসি।
৪ তলা বাড়ির পর ৫ম তলা বানিয়েছি। আমি নিজেই সব দেখাশোনা করছি এবং এসব বিষয়ে একদম নতুন। বিল্ডিংয়ের কাজ প্রায় শেষ হওয়ায় মিটারের জন্য অনলাইনে আবেদন করি, কিন্তু এতদিনেও কোনো খবর নেই। পরে পরিচিত এক বিদ্যুৎ মিস্ত্রিকে জানালে সে বলে এভাবে আবেদন করে বা অফিসে গিয়ে লাভ নেই, কেউ পাত্তা দেবে না এবং দালাল ধরতে হবে। ৪টি পুরোনো মিটার পরিবর্তন করে কার্ড মিটার করা আর ৫ম তলার নতুন মিটার দেওয়ার জন্য মোট ৫০,০০০ টাকা দাবি করা হয়, যার মধ্যে ২৫,০০০ টাকা মিটার বাবদ আর বাকি ২৫,০০০ টাকা সরাসরি ঘুষ হিসেবে চায়। অন্যায্য এই ঘুষের টাকা দিতে না পারার কারণে ফ্ল্যাটের সব কাজ শেষ থাকার পরও মিটার না পেয়ে ঘর খালি ফেলে রাখতে হচ্ছে।
চাকরির জন্য ঘুষ চাওয়া হয়েছিল
পাসপোর্ট এর ডকুমেন্টস এ উল্টাপাল্টা ভুল ধরতেছিল, যেখানে সব কাগজ ঠিক ছিলো। তারপর এই টাকা দিলেই নাকি একদিনের মধ্যে ছবি ফিঙ্গারপ্রিন্ট সব দেয়া যাবে।
রাত বারোটার পর গাইনি ইমার্জেন্সি ২১২ তে পেসেন্ট ডুকছে। ডাক্তারদের পাশে ৩-৪ জন দালাল বসা যেখানে মহিলাদের অতিব গোপনীয় চিকিৎসা করা হয়। রোগী ঢোকার সাথে সাথে ডিউটি ডক্টর ও ইন্টারনেট ডক্টররা একটা স্লিপে অনেকগুলি টেস্ট লিখে তারপর বলে এদেরকে দিয়ে পেমেন্ট করে।। অস্বাভাবিক এমন দাবি করা হয় পেমেন্ট করলে সেবা শুরু হয় পেমেন্ট না করলে রোগী কান্নাকাটি করতে থেকে কেউ দেখতে আসে না। আমার কাছে সাত হাজার টাকা দাবি করল আমি অনেক বলাবলি করে তাদেরকে ৪৮০০ টাকা দিলাম বলল এক ঘন্টার মধ্যে রিপোর্ট দিবে কোন রিপোর্টই আমাকে দিল না। রাত তিনটার সময় আরেকজন ডক্টর এসে আরেক দালালকে নিয়ে বলতেছে তাকে ৩৭০০ টাকা আমি সেটা আর দেইনি। তবে সেরাটা আমার কাছে ভয়ঙ্কর মনে হয়েছে অসংখ্য গরীব মানুষকে প্রচুর নির্যাতন করা হচ্ছিল।
সরকারি কর্মকর্তাদের চাকুরীতে যোগদানের সময় ২০০০/--৫০০০/- এবং প্রতি বদলিতে এলপিসি নেওয়ার জন্য ২০০০/- ও পুনরায় যোগদান করানোর জন্য ২০০০/-। এভাবে যতবার একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারী বদলি হবে ততবার তাদেরকে একটা নির্দিষ্ট এমাউন্ট দিতে হয়।অন্যথায় বেতন কার্যক্রম আইবাস সিস্টেম চালু হয় না।এছাড়াও সরকারি দায়িত্বের অংশ হিসেবে যতগুলো ভ্রমণ থাকে, ততগুলো ভ্রমণের টিএ/ডিএ বিল করলে তা অনুমোদন করানোর জন্য প্রতি বিলের ৫% হিসাবরক্ষণ অফিসকে দিতে হয়।না দিলে বিল অনুমোদন হয় না।
I was in kushtiya govt sadar hospital, i got injured by an old metal iron. Doctor prescribed an injection and some other things. i bought them and returned to the hospital for taking that injection, i saw a board "Do Not Gave Money For Injection Pushing". After giving me that injuction a person demand 200 taka, i asked why ?? he didn't answered clearly and demanding money. at once he demanded 50. i pointed him to that board and left the place.
নামজারি নিবন্ধন ১২০০০ টাকার নিচে হলে প্রত্যাখ্যান করে দেয় অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তারা পরিচিত হলেও কমপক্ষে ৮ হাজার টাকা অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তারা পরিচিত হলেও কমপক্ষে আট হাজার টাকা
বিঙ জেলা নিবাহী মেজিস্টেট কতৃক ভোগ দখল রিপোর্ট সঠিক আছে তাই সঠিক টা দিতে বলার কারনে ২০,০০০/- টাকা দাবি করে
জমি খারিজ এর জন্য আবেদর করার পরে যখন শুনানি হয় সব কিছু ঠিক থাকার পরে ৪৫০০০ টাকা চাওয়া হয়। নাইতো খারিজ পার করে দেওয়া হবে না এখন আমার করনিও কি?
বয়স সংশোধন এর জন্য ৭০ হাজার টাকা চেয়েছে
আমার পাসপোর্ট করতে শুধু শুধু ২০০০ টাকা চায় আনসার পুলিশ। আমি অনিচ্ছা প্রকাশ করি।পরবর্তীতে কিছু দিন পর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আবার ৫০০ টাকা চায় পুলিশ।
করিমগঞ্জ সরকারি হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে টাকা ছাড়া কোনো সেবা প্রদান করা হচ্ছে না এবং বিনামূল্যে পাওয়ার কথা এমন ঔষধ ও পদ্ধতি ( জন্মনিয়ন্ত্রন ইনজেকশন) বিনিময়ে ১০০ অর্থ দাবি করা হচ্ছে। প্রশ্ন করলে উত্তরে বলা হয় ঔষধ নেই, যা আছে টাকা দিলে দেওয়া যাবে। বিষয়টির জরুরি তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ
আমি গত জুন জুলাই মাস থেকে ট্রেড লাইসেন্স করার জন্যে এপলাই করে আবেদনটি নিয়ে ইউনিউন পরিষদে যোগাযোগ করি। নিজস্ব যায়গায় ব্যবসায়ের স্থান হওয়ায় ব্যবসা স্থানের চুক্তিপত্র ছিলনা। এর পরিবর্তে যেকোন ধরনের ডকুমেন্ট নেওয়ার জন্যে বলি। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব বললো হবে না। পরবর্তীতে ২৭/০৮/২০২৬ তারিখে মেম্বারের মাধ্যমে যোগাযোগ করি। উনি জানালো ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ১৫০০০ টাকা ,প্যানেল চেয়ারম্যান ১০০০ টাকা, মেম্বার ১০০০ টাকা আর ট্রেড লাইসেন্স এর জন্যে ৫০০টাকা(মুল ফি ৩০০ টাকা) দিলেই পাওয়া যাবে। আমি প্রত্যাখ্যান করে চলে আসি
সকল কাগজপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়ার পরও বারবার রিজেক্ট করছিল। একে একে তিনবার সংশোধন করে নিয়ে যাওয়ার পরও চতুর্থ বারের বেলায় বলল এসব করে আপনি করতে পারবেন না। বরং পাশের রুমে থাকা ব্যক্তির সাথে কথা বলুন তিনি কাজটি করে দেবে। চা চা খাওয়ার জন্য কিছু দিবেন। বললাম কত দিতে হবে? তিনি ইশারায় বললেন ১০ । মানে ১০০০০। আমি বলেছি নিয়ম মেনে যদি করা যায় আমি করব নইলে করব না। আল্লাহ আপনাদের বিচার করবেন। চলে এসেছি।