ভূমি অফিস
আমি জানি জমি নাম জারি করার জন্য সরকারি ফি ১১৬০ টাকা , তবে আমার কাছে দাবি করে ৭০০০ হাজার টাকা আমি প্রত্যাখান করেছি।
18,943 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি জানি জমি নাম জারি করার জন্য সরকারি ফি ১১৬০ টাকা , তবে আমার কাছে দাবি করে ৭০০০ হাজার টাকা আমি প্রত্যাখান করেছি।
পাসপোর্ট অফিসে আমি পাসপোর্ট এর আবেদন করতে গিয়েছিলাম কিন্তু আবেদনের কিছুটা ভুল হয় আমার কাছে নগদ ১২ হাজার টাকা ঘুষ চাইলেন কর্মরত অফিসার
আমি একটা চাকুরীর জন্য যায় সরকারি ঔষধ উৎপাদন কারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগে। ঐখানের একজন আমার কাছে ১৫০০০০০ টাকা দাবি করে চাকরি জন্য। পরে আমি চলে আসি৷
রাজনৈতিক কারণে চাকরিতে যোগদান করতে পারিনি। যোগদান করার জন্য টাকা চেয়েছিলো উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার।
নামজারি করার জন্য এসি ল্যান্ড সদর , সাতক্ষীরা এর কার্যালয় যাই , সেখানে একজন অফিস সহায়ক এর সাথে কথা বলি , তখন বলেন একমাস সময় লাগবে আর যদি আমার মাধ্যমে করান তাহলে ১ সপ্তাহ থেকে ২ সপ্তাহ এর মধ্যে হয়ে যাবে, ৬০০০ টাকা দিতে হবে , যেখানে সরকারি খরচে ১১২০ টাকা।
আমি ৬ নং বাঙ্গাখাঁ ইউনিয়ন ভুমি অফিস, আমার একটা খতিয়ান, ৬ শতাংশ জমির খাজনা দিতে যাই, আমার খাজনা পরিমান ছিলো = ৬০/- টাকা, ভুমি সহকারী কর্মকত্তা, আমার কাছে দাবি করেন- ২৬০০/- টাকা তার আমি বলি আমার খাজনা মাত্র ৬০ টাকা আপনি এত টাকা চান কেনা, তার পর ওনি আমার আইডি লক করে দেন, পরে আমি, আর খাজনা যেনো না দিতে পারি,, আমি বাহিরে দেকানে টাকা পরিশোধ করতে যাই, দেখি আমার আইডি লক। আমি আবার আসি ভুমি অফিসে, ওনি আমাকে চার ঘন্টা বসাই রখেন, পরে বলে আমার অফিস নেট না আপনি আগামীকাল কাল আসেন।
আমি বাংলাদেশ, ঢাকা,রাজশাহী বিভাব,সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ,উপজেলার চান্দাইকোনা,ইউনিয়ন বাসিন্দা। রায়গঞ্জ উপজেলার কার্যক্রম বা কর্মকান্ড- বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার প্রতিশ্রুতি। কাজের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী, সুপারফ্যাইজার নিয়োগে আমাদের নয় টি ইউনিয়নে। প্রতি ইউনিয়নে বিশ জন করে নিয়োগ করা হয়। উক্ত নিয়োগে জন প্রতি ১০০০০/- দশ হাজার করে টাকার ম্যাধমে নিয়োগ সংকান্ত সুপারিশ করে। যাহা উপজেলা নির্বাহীকর্মক্তা মহাদয়কে উক্ত সুপারিশ কৃত নাম গুলো প্রকাশ করতে ব্যাধ করে। দৃরর্নীতি মৃল কারিগর রায়গঞ্ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি — ( সাবেক চেয়ারম্যান) তাহার সাথে বিএনপি, এমপির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। টাকার বিনিময়ে ১০০ দৃরর্নীতি সম্পন্ন হয়। দৃরর্নিতী টাকার পরিমান 1800000/ থেকে 2000000/ টাকা---
পাসপোর্ট বানাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও সহকারি স্টাফের বারবার হয়রানি এবং কাগজপত্র প্রক্রিয়াকরণের কাজটি ত্বরান্বিত করতে সহযোগিতা করার কথায় টাকা চাওয়া হয়েছিল। যদিও এই ঘটনাটি সবার সাথে ঘটেছিলনা কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত সেখানে ছিলাম ততক্ষণ পর্যন্ত কারো না কারোকে একই অবস্থার মধ্যে দেখেছিলাম। এটি একটি নিয়মিত ঘটনা যা সেখানে আশা অনেক মানুষেরই এটি একটি মানসিক ও শারীরিক ধকলের কারণ।
বাইক রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে তারা ঘুষ ছাড়া নানান হয়রানি করেন,এবং দালাল ধরে বাইকের রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়,সরাসরি সাধারণ ভোক্তার থেকে তারা বিনা ঘুষে ফাইল গ্রহন করেন না। নাম:-— পদবী:-মোটরযান পরিদর্শক(গাইবান্ধা বিআরটিএ)
সম্মানী একটা পাবে শুনার পর যখন আবেদন করতে গেছে তখন যারা এই আবেদন করে তারা বলতেছে আমাদের টাকা দিতে হবে নাহলে আবেদন করে দিবে না
একটি খারীজ করার জন্য ১৫ হাজার টাকা দাবি করায় আমি আরও খারিজ করিনি।
ওনা সাধারণত কথা বলতে চায় না। টাকা দিলে সেবা মিলে।
নামজারি করতে গিয়েছিলাম।যাকে দিয়ে দলিল করিয়েছি সে চাইলো ১৬০০০-১৭০০০ টাকা। ভূমি অফিসে গেলে ১৫০০০ টাকা দাবি করে এবং ১ সপ্তাহে কাজ করে দেওয়ার কথা দেয়।আর টাকা না দিলে যে কতদিন লাগবে তা ওরাও জানেনা। পরে আমার এক পরিচিত ভাই,সেও দালাল। তাকে দিয়েই ৯৫০০ টাকায় কাজ সম্পূর্ণ করি।নারায়নগঞ্জের কাচপুর ভূমি অফিস।
১৮/০৫/২০২৬ তারিখে আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম আমার পাসপোর্ট টির ইনফরমেশন কারেকসন করে নতুন পাসপর্ট ইস্যু করার জন্য। কিন্তু তার আমাকে নানা কাগজের অযুহাত দেখিয়ে শেষমেশ এক ব্যাক্তির নিকত যেতে বলে। এরপরে সেই ব্যাক্তির নিকট গেলে সে আমাকে বলে অন্যদের জন্য ২০০০০টাকা তবে আপনি যেহেতু সরকারী চাকরীজীবী তাই আপনার জন্য ডিষ্কাউন্ট করে ১৫০০০টাকা। এই টাকা পরিশোধ করলেই আপনার পাসপোর্ট এর আবেদন গ্রহণ করে প্রসেস করা হবে। এরপরে আমি সেই টাকা দিতে অস্বীকার যাই এবং এরপরে তাদের কে বলি আমার পাসপোর্ট করে না দিলে আমি সাংবাদিক ডাকবো কিন্তু তারা তাতে ভয় না পেয়ে এক রকম আমাকে অপমান করে সেখান থেকে বের করে দেয়। এরপরে আমিও রাগে ক্ষোভে সেখান থেকে ফেরত চলে আসি। এবং এখন পর্যন্ত আমি পাসপোর্ট কারেকশন করিনি এন্ড ইন্ডিয়া তেও যাইনি।
পাসপোর্ট কপি,এন,আই,ডি ছিল।আর কিছু ছিল না। এরা অনেক ডকুমেন্টস চাচ্ছে। টাকা দিলে আর কিছু লাগবে না।
হোল্ডিং ট্যাক্স বেশি করে বিল বানায় পরে কমিয়ে দেবে।
বাবার আয় সনদ ছিলো যাহার জন্য চেয়েছিলো
ড্রাইভিং না জানা ব্যক্তিদের। টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। এতে দেশে রোড এক্সিডেন্ট এর মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে।
২০২৪ সালে একটি জমির নামজারী করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে তারা ৮০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু আমরা জানতাম ১১০০ টাকা লাগে। তাই বাইরে থেকে আবেদন করি আর আবেদনের কপি জমা দেই। ১ মাসের মধ্যে হওয়ার কথা থাকলেও আবেদনটি তারা একমাসের অনেক বেশি সময় রাখে এবং শুনানির সময় আবার ৭০০০ টাকা চায়, টাকা না দেওয়ায় তারা আবেদন টি বাতিল করে দেয়।
২০২২ সালে আমার অস্ত্রটি বাসা থেকে চুরি হয়ে যায়. মামলা করার পর চোরদের কে পাকড়াও করা হয়. কোর্ট ২০২৫ সনে চোরদের খালাস দেয়. অস্ত্র না থাকার কারণে তিন বছর লাইসেন্স নবায়ন করতে পারিনি. মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পর নবায়ন করতে আবেদন করলে, ডিসি অফিস গত ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে তদন্তের জন্য পাঠান. তদন্তটি গত মার্চ মাসে শ্রীনগর থানায় যায়. থানায় যোগাযোগ করলে আজ আসেন কাল আসেন করতে করতে এই পযর্ন্ত.