নামজারি
নামজারির জন্য, আবেদন করলে কোন কাজ হয় না বাতিল হয় টাকা দিয়ে তিন ধাপে কাজটি হয়?
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারির জন্য, আবেদন করলে কোন কাজ হয় না বাতিল হয় টাকা দিয়ে তিন ধাপে কাজটি হয়?
নামজারি উদ্ভট কারণে দিচ্ছে না। টাকা দিলে অনেক পূর্বে হয়ে যেত।
আমি একটি সিএনজি স্টেশন এ হিসাব রক্ষক হিসেবে কাজ করি, আমাদের সিএনজি স্টেশনে মাসে বিল আসে ৫০ লাখ টাকা |গ্যাস কোম্পানির লোকেরা আমাদেরকে প্রস্তাব দেয় আমরা যদি মাসে তাদেরকে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দেই তাহলে আমাদের বিল হবে ২৫ লাখ টাকা | এভাবে সরকারের কর্মকর্তারা গ্যাসের চুরি করতেছে আর এর দায়ভার সাধারণ জনগণের উপরে উঠতেছে |সরকার জিনিসটা কোন খেয়ালই করতেছে না, সরকারি গ্যাস কোম্পানির লোকেরা চুরি করে ফেলতেছে |সরকারি কর্মকর্তার ঘুষের জন্য সরকারের গ্যাসের মোট ৫০% লস হচ্ছে এর জন্য সরকারকে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হইতেছে| আপনি খেয়াল করলে দেখবেন গ্যাস কোম্পানির ছোটখাট কর্মচারীর কয়েকটা বিল্ডিং, বাড়ি, ফ্ল্যাট আছে লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি টাকার মালিক |
এক শতাংশ জমি খারিজ করতে ৮ হাজার টাকা চেয়েছিল।
এক শতাংশ জমি খালিশ করতে আট হাজার টাকা চেয়েছিল।
আমি একটি রিটেল বিজনেসে একাউন্টে চাকরি করি, তো আমাদের মাসে কয়েক কোটি টাকার ভ্যাট আসে | এখন ভ্যাট অফিসের লোকেরা আমাদেরকে প্রস্তাব দেয় যে তাদের কর্মকর্তাদের মাসে ৫০ হাজার টাকা করে ঘুষ দিতে হবে | তাহলে আমরা যেভাবে ভ্যাট সাবমিট করব সেভাবে তারা রিসিভ করবে আর না হলে আমাদের সাথে সমস্যা করবে | আমার জানামতে ঢাকা শহরে যতগুলো কোম্পানি আছে বেশিরভাগ কোম্পানি ভ্যাট অফিসের সাথে চুক্তি আছে মাসিক | তাহলে চিন্তা করেন সরকারের কত কোটি কোটি টাকা ভ্যাট কর্মকর্তারা ঘুষ খাচ্ছে আর সরকার কত কোটি কোটি টাকা রেভিনিউ হারাইতেছে | আপনি যদি খেয়াল করে দেখেন যে ভ্যাট অফিসের ছোটখাটো কর্মচারীর কয়েকটা বাড়ি, গাড়ি, কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স আছে |
আমাদের কোম্পানির মাসিক বিদ্যুৎ বিল আসে 60000 টাকা, এখন বিদ্যুৎ কোম্পানির লোকেরা আমাদেরকে প্রস্তাব দেয় যে আমরা যদি তাদের মাসে 5000 টাকা করে ঘুষ দিয়ে তাহলে আমাদের বিল ২৫ হাজার টাকা করে দেবে | এইভাবে বিদ্যুৎ কোম্পানির লোকেরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ঘুষের মাধ্যমে সরকারি বিদ্যুতের চুরি করতেছে |আপনি যদি হিসাব নিয়ে দেখেন প্রতিটা সাবস্টেশনে শতকরা ৫০% এর কাছাকাছি বিদ্যুৎ, বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা চুরি করে ফেলে | আর সরকার বছরের শেষে হিসাব করে বিদ্যুতের এত কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয দিতে হয় | আর এর দায়ভার যে পড়ে সাধারণ জনগণের উপর আপনি দেখবেন বিদ্যুৎ অফিসের সাধারণ কর্মকর্তারও কয়েকটা বাড়ি, গাড়ি, কোটি কোটি টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স আছে |
আনসার ভিডিপি কার্যালয় কিশোরগঞ্জ গত এক বছরে যতগুলো বদলি হয়েছে সবগুলো বদলি টাকার বিনিময়ে আনসার যেখানে যেতে চায় সেখানে হয়েছে বিশেষ করে পাসপোর্টে আপনি একটু গোপনে বিষয়টি দেখবেন যতগুলো বদলি হয়েছে এই গত এক বছরে সবগুলো ব্যাংকে অথবা বিভিন্ন ঘুষ বাণিজ্য জায়গায়।
জমি নামজারী করার জন্য কাইতলা ভূমি অফিসে গেলে উনি ৭,০০০/- দাবী করে যার সরকারী ফি ১১৭০/- আমি তা প্রত্যাখান করেছি কিন্ত উক্ত ইউনিয়নের সবাই এই দামেই নামজারী করছে বাধ্য হয়ে
ভোটার স্থানান্তর করতে গেলে এই ঘুষ চাওয়া হয়। কাগজপত্র ঠিক নাই এই মর্মে এবং নানান অজুহাতে এপ্লিকেশন বাতিল করার প্রক্রিয়া কাজ করে। এখানে কম্পিউটারের যিনি বসেন এবং কাগজপত্র যিনি গ্রহণ করেন এদের মধ্যে একটা সংযোগ আছে। কম্পিউটারের যিনি বসেন আমার মোতে তিনি একজন মেন্টাল ব্যক্তি। তিনি সঠিকভাবে অনলাইনে ডাটা আপলোড দিতে পারেন না। ইচ্ছা করে নাম, হোল্ডিং, ঠিকানা এইসব ক্ষেত্রে ভুল করে। যাতে পরবর্তীতে আবার যেন টাকা নিতে পারে। জানি আমাদের ধারা কিছুই হবে না। আমরা নিরুপায়।
বাংলাদেশ আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জেলা কমান্ডার একজন দুর্নীতিবাজ সাধারণ আনসার দের উপরে জুলুম করে ঘুস বানিজ্য করে
নামজারি করার জন্য ঘুষ চাইছে
সরকারি হসপিটালের সার্জন একজন রোগীকে দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছে অপারেশন করার জন্য। কিন্তু ডেট দিয়েছে দুই মাস পর বলল কাছাকাছি সিরিয়াল নেই। তারপর একটা চক্র এসে রোগীকে বলল আমরা আপনাকে এক দুই সপ্তাহের মধ্যে ডেট ঠিক করে দিতে পারব এবং এজন্য টাকা দাবী করেছে। টাকা হাতে পাওয়ার পর তারা এক্ সপ্তাহের মধ্যেই ডেট ঠিক করে দিল অথচ ডাক্তার প্রথমে বলেছিল দুই মাস পর সিরিয়াল প্রাইভেট থেকে করে নিতে। এখানে দুইটা বিষয় ১ হলো সরকারি হসপিটালের সার্জনরা চায় সরকারি হসপিটালে অপারেশন না করে প্রাইভেটে বেশি টাকায় অপারেশন করাতে আর ২ হলো যারা প্রাইভেট হসপিটালে অপারেশন করতে পারেনা হসপিটালের সিন্ডিকেট স্টাফদের মাধ্যমে ঘুষ দিয়ে সরকারি হসপিটালে অপারেশন করতে হয়।
পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছি পাসপোর্ট করতে আমার মামার, কিন্তু তারা আমাকে রিসিভ করে দিয়েছে বলেছে তোমার ডকুমেন্ট ঠিক নাই তারপর এক আনসার বাহিনীকে দিয়ে যখন পনেরশো টাকা দেওয়া হলো তখন আমার সবকিছু এক সেকেন্ডেই শেষ সব ফিঙ্গার দিয়ে এসে করলাম কিছুদিনের ভিতর পাসপোর্ট।
কোন রোগী যখন বাচ্চা প্রসবের জন্য সরকারি সদর হসপিটালে যায় তখন নার্স এবং মিড ওয়াইফ এর একটা গ্রুপ সক্রিয় হয়ে যায় রোগীর অভিভাবকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করার জন্য। তারা সরকারি হসপিটালে ব্যক্তিগতভাবে টাকা গ্রহণ করার মাধ্যমে এর নরমাল ডেলিভারি করে থাকে।
আমার ট্রেড লাইসেন্স ২ বছর নবায়ন করা হয়নি। এখন নবায়ন করতে গিয়েছি বিলম্বিত ফি সহ। কিন্তু এখন অনেক রকম ডকুমেন্টসন ভুল ও বারবার বিভিন্ন ডকুমেন্ট চেয়ে অনেক দিন বিলম্ব করেছে। পরে সিটি করপোরেশন এক লোক আমাকে সাইডে ডেকে নিয়ে বলে ৫০০০ টাকা দিলে সব ঠিক করে দিবে, একদিনে কাজ হয়ে যাবে।
নবম শ্রেণীর রেজিস্ট্রেশন ফি ৫০০ করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কুমিল্লা বোর্ড নির্ধারিত ফি ২২১ টাকা। তারা প্রত্যেক ছাত্রছাত্রী থেকে বেশি নিচ্ছে।
For posting, promotion, foreign training, income from all jail
“১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে আমরা নার্সিং ই্ন্সটিটিউট নেত্রকোণার নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কোর্সের সর্বমোট ৬৯ জন শিক্ষার্থী ইন্টার্ন করতেছি । সবাই প্রতিমাসে ৬০০০ টাকা করে পাওয়ার কথা।আমাদের ৬ মাস ইন্টার্ন করতে হয়। প্রতিমাসে পাওয়ার নিয়ম থাকলেও তারা বলে যে বাজেট নেই । তাই আমরা অপেক্ষা করি । চারমাস পর করতৃপক্ষ বলতেছে অনেক দৌড়াদৌড়ি করেছি তোমাদের টাকার জন্য । তাই কিছু খরচা পাতি দিতে হবে । পরে সবার থেকে ৫০০ টাকা করে তুলতে বলে । আমাদের ছেলেমেয়েরা টাকা দিতে রাজি হয় কিন্তু আমি একা রাজি হ্ইনি। পরে আমাদের শিক্ষার্থীরা টাকার পরিমাণ কমিয়ে ২৫০ টাকা করে দেয় । আমি টাকা দেইনি । আমার টাকা ছাড়াই আমাদের ছেলেমেয়েরা হাসপাতালে প্রায় ১৭০০০-১৮০০০ টাকা দেয় ।” ( আগেও লিখেছিলাম কিন্তু তারিখে একটু ভুল ছিলো)
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), জোন-৭-এর আওতাধীন রায়েরবাগ, কদমতলী এলাকায় আমার নির্মাণাধীন ভবনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। আশপাশের অনেক ভবনের বিরুদ্ধে একই ধরনের বিষয় থাকা সত্ত্বেও তাদের ভবনের কোনো অংশ ভাঙা হয়নি। কিন্তু আমার নির্মাণাধীন ভবনের মিটার খুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ভবন ভাঙার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি আমাকে ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়, যা আমি পরিশোধ করেছি। পরবর্তীতে মিটার পুনরায় সংযোগের জন্য আবেদন করলে রাজউক জোন-৭-এর সংশ্লিষ্ট অথরাইজড অফিসারের মাধ্যমে আমার কাছে আনুমানিক ৮ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়েছে বলে আমি অভিযোগ করছি। আমার জানা মতে, যাদের মিটার খুলে নেওয়া হয়েছিল, তাদের অনেকেই টাকা দেওয়ার পর মিটার পুনরায় সংযোগ পেয়েছেন।কোন ধরনের বিল্ডিং না ভেঙে।