খাজনা
একজন কর্মচারী নাফিউল্্লিাম
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
একজন কর্মচারী নাফিউল্্লিাম
Driving license Korte ghush chaisilo amr boyos 18- chilo... Tao hoye jabe tai bolsilo but Ami reject korsi
গাজীপুর, সেটেলমেন্ট অফিস, মৌজা কলমেশ্বর, বোর্ডবাজার, রেকর্ড ও জরিপ বিডিএস মাঠ পর্চা আমাদের চারটি পর্চার জন্য এক লক্ষ টাকা চায়, আমি তাদের সাথে কথা বললে তারা আমার জমির বিভিন্ন সমস্যার আছে বলে জানায়, এরপর আমি জোনাল অফিসারের সাথে কথা বলি, তিনি উপ সেটেলমেন্ট অফিসারের সাথে কথা বললে এরপর আমার আমি পচা পাই। আমার সাথের বিভিন্ন জমি ও বাড়িওলা আমাকে জানিয়েছে প্রতিটি বিডিএস মাঠ পর্চার জন্য ২০ হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিয়েছে। অধিকাংশ মানুষের জমির কাগজপত্র সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নেই এতে সেটেলমেন্ট অফিস সুযোগ নিচ্ছে এবং অনেক জমিও বাড়িওয়াল তাদের ভয়ে ভীত। প্রতিটি মৌজায় শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি করছে।
passport office amar paper bul ache bole file thik kore niye aste bole, but pore dalal bole je ami taka dile kore dite parbo, then taka dichi, dalal kore diche,
Amar soto cai driving license korte diyesilo 2017 te. 10000 tk ghush cheyese bole ami razi hoini. Soto vaike bolesilam je proper way tei nite. Kintu shei ghush na deyate 1 -2 masher moddhe hobar kotha thakleo ta dirgho 2 bosor dhurte hoyese BRTA office a r amader bari silo gazipur a tai dui bosor jatayat korte korte 10000 takar beshi khorcho hoye giyesilo. Okhane giye jodi bola na hoy je omuker madhdhome korassi license taholeto kono kothai nei. Kono kothai keu bolte chayna. Shohoje kono proshner o uttor deyna. R jodi ghush dite razi thaktam tahole orai 1-2 masher moddhei license ready kore call diye janiye dito. Shudhu eshe niye nilei hoye jay . Emonki barite eneo diye jay shunesi.
নিজে নিজে নামজারী করেছি ৩ বার কিন্তু বিভিন্ন ছোট কারন দেখিয়ে বাতিল করেছে! পরে ষুষ দিয়ে নামজারী সম্পন্ন হয়েছে।
সরকারী ডাটা মতে ২২০০+- এর মত লাগার কথা। তারা বলে ৭০০০ টাকা দেন ২ দিন পরে এসে নিয়ে যাবেন। আমি দেইনি। আমি পরে NBR এর ওয়েবসাইটে apply করি। ২ মাস হয়ে গেছে, এখনও পেন্ডিং দেখায়। আর এখনও করা হয়নি। ঐ অবস্থায় এখনও আছে। I'm not going to do Trade license in this illegal way, I'm not doing anything wrong. So, I'm just waiting for the approval. I don't thing so that it will be approved legally. Frustrated!
একটি জমি খারিজ করতে ভূমি অফিসে প্রকাশ্যে বিভিন্ন দলিল লেখক ও দালাল এর মাধ্যমে ১২০০০/১৫০০০ টাকা দাবি করা হয়। টাকার পরিমাণ কম হলে অথবা সরকারি ফি দিয়ে কাজ করতে গেলে সে কাজ হয় না/ হবে না।
আমি বাহাদুরপুর মৌজায় ১৮ শতাংশ চাষের জমি ক্রয়ের জন্য ডুমুরিয়া সাবরেজিস্টার অফিসের একজন দলিল লেখকের স্মরনাপন্ন হই। তিনি আমাকে বলে সব খরচ বাদদিয়ে সাবরেজিস্টারকে ১০০০০ টাকা দিতে হবে।তানাহলে নানাবিধ সমস্যা হবে আর টাকা দিলে একবারে হয়ে যাবে। আমি হয়রানি এড়ানোর জন্য টাকা দিয়ে দেই।পরে দেখি আমার অনুপস্থিতিতেই জমি আমার নামে রেজিষ্ট্রি হয়ে গেছে
Police Verify korar jonno thanay sob kagoj niye jete bole. Ami sokol kagoj neyar por segulo check kore. Check korar por amar kache Cha-nastar jonno taka chay, ja ami shorashori prottakhan korechi.
আমি গিয়েছিলাম নামজারি করতে। ওইখানে এক দালাল সে ৮ হাজার টাকা চাইছে। পরে আমি দেই নাই এখন আমার নাম জেনে হয় নাই
সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে যে বাজেট দেয়া হয় হাজার কোটি টাকা ৯০% টাকা অফিসারগণ আত্মসাৎ করেন। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কিশোর কিশোরী ক্লাব, সেলাই প্রশিক্ষণ , মা ও শিশু সহায়তা প্রশিক্ষণ কর্মসুচী থেকে দেশব্যাপী হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। কিশোর কিশোরী ক্লাবে জেন্ডার প্রমোটার ও ফিল্ড সুপারভাইজার গণ ঘরে বসে বেতন নিচ্ছে , কিশোর কিশোরী ক্লাবে বছরে স্পোর্টস এর নামে একটি সংস্থা উপজেলা অফিসারগণকে চেকের মাধ্যমে প্রতি বছরে 60 হাজার টাকা দেন। এই স্পোর্টস নির্দিষ্ট সংস্থার করার কথা থাকলেও তারা শুধু উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার নিকট থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে তাকে 60 হাজার দেন। এখানে প্রথম ও দ্বিতীয় ও তয় পক্ষ বছরে কোটি টাকা দুর্নীতি করতেছে। বাচ্চাদের নাস্তার টাকা শিক্ষক ও অফিসারগণ মেরে খাইতেছে।।।।।
জৈনসার ভূমি অফিস,ঈসাপুর,মুনসিগন্জে, নামজারি করতে গেলে উল্লিখিত তহশিল অফিসের এক পিয়ন এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা চেয়েছে। এই কথা শোনার পর তহশিলদারের সাথে দেখা করলে উনি বলেন, তার পিয়নের সাথে যোগাযোগ করতে এবং সেই ভাবে কাজ করতে। টাকার এমাউন্ট তহশিলদারকে বললে, উনি বলেন উপজেলা ভূমি অফিসে টাকা দিতে হয়।না দিলে তারা কাজ করেনা। সামান্য একটি কাজের জন্য এত টাকা ঘুস দেওয়াটাকে প্রয়োজন মনে করেনি।পরবর্তীতে যে কাগজপত্র অফিসে খারিজের জন্য জমা দিয়েছিলাম তা ফেরত নেই এবং কোনো টাকা না দিয়ে চলে আসি। সেই নামজারি আজো করতে পারিনি।
আমি একজন ছাএ আমি ভার্সিটির পাশাপাশি মৌচাক আনারকলি মার্কেট এর সামনে সরকারি জায়গায় দোকান দিতে চাওয়ায় আমার থেকে একজন নেতা ২ লাখ টাকার মতো দাবি করেন
আমার গাড়ির নাম্বার — আমার এই গাড়িটির সাথে একটু হোন্ডার দুর্ঘটনা ঘটে থানায় অবিবাহিত করে ওরে আমি উদ্ধার করেছি পরে তারা ওই হোন্ডার লোকদেরকে ডাকাতির মামলা কথা বলে অনেক টাকা ঘুষ নে এবং আমার আমার বিরুদ্ধে দায়ের করে আমার গাড়িটি এখন থানায় বর্তমানে জদ্য আছে আমার কাছে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে আমার গাড়িতে মাল ছিল ডালডা চার আনুমানিক বাজার মূল্য ২২০০০০ এই মাল দেওয়ার জন্য তারা ৪০ হাজার টাকা দাবি করে পরে বিশ হাজার টাকা নিয়ে মাল দিয়ে দেয় পরে যে কোন কথার কারণে আমার বলতেছে ঝাড়ু ২০ হাজার টাকা লাগবে আমাদের গাড়ি ছাড়ানোর জন্য তখন আমরা দিতে রাজি হইনি এমনকি আমি থানার ওসি স্যারের কাছে অভিযোগ করি সে ক্ষেত্রে এসআই আমাদের টাকাটা ২০ হাজার টাকা দিয়ে দেয় বা ফেরত দেয়
আমি সেনাবাহিনী থেকে অবসর আসার পরে আমাকে মোবাইলে কল করে আমার কাছে টাকা চাওয়া হয় যে আপনার ডকুমেন্ট সমস্যা আছে যদি টাকা না দেন তাহলে আপনি অনেক টাকা কম পাবেন, আমি বলছিলাম আমি যে টাকা পাবো সে টাকা দিলেই হবে আমি অতিরিক্ত কোন টাকা চাই না আমাকে টাকা কম পাই তাতে সমস্যা নাই। আমি পরে পেনশনে টাকা পেয়েছি তবে আমি প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা কম পেয়েছিলাম আলহামদুলিল্লাহ তাতে আমার দুঃখ নাই কিন্তু আমি তোকে বলেছিলাম আমি যে টাকা পাবো সেই টাকা দিলেই হবে আলহামদুলিল্লাহ আমার টাকা থেকে যদি এক টাকা কর্তন করা হয় তাহলে কাল হাসরের মাঠে আমার টাকা দেওয়ার জন্য জন্য প্রস্তুত থাকেন
যায়গার মিউটেশন না দিয়ে মাসের পর মাস ঘুরায়, এবং যায়গা ভালো দামে বিক্রয় করার জন্য প্রলুব্ধ করে। বিক্রি করতে না চাইলে- গড় হাজির, মালিকানার প্রমান নাই ইত্যাদি কারণ দেখিয়ে, শুনানির তারিখ নাদিয়েই (এস এম এস) ৭/৮ মাস পর মিউটেশন নামঞ্জুর করে দেয়।
আমাদের গ্রামের সরকারি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে ঔষধ নিতে গেলে ঔষধ প্রতি পরিমাণ বুঝে ৫, ১০, ১৫, ২০,৫০, ১০০ টাকা নেওয়া হয় এটি আওয়ামী লীগ সরকার থাকাকালিন শুরু করে এরকম অনিয়ম পতিনিয়ত চলছে। এর সাথে গ্রামের কিছু গণ্যমান্য লোক জড়িত আছে যারা ওষুধ নিতে টাকা লাগে না। এবং সভাপতি ডাক্তার সহ অনেকেই জড়িত আছে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের এআইআর ডিসি — এর হয়রানির মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। মিথ্যা অজুহাতে পণ্য চালান লক করে পরীক্ষণের নামে হয়রানি করে। দিনের পর দিন পণ্য পোর্ট আটকা থাকায় অতিরিক্ত ডেমারেজ দিতে হয়। কথায় কথায় হয়রানিমূলক মামলা দেন। নিজেকে নন টেকার পরিচয় দিলেও তার আস্থাভাজন আরও — মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা বাগিয়ে নেন। অনুসন্ধান পূর্বক বিচার চাই।
একজন নারী পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী, অফিসের একজন আনসার সদস্য,দালাল ও অফিসের বাইরে যারা কম্পিউটারে আবেদন করে দেন টাকার বিনিময়ে।