জমির খাজনা পরিষদ
আমাকে বলা হয়েছিল খাজনা পনেরো টাকা দিতে হবে । আমি বললাম একটু কম রাখেন। তিনি বলেছিলেন সরকারের খাতায় এগারো হাজার টাকা জমা দেবো এবং ৪০০০ টাকা কাগজ পাতি ঠিক করার মূল্য লাগবে। এর কমে পারবোনা
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমাকে বলা হয়েছিল খাজনা পনেরো টাকা দিতে হবে । আমি বললাম একটু কম রাখেন। তিনি বলেছিলেন সরকারের খাতায় এগারো হাজার টাকা জমা দেবো এবং ৪০০০ টাকা কাগজ পাতি ঠিক করার মূল্য লাগবে। এর কমে পারবোনা
১৪৪ ৪৫ ধারা জারির জন্য
প্রতিবেদন ছাড়ে না শুধু ঘুড়ায় , হয়রানি করে , এমনি একটা ভুল ধরে । টাকা দিলে সব ঠিক
জাতীয় ক্যান্সার হাস্পাতাল, মহাখালী, মেডিকেল অনকোলজি বিভাগ বিভিন্ন ঔষধ কম্পানির কাছ থেকে পগ্রামের নাম করে টাকা ঘুষ চাচ্ছে। প্রতিটি কোম্পানির কাছ থেকে ৫৫ লক্ষ টাকা করে। যেই কোম্পানি টাকা দিতে পারবে সেই কোম্পানির ঔষধ লিখবে। যারা দিতে পারবে না তাদের ঔষধ লিখবে না। যার ফলে দিনে দিনে মেডিসিন এর দাম বাড়ছে। সাধারণ মানুষ হয়রানির সিকার হচ্ছে। এর প্রতিকার চাই।
Amake join korabe but 1.5 m taka chaise
আমি ২০২৫ সালের ২৯ জুন সিভিল সার্জনের কার্যালয় বরিশাল এ স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে জোগদান করি।এর পরে আমাকে উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স, গৌরনদীতে পদায়ন দেয়া হয়।গৌরনদী হাসপাতালে — নামে এক ৪৫ বছর বা ৪৮ বছর বয়ষি লোক চাকুরী করে প্রধান সহকারী হিসেবে।অই ব্যক্তি আমাদের ব্যাচের পাচ জনের কাছে বেতন ফিক্সেসন এর জন্য ১০০০ টাকা করে দাবী করে,আমি ছাড়া বাকি সবাই দিয়েছেন,আমি রিজেক্ট করায় আমার বেতন অতিরিক্ত দেড় মাস ঘুরপাক খায়।আবার অফিসিয়াল কাজ করতে — ভাই(প্রধান সহকারী) এর কাছে গেলে অযথা বকাঝকা করত।আমার কাজ গায়ে লাগাইয়তো না।কতৃপক্ষকে জানাইলে ও কাজ হইত না,মা হার্টের রোগি বাবা রোড এক্সিডেন্ট এ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় ঘুষের টাকা দিয়ে আমার বেতন উঠাই।কিন্তু পুলিশ ভেরিফিকেসন টা আজ ও হয়নি।টাকা দেইনি বলে।
অসহায় সৈনিকদের টিএডিএ ও বৈদেশিক মিশন সম্পন্ন করার পূর্বেই সরকার তার কোষাগার টাকা জমা এবং যথা সময়ে নিজ নিজ ব্যক্তিকে পরিশোধ করতে নির্দেশ দিলেও ঢাকা এফসি আর্মি পে-২, বিবিধ এর বেশির ভাগই সংখ্যক অসাধু কর্মচারী অডিটর কলমের মার প্যাঁচে ফেলে টাকা না দিলে প্রাপ্য টাকা দিতে তারা অস্বীকৃতি জানান। যদিও, সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে সজাগ থাকলেও অডিটর তাদের নিয়মিত মোটিভেশন ভ্রুক্ষেপ না করে তাদের ঘুষ বাণিজ্যের অবস্থান থেকে সরে দাঁড়ানোর বিন্দু মাত্র চেষ্টা করে না।প্রতিজন মোট প্রাপ্য পরিমাণ গড় ২৫% টাকা। সমাধান, সকল বিল পরিশোধের জন্য তালিকা করে ধাপে ধাপে প্রতিদিন কয়টি বিল পরিশোধ করা হলো তা সরাসরি প্রতিষ্ঠান প্রধানের নখদর্পণে হিসাবে আনা হলে এধরনের ঘুষ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে কমে যাবে।
আমি ভোটের ডিউটির জন্য কাগজ জমা দিতে গেলে, আমার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করা হয়, দাবি করে — এবং — নামের ২ জন আনসার সদস্য
ak jon bis kaoa rogi nia giyacilam. tara wash korar jnno 1500 tk dabi kore
টিটি টাকা নেয় কিন্তু টিকেট দেয় না, যাত্রী নির্ধারিত ভাড়া থেকে ১০/২০ টাকা কম দেয় সেহ্মেত্রে টিটি মহা খুশি। সরকার প্রতিদিন রাজস্ব হারাচ্ছে লহ্ম টাকা। সুপারিশ হচ্ছে বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা।
আমার মেয়ে অসুস্থ ছিল । আমি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে যায় সেবার জন্য । সেখানে বলা হয় হাতে ক্যানোলা পরাতে হবে সেজন্য নার্স রা ১০০ টাকা দাবী করে । আমি দিতে অস্বকীর করলে তারা আমার সাথে খারাপ ব্যবহার কেরে ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে একটি সিন্ডিকেট আছে যেটি বদলি বা প্রোমোশনের কাজ করে। উচ্চ পদস্থ কর্মচারীরা বিভিন্ন কাজের জন্য আবেদনপত্র নেয় ও সেটি ঝুলিয়ে রাখে এবং তাদের অনুগত কিছু কর্মচারী তথা কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহায়ক সহ একটি সিন্ডিকেট প্রার্থীর কাছে মোটা অংকের টাকা আদায় করে, না হলে বদলি ঝুলে থাকে বছরের পর বছর।আবার তারা বিভিন্ন এজেন্ট এর মাধ্যমেও কর্মচারীদের কাছ থেকে এক লক্ষ থেকে দু লক্ষ টাকা পর্যন্ত বদলির জন্য নেয়। —, —, —, —, — আপনাদের জয় হউক।
সাভার নির্বাচন কমিশন অফিসে যাই NID কার্ড এর আবেদনের জন্য। ফরম তুলি, প্রয়োজনীয় কাগজ সহ ফরম পূরন করে জমা দিতে যাই। তারা বারবার ঘুরাতে থাকে। বিভিন্ন ডকুমেন্ট চায়। ইলেকট্রিসিটি বিল, তাতে আবার নিজের বা বাবার নাম লাগবে। চারিত্রিক সনদ, একবার নিলাম ওয়ার্ড কমিশনার থেকে, বলতেছে হবে না। পরে নিলাম পৌরসভা থেকে। এরপর আরো ডকুমেন্ট চাচ্ছিলো। ৩ দিন বিভিন্ন জায়গায় দৌড়ালাম, পুরো দিন গেলো। তো এরমধ্যে লক্ষ্য করলাম, সেখানে নির্বাচন কমিশন অফিসে আসলে কোনো কাজ হয় না, কাজ হয় তার সামনে থাকা ফটোকপির দোকানে। যারা নতুন nid বা সংশোধন, জন্ম নিবন্ধন, যেকোনো কাগজপত্রর কাজই ওইসব ফটোকপির দোকানে হয়। তো নিরুপায় হয়ে গেলাম সেখানে। তারা বললো সব প্রসেস করে দিবে। ১৫ হাজার টাকা দিতে হবে। অনেক দর কষাকষি র পর সর্বশেষ ১০ হাজার বললো।
আমি একজন সিংগাপুর প্রবাসী বাংলাদেশ পাসপোর্ট অফিস পাসপোর্ট করতে গেলে।তারা আমাকে বলে আমি সিংগাপুরে আগে পাসপোর্ট রিনিউ করছিলাম।সেই ৫বছর আগের পাসপোর্ট এর রিনিউ করছিলাম।সেই সময় আমকে একটা রিনিউ সিলিপ দিয়েছিলো।সেই কপি এখন চাইতাছে সেই কপি ছাড়া নাকি পাসপোর্ট রিনিউ হবে না। আচ্ছা ৫বছর আগে পাসপোর্ট রিনিউ করছি সেই রিনিউ পেপার কি কারো কাছে থাকার কথা বলেন।
আমাদের সবার জন্মনিবন্ধন ছিল। নম্বর দিয়ে অনলাইনে খুঁজে দেখলাম, বিভিন্ন জায়গায় ভুলভ্রান্তি রয়েছে। অনলাইনে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যায়। কিন্তু সিটি অফিসে গেলে তারা বলে আদালত থেকে অ্যাফিডেভিট করতে হবে, নোটারি করতে হবে, আরও অনেক কিছু লাগবে। প্রতি ব্যক্তির জন্য ২,৫০০ টাকা দিলে তারা সব ব্যবস্থা করে এনে ঠিক করে দেবে। এই দেশে টাকা ছাড়া কোনো অফিসে কোনো কাজই হয় না।
আমার বাড়ি দৌলতপুর পাবলা সবুজ সংগ।আমার বাড়ির দোতালার উপরের সাইট থেকে বিদ্যুতের তার গেচে, আমার ভাইগ্না গত ০৪জুন ২০২৬ এ হটাৎ খেলতে যেয়ে কারেন্ট সরট খায়,ঢাকা বার্ন ইউনিটে এ নিলে তার ডান হাত টা পর্যন্ত কেটে ফেলতে হয়েছে।এখন ও সে বিপদ থেকে মুক্ত হয় নাই।এ বিষয় এ ওজোপাডিকো তে কম্পপ্লিন দিতে গেলে তারা উলটা খাম্বা সরানোর কথা বলে ১৫০০০০ টাকা চায়। আমরা হস্পিটাল এ বাচ্চার ট্রিটমেন্ট নিয়ে এখনো দোউরাদৌরিতে আছি।এ বিষয় এ আপনারা কোন ব্যাবস্তা নিলে আমরা অনেক উপকৃত হতাম।
ইপাসপোর্ট আবেদনের পর অফিসে গিয়ে জমা দিতে হয় লম্বা একটি লাইনের ঝামেলা ফেস করে। সেটার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখলাম লাইনের সামনে দিয়ে লাইন অমান্য করে পেছন থেকে লোকদের এনে টাকার বিনিময়ে ভিতরে প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছে এতে লাইনে থাকা লোকদের ভোগান্তির শেষ নাই। সেখানে পুলিশের একজন সাব ইন্সপেক্টর থাকার পরেও ভিতরের অফিসারদের সাথে লিয়াজু করে একটি দালাল চক্র টাকার বিনিময়ে পাসপোর্ট জমা ও পাইয়ে দেওয়ার কাজ করছে যা জনসাধারণের ভোগান্তির অন্যতম কারণ।
যেকোনো সেবা নিতে হলে টাকা ছাড়া তারা সহযোগিতা করতে চায় না এমন ভাব দেখায় কি আর বলার প্রতি নতুন মিটারের জন্য তারা ১৫০০০ টাকা করে চায় মিটারের কোন কিছু পরিবর্তন বা কিলো বাড়ানোর জন্য টাকা চায় মিটার প্রতি সাত হাজার টাকা করে আমার মাথায় এটাই বুঝা হলো না যে সবকিছু থাকা সত্ত্বেও অনলাইন থাকা সত্ত্বেও সেখানে গেলে বিভিন্ন ধরনের কাগজ সাবমিটের হ্যারেজমেন্ট এর শিকার হতে হয় এগুলা সমাধান করা উচিত জনগণ এর মতে যেমন আমার একটি পুরনো মিটারের নাম এবং ছিল বাড়ানোর জন্য গিয়েছিলাম সব ডিটেলস তাদের কাছে থাকা সত্ত্বেও আমাকে অনেক পেপারস এর জন্য হ্যারেজমেন্ট করানো হয়েছে যখন আমি বললাম যে আমার তো পুরনো মিটার এখানে নাম ঠিকানা সবকিছুই দেওয়া আছে তাহলে এখন এত কাগজ লাগবে কেন তখন আর কোন কথা বলে না এর মধ্যে একজন এসে আমাকে
প্রতিবেদন রিপোর্ট ডিসি অফিস পাঠানোর জন্য ঘুষ চাই কানুনগো এবং তার অফিস সহকারী
আমি যখন অনলাইন আবেদন করে জমির কড় অনুমোদন করাতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই তখন তারা আমাকে 30000 টাকার কড় দিতে বলে তবে পরবর্তীতে তারা আমাকে বলে এই কর সমঝোতার মাধ্যমে ১০০০০ টাকা করা যাবে তাদেরকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে