ঢাকা সিলেট মহাসড়ক ভূমি অধিকরণ শাখা
ঢাকা সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নরসিংদী সদর বাঘ হাটা মৌজা আমার জমি অধিগ্রহণ হয় ২০২১-২০২২ এ আজো আমি ক্ষতিপূরণ বিল পাইনি শুধু ঘুষর টাকা দিতে না পারায়। বিলের মোট ১৫% ঘুষ চায়
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঢাকা সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে নরসিংদী সদর বাঘ হাটা মৌজা আমার জমি অধিগ্রহণ হয় ২০২১-২০২২ এ আজো আমি ক্ষতিপূরণ বিল পাইনি শুধু ঘুষর টাকা দিতে না পারায়। বিলের মোট ১৫% ঘুষ চায়
জাহাজে ভিসিট এ গিয়ে সব ঠিক থাকলেও টুকি টাকি এর জন্যই মামলা র ভয় দেখিয়ে ঘুষ চাইসে
১৫০০০০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে
আমি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম, আমার ক্রয় কৃত জমি খারিজ করার জন্য, একটা দলিলের ফটোকপি দেখালাম এবং বললাম আমার কাছে একই দাগের আরও একটা দলিল আছে দুইটা দলিল আমি একসাথে খারিজ করব, অফিসের একজন কর্মকর্তা বলল হবে 12000 টাকা দিতে হবে কম হবে না, যখন আমি চলে আসব তখন আমার বলল ৫০০ টাকা কম দিয়েন, নিয়ে আসেন করে দিব নে, এই খারিজের সরকারি ফ্রি ২০+৫০+১১০০=১১৭০ টাকা। তারপর আমি তৃতীয় পক্ষের কাছে খারিজের জন্য দিলাম মূল্য একই ১২ হাজার টাকা
জমি নামজারি, অনেক দিন ঘুরায়ে করে দেননি
আমরা একটি সরকারি অফিসের 40 জন এর সরকারি চাকরিতে প্রাপ্ত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের সাথে সংযুক্ত করতে জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে যোগাযোগ করলে সেই অফিসের কর্মকর্তা আমাদের প্রত্যেকের কাছে 5000 টাকা চায়। আমরা এই টাকা দিতে নারাজ হলে তারা হুমকি দেয় যে আপনাদের কারও ইনক্রিমেন্ট সংযুক্ত হবে না।
সেবা ছিল আমার বউ এর এবং আমার ছোট ভাই এর জন্য নতুন জাতীয় পরিচয় পত্র জন্য নবায়ন করা । টাকা দিলে ওনারা কাজটি তারাতাড়ি করবে না হলে অনেক দেরি হবে। কিন্তু আমার দরকার ছিলো ইমার্জেন্সি ছোট ভাই এর পাসপোর্ট তৈরির জন্য ।
Ami ekta companir Employee. Amar Companir Tax Assessment Audit e feleche. Inspector esechilo, inspection kore giyeche. Temon ullekh joggo paini. Amader bolechilo choto choto kichu figure e amara tds deduction korini. Ei tds gulo pay kora dite. Amra bolechi ok. Inspector giye tar report ready kore deputy commissioner ke diyeche. DCT demand koreche 3 lac taka abong boleche Range office ebong Commissioner ke amra manage korte hobe. Ekhono amader bisoyta pending. Karon amader income ei nei. Matro 2 jon employee. Eder salary dite parena monthly, ei taka kivabe dibo? — Deputy Commissioner- Circle 111(Co), zone 6, ctg
আপনাদের উচিত যারা সততার সাথে ভালো কাজ করে তাদের প্রশংসা ও অনুপ্রেরণার জন্য কিছু লেখার ব্যবস্থা করা। যাতে তারা আরো বেশি ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ হয়।।
বলেছিল আমরা এটা নিয়ে থাকি
ঘটনাটি আনসার একাডেমির পোস্ট অফিসের। Aliexpress থেকে ৩ টা প্রডাক্ট এসেছিল। ফোন পাওয়ার পর রিসিভ করার জন্য যাওয়ার পর বলে চা-নাস্তার জন্য কিছু দিতে। আমি কোনোভাবে টাকা না থাকার অজুহাতে পার পেয়ে যাই। তবে অনেকেই হয়তো বাধ্য হয়ে দিয়েছে৷ এভাবেই বিন্দু বিন্দু চাঁদা মিলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনাস্থা আমাদের বাড়তে থাকে।
সরকার অনুমোদিত ইঞ্জিনিয়ার কর্তিক তিনতলা বারোশ স্কয়ার ফিট বাড়ির নকশা নিয়ে গেলে পৌরসভার লোক বলে প্রতি টেবিলে পাস করতে টাকা দিতে হবে
আগে সরকারকে দূর্নীতিমুক্ত হতে হবে।
গফরগাঁও এর LGED এর প্রধান কর্মকর্তা চরম ঘুষখোর উনি উনার চাকরি জীবনে শত কোটি টাকার উপরে ঘুষ খেয়ে সম্পদের পাহাড় অলরেডি গড়েছেন। এর আগে উনি দীর্ঘদিন ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা অঞ্চলে কাজ করেছেন।
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে স্টাফ নিয়োগ হচ্ছিলো, ১৫০০০০ টাকা দিলে চাকরি হবে। না দিলে হবে না
I apply for marriage certificate e-appostile, In government site that if free but they charge 4000 tk, I called 333 they really help me, They said no need to pay any money. We will handle it, Then i got it without any cost.
চাকরি তে নিয়োগ, টাকা চেয়ে ছিল ব্যাংক একাউন্টে, আমি প্রত্যাখ্যান করে ছি
আমার মোটরসাইকেল একটা দূর্ঘটনাজনিত কারনে খিলগাঁও থানা পুলিশের কাছে জব্দ হিসেবে ছিল। আদালতের রায়ের মাধ্যমে আমি মোটরসাইকেলটি জিম্মায় পাওয়ার অনুমতি পত্র হাতে পাই। সেই আদেশ পালনের জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খিলগাঁও থানা বরাবর আদেলতের আদেশ জারী হয়। মোটরসাইকেলটি জব্দকারী - এস. আই ”এক্স” এর কাছে কোর্টের কাগজ নিয়ে সরাসরি গেলেও তিনি 2000 টাকা দাবী করেন। আমি তা দিতে ব্যর্থ হই। এবং পরবর্তীতে আমি তার সাথে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করে বিভিন্ন ভাবে অনুরোধ করে আমার সক্ষমতা অনুযায়ী ৮০০০ টাকা দিতে রাজী হই। কিন্তু আমাকে এখোনো নানান অজুহাত দেখিয়ে যাচ্ছে। আমি তার আচরনে বিরক্ত হয়ে তার সকল কথা-বার্তা ও কর্মকান্ডের সকল রেকর্ড রেখে দিয়েছি।
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে সার্টিফিকেটে নাম সংশোধনের জন্য গিয়েছিলাম সেখানে প্রায় প্রতিটি কর্মচারি টাকা চায়। আমার চোখে দেখা সবচেয়ে বেশি ঘুষ বানিজ্যের জায়গা এটি। আমার জীবনের প্রথম অভিজ্ঞতা। প্রায় প্রতিটি রুমের কর্মচারী এমন।
আমি নামজারি আবেদন করেছি। আবেদন করার পর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে ফাইল জমা দিতে গেলে অফিস পিউন আমার কাছে 10000 টাকা চায় । আমি ৮০০০টাকা দিছি। 10000 টাকা ছাড়া মেদাম নাকি ফাইল ধরে না। আমার কাছে ভিডিও আছে। এই হলো দেশের অনলাইন সিস্টেম।, অনলাইন আবেদন করার পর কেন আবার মেনুয়াল ভাবে ফাইল ইউনিয়ন ভুমি অফিসে জমা দিতে হবে???????? আমি আমার সব ডকুমেন্টস অনলাইনে আপলোড করেছি।