Amar sob ache kinto hoirani korar jonno.
Sob thik thaka sorteo ami oder nirdisto loker kache abedon korini ei jonno
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Sob thik thaka sorteo ami oder nirdisto loker kache abedon korini ei jonno
আমি একটি এনজিও ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলাম, আমার প্রতিষ্ঠানের ২০২২ সালে অর্থ আত্মসাতের দায়ে চাকুরীচুত ৩ জন সাবেক কর্মকর্তা দখল করে নেয়। এমতাবস্থায় মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ৫০ লাখ টাকার বিনিময়ে আমাকে কোন মামলা ছাড়াই আটক করে মিথ্যা একটি মামলায় জরিয়ে দেয়।এবং প্রতিষ্ঠানটি দখল করতে সহযোগিতা করে।
NID কার্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলাম, বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে 20000/- লাগবে বলে জানিয়েছে।
Due to Digitized process , Uttara - Uttar Khan mouja changed to Poshchim Khan mouja. This is BD GOV has been done for system updated purposes. End of the day sufferer general people - who not able to complete mutation in early stages. Huge harassment they did with me. 3 time online process rejected without any couse.
Nid কার্ডে নামের বানান ভুল ছিলো। এভিডেভিড কপি দিয়েছি তারপরেও সাব রেজিস্ট্রার সাহেব মানিবেন না। তার পাইটু দিয়া টাকা চাওয়ায়। আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। নিয়ম মেনে সব কাগজ দেবার পর ক্যানো রেজিষ্ট্রেশন হবেনা। সে স্পতাহে হয়নি পরের সপ্তাহে লোকাল সাংবাদিকদের দিয়ে চাপ দিয়ে করে দিয়েছিলেন।
আমাদের জমির হোল্ডিং ট্যাক্স রিনিউ করার জন্য তৎকালীন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে গেলে তারা ছাড়পত্র দেয়। পরের বছর মালিকানা দাবি করে মামলা দেয়। আমার ট্যাক্স আর জমির সব কাজ আটকিয়ে দেয়। তৎকালীন কাউন্সিলর আমাদের কে মেয়রের কাছে জাইতে বলে। মেয়র আবার কাউন্সিলরের কাছে পাঠায় এই বলে যে, "কাউন্সিলরকে সব বলা আছে, ওনার সাথে ফাইনাল করেন।" কাউন্সিলর জানায় যে, মেয়র সাহেব ২০ কোটি টাকা চাঁদা ও অর্ধেক জমি চেয়েছেন, দিলে সব ঝামেলা মিটিয়া দিবেন, প্রোটেকশন দিবেন। আমরা পারিবারিকভাবে রাজি হই নাই। যার দরুন মামলা এখনও চলমান। যিনিই মেয়র হয়ে আসেন উনিই আমাদের জমি নিয়ে নিতে চান তার মত করে। আদালত পাড়ায় ঘুরি কিন্তু আদেশের আগে বিচারক পালটায় যায়। এখন আমি বেদখল, মামলা লড়ে শেষ হয়ে যাচ্ছি।
আমার আম্মুর বিধবা ভাতা এর জন্য আবেদন করেছিলাম। এলাকার চৌকিদার আর বিএনপি নেতা এসেছিল যাচাইয়ে। ওনারা আমাদের চিনেন, তবুও ১৫০০ টাকা দাবি করেছে।
আমি একজন সেনাসদস্য আমার পেনশন পাশ করার জন্য এফসি আর্মি পে -২ এসিসি—এ ইসি গমন করি সুপার — এবং অডিটর — আমার পেনশন পাশকরার জন্য 150000টাকা দাবী করে আমি এতো টাকা পরিশোধ করতে অপারগতা প্রকাশ করলে দীর্ঘ 18 মাস হলে এখনো আমার পেনশন পাশ করেনি । আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের পক্ষের নিকট একের পর এক আবেদন করেছি কোন সুরাহা পাচ্ছি না। উক্ত ব্যাক্তিদ্বয় প্রত্যেক পেনশনের নিকট হতে পেনশনের জন্য এক থেকে দেড় লাখ টাকা দাবি করে । দীর্ঘ ৬ বছর পর্যন্ত এক অফিসে কর্মরত থাকার ফলে তাদের এ ঘুষ নেওয়া ব্যাপক আকার ধারণ করেছে । প্রতিকার তাই
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরিক্ষায় বেশিরভাগই লিখিত ও মৌখিক পরিক্ষাতে উত্তীর্ণ হলেও প্রাকটিকাল এ ফেল করে। একই পরিস্থিতির শিকার হওয়ার পর আমাকেও একই প্রস্তাব দেয় BRTA এর একজন কর্মি, যে 3000 টাকা দেওয়া হলে fail এর জায়গায় pass এন্ট্রি করা হবে কম্পিউটার এ।
একচুয়াল ফি ব্যতীত অতিরিক্ত অর্থ দাবি
আমার নিজ নামীয় জমি ক্ষমতার ব্যবহার অপব্যবহার করে জবরদখল করার হুমকি দেয় যদি তার ঘুষের টাকা পরিশোধ করা হয় তাহলে সে উক্ত জমিটির দখল করবে না বলে আমাকে জানায় কিন্তু আমি উক্ত চাহিত ঘুষের টাকা না দিতে পাড়ায় আমার জমিটি ক্ষমতার জোরে জবরদখল করে রেখেছে এবং আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা পর্যন্ত দায়ের করেছেন। জমির লোকেশন বরিশাল লাইন রোড।
জমির মালিক মারা যাওয়ার পর তার ওয়ারিশ গনের নামে নামজারি করতে হয়।সব কাগজপএ ঠিক থাকার পারে ও ঘুষ দাবি করে।
চাকরি স্থায়ী করণ করতে অফিস আদেশ দেয় উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে, এর জন্যে কেরানি প্রতিজনের জন্যে ১০০০ টাকা দাবি করে।
জমি বিক্রি করেছিলাম ১০০০০ টাকা চেয়েছিল 5000 টাকা দিয়েছি উনি বলেছে দলিলে দাগ এবু নাল এই ধরনের সমস্যা আছে টাকা নেওয়ার পর সরকারি কোন ধরনের রিসিট দেওয়া হয়নি
আমি অনলাইনে আবেদন করে নির্বাচন অফিসে আমার যাবতীয় কাগজ পত্র নিয়ে যাই লাইনে দাড়াই সিরিয়ালে গিয়ে আমার কাগজপত্র দেখে বলে ঠিক আছে আপনি মঙ্গলবারে আসেন,আমি মঙ্গলবারে আবার যাই ঐ দিন বলে ছবি তুলে সোমবার আর বুধবার আপনি বুধবারে আসেন আমি বুধবারে যাই লাইনে দাড়াই আবার সিরিয়ালে গেলে বলে আপনাকে কি কল দেওয়া হয়েছিলো?? আমি বললাম না কল তো দেওয়া হয় নাই। পরে বললো অফিস থেকে কল বা মেসেজ দিবে। তারপরে গেলো ১৫ দিন কল মেসেজ আসলো না।আমার পরিচিত একজনের মাধ্যমে জানলাম যারা টাকা দেয় শুধু তাদের ছবি তোলার জন্য কল দেয় তার ৮০০০ টাকা লাগছে পরে আমি আবার নির্বাচন অফিসে যাই বলি আমার কাছে ৬০০০ টাকা চায় পরে আমি রাজি হই নাই
বললো জায়গার পরিমাণ বেশি(১৫ বিঘা) আর আপনি আমার পরিচিত তাই বেশি না মাত্র ১,০০,০০০ টাকা দিয়েন
২০২৫ সালে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ পরীক্ষা চার ধাপে (এমসিকিউ, লিখিত, ব্যবহারিক ও ভাইভা) অনুষ্ঠিত হয়। ৪র্থ ধাপে দুইদিন ভাইভা হয় ৩৮ জনের ১৫ পদের বিপরীতে, প্রথম দিন আমার ভাইভা হয় এবং সেটি খুব ভালো হয়েছিল। ২য় দিন ভাইভা চলাকালীন ওখানকার এক স্টাফ ফোন দিয়ে চাকুরি নিশ্চিত করতে ৭ লাখ টাকার প্রস্তাব দেয়। এবং আমি তা প্রত্যাখ্যান করি, ওই রাতেই চূড়ান্ত রেজাল্ট দেয় আর আমি বাদ পরে যাই।
আমি সিলেটের বাহিরে কোন একটি শহর থেকে একটি নতুন বাইক ক্রয় করি। চাকুরীর সুবাদে সিলেট থাকা হয়। তাই সিলেট থেকে রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য অনলাইনে আবেদন করে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে ফাইল জমা দিতে গেলে নয় ছয় কথা বলে ৩ দিন ঘুরিয়েছে। তারপর দালালের মাধ্যমে ৫০০০ টাকা ঘুস চাচ্ছে ফাইল জমা নেওয়ার জন্য।
আমার পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করা সেখানে আমার বাবার নাম তার নিজের আইডির অনুসারী দেওয়ার কারণে তার জন্য আমাকে বারোশো টাকা ঘুষ পরিশোধ করতে হয়েছিল।
আবেদন দীর্ঘদিন ধরে প্রসেস না করে ফেলে রাখছিল। আমি যখন সরাসরি অফিসারের সাথে দেখা করি উনি সাইন করে দেন। ফাইলের জন্য যখন যাই অফিস সহকারি টাকা দাবি করে। দাবি অনুযায়ী টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে বকেয়া বিল আটকে দে। এখন তিন মাস হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত বকেয়া পাই নাই।