নামজারি
জমি নামজারি করতে গেছিলাম 15000 টাকা নিছে
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
জমি নামজারি করতে গেছিলাম 15000 টাকা নিছে
জমি সংক্রান্ত টাকা চাচ্ছিলো আমরা দেইনি
নামজারির ফাইল আটকে রেখে প্রথমবার শুনানিতে উপস্থিত হই নাই বলে বাতিল করে। দ্বিতীয় বার সফটওয়্যার সমস্যা বলে বাতিল করে।।তৃতীয়বারের আবেদন চলমান আছে। ইতোমধ্যে ভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাবদ আমার ১০০০০টাকা শেষ।
জন্ম নিবন্ধনের সার্ভার বন্ধ এটি উপরের লোক দিয়ে করাতে হবে। ইউনিয়ন নাগরিক সেবা কর্মী।
অফিসার ফাইলে সংকেত থাকলে দিনে দিনে করে দেয়। যারা কন্ট্রাক করে তাদের ফাইলে সংকেত দেয় দালালেরা, আর যদি সংকেত না থাকে অফিসার শুধু ঘুরাই , সব ঠিক থাকলেও আবার ডেট দেয়। টাকা দিলে সাথে সাথে করে দেয়। সরেজমিনে গেলে তা হাতে নাতে প্রমাণ পাবেন। সরাসরি ফাইল চেক করে। যত অপকর্ম সেই করে। জাল ডকুমেন্স দিয়ে অন্য উপজেলার লোককে হাটহাজারীতে ভোটার করে। টাকা দিলে সব করে।
তেজগাঁও BRTC ট্রেনিং ইনস্টিটিউট য়ে SICIP এর চার মাস মেয়াদে মোটরযান ড্রাইভিং ও মেইনটেনেন্স প্রশিক্ষণ শেষে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা দেওয়ার সময় যে ব্যবহারিক পরীক্ষাটা নেওয়া হয় সেটা একটি নামমাত্র পরীক্ষা। এখানে টাকার বিনিময়ে পরীক্ষায় পাশ করানো হয়। এই প্রক্রিয়ার সাথে বিআরটিসি এবং বিআরটিএ উভয়েই জড়িত।
আমি সরকার এটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় চাকরি করি। আমার পদোন্নতি জন্য টাকা চাওয়া হয় । কিন্তু আমি এ বিষয়ে আর কোন কথা বলতে রাজি না হওয়াতে টাকার পরিমাণ তারা উল্লেখ করতে পারেনি। আমি যে টাকার পরিমাণে উল্লেখ করেছি সেটা ধারণা। তবে টাকা দিতে অস্বীকার করাতে আমার নিয়োগ বিধি বাতিল করা হয়েছে। টাকা না দেওয়ার কারণে আমি একই পদে ২৮ বৎসর চাকরি করছি। আমাকে এই পদের থেকে রিটায়ারমেন্টে যেতে হবে। আমার মন্ত্রণালয়ের সবাই জানে।
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের ১ লক্ষ টাকার কাজে ৩০০০০ হাজার টাকা দিতে হয়।
এটা আমদানি ডকুমেন্টস শুল্কায়নের সময় এআরও এবং আরও কে দেওয়া নূন্যতম পরিমান
ফুফুর কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকার জায়গা ক্রয় করি। রেজিষ্টি করতে গেলে জানানো হয় আমার দাদার নামের বানান ভুল আছে। ফলে রেজিষ্টি হবে না। অফিসের বাইরে আসলে একজন দালাল এসে বলে ৫ লাখ দিলে রেজিষ্ট্রেসন হবে। দায়িত্বশীলদের সাথে কথা বলতে চাই। দালাল জানায় অফিসের কেউ এ বিষয়ে কথা বলবে না। এটা আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে। বানান সংশোধনের পর আবার গেলে, এবার আরেকটি বানান ভুলের কথা জানিয়ে আবারো রেজিষ্ট্রি প্রত্যাখ্যান করে। এভাবে প্রায় ৮/১০ বার নানা অজুহাতে রেজিষ্ট্রি করেনি। সরকারের কাছে সুপারিসের অনুরোধ: জমি রেজিষ্টির জন্য ভূমি অফিসে উঠার পরে যদি সাব রেজিষ্টার তা রেষ্টি না করেন, তবে কি কারণে তিনি রেষ্ট্রি করছেন না তার যেনো একটি লিখিত কারণ সংশ্লিষ্ঠ সেবা গ্রহীতাকে প্রদানের বাধ্যবাধকতা সরকার থেকে আরোপ করা হয়।
পিরোজপুর brta তে দালাল ও মেজিস্টেট ও অফিস সহকারি রা মিলে টাকার মাধ্যমে বাইক ও গাড়ির লাইসেন্স দেয়া হয়। আমি দেখেছি জারা জিক জেক পড়িক্ষা য় ফেল করার পড় ও তাদে পাস হয়ে জায়। তাদের সাথে কাথা বলার পড় তারা বলে 14000 টাকায় কন্টাক্ট হয়েছে
বাংলাদেশের আদালত ব্যবস্থায় দুর্নীতি ও ঘুষ বাংলাদেশের আদালত প্রাঙ্গণে মামলা ফাইলিং, সাক্ষী হাজির বা প্রত্যাহার, তদবিরসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় ১০০–৫০০ টাকা পর্যন্ত খরচ বা ঘুষ দিতে হয়। ছোট একটি কাজের জন্যও যদি বাড়তি টাকা না দিলে ফাইল নড়ে না, তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে ন্যায়বিচারের জায়গাতেও কি ঘুষ এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে? আদালত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল, যেখানে একজন সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় আসে। সেখানে যদি প্রতিটি ধাপে অনিয়ম, তদবির ও অর্থ লেনদেনের সংস্কৃতি তৈরি হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা কীভাবে অটুট থাকবে? দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিচার করবে কে, যদি বিচারব্যবস্থার ভেতরেই দুর্নীতির অভিযোগ থাকে?
আমার আব্বা আর আমার চাচা ১৯৮৮ সালে ৫ গন্ডা আলাদা আলাদা দলিলে ২.৫ গন্ডা করে ক্রয় করে। পরে আমার বাবা ২০২৩ সালে আমার আববা তার জায়গা ২.৫ গন্ডা নামজারি করে কিন্তুু আমার চাচা করে নি। তিনি পুনরায় তার ছেলের নামে ২০২৫ সালে রেজিষ্ট্রেশন করে নামজারি করে এবং আমার আব্বার নাম জারি করছে ঐ জায়গায় উপর মিস মামলা করে। আমার আব্বা আমার চাচার ছেলের দলিলে বাতিলের জন্য মামলা করে যা এখনো চলমান।কিন্তু AC office মিস মামলা রায় হিসাবে আমার আব্বা নামজারি বাতিল করে দে। যা তিনি করার আধিকারিক নয়। AC land ৫০০০০ টাকা বিনিময়ে আমার চাচার সাথে contact করেন। AC Officer একজন মেয়ে লোক। খুব তারাতাড়ি তিনি প্রমোশন হয়ে uno হয়ে চলে যাচ্ছেন। এই হলো ভূমি অফিস। টাকা যার মুলুক তার।😭
দক্ষিন আইচা কলেজ চরফ্যাশন, ভোলা অধ্যক্ষ মহোদয় ব্যাপক অনিয়ম করে থাকেন, অধিকাংশ শিক্ষক কলেজে না এসে বিল তুলে নেয়,কলেজে অধ্যক্ষকে আর্থিক সুবিধা দিয়ে।
পৌরসভা থেকে কাজ করতে হলে খুশি করা লাগবে।
আমি যথারিতি আমার পাসপোর্ট এর আবেদন করার জন্য যাই,আমি সমস্ত কাগজ সাবমিট করার পর সরকারি চার্জ অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করতে গেলে ওখানকার একজন বলে এ টাকায় হবেনা,আপনাকে মোট ১৫০০০ টাকা দিতে হবে,,কিসের জানতে চাইলে ঝামেলা করে,,অতপর আমি না বলে চলে আসি।
Will provide driving license even i I fail !
বেতন ফিক্সেশনের ফাইল অনুমোদন করার জন্য জেলা হিসাব রক্ষণ অফিস সরাসরি ঘুষ না চাইলেও ফাইল রেখে যেতে বলেছিল৷ পরে খোজ নিতে কল দিলে অডিটর জানায় যে একজন পিওন পাঠাতে তাহলে ফাইল অনুমোদন হয়ে যাবে। পিওন কে পাঠানোর পর পিওন আমাকে জানায় যে, এক হাজার টাকা না দিলে ফাইল অনুমোদন হবেনা।
গর্ভবতী কার্ড করে দিবে বলে হালিমপুর ইউনিয়ন ব্যাংক এশিয়ার উদ্দোক্তা — আমি সহ একাধিক মানুষের কাছ থেকে ৬ হাজার, ৭ হাজার টাকা করে দাবি করেন, অনেকই টাকা দিয়েছে যারা না দেয় তাদের কার্ড হয়না। টিসিবির কার্ডের ক্ষেত্রে সেইম সমস্যা যাদের আগের কার্ডের সমস্যা হয়েছে নাম্বার বা অন্য কিছু এগুলো ঠিক করার জন্য প্রায় অনেক মানুষের কাছ থেকে ৩শ + করে টাকা নিয়ে কাজ করেনি এমন উদাহারন অনেক আছে। এছাড়া এই ব্যাংকের উদ্দোক্তা পরিষদের সকল কাজ করে থাকেন সেখানে প্রচুর পরিমান অনিয়ম হয়, আপনার চাইলে হালিমপুর ৫০০ মানুষের কাছে জরিপ করে তথ্য নিতে পারেন ৩+ লোক অভিযোগ করবে আমি নিশ্চিত যদি তাদের সেপ্টি দেওয়া হয়
বাংলাদেশ কর অধিতপ্তরের ভিতরের দুর্নীতি আকাশ ছোয়া। ১২ লাখ টাকার কর মাত্র দুই থেকে তিন লাখ টাকায় মওকুফ করা হয়। এমনকি ভিতরের কর্মচারীরা কিভাবে কর প্রদানকারীর বর্তমান সম্পত্তি উধাও করে তার কর ফাঁকি দেওয়ার ব্যাবস্থা করে। এতে কর অফিসের সবার টাকার পাহার হয় তবে সরকারের টাকা থাকেনা।