নামজারি
আমার ২ শতক জমি নামজারি করতে গেলে আমার কাছে ২০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছে, পরে আমি আর আমার জমি নামজারি করিনি।
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমার ২ শতক জমি নামজারি করতে গেলে আমার কাছে ২০০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছে, পরে আমি আর আমার জমি নামজারি করিনি।
Amer hat vangcilo .. ami gaibandha sorkari hospital a doctor ke dakhaici .. tini dekhe bollen samne lok acen unader diya bandage kore naw . Ami galam . Tok taw niya galo .. amake bosaiya raklo pura 2 ta ghonta .. nana kotha bole santona day .. othocho sobar tai kore dicche .. pore ami ses mes prokash kore lok take bollam apnr kisu raja lagbe .? Uni tokhon bollen 500 taka lagbe .. ami 300 dite raji hoile tini kore dan ni .. porobortite 500 diyai kore nici
স্হানীয় কর্তৃপক্ষ হিসাবরক্ষণ অফিসে বিল প্রস্তুত করে স্ব স্ব ক্যাশ অর্ডার়লী মাধ্যমে বিল প্রেরণকালে বিল ৪ শাখার দায়িত্বরত নারী অডিটর — ও অন্যান্য অডিটরণ প্রত্যেক বিভাগের ক্যাশ অর্ডালীদের নিকট হতে আড়ালে ঘোষ বা ৪-১০℅ কমিশন নিয়ে বিল প্রস্তুতসহ পাশ করিয়ে সেবা দেন। আড়ালে টাকা বা তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছা পুরণ না করলে বিল টুকেন নাম্বার দিয়ে ফেরত দেন। আর কোন ক্যাশ অর্ডারলী প্রতিবাদ করলে উল্টো তাদের অফিস প্রধানের নিকট অভিযোগ করেন। বলেন সে এসে খারাপ আচরণ করে তাদের কথা মানেন না।
“Dhaka CJM Cort No.37 -এক প্রতারক প্রতারনা করে আমার ৯৫ লক্ষ টাকা মেরে দেয় পিবিআই তদন্ত করে পরিপূর্ণ সত্যতা পেয়ে কোর্টে প্রতিবেদনো জমা দেয় কিন্তু টাকার বিনিময়ে আসামী খালাস হয়ে জামিন নিয়ে বের হয়ে যায়। দেশে সততা ফিরিয়ে আনতে হলে নিম্ন ও ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের (CMM, CJM) বিচারকদের আগে ঠিক করতে হবে। তাদের দেয়া রায় পরবর্তীতে ভুল প্রমানিত হলে, তার ভুল রায় দেয়ার কারনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার ও ক্ষতিগ্রস্হদের ক্ষতিপূরন আদায়ের বিধান থাকা জরুরী। সেই সাথে এসব অযোগ্য ব্যক্তিদের বিচার ব্যবস্হা থেকে বহিস্কার করতে হবে।
আমি যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মনিরামপুর অফিসের একজন গ্রাহক। আমার বাড়ির বিদ্যুতের খুঁটি ও লাইনের রুট পরিবর্তনের জন্য গত জুন মাসে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করি। পরবর্তীতে এ কাজের জন্য অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় টাকা জমাও প্রদান করি। কিন্তু কিছুদিন পর পল্লী বিদ্যুতের সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার আমাকে ফোন করে জানান যে, আমি যদি তাকে অতিরিক্ত ৮,০০০/- (আট হাজার) টাকা প্রদান করি, তাহলে তিনি এক-দুই দিনের মধ্যে কাজটি করে দেবেন। অন্যথায় কাজ করতে প্রায় এক মাস সময় লাগবে বলে জানান। আমি ওই অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানাই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এরপরও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও আমার খুঁটি ও বিদ্যুতের লাইনের রুট পরিবর্তনের কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি এবং বিষয়টি ঝুলে আছে।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ৩০০০ টাকা দাবি করে। টাকা ছাড়া কাজ হবে না বলে জানিয়ে দেয়।
The Project Director of a Development Project demanded 5 lac taka to settle down government audit outcomes against him. The most corrupt person I have seen in a government department who ruined the project because of his corruption and now the project loan is being repaid by the tax payers of Bangladesh without any tangible outcome of the project.
ভোলা পাসপোর্ট করার সময় আমার সব কাগজ ওকে ছিলো।অফিস অফ হওয়ার কথা ছিলো ৪ টায়।আমি ১২ টায় গেছি বলে হবে না,পরে এক আনসার এসে বলে টাকা ছাড়া হবে না,টাকা দেন ১৫০০ এখন হয়ে যাবে।আমি নাছর বান্দা পরের দিন ৯ টায় এসে হাজির।সব কাগজ রেডি থাকার পর ও আমাকে নানান কাগজ আনতে বলে,আমি অইগুলাও নিয়ে আসি।পরে উপায় না পেয়ে করে দেয় পাসপোর্ট।
ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্ড গ্রহণের সময় ১০০ টাকা খরচ চাওয়া হয়েছিল । আমি বলেছি বিকাশ নাম্বার দেন সেখানে দিচ্ছি তারপর ভয় পেয়ে বলেছে আপনি চলে যান ।
সার্টিফিকেট তুলতে ঘুষ, জাল সনদে লাখ টাকা: শিক্ষাঙ্গনে ‘সওয়াবের’ ব্যবসা রাজশাহী কলেজে একটি সাধারণ HSC সনদ তুলতেই নেওয়া হয় ৫০০ টাকা। অন্য কোনো শিক্ষাগত নথি তুলতে গেলেই অফিস বা চা-পানের নামে আরও ১০০–৩০০ টাকা। বছরে এমন কত টাকা আদায় হয় তার হিসাব কি কেউ রাখে? অভিযোগ আরও গুরুতর: আশপাশের কিছু প্রতিষ্ঠানে বিপুল অর্থের বিনিময়ে বৈধ হিসেবে দেখানো নিবন্ধিত পাস-কোর্স সনদ বিক্রির কথাও শোনা যায়। এমনকি চাকরিতে পদোন্নতির জন্য ২ লাখ টাকায় ‘বৈধ’ অনার্স সনদ নেওয়ার ঘটনাও রয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, ঘুষগ্রহীতারা বলেন এভাবে ‘সহায়তা’ করে তারা সওয়াব অর্জন করছেন, যা তাদের জান্নাতে নিয়ে যাবে বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রির ক্ষেত্রেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে।
আমাকে ফোন দিয়ে বলছে নামজারি করার জন্য ৩০০০০ টাকা দেন না হলে আপনার নাম জারি করা যাবে না। আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিস
খুলনা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যেকোনো দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলেই নানা অংকে ঘুষ দিতেই হয়।
২০১৮ সালে চট্টগ্রাম কাজির দেঊরী কাঁচা বাজারে মার্কেটর এর দোকান স্থানান্তর এ বাজারের সহ সভাপতি, সভাপতি, কাউন্সিলর নেতৃত্ব অনিয়মের মাধ্যমে ঘুষ খেয়ে পিছনের দোকান কে সামনের পজিশন প্রদান করে কোটি টাকা দুর্নীতি করে। দুর্নীতি খতিয়ে দেখলেই প্রমান পাওয়া যাবে।
Kisudin age amader elakar ekjon lok bnp er nam kore kisu gorib manuser kas theke taka nei family card debe bole but as expected se card dite bertho hoi er por tar kase tk chaile vibinno talbahana kore like kaj chole die debe etc. Desher onek jaigai e emon fraud ase apnara ektu socheton holei eta dur kora possible. doya kore kawke emon kisur jonne tk deben na.
সিলেট এল অ অফিস ও ডিসি অফিসে রমরমা ঘোষ বাণিজ্য চলছে দেখার কেউ নেই। এলো অফিসে জমি অধিগ্রহণ টাকা তুলতে গেলে যে পরিমাণ ঘুষ চাওয়া হয়।আর এরকম হয়রানি করানো হয় তা বলে শেষ করান না । সরকারি অফিসাররা সাধারণ মানুষের সাথে দেখা বা কথা বলেন না তারা এসের রুমে বসে গল্পগুজব করে এই সময় কাটান। ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের সাথে দেখা করা যায় না তারপরে তো ঘোষ বাণিজ্য চালিয়ে যান একজন সাধারণ মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের সাথে দেখা না করতে পারে বসে থাকে আর তারা এসি রুমে আরামে দিন কাটান এদের দেখার কেউ নেই । ডিসি অফিসে গেলেও সরকারি অফিসার রা সাধারণ মানুষের সাথে যে রকম আচরণ করে তা বলে বুঝাতে পারব না । ঘুষ দিলে কাজ হয় না দিলে কোন কাজ হয় না আর অফিসাররা যেরকম আচরণ করে । ঘোষ দিলেও তারা এরকম আচরণ করে আর না দিলে তো আরো খারা
মায়ের নামের বানানে ভুল থাকায় ২০০০০ দাবি করে আলিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব।
আমার নামে ৩০ ধারা মামলা হয় মাঠ জরিপ বহাল রাখতে টাকাটা চাওয়া হয়।পেশকার শাখা
চট্টগ্রাম ইপিজেডস্থ বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ফায়ার লাইসেন্স, ফায়ার সেইফটি প্ল্যান আরো নানাবিধ কাগজপত্র নিয়মিত হালনাগাদ করতে হয়। এক্ষেত্রে ফায়ার ডিপার্টমেন্ট থেকে ফ্যাক্টরি সমূহ যথাযথ সহায়তা পায় না। ছোটখাটো বিষয়সমূহকে বড় ইস্যু করে হয়রানি করা হয় এবং যখন টাকা দেওয়া হয়, তখন তাঁরা কাজ করে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ফায়ার সেইফটি অফিসের সাবেক ডেপুটি ডিরেক্টর-—-বিএফএম, তিনি যতদিন দায়িত্ত্বে ছিলেন, প্রচুর পরিমাণে ঘুষ লেনদেন করেছিলেন। এখন তিনি অবসরে যাওয়ার পরও বর্তমান কর্মকর্তাদের সাথে হাত মিলিয়ে এ ধরণের কাজের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি করছেন। এমনকি, Green Valley International নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে ফায়ার সেইফটি টুলস সরবরাহের ব্যবসা করেন।
ভাইবাতে গিয়ে চাকরি-টা পাওয়ার জন্য ঘুষ হিসেবে আমাকে ১০লক্ষ টাকা দিতে বলা হলো আর আমি তা পত্যাখ্যান করি এবং সেখান থেকে চলে আসি
একটি জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম আর্জেন্ট, ১০০ টাকা ফিস বলা হলেও আর্জেন্ট বলাতে ১০০০ টাকা দাবী করে। এমনিতে ৩ দিনেও হবেনা, কিন্তু তাকে ১০০০ টাকা দিলে ২ ঘন্টার মধ্যে হয়ে যাবে বলে জানায়। মহিলার নাম মনে নেই এখন।