নামজারি আবেদন
নামজারির আবেদন, এর আগে ২ বার করেছিলাম। সর্বশেষ দাতার খতিয়ান ও েএনআইডিতে নামের বানান এর সামান্য যেমন — ও — এর জন্য নামঞ্জুর করা হয়েছে। কিন্তু এর জন্য ৫০০০ টাকা দিলে তা সম্পন্ন করা হতো।
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারির আবেদন, এর আগে ২ বার করেছিলাম। সর্বশেষ দাতার খতিয়ান ও েএনআইডিতে নামের বানান এর সামান্য যেমন — ও — এর জন্য নামঞ্জুর করা হয়েছে। কিন্তু এর জন্য ৫০০০ টাকা দিলে তা সম্পন্ন করা হতো।
শোরুম যখন গাড়ির ডাটা করে তারপর সব ফাইল বিআরটিএ-তে জমা দিতে হয় তারপর নাম্বার জেনারেট হয়৷ এই নাস্বার জেনারেট টাকা দিলে ৭ দিনে না দিলে ২/৩ মাস লাগে। তখন ই ১৫০০ টাকা ঘুষ দিলে কাজ দ্রুত হয়।
গাড়ির সব ফাইল জমা দেওয়ার পর ঘুষ দিলে নাম্বার ৭ দিনে পাওয়া যায় আর ঘুষ না দিলে ২/৩ মাস সময় লাগে।
ইউনিয়ন পরিষদের কেউ নতুন জন্ম নিবন্ধন সনদ পেতে গেলে গড়ে ৫০০টাকা দিতে হয় বিশেষ করে নতুন জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে গেলে
২০২৪ সালে আমি আমার বাবার কেনা ফ্লাটটি ওয়ারিশ দের নামে নামজারি করতে রাজউক হেড অফিস এ গেলে তারা ১লাখ টাকা দাবি করে। আমি কাজ না করিয়ে চলে আসি।
হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফেরত পাওয়ার জন্য থানায় জিডি করা হয়েছিলো। পুলিশ অনুসন্ধান করে ফোনের লোকেশন বের করে আমাকে ফোন দিয়েছিলো। থানার সামনে দেখা করতে বললো। তারপর দাবি করলো টাকা। ঘুস দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বললো, ওই এলাকায় আছে ফোন, যেয়ে নিয়ে আসেন।
ঠিকাদারি কাজের বিল উত্তোলনের সময় অফিস খরচ বাবদ ১.৫% এজি খরচ বাবদ ০.৫%। ইন্জিনিয়ারদের ১.৫/২% এসব খরচ না দিলে বিল আটকিয়ে দেয়া।সময় মতো বিলে সাক্ষর না করা।বিল ফাইল টেবিলে পড়ে থাকা সহ সব রকম হয়রানি করা হয়।
চট্টগ্রাম ইপিজেডস্থ বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ফায়ার লাইসেন্স, ফায়ার সেইফটি প্ল্যান আরো নানাবিধ কাগজপত্র নিয়মিত হালনাগাদ করতে হয়। এক্ষেত্রে ফায়ার ডিপার্টমেন্ট থেকে ফ্যাক্টরি সমূহ যথাযথ সহায়তা পায় না। ছোটখাটো বিষয়সমূহকে বড় ইস্যু করে হয়রানি করা হয় এবং যখন টাকা দেওয়া হয়, তখন তাঁরা কাজ করে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ফায়ার সেইফটি অফিসের সাবেক ডেপুটি ডিরেক্টর-—-বিএফএম, তিনি যতদিন দায়িত্ত্বে ছিলেন, প্রচুর পরিমাণে ঘুষ লেনদেন করেছিলেন। এখন তিনি অবসরে যাওয়ার পরও বর্তমান কর্মকর্তাদের সাথে হাত মিলিয়ে এ ধরণের কাজের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি করছেন। এমনকি, Green Valley International নামক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে ফায়ার সেইফটি টুলস সরবরাহের ব্যবসা করেন।
টাকা কর্মচারীর কাছে হাতে দিতে বলেছেন
নিজে থেকে অনলাইনে আবেদন করে সকল কাজ সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করার পরে থানা থেকে আবেদন বাতিল করে দেয়। আবার তাদেরকে ১০০০ টাকা দিলে সব কিছু ঠিক হয়ে যায়।
সিলেট এল অ অফিস ও ডিসি অফিসে রমরমা ঘোষ বাণিজ্য চলছে দেখার কেউ নেই। এলো অফিসে জমি অধিগ্রহণ টাকা তুলতে গেলে যে পরিমাণ ঘুষ চাওয়া হয়।আর এরকম হয়রানি করানো হয় তা বলে শেষ করান না । সরকারি অফিসাররা সাধারণ মানুষের সাথে দেখা বা কথা বলেন না তারা এসের রুমে বসে গল্পগুজব করে এই সময় কাটান। ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের সাথে দেখা করা যায় না তারপরে তো ঘোষ বাণিজ্য চালিয়ে যান একজন সাধারণ মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের সাথে দেখা না করতে পারে বসে থাকে আর তারা এসি রুমে আরামে দিন কাটান এদের দেখার কেউ নেই । ডিসি অফিসে গেলেও সরকারি অফিসার রা সাধারণ মানুষের সাথে যে রকম আচরণ করে তা বলে বুঝাতে পারব না । ঘুষ দিলে কাজ হয় না দিলে কোন কাজ হয় না আর অফিসাররা যেরকম আচরণ করে । ঘোষ দিলেও তারা এরকম আচরণ করে আর না দিলে তো আরো খারা
আমার জমানো জিপিএফ এর টাকা থেকে অগ্রীম উত্তোলন পাশ করতে ৫০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেছিল। পরে শেষপর্যন্ত ৪০০০ টাকা দিতে হয়েছে অফিসের বড় বাবুকে
এসএ দাগ হতে বিআরএস দাগে রূপান্তরের সূচিপত্রে ভুল থাকায় তা সংশোধনের জন্য মে'২৬ এ আবেদন করি। আবেদনটি নিষ্পত্তির জন্য কোন সুনির্দিষ্ট তারিখ না দিয়ে আজ নয় আগামী সপ্তাহে আসুন, এ সপ্তাহে নয় পরের সপ্তাহে আসুন বলে বলে গত পনের দিন আগে ১০০০০/০০ (দশ হাজার) টাকা ঘুষ দাবী করা হয়। যা ৮০০০/০০ (আট হাজার) একক ব্যক্তি ও ২০০০/০০ (দুই হাজার) টাকা অন্যান্যদের মাঝে আনুপাতিক হারে বন্টিত হয় বলে জানায়। টাকা না দিলে আবেদনটি নিষ্পত্তি করতে এক দেড় বছর সময় লাগবে বলে চলে যেতে বলে।
I am a Private Job holder. I have been submitting my income tax file from 2012. Last year a woman from local income tax office called me and demanded that i had to pay 65000 taka as fine. She sent me scan copy of show cause notice . When i checked the document i found they put some fake properties as mine. When i communicated Local Tax office i found that a woman of same name & profile picture working there as Assistant tax Commissioner. For some days they put me in tremendous pressure & harassed me in a lot of ways. But i didn't pay the as i knew that i was honest & didn't make any mistake. I didn't complain to Police. Because surely they will blackmail me 2nd time.
কৃষিগবেষণা ভিতরে বহিরাগতরা ডুকতে চাইলে গেইটে যে আনসার ও সেবার লোক থাকে তাদের ৫০-৫০০ টাকা ঘুষ দিত হয়। সরকারি ছুটির দিন আরো বেশি টাকা দাবি করে।
আমার নামে ৩০ ধারা মামলা হয় মাঠ জরিপ বহাল রাখতে টাকাটা চাওয়া হয়।পেশকার শাখা
আমাকে ফোন দিয়ে বলছে নামজারি করার জন্য ৩০০০০ টাকা দেন না হলে আপনার নাম জারি করা যাবে না। আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিস
একটি জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়েছিলাম আর্জেন্ট, ১০০ টাকা ফিস বলা হলেও আর্জেন্ট বলাতে ১০০০ টাকা দাবী করে। এমনিতে ৩ দিনেও হবেনা, কিন্তু তাকে ১০০০ টাকা দিলে ২ ঘন্টার মধ্যে হয়ে যাবে বলে জানায়। মহিলার নাম মনে নেই এখন।
জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ৩০০০ টাকা দাবি করে। টাকা ছাড়া কাজ হবে না বলে জানিয়ে দেয়।
ভাইবাতে গিয়ে চাকরি-টা পাওয়ার জন্য ঘুষ হিসেবে আমাকে ১০লক্ষ টাকা দিতে বলা হলো আর আমি তা পত্যাখ্যান করি এবং সেখান থেকে চলে আসি