পদায়ন
ঢাকায় পদায়ন। ৩য় শ্রেণী কর্মচারীরা দাবি করেছিলো সে সব ম্যানেজ করে দিবে।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ঢাকায় পদায়ন। ৩য় শ্রেণী কর্মচারীরা দাবি করেছিলো সে সব ম্যানেজ করে দিবে।
মাগুরা পাসপোর্ট অফিস এর সকল কর্মকর্তা ঘুষখোর
অনেক কিছু শশযযরঠররঠরঠরঠযঠঠযনঠনঠনঠনঠণ
নামজারি করতে গেলে, কোন কিছু না শুনেই আগে বলে ৫০ হাজার টাকা দিলে সব ১ মাসেই করে দিবো। না দিলে কথা বলা দরকার নাই। উনি এসিল্যান্ডের কথা বলে টাকা নেয়। সম্ভবত এসিল্যান্ডও এর ভাগ পায়। ইউনিয়ন ভূমি অফিসার এসব কাজ করে আসছে দিনের পর দিন। দেখার কেউ নাই
ট্যাক্স এর ইনস্পেকটর অডিটে থাকা নথি ক্লিয়ার করে দেয়ার কথা বলে ২,০০,০০০/- চেয়েছিল
আমাদের খতিয়ানের জায়গা, আমার দাদি মসজিদের নামে জায়গা দান করে মৃত্যু বরণ করেন।কিন্তু আমার ফুফুত ভাই এরা মসজিদে দান কবলা গোপন রেখে জায়গা বিক্রি করে।যারা জায়গা নিয়ে তারা এই জায়গা নামজারি খতিয়ান করে নেন।এই নামজারির বিরোধে আমি মিস মামলা করি।এসি ল্যান্ড এক তরফা শুনানি করেন।কিন্তু অফিস আদেশ করার জন্য নাজির কমপক্ষে ১৫-২০ হাজার টাকা খোজতেছে।টাকা না দেওয়া কারণে এখনও অফিস আদেশ করে নি। এই অফিসে ঘুস ছাড়া কোন কাজ করে না।
পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম রিজেক্ট করেছে পরবর্তীতে আনসার ছিল যার করে দেওয়ার করেছিল তো আমি আরো চার বার ঘোরার পরে আমি আমার পাসপোর্টটি রিনিউ করতে সক্ষম হয়েছিলাম টোটাল আমার প্রায় ৭ মতো পাসপোর্ট অফিসে যাওয়া লাগছিল তাই ভুল দ্বিতীয় সপ্তাহে ভুল এই কাগজ নেই ওই কাগজ নেই এখান থেকে সংশোধন পরবর্তীতে আর সময় টিমের সাংবাদিক — তার পরিচয় দেওয়ার পরের দিন জমা নিয়েছেন।
সংক্ষেপে : সাইপ্রাসে স্টুডেন্ট ভিসা পাই। ১ম ফ্লাইট টিকেট, ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের কারনে বাতিল হয়।যার জন্য সাইপ্রাস সরকার ভিসা মেয়াদ বাড়িয়ে দেয়।২৭/৪/২৬ দ্বিতীয় ফ্লাইট টিকেট , সব কাগজ সঠিক থাকা সত্ত্বেও ইমিগ্রেশন অফিসার 'স্টাডি গ্যাপ বেশি ' এই কথা বলে যাইতে দেয় নাই।২৯/৪/২৬ তৃতীয় ফ্লাইট টিকেট , 'ব্লু পেপার ভিসা মেয়াদ শেষ'(যেটা যুদ্ধের কারণে বাড়ানো হইছিলো) এই কথা বলে বোর্ডিং পাস দেয় নাই। এজেন্সি আমাকে আগেই সতর্ক করেছিল যেন ঘুষ দিয়ে দেই।কিন্তু আমি ঘুষ দেই নাই।যখন ফ্লাইটের সময় খুব নিকটে, তখন (কাতার এয়ারলাইনসের) সিকিউরিটি এজেন্ট বলে, "ঘুষ ছাড়া পারলে যা, আমার কাছে প্রধানমন্ত্রীরও টাইম নাই।" এরপর তাদের অফিসে গিয়ে এবং মুঠোফোনে বহুবার যোগাযোগ করেছি। কিন্তু তারা বিভ্রান্তিকর কথা-বার্তা বলে।
আমরা সবাই জানি নামজারি করতে ১১৭০ টাকা লাগে কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। আমার একটা নামজারি করতে গিয়ে দেখি তারা ৫০০০ টাকা দাবি করে। এখানে অবাক করার বিষয় হলো অফিসাররা আপনার কাছে কোন টাকা চাইবে না, তারা কম্পিউটার অপারেটর দিয়ে বলবে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঘুষ নেওয়ার এই বিভিন্ন কৌশল আমাকে বরাবরই মুগ্ধ করে চলেছে
আমি একটা নতুন মিটারের জন্য আবেদন করতে চেয়েছিলাম, আমাকে বলেছে আবেদন করলে ৬-৭মাস লাগবে। কিন্তু ১০০০০ টাকা দিলে ১০ দিনের মধ্যে দিয়ে দিবে।
রিটার্ন এর সাটিফাইড কপি চাইবার পর কপি সরবরাহ করতে ট্যাক্স অফিস এর দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা (Zone 14 Circle 302) ৭০০০ টাকা অফিস খরচ দাবি করেন।
খুব ভালো একটা প্রচেষ্টা। আরও কিছু যুগ করছি। কোথায় ঘুষের পরিমাণ কত, রেট কত এই রকম information থাকলে ভালো হতো।
নাম জারি করতে ২০০০০ টাকা দাবি করে।
শিবগঞ্জ থানার বিহার ভুমি অফিসে প্রতি নামজারিতে ২০০০০ টাকা থেকে ঘুষ দাবি শুরু।না দিলে কাজ হয় না।
অতিরিক্ত টাকা দাবি করেছিল।
মিটারে রিডিং আসে না তবুও বিল বেশি লিখে। টাকা না দিলে পরের মাস থেকে আরো বেশি বিল আসবে বলে হুমকি দেয়।
বদলী বিষয়ক। প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে প্রধান শিক্ষকদের (সহকারি ও প্রধান শিক্ষক) বদলীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে কেউ টাকা দিয়েছে অথবা রাজনৈতিক কোন নেতা /ডিপিও দিয়ে ফোন করিয়ে অন্যায়ভাবে সুবিধামত স্কুলে চাকরি করছে। কিন্তু একই নীতিমালার আলোকে একজন এই সুবিধা পেলেও অন্যরা পাচ্ছেনা।
ফাইল সাইন করার জন্য পিওন, হিসাব রক্ষক কর্তৃক টাকা চাওয়া হয়। অফিস প্রধান টাকা খেতে না পেরে ফাইল ১ মাসেও সাইন করেনা!
বিভাগের মামলায় রায় সাতকানিয় আদালতে হয কিন্তু অনেক ভুল পরিলক্ষিত হয তাই আপিল করতে রায়ের কপি দরকার কিন্তু সেই কপি নিতে ১০০০০ লাগবে বলছে
আমরা রাজস্ব সরকারি সার্কুলারে নিয়োগপ্রাপ্ত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী, আমাদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি বাসা, আমাদের না দিয়ে আউটসোর্সিং, দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী, কার্যভিত্তিক কর্মচারীদের ঘুষের বিনিময়ে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়।ওদের লোক আছে, টাকা আছে, ক্ষমতা আছে, এভাবেই ওদেরকে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, অথচ আমরা রাজস্ব নিয়োগের প্রাপ্য এরপরও পাচ্ছি না, আমাদের বলা হচ্ছে বাসা খালি নেই, গণপূর্ত অধিদপ্তর ঢাকা